Controller of Certifying Authorities - CCA

Controller of Certifying Authorities - CCA Building Public Awareness in secure e-transaction

The Office of the Controller of Certifying Authorities(CCA) is an organization under Information and Communication Technology Division of Ministry of Posts, Telecommunications and Information Technology. The Office of the Controller of Certifying Authorities(CCA) is established under the Information and Communication Technology (Amended) Act, 2006 on May in 2011. The Controller is the head of th

e office and he exercises his power and functions under the Information and Communication Technology (Amended) Act, 2006. A controller is appointed by the Government to supervise and control all Certifying Authorities of Electronic Signature in 2009. Since it is plausible and necessary to provide legal recognition & security of Information and Communication Technology, the Government has passed the Information and Communication Technology (Amended) Act, 2006 by which Digital Signature is being introduced among the people of Bangladesh and Electronic Signatures, Records have been given legal recognition. National Information & Communication Technology Policy- 2009 (Amended 2015) provides directions to introduce Digital Signature. Digital Signature is introduced in 2009 under the ICT Act, 2006 and it will gradually spread over the whole country. Under Section-8 of the ICT Act, 2006, the usage of Digital/ Electronic Signature and Records is recognized in all Government offices.

24/05/2026
24/05/2026

'Digital Sign 001

আপনার পরিচয়
আপনার নিরাপত্তা
ডিজিটাল স্বাক্ষর । 🔏🔏🔏🔏🔏🔏🔏🔏

অদ্য ১৭.০৫.২০২৬ খ্রি. তারিখে সিসিএ কার্যালয়ের উদ্যোগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ডিজিটাল স্বাক্ষর বিষয়ক সেমিনার অনুষ্...
17/05/2026

অদ্য ১৭.০৫.২০২৬ খ্রি. তারিখে সিসিএ কার্যালয়ের উদ্যোগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ডিজিটাল স্বাক্ষর বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আবদুল খালেক, সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ; সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: শাহজাহান মিয়া, অতিরিক্ত সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনাব এ.টি.এম. জিয়াউল ইসলাম, নিয়ন্ত্রক, সিসিএ কার্যালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

অদ্য ৭/৪/২০২৬ তারিখে সিসিএ কার্যালয়ের উদ্যোগে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ডিজিটাল স্বাক্ষর বিষয়ক প্...
07/04/2026

অদ্য ৭/৪/২০২৬ তারিখে সিসিএ কার্যালয়ের উদ্যোগে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ডিজিটাল স্বাক্ষর বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর কী? বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্যের নিরাপত্তা ও ভেরিফিকেশনের জন্য ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর (Digital Signature...
15/03/2026

ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর কী?
বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্যের নিরাপত্তা ও ভেরিফিকেশনের জন্য ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর (Digital Signature) খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এটি অনলাইনে কোনো ডকুমেন্ট বা তথ্যের সত্যতা, অখণ্ডতা এবং প্রেরকের পরিচয় নিশ্চিত করে। অর্থাৎ ডকুমেন্ট যার কাছ থেকে এসেছে তিনি অথেনটিক এবং ডকুমেন্টে কোন পরিবর্তন করা হয়নি এটা ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর নিশ্চিত করে।

কেন ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর গুরুত্বপূর্ণ?
১। দ্রুত ও নিরাপদ ডকুমেন্ট অনুমোদন
২। অনলাইনে নিরাপদ লেনদেন
৩। কাগজবিহীন প্রশাসন (Paperless Government)
৪। সময় ও খরচ সাশ্রয়

ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর কীভাবে তৈরি হয়?
ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর সাধারণত পাবলিক কি ইনফ্রাস্ট্রাকচার (PKI) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়। প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে এমনঃ
১। প্রথমে একটি হ্যাশ ফাংশন ব্যবহার করে ডকুমেন্টের একটি ইউনিক “হ্যাশ ভ্যালু” তৈরি করা হয়।
২। এই হ্যাশ ভ্যালুটিকে ব্যবহারকারীর প্রাইভেট কি (Private Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট করা হয়।
৩। এনক্রিপ্ট করা এই ডেটাই হলো সেই ডকুমেন্টের ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর।
অর্থাৎ, ডকুমেন্টের একটি গোপন কোড তৈরি করে সেটিকে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত কী দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়।

ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর কীভাবে কাজ করে?
যখন কেউ সেই স্বাক্ষরযুক্ত ডকুমেন্ট গ্রহণ করে, তখন সে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করেঃ
১। ডকুমেন্ট থেকে আবার নতুন করে একটি হ্যাশ ভ্যালু তৈরি করা হয়।
২। প্রেরকের পাবলিক কি (Public Key) ব্যবহার করে স্বাক্ষরটি ডিক্রিপ্ট করা হয়।
৩। যদি ডিক্রিপ্ট করা হ্যাশ এবং নতুন তৈরি করা হ্যাশ এক হয়, তাহলে বোঝা যায়—

ডকুমেন্ট পরিবর্তন হয়নি (Integrity নিশ্চিত)
স্বাক্ষরটি সত্যিই সেই ব্যক্তির (Authenticity নিশ্চিত)

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকারি ও বেসরকারি অনেক সেবায় ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের ব্যবহার বাড়ছে। ভবিষ্যতে অনলাইন চুক্তি, ব্যাংকিং, ই-গভর্নেন্স, ই-কমার্স, আইন ও বিচারিক কার্যক্রম এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য হয়ে উঠবে।

অদ্য ১৫/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখে ডাটা এজ সার্টিফাইং অথরিটির নিকট নবায়নকৃত সিএ লাইসেন্স হস্তান্তর করেন জনাব এ.টি.এম. জিয়াউল ই...
15/03/2026

অদ্য ১৫/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখে ডাটা এজ সার্টিফাইং অথরিটির নিকট নবায়নকৃত সিএ লাইসেন্স হস্তান্তর করেন জনাব এ.টি.এম. জিয়াউল ইসলাম, নিয়ন্ত্রক (যুগ্ম সচিব), সিসিএ কার্যালয়। ডাটা এজের পক্ষ থেকে নবায়নকৃত লাইসেন্স গ্রহণ করেন জনাব মো. আসিফ-উজ-জামান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডাটা এজ।

09/03/2026

ডিজিটাল যুগে আপনার সাইবার নিরাপত্তা কি সুনিশ্চিত? জানুন ডিজিটাল স্বাক্ষরের গুরুত্ব!
আমরা এখন এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে কাগজের ফাইলের চেয়ে পিডিএফ (PDF) বা ডিজিটাল ডকুমেন্টের ব্যবহার বেশি।
কিন্তু একটি বড় প্রশ্ন রয়ে যায়ঃ
👉 “আমি যার সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করছি, সে কি সত্যিই সেই ব্যক্তি?”
👉 “ডকুমেন্টটি কি মাঝপথে পরিবর্তন হয়েছে?” —তার প্রমাণ কী?
এই সমস্যার সমাধান হলো ডিজিটাল স্বাক্ষর।

ডিজিটাল স্বাক্ষর আসলে কী?
সহজ কথায়, ডিজিটাল স্বাক্ষর হলো আপনার সাধারণ হাতের স্বাক্ষরের একটি আধুনিক ও শক্তিশালী ইলেকট্রনিক রূপ। এটি গাণিতিক অ্যালগরিদমের মাধ্যমে কাজ করে, যা নিশ্চিত করে যে ডকুমেন্টটি আসল এবং এটি মাঝপথে কেউ পরিবর্তন করেনি। এটি সাধারণ স্ক্যান করা স্বাক্ষরের মতো নয়, বরং এটি অনেক বেশি নিরাপদ এবং আইনগতভাবে স্বীকৃত।
এটি নিশ্চিত করে—
✔️ ডকুমেন্টটি আসল প্রেরকই পাঠিয়েছেন (Authentication)
✔️ মাঝপথে কোনো পরিবর্তন হয়নি (Integrity)
✔️ প্রেরক পরে অস্বীকার করতে পারবেন না (Non-Repudiation)

কেন এটি আপনার জন্য প্রয়োজন?
১. নিরাপত্তা ও সত্যতা (Security): এটি নিশ্চিত করে যে প্রেরক আসলে কে। এটি জাল প্রতিরোধী প্রযুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।
২. অপরিবর্তনযোগ্যতা (Integrity): একবার ডিজিটাল স্বাক্ষর করার পর ডকুমেন্টে কোনো পরিবর্তন করা হলে স্বাক্ষরটি 'ইনভ্যালিড' হয়ে যাবে। ফলে জালিয়াতির সুযোগ নেই।
৩. আইনি বৈধতা (Legal Validity): বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে ডিজিটাল স্বাক্ষর আইনগতভাবে বৈধ। অর্থাৎ, ডিজিটাল স্বাক্ষরযুক্ত ডকুমেন্ট আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
৪. সময় ও খরচ সাশ্রয় (Save Time & Cost): সশরীরে উপস্থিত হয়ে স্বাক্ষর করার ঝামেলা নেই। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মুহূর্তেই ডকুমেন্ট সই করা যায়।
৫. নন-রেপুডিয়েশন (Non-Repudiation): এটি একটি শক্তিশালী আইনি ও প্রযুক্তিগত সুবিধা। ডিজিটাল স্বাক্ষর করলে প্রেরক পরবর্তীতে কখনোই দাবি করতে পারবেন না যে "এই স্বাক্ষরটি আমি করিনি"। যেহেতু এটি ব্যবহারকারীর একান্ত ব্যক্তিগত Private Key দিয়ে এনক্রিপ্ট করা হয়, তাই এটি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ থাকে না।
৬. গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড ও ইন্টারঅপারেবিলিটি (Global Standard): আপনি যদি বিদেশের কোনো কোম্পানির সাথে ব্যবসা বা ফ্রিল্যান্সিং করেন, তবে তারা সাধারণ স্ক্যান করা স্বাক্ষর গ্রহণ করতে চায় না। Adobe Sign বা DocuSign-এর মতো আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করলে আপনার ডকুমেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বজুড়ে বৃদ্ধি পায়।
৭. ক্লাউড ও অটোমেশন (Workflow Automation): বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি ফাইলে অনেকের স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল সিগনেচার ব্যবহার করলে অটোমেটেড সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফাইলটি একের পর এক সবার কাছে পৌঁছে যায় এবং স্বাক্ষর হওয়ার সাথে সাথে মূল কপিটি আর্কাইভে জমা হয়। এতে কোনো ফাইল হারানোর ভয় থাকে না।
৮. পরিবেশবান্ধব (Eco-Friendly): কাগজ ও কালির ব্যবহার কমিয়ে এটি সরাসরি পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখে। ডিজিটাল সিগনেচারের মাধ্যমে আপনি আপনার অফিসকে সম্পূর্ণ Paperless Office-এ রূপান্তর করতে পারেন।
৯. সফটওয়্যার ও ডাটা সিকিউরিটি (Software Integrity): আমরা যখন ইন্টারনেট থেকে কোনো সফটওয়্যার বা ড্রাইভ ডাউনলোড করি, তখন সেটি আসল কি না তা বোঝার উপায় হলো ডিজিটাল সার্টিফিকেট। যদি ফাইলটি ডিজিটাললি সাইন করা না থাকে, তবে অপারেটিং সিস্টেম আমাদের ওয়ার্নিং দেয়। এটি মূলত ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস থেকে আপনার ডিভাইসকে রক্ষা করে।

কোথায় কোথায় এটি ব্যবহার করবেন?
ডিজিটাল স্বাক্ষর এখন প্রায় সব ক্ষেত্রেই অপরিহার্য হয়ে উঠছে:
● অফিসিয়াল ডকুমেন্ট: ই-টেন্ডার, ব্যবসায়িক চুক্তি (Contracts), এবং এনডিএ (Non-Disclosure Agreement) সই করার ক্ষেত্রে।
● ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স: অনলাইন লোন অ্যাপ্লিকেশন এবং আর্থিক লেনদেনে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য।
● সরকারি সেবা: আয়কর রিটার্ন দাখিল (Income Tax), ই-পাসপোর্ট বা বিভিন্ন নাগরিক সনদে।
● একাডেমিক সার্টিফিকেট: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন রেজাল্ট শিট বা সার্টিফিকেটে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করছে।
● ই-মেইল সিকিউরিটি: আপনার পাঠানো ই-মেইলটি যে আপনিই পাঠিয়েছেন তা নিশ্চিত করতে।
● সফটওয়্যার ও অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট (Code Signing): ডেভেলপাররা যখন কোনো সফটওয়্যার বা মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেন, তখন তারা এতে ডিজিটাল স্বাক্ষর যোগ করেন। এর ফলে ব্যবহারকারীর ডিভাইস নিশ্চিত হতে পারে যে সফটওয়্যারটি আসল এবং এতে কোনো Malware বা ভাইরাস ইনজেক্ট করা হয়নি। এটি মূলত Software Integrity বজায় রাখে।

● ই-কমার্স ও অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে: অনলাইনে কেনাকাটার সময় আপনার কার্ডের তথ্য যখন সার্ভারে যায়, তখন ডিজিটাল সার্টিফিকেট (SSL/TLS) নিশ্চিত করে যে তথ্যগুলো এনক্রিপ্টেড অবস্থায় যাচ্ছে। এটি Man-in-the-Middle (MITM) অ্যাটাক থেকে আপনার আর্থিক তথ্য রক্ষা করে।
● টেলিকমিউনিকেশন ও সিম কার্ড ভেরিফিকেশন: মোবাইল অপারেটররা যখন গ্রাহকের তথ্য ভেরিফাই করে বা ই-সিম (eSIM) এক্টিভেট করে, তখন ডিজিটাল সিগনেচার ব্যবহার করা হয়। এটি জালিয়াতি করে অন্যের নামে সিম তোলা বন্ধ করে।
● স্বাস্থ্যসেবা (Telemedicine & E-Prescription): অনলাইনে ডাক্তার যখন কোনো প্রেসক্রিপশন দেন, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর নিশ্চিত করে যে এটি একজন নিবন্ধিত ডাক্তারই দিয়েছেন। এটি ওষুধের অপব্যবহার এবং ভুয়া প্রেসক্রিপশন তৈরি রোধ করে।
● ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন: ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট থেকে যখন টাকা পাঠানো হয়, তখন প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন ডিজিটাললি সাইন করতে হয়। এটি ছাড়া ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে কোনো লেনদেন সম্পন্ন হওয়া অসম্ভব।
● স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ও IoT (Internet of Things): স্মার্ট হোম ডিভাইস বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট যখন একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে, তখন ডিজিটাল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে একে অপরকে ট্রাস্ট করে। এতে হ্যাকাররা আপনার ঘরের স্মার্ট ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে না।
নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন
অফিস বা ব্যক্তিগত কাজে আজই ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রযুক্তি গ্রহণ করুন। এটি কেবল একটি আধুনিক ট্রেন্ড নয়, বরং সাইবার অপরাধের হাত থেকে বাঁচার অন্যতম ঢাল।
মনে রাখবেন: আপনার ডিজিটাল পরিচয় আপনার সম্পদ। একে সুরক্ষিত রাখা আপনারই দায়িত্ব।

“ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করুন,
অনলাইন কার্যক্রমে নিরাপদ থাকুন”

05/03/2026

# # সাইবার সিকিউরিটি ও ডিজিটাল সিগনেচার

সাইবার সিকিউরিটি বলতে মূলত, কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস, সিস্টেম এবং যেকোনো ধরণের সাইবার হামলা থেকে তথ্যের নিরাপত্তা দেওয়াকে বোঝায়। তথ্য প্রযুক্তির এই জগতে আমরা দিন দিন প্রযুক্তির উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছি। বিনোদন কেন্দ্র থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেন এবং ব্যাংকিং থেকে শুরু করে দেশের সরকার ব্যাবস্থায় প্রয়োজনীয় সকল নথিগুলো ডিজিটাল প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। প্রযুক্তির এই নির্ভরশীলতাকে কাজে লাগিয়ে একদল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে অন্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, অননুমোদিত প্রবেশ, তথ্যের পরিবর্তন ও তথ্য মুছে ফেলা সহ তথ্য জিম্মি করে অন্যায়ভাবে অর্থ আদায় করে যাচ্ছে। আর এখানেই আমাদের সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে সাইবার সিকিউরিটি। অন্যদিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর, ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের একটি রূপ যা ক্রিপ্টোগ্রাফিক কৌশল ব্যবহার করে, সাইবার নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিজিটাল স্বাক্ষর/ই-সাইন সাইবার নিরাপত্তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। ডিজিটাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে তথ্যের অখন্ডতা (Integrity), তথ্যের গোপনীয়তা (Confidentiality) ও প্রেরকের পরিচয় (Authenticity) নিশ্চিত করা সহ প্রেরক যাতে কোন তথ্য পাঠানোর পর সেটি অস্বীকার করতে না পারে সেটি নিশ্চিত করে।
সাইবার আক্রমণ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার উপায়
সাইবার আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চাইলে একজন একজন সাধারন ব্যাবহারকারীর নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করা একান্ত প্রয়োজন –
 ব্যবহারকারীর সকল আইডি ও পাসওয়ার্ড নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ এবং এর ব্যাকআপ তৈরি করে রাখা।
 যেখানে সেখানে লগিন করা থেকে বিরত থাকা
 পাবলিক ওয়াই ফাই ব্যাবহারে বিরত থাকা
 পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখা থেকে বিরত থাকা
 কোন ইমেইল থেকে এটাচমেন্ট বা তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকা
 অপরিচিত লিংক বা ওয়েবসাইট ব্যাবহার থেকে বিরত থাকা
 ভিপিএন ব্যবহার থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকা
 লাইসেন্সড সফটওয়্যার ব্যবহার করা
 ডকুমেন্টে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করা।

# # সাইবার নিরাপত্তায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের ভূমিকা

 ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের নিরাপত্তা নিশ্চিত
Secure Sockets Layer (SSL) সার্টিফিকেট ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট বা সুরক্ষা বলায় তৈরি করা হয়। অর্থাৎ ওয়েব সাইটে আদান-প্রদানকৃত সমস্ত তথ্য নিরাপদ রাখে যা Scammer বা Hackers থেকে তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। যখন কোনো ওয়েব সাইটে ভিজিট করার সময় http এর পরে যদি s আসে অর্থাৎ https থাকে তবে বুঝতে হবে এই ওয়েবসাইটে SSL সার্টিফিকেট আছে এবং এই সাইটটি আপনার জন্য নিরাপদ।

 তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত
ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। বিশেষভাবে তথ্যের সংরক্ষণ এবং প্রেরণের ক্ষেত্রে ডিজিটাল স্বাক্ষর তথ্যের গোপনীয়তা, প্রেরকের পরিচয়, তথ্যের অবিকৃতি এবং প্রেরক ডকুমেন্ট পাঠানোর পরে যাতে সেটা অস্বীকার করতে না পারে সেটি নিশ্চিত করে।

 নথি স্বাক্ষর
ডিজিটাল স্বাক্ষর নথি এবং চুক্তিতে ইলেকট্রনিভাবে স্বাক্ষর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারে নথি ব্যবস্থাপনা (ডি-নথি) সিস্টেমে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর ফলে নথি ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াটিক ত্বরান্বিত হওয়া ও নথিগুলোর সত্যতা এবং অখন্ডতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

 নিরাপদ ইমেইল আদান-প্রদান
ইমেল প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রেরকের Authenticity নিশ্চিত করতে এবং বার্তাটির Integrity রক্ষা করার মাধ্যমে নিরাপদ ইমেইল যোগাযোগে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। Microsoft Outlook এবং Mozilla Thunderbolt এর মতো প্রায় সকল জনপ্রিয় ইমেল ক্লায়েন্টগুলো ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার উপযুক্ত হওয়ার নিরাপদ যোগাযোগের জন্য একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর প্রদান করে।

 অনলাইন লেনদেনের
অনলাইন লেনদেন বিশেষভাবে ই-কমার্সের লেনদেনের ক্ষেত্রে লেনদেনগুলিকে সুরক্ষিত করতে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়। ফলে অর্থ প্রদান ও গ্রহণের নির্দেশাবলী এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য নিরাপদে যাচাই করা সম্ভব হয়। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রাহকদের এবং অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে বিশ্বাস তৈরী করতে সাহায্যে করে।

 সফটওয়্যার বিতরণ
সফটওয়্যার বিতরণের ক্ষেত্রে ডিজিটাল স্বাক্ষরের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যার তৈরি করে তাদের কোড এবং আপডেটগুলিতে স্বাক্ষর করতে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে সফটওয়্যার এর মালিকানা নিশ্চিত করা ও কোডে কোনো পরিবর্তন হলে সেটি বোঝা যায়। ফলে সফটওয়্যারটির অখন্ডতা নিশ্চিত হয় এবং ব্যবহারকারী সেটি ইনস্টল করার আগে সফওয়্যারটির সত্যতা যাচাই করাসহ ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য দূষিত হুমকি থেকে রক্ষা পেতে পারে।

 ব্লকচেইন এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি
ব্লকচেইন প্রযুক্তি এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্যের অধিকতর নিরাপত্তা প্রদান করা সম্ভব। ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহারের ফলে প্রতিটি লেনদেন প্রেরকের দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়ায় শুধুমাত্র ক্রিপ্টোকারেন্সির মালিক এটি স্থানান্তর ও ব্যব

Address

Office Of The Controller Of Certifying Authorities, E-14/X, BCC Bhaban (1st Floor), Agargaon, Sher-E-Bangla Nagar
Nagar
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+880255006819

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Controller of Certifying Authorities - CCA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Controller of Certifying Authorities - CCA:

Share