Adv. Sanjay Kumar Shil

Adv. Sanjay Kumar Shil Advocate, Judge Court, Natore.

23/12/2025

আইনজীবী হিসাবে ৮ম বর্ষে পদার্পন।

ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ ১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।২. আপনার কিডনি কখন ...
21/01/2025

ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ

১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।

২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।

৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।

৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।

৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।

১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।

সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।

©কপি-পেস্ট

একবার পড়ার অনুরোধ রইলো! মোবাইলে আসক্ত এক অস্থির জেনারেশন তৈরি করছি আমরা। বিলিভ অর নট এই জেনারেশনের স্পেসিফিক কোনো লক্ষ্য...
19/01/2025

একবার পড়ার অনুরোধ রইলো!
মোবাইলে আসক্ত এক অস্থির জেনারেশন তৈরি করছি আমরা। বিলিভ অর নট এই জেনারেশনের স্পেসিফিক কোনো লক্ষ্য নাই। এদের আদর্শিক কোনো এমবিশান নাই। পবিত্র কোনো মিশন নাই।

এরা বই পড়ে না, নিউজপেপার পড়ে না। আউটডোর খেলাধুলায়ও এদের অনীহা। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফোন চালায়,আবার ঘুমানোর আগেও ফোন চালায়। রাত-দিন সবসময় ফোন দিয়েই শুরু হয়।

এরা রৌদ্রে হাঁটতে পছন্দ করে না। বৃষ্টিতে ভিজতে চায় না। কাঁদামাটি, ঘাস, লতাপাতায় এদের এলার্জি। এরা আধা কিলোমিটার গন্তব্যে যেতে আধা ঘন্টা রিক্সার জন্য অপেক্ষা করে।
এরা অস্থির। প্রচণ্ডরকম অস্থির এক জেনারেশন।

এরা অপরিচিত সিনিয়রদের সালাম দেবে না। পাশ কাটিয়ে হনহন করে চলে যাবে। অথবা গা ঘেষে পা পাড়া দিয়ে চলে যাবে। সরি বলার টেণ্ডেন্সি এদের মধ্যে নাই। এরা অনর্থক তর্ক জুড়ে দেবে। না পাবেন বিনয়ী ভঙ্গি, না পাবেন কৃতজ্ঞতাবোধ। এদের উদ্ধত আচরণ, সদম্ভ চলাফেরায় আপনি ভয়ে কুকড়ে যাবেন। সংযত হওয়ার উপদেশ দিতে চাইলেই বিপদ, নাজেহাল হওয়ার সম্ভাবনা অধিক।

আপনি পাব্লিক বাসে চড়ছেন, দেখবেন খালি সীটটায় জায়গা পেতে সবচেয়ে জুনিয়র ছেলেটা বেশি প্রতিযোগিতা করবে। আপনাকে ধাক্কাটাক্কা দিয়ে সটান বসে পড়বে। তার বয়সের দ্বিগুন এই আপনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া তেমন কিছু করার থাকে না।

বলছিলাম এই জেনারেশনের কথা। সবচেয়ে চোখে লাগার কথা যে বয়স্কদের সভায় এই জেনারেশন দাঁড়িয়ে থাকার কথা, কিন্তু সেই সভায় তারা নিজের জন্য চেয়ার খোঁজ করে। যেখানে চুপ থাকার কথা, সেখানে জ্ঞান দিতে চেষ্টা করে।

সারা রাত ধরে অনলাইনে থাকে, সারা সকাল ঘুমায়। এরা সূর্যোদয় দেখে না, সূর্যাস্ত দেখে না। সূর্যোদয়ে বিছানায় থাকে, সূর্যাস্তে মোবাইলে থাকে।

এরা ফার্স্টফুডে আসক্ত।
এরা আউটডোর খেলা অপছন্দ করে। এরা ইনডোরে স্বস্তি পায়। নিদৃষ্ট করে বললে মূলত অনলাইন গেম তাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি।

এরা ইতিহাস পড়ে না। সাহিত্য বুঝে না। এরা রবীন্দ্রনাথ কে চিনে না, নজরুল কে চিনে না। সেক্সপিয়ার ত বহু অচেনা প্রসঙ্গ। এরা বই বুঝে না, বই পড়ে না, বই কিনে না৷

এরা নন-স্কিলড। এরা হাঁটতে পারে না, দৌড়াতে পারে না, গাছে চড়তে জানে না, সাতার কাটতে পারে না। সাগর পাড়ি দেওয়ার সেই দু:সাহসিকতা নাই, পাহাড় কেটে পথ তৈরি করার সেই অদম্য মনোবল নাই। এদের উচ্ছ্বাস নাই। আবেগ নাই। সৎ সাহস নাই। এদের একটাই স্কিল- স্মার্ট ফোন দ্রুত স্ক্রল করতে পারা৷

এদের না আছে মূল্যবোধ, না আছে শ্রদ্ধাবোধ, না আছে শৃঙ্খলাবোধ।
কখন চলতে হবে, কখন থামতে হবে, কখন বলতে হবে, কখন শুনতে হবে এরা জানে না। এরা কি যে জানেনা সেইটাও জানেনা।তবে, সবাই এক নয়। কিছু আলাদা আছে। তবে, বেশিরভাগই এরকম। এটা আমাদেরই ব্যর্থতা নয় কী?

19/10/2024

বিচারহীনতার সংস্কৃতি জঙ্গলে ফিরে যাওয়ার লক্ষন।

বাংলাদেশটা সবার হোক, ধর্ম থাকুক অন্তরে।
23/08/2024

বাংলাদেশটা সবার হোক, ধর্ম থাকুক অন্তরে।

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত ক...
08/05/2024

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"
সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।।
পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।

শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!
হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।‌।
বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।
শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।‌।
"ফার্স্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্চা ফেল।।
- "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।‌।
-- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।"

হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।
শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।
হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !!
"গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।
ফার্স্ট সেশন অতিক্রান্ত।।
ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।।
দেখা গেলো - হাতি,, উট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্চা ফেল।।

বাঁদরের বাচ্চা টপার হয়ে গেছে।।
প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।।
সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্চার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।।
চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।।
এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!!
তারা মেনে নিতে পারলো না।।

-- "ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।।
শিখে নে, বাঁদরের বাচ্চার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।"

ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।।
সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র "সাঁতার" কাটা ছাড়া।।
প্রিন্সিপাল বললো -- "আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।"
মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।।
বাচ্চা বলে --" মা-গো,, দম নিতে পারি না,,
ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??"

মাছ বলে -- "চুপ কর বেয়াদব।।
এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।"
হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্চাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।।
শিয়াল বলে --
"কি হয়েছে সেটা তো বলো ??"
হাতি বলে -- "এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।।
বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।"

শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।
শিয়াল বলো -- "তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই তো বুঝতে পারলাম না‌।।
শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।"

-- "উট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।"
-- "বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।।
ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।।
দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।।

সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবে।।
ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।।
ও মারা যাবে।।"
মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*
প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে।
আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা।
তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া।
তাহলেই দেখবেন,,
সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।
©কপি_পোস্ট

19/12/2023

একজন সুন্দরি মেয়ে নাচতেছে। আপনি তার নাচ দেইখা ক্রাশ খাইলেন। এরপর তারে পটানোর চেষ্টা করলেন। এক সময় পইটাও গেল।

এরপর প্রেম বা বিয়া হইল। তারপর আপনি তারে অর্ডার দিলেন যে বোরখা পড়তে। সে যেন এইসব নাচ গান বন্ধ কইরা দেয়।

এই যে আপনারা মানুষের এক রূপ দেখে তাকে পছন্দ কইরা এরপর অন্য রূপে ট্রান্সফর্ম করতে চান, এই একটা কারণেই আপনাদের সংসার কিংবা প্রেম কোনোটাই টিকে না। আপনি যার নাচ দেইখা পছন্দ করছেন, তারে আরো নাচার জন্য উৎসাহ দিবেন। বোরখা পড়া মেয়ে পছন্দ হইলে বোরখা পড়া মেয়ের উপর ক্রাশ খাইবেন। বোরখা পড়া মেয়েরে প্রেমিকা বা বউ বানাবেন।

একই কথা মেয়েদের জন্যেও প্রযোজ্য। প্রেম বা বিয়ের আগে আপনি লোকটারে যেমন দেখছেন অমনই রাখেন। তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আপনার মতো মেন্টালিটিসম্পন্ন কার্বন কপি বানাইতে যাইয়েন না।

যে যেমন আছে তারে তেমন থাকতে দেন। প্রেম বা বিয়ের পর পার্টনারকে একটু শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে দেন। দেখবেন সে শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারলে আপনারও বিশুদ্ধ অক্সিজেনের অভাব হবে না।
©কপি_পোস্ট

বার কাউন্সিল এম.সি.কিউ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি
15/11/2023

বার কাউন্সিল এম.সি.কিউ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি

যখন কোন কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়,বুঝে নিও তার জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হবে।নোবেল বিজয়ী ডেসমন্ট টু টু একবার বলেছিলেন,...
01/07/2023

যখন কোন কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়,
বুঝে নিও তার জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হবে।

নোবেল বিজয়ী ডেসমন্ট টু টু একবার বলেছিলেন, 'যখন মিশনারীরা আফ্রিকায় এসেছিল, তখন তাদের বাইবেল ছিল এবং আমাদের জমি ছিল' । তারা বলল, 'আমরা আপনার জন্য দোয়া করতে এসেছি'। আমরা চোখ বন্ধ করেছি, যখন খুললাম তখন আমাদের হাতে বাইবেল ছিল, আর তাদের হাতে আমাদের জমি ছিল ।

একই ভাবে যখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট এলো। তখন তাদের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ছিল, আর আমাদের ছিল স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা।

তারা বলেছিল 'এটা বিনামূল্যে'। আমরা চোখ বন্ধ করেছিলাম এবং যখন খুললাম তখন আমাদের ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ আছে এবং তাদের কাছে আমাদের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত তথ্য আছে।

যখনই কোন কিছু ফ্রী পাওয়া যায় তখনই তার মূল্য আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে দিতে হয়।

"জ্ঞান থেকে শব্দ বোঝা যায়, অভিজ্ঞতা থেকে অর্থ বোঝা যায়"

©কপি_পেস্ট

'বাইসাইকেল ধীরে ধীরে মেরে ফেলছে পৃথিবীকে!'===================≠==============কথাটি একজন ব্যাংকারের। তিনি যখন বিষয়টি ডিটেই...
04/05/2023

'বাইসাইকেল ধীরে ধীরে মেরে ফেলছে পৃথিবীকে!'
===================≠==============
কথাটি একজন ব্যাংকারের। তিনি যখন বিষয়টি ডিটেইলসে বলেন, বড় বড় অর্থনীতিবিদরাও তাতে চিন্তার খোরাক পেয়েছেন। আরবান সাইক্লিং ইনস্টিটিউট ব্যাংকার বলেন, একজন সাইক্লিস্ট দেশের অর্থনীতির জন্যে দুর্যোগ স্বরূপ। তিনি গাড়ি কিনেন না। ফলে গাড়ি কেনার জন্য ধারও করতে হয় না তাকে। একজন সাইকেল ব্যবহারকারী ইন্সুরেন্স করেন না। জ্বালানী কিনেন না, তাকে এমনকি গাড়ি মেরামত বাবদও কোনো খরচ করতে হয় না।
ব্যাংকার আরো বলেছেন, যিনি সাইকেল চালিয়ে অভ্যস্ত, তাকে পার্কিং করার জন্যে কোনো পয়সা দিতে হয় না। সাইকেলের কারণে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার ঘটে না, ফলে হাসপাতালও রোগী পায় না।
সাইকেল চালানো মানুষ বহুলেইনের রাস্তাও ব্যবহার করে না। এমনকি লোকটি মোটাও হয় না সাইকেল চালানোর কারণে।
ব্যাংকার বলছেন, অর্থনীতির জন্যে স্বাস্থ্যবান মানুষ মোটেও উপকারী বা প্রয়োজনীয় নয়। তাদের ডাক্তার দেখাতে হয় না। হাসপাতালে যেতে হয় না। ওষুধই কিনতে হয় না। তারা দেশের জিডিপিতে কোনো অবদান রাখে না।
অন্যদিকে, ম্যাকডোনাল্ডসের একটা নতুন শপ হওয়া মানে কিছু লোকের চাকরি হওয়া। পাশাপাশি কমপক্ষে ৩০ জনের আয়ের সুযোগ করে দেয় নতুন দোকানটি। তারা হলেন ১০ জন হার্টের ডাক্তার, ১০ জন ডেন্টিস্ট এবং ১০ জন ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ।
সুতরাং ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন, সাইকেল কিনবেন নাকি ম্যাকডোনাল্ডসের দোকান? আর যারা পায়ে হাঁটে, তারা সবচেয়ে খারাপ। কারণ তারা একটি সাইকেলও কেনে না!
©কপি_পোস্ট

///"রত্নগর্ভা"///রত্নগর্ভা - বেশ আপত্তিকর একটা শব্দ! জীবনে প্রতিষ্ঠিত, ভালো অবস্থানে যাওয়া, সফল লোকজনের মাকে রত্নগর্ভা ন...
08/03/2023

///"রত্নগর্ভা"///

রত্নগর্ভা - বেশ আপত্তিকর একটা শব্দ!
জীবনে প্রতিষ্ঠিত, ভালো অবস্থানে যাওয়া, সফল লোকজনের মাকে রত্নগর্ভা নামে আখ্যা দেয়া হয়। এই যেমন ধরুন, কোনো মায়ের চার সন্তানের দুইজন বড় ডাক্তার, একজন অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার, বাকি একজন সচিব- উনারা একেকজন একেকটা রত্ন; আর যে গর্ভে উনারা জম্মেছেন তা রত্নগর্ভ।
আর, যে সন্তানেরা ছোট চাকরি করে সংসার চালায়, গ্রামে কিংবা মফস্বলে ছোটো কাজ করে, রোদে পুড়ে ফসল ফলায় তারা কোনো রত্ন না, তাদের মা-ও তাই রত্নগর্ভা নয়। সেই মায়েরা কি তাহলে রত্নের বদলে আবর্জনা গর্ভে ধরেছেন? অথচ, একজনের জীবনে সাফল্যের পেছনে কাজ করে হাজারো ফ্যাক্টর। পৃথিবী আগাগোড়াই আনফেয়ার। সবাই সমান সুযোগ পায় না, সবার জীবনের রাস্তাও সমান না।
সফল সন্তানের সেই মায়েদের খাটো করা সম্ভব না; কিন্তু, সন্তানের বাহ্যিক সামাজিক সাফল্য বিচার করে এক মায়ের জরায়ুকে রত্নের আকর ঘোষণা দিয়ে, প্রকারান্তরে আরেকজনেরটা খাটো করাটা আপত্তিকর বটে।
প্রতিটা মায়ের কাছেই তার নিজের গর্ভ রত্নের আকর। সমাজের চোখে রত্ন না হলেও, মায়ের কাছে তার সন্তান তো সেরা রত্ন!
সব জরায়ুই রত্নগর্ভ, সব মা-ই রত্নগর্ভা!
©কপি_পেস্ট

Address

Natore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Sanjay Kumar Shil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Adv. Sanjay Kumar Shil:

Share