11/07/2026
প্রিয়
কোম্পানীগঞ্জ বাসী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের কর্মী সমর্থকবৃন্দ। আসসালামু আলাইকুম, হিন্দু ভাইয়েরা আমার আদাব নিবেন।
জনাব মিজানুর রহমান বাদল বানের জলে ভেসে আসা কোন ব্যক্তি নয়। মামা-চাচা-খালু-ভাই এর পরিচয় নিয়েও তিনি রাজনীতিতে আবির্ভূত হননি। মিজানুর রহমান বাদল এর দাদা জনাব মজিবুল হক দীর্ঘদিন সুনামের সহিত চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সিরাজ আলম চৌধুরী ১৯৭৪ সনে দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন। স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে মিজানুর রহমান বাদল এর রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি। স্কুল ছাত্রলীগ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগ, উপজেলা যুবলীগ এর বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বরত আছে। তিনি ৩ বছর ০৫নং চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পাঁচবছর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মানুষ মাত্রই ভুল, সেই হিসেবে তিনিও ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নয়। উনার ভালো-মন্দ, কিংবা সফলতা-ব্যার্থতা চুড়ান্তভাবে বিচার করার দায়িত্ব কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাবাসীর নিকট সবার চরিত্রিক সার্টিফিকেট আছে। কাজেই মিথ্যাচার কিংবা অপপ্রচার করে কারো চরিত্র হননের বৃথা চেষ্টা করে কোন লাভ নেই। আল্লাহ যাকে সম্মান দেন হাজারো ষড়যন্ত্র করেও কেউ তাকে নিচে নামাতে পারেনা। কোন ব্যক্তি নিজেকে প্রাসঙ্গিক কিংবা আলোচনায় রাখার কৌশল হিসেবে মিজানুর রহমান বাদলকে নিয়ে সমালোচনা করে থাকলে সেটা ভিন্ন কথা। তবে এইসব সমালোচনার জবাব দেওয়ার মতো রুচি মিজানুর রহমান বাদল এর নেই। মানবরুপি কিছু দানবের আচরণ এবং কর্মকাণ্ডের কারনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত। যারা সত্যবচনের নামে প্রতিদিন মিথ্যাবচন করে দলের শৃঙ্খলা নষ্ট করেছেন তারাই এখন দলের হিতাকাঙ্ক্ষী সাজার জন্য বৃথা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আসলে মানুষ তার কর্ম এবং আচরণের কারনে অনেক ক্ষেত্রে শয়তানে রুপান্তরিত হয়, কিন্তু শয়তান কখনো মানুষে রুপান্তর হয়না।
বাংলাদেশে আমরা ৬/৭ কোটি আওয়ামীলীগ এর কর্মী সমর্থক থাকতে আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার সম্মান রক্ষা করতে পারিনি।
আমাদের চোখের সামনে দিয়ে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীকে দেশান্তরী হতে হয়েছে, আমরা কিছুই করতে পারিনি। স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক জাতির জনকের স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িটি আমরা রক্ষা করতে পারিনি। ১৮ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নতির লক্ষ্যে যিনি দিনরাত নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন তাকে মিথ্যা মামলায় কেঙ্গারু কোর্টের মাধ্যমে ফাঁসির রায় দিয়েছে, তাতেও আমরা কিছুই করতে পারিনি।হাজার হাজার নিরিহ নেতাকর্মী মবের শিকার হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে, অনেকে মিথ্যা মামলায় মাসের পর মাস জেল খাটছেন। মানুষ আইনের শাসন পাচ্ছেনা, বেঁচে থাকাটাই আজ কঠিন হয়ে পড়েছে।
অথচ এমন সময়েও কিছু লোক তাদের রাজ্য, রাজত্ব, কতৃত্ত্ব, নেতৃত্ব হারানোর ভয়ে উম্মাদের মতো আচরণ করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।
এখনো সময় আছে, নোংরা খেলা বন্ধ করুন।ভন্ডামী ছাড়ুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা অনলাইন গ্রুপে গলাবাজি না করে কর্মীদের পাশে দাঁড়ান। দলের জন্য কাজ করুন। দলকে যারা মন থেকে ভালবাসেন তাদের এখন একটাই উদ্দেশ্য হওয়া উচিত, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভোমত্ব রক্ষার স্বার্থে বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে স্বসম্মানে দেশে ফিরিয়ে আনা। আর এই একটি লক্ষ্য সামনে নিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দলের জন্য কাজ করে যেতে হবে। বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে এর কোন বিকল্প নেই। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান এবং হেদায়েত দান করুক। (আমিন)
(এডমিন পোস্ট)
#জয়বাংলা