03/04/2026
সারা দেশে মাদ্রাসা স্টুডেন্টের পরিমান কত ..?
আন্দাজ করুন তো –
১০ লাখ/ ২০ লাখ/ ৫০ লাখ ..!
আপনি ভুল, কাছাকাছিও যেতে পারেন নি।
সরকারি হিসাবে ২০২৫ সালে আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্র সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ।
এরপরে আছে কওমি মাদ্রাসা, কওমি মাদ্রাসা অনেকটা অন্ধকার গহব্বরের মতো। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা স্বয়ং সরকারও এখানকার প্রকৃত তথ্য পাবে না। কোন সরকারি সংস্থার ক্ষমতা নেই বগুড়ার জামিল, টঙ্গীর তামিরুল মিল্লাত, চট্টগ্রামের হাটহাজারি মাদ্রাসায় প্রবেশ করে তথ্য নিয়ে আসে। যদি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চায় তো সেখানে রণক্ষেত্রে পরিণত হবে।
সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মোটামুটি নাম ডাক সর্বস্ব কওমি মাদ্রাসার ছাত্র সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। এছাড়াও আছে আপনার ঘরের পাশে চিপাচাপায় ব্যাঙের ছাতার মতো বিস্তার লাভ করা হাফেজি মাদ্রাসা।
জামাত শিবিরের আধুনা কৌশল 'ক্যাডেট মাদ্রাসা', 'ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসা'। অনেক মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত আজকাল সোৎসাহে তাদের সন্তানদের এই সব প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছে, উচ্চ বেতন ও ভর্তি ফি দিয়ে পড়াচ্ছে।
মোটামুটি ধরা যায়-
আলিয়া মাদ্রাসা - ৩০ লাখ
কওমি মাদ্রাসা - ৬০ লাখ
অন্যান্য - ১০ লাখ ....…........................................
সর্বমোট - ১ কোটি (প্রায়)
এবার বুঝেছেন, এই জঙ্গি হাসনাত, আসিফ, মামুনুল, জামাত, ডিপস্টেট এদের শক্তির উৎস কোথায়?
এই মাদ্রাসার কোনটায় আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রন আছে/ছিল/থাকবে? এক কথায় - না। অথচ এদের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিল স্থানীয় আওয়ামী নেতা, ব্যবসায়ী সমাজ।
এই কোটির মধ্যে ১০% হয়তো নিজেদের গুনে বা পারিবারিক শিক্ষার কারনে মানুষ-দেশপ্রেমিক হয়। কিন্ত বাকি ৯০% একেকটা মানব বোমা। জ'ঙ্গি হাসনাতদের রিজার্ভ ফোর্স।
আওয়ামীলীগ সহ যেকোন রাজনৈতিক শক্তির সক্ষমতা নেই এদের রাজপথে মোকাবেলা করে, কোন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামর্থ্য নেই এদের মোকাবেলা করে।
আপনি এদের দিকে গুলি ছুড়তে পারবেন না, লাঠি মারতেও পারবেন না। মুখের দিকে তাকালেই দেখবেন তারা আপনার ভাই, ভাতিঝা, ভাগ্নে। আবার উপরন্ত এরা ছাত্র নামধারী, এদের কিছু হলেই সাথে সাথে আবেগে নেমে পরবে সারা দেশের সাধারন ছাত্ররা। আর এদের আবেগ কিভাবে জাগিয়ে তুলতে হয় সেটা জঙ্গিরা ভালোভাবেই জানে।
ঠিক যে কারণে '২৪ পারেন নি, আগামীতেও পারবেন না। সোহরাব - রুস্তমের যুদ্ধে পিতার আবেগ মায়া থাকলেও পুত্রের মনে ছিলো জিঘাংসা।
তার উপর যদি পুত্র হয় মনুষ্য বোম তাহলে তো কথাই নাই। আপনি ভালোবেসে পানির বোতল এগিয়ে দিবেন আর তারা আপনার আগ বাড়ানো হাতে চাপাতির কো*প বসিয়ে, পায়ে রশি লাগিয়ে উল্টো ঝুলিয়ে রাখবে।
মনে আছে যাত্রাবাড়ীর সেই কচি শিবিরের কথা?
আবেগে তাকে বাচ্চা বানিয়েছিলেন, পরে আপনাদের সেই বাচ্চা নিজ মুখে পুলিশ ঝুলানোর কথা স্বীকার করলো।
এরপর আবেগে আসমান কাপানোর জন্য আছে সায়মারা, আছে পেইড দেশি বিদেশি গণমাধ্যম। আছে ইউনুস সেন্টার, আছে আদিলুরের 'অধিকার'। ল' এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিতে আছে ওয়াকারের মতো গুপ্ত জঙ্গি।
এবার বুঝেন- কেন জঙ্গিরা বারবার হুমকি দেয়, বিপ্লবের ডাক দেয়। এদের ডাককে একেবারে হালকাভাবে নিয়েন না। দিনে দিনে যাকাত-ফেতরা খাইয়ে দান-সদকা করে যে ফ্রাংকেস্টাইন তৈরি করেছেন, তাদের সম্মিলিত শক্তিকে আন্ডারএস্টিমেট কইরেন না।
যদি নিকট ভবিষ্যতে এই চেইন জঙ্গি কারখানা বন্ধ করতে না পারা যায়, এই বাংলা আফগান হবেই হবে। যারা মরে বা মেরে জান্নাতে(!) যেতে চায়, তাদের আপনি কোনভাবেই রুখতে পারবেন না।
সময় থাকতেই ব্যবস্থা নেন, না হলে এরা সব ধ্বংস করে দিবে