28/12/2025
সম্মানিত শিক্ষার্থী, শ্রদ্ধেয় অভিভাবক এবং প্রিয় সুধী সমাজ,
আজকের ব্যস্ত সময়ে আমাদের সন্তানদের চোখ আটকে থাকে মোবাইলের আলোয়, আর সেই আলোতেই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে চিন্তার দিশা। বিভিন্ন আসক্তির অদৃশ্য বন্ধনে জড়িয়ে পড়ছে তারা, আর নীরবে ঝুঁকির মুখে পড়ছে তাদের আগামী দিনের স্বপ্ন।
📚 নতুন বছরের সূচনা, বইয়ের আলো, চিন্তার শক্তি এবং সৃজনশীলতার ঝলক ছড়িয়ে দিতে,
“এসো আলো ছড়াই” শ্লোগানে- যুব আলো পাঠাগার আয়োজন করতে যাচ্ছে
পাঠচক্র ও তারুণ্যের সৃজনশীল প্রতিযোগিতা উৎসব ২০২৬।
এই আয়োজন শুধুই একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি তারুণ্যের জন্য পাঠ, চিন্তা ও আত্মপ্রকাশের আলোকিত মঞ্চ।
আমাদের মূল লক্ষ্য:
📖 বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা
🧠 চিন্তা করতে শেখানো
🎨 সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানবিক, নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম তৈরি করা।
এই উৎসবে থাকছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম:
1️⃣ পাঠচক্র প্রতিযোগিতা – বই পড়ে সারাংশ লিখে জমা দেওয়া ও নিজস্ব উপলব্ধি উপস্থাপন।
2️⃣ তারুণ্যের বক্তৃতা প্রতিযোগিতা – “তারুণ্যের চোখে বাংলাদেশ”। দেশ, সমাজ ও ভবিষ্যৎ ভাবনায় তরুণদের কণ্ঠ।
3️⃣ কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা – ভাব, ছন্দ ও আবেগের শুদ্ধ ও প্রাণবন্ত প্রকাশ।
4️⃣ খালি গলায় সংগীত প্রতিযোগিতা – দেশাত্মবোধক, সামাজিক ও ইসলামিক সংগীত (বাদ্যযন্ত্র ছাড়া)।
এই আয়োজন তরুণদের জন্য এবং পুরো সমাজের জন্যও। কারণ এখানে প্রতিযোগিতার চেয়েও বড় বিষয় হলো শেখা, ভাবা এবং মানুষ হয়ে ওঠা।
যুব আলো পাঠাগার ২০২২ সালে একজন সদস্যের ঘরে ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু করে পাঠচক্র পরিচালনা করেছিল। কিন্তু এক ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পাঠাগারে থাকা অনেক মূল্যবান বই ও কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায় এবং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
আজ আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন:
একটি নিজস্ব পাঠাগার ঘর, যেখানে ডিমলা সদরের আশপাশে নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে পাঠচর্চা সম্ভব হবে।
আমরা বিশ্বাস—শিক্ষার্থীরা যদি আসক্তি থেকে বেরিয়ে বইয়ের প্রতি ভালোবাসা গড়ে তোলে, তাহলেই বদলাবে তাদের ভবিষ্যৎ।
আপনাদের হাত বাড়ান—পৃষ্ঠপোষক বা স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করুন, এবং এই আলোর যাত্রা সফল করুন।
আসুন, বইয়ের আলোয় চিন্তা জাগাই, তারুণ্যের শক্তিতে গড়ে তুলি আগামীর বাংলাদেশ।
যুব আলো পাঠাগার — পাঠে আলো, চিন্তায় শক্তি।