দলদলিয়া নাগরিক ফোরাম DNF

দলদলিয়া নাগরিক ফোরাম DNF একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

দলদলিয়া নাগরিক ফোরাম একটি স্বেচ্ছাসেবী অরাজনৈতিক সংগঠন। সংক্ষেপে ডি,এন,এফ নামে পরিচিত। "সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য " এ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২০ সালের ০৪ নভেম্বর দলদলিয়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এক গ্রাম নালারচড় থেকে ডি,এন,এফ এর কার্যক্রম শুরু হয়। সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য বিনামূল্যে খাদ্য কার্যক্রম শুরু করে পরবর্তীতে আরও নানামুখী উদ্ভাবনী প্রকল্প পরিচালনার মধ্য দিয়ে দলদলিয়া নাগরিক ফোরাম আজ ইউনিয়ন,উপজেল

া এবং জেলায় আলোচিত ও অনুকরণীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে পরিচিত হয়েছে। দলদলিয়া নাগরিক ফোরামের লক্ষ্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে ত্যাগ ও মেধাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যা অনুপ্রাণিত করবে সবাইকে।
বিস্তারিত জানতে বা সহযোগিতা করতে ফোন করুনঃ 01723-262074 (নাহিদ)
01744-601195(সবুজ)
01718945915(মতিউর)
01758037765(মিনহাজ)
01635342421(সুজন)

05/09/2026

অনলাইন জু*য়া ভাগ্য নাকি অদৃশ্য সিস্টেম 🙏


দলদলিয়া ইউনিয়নের  ৩ নং ওয়ার্ডের কৃতী সন্তান জনাব হায়দার আলী সাহেব, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র। ...
03/09/2026

দলদলিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কৃতী সন্তান জনাব হায়দার আলী সাহেব, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র। দিনাজপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ ডিআইও হিসেবে সম্মাননা অর্জন করায় তাঁকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
তাঁর এই গৌরবময় অর্জন শুধু তাঁর পরিবার নয়, ৩ নং ওয়ার্ডবাসীর জন্যও অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। পিতার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে কর্মক্ষেত্রে তাঁর এই সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
হায়দার আলী সাহেবের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। 🌹💐

মরহুম আব্দুল মজিদ মাস্টার — এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের অমলিন স্মৃতিমরহুম আব্দুল মজিদ মাস্টার—(আব্দুর রহিম মেম্বারের ছোট ভা...
31/08/2026

মরহুম আব্দুল মজিদ মাস্টার — এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের অমলিন স্মৃতি

মরহুম আব্দুল মজিদ মাস্টার—(আব্দুর রহিম মেম্বারের ছোট ভাই) কর্পূরা বালিকা মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষক। শিক্ষকতা পেশায় তিনি ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল মানুষ। দীর্ঘদিন উক্ত প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান ও নৈতিকতার আলো ছড়িয়ে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীর শিক্ষা ও জীবনগঠনে অবদান রেখে গেছেন।

কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে, অবসর গ্রহণের সুযোগটুকুও তাঁর ভাগ্যে জোটেনি। কর্মজীবনের মাঝপথেই পরম করুণাময়ের অমোঘ আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারের পথে পাড়ি জমান।

তাঁর কর্ম, আদর্শ ও স্মৃতি তাঁর প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সহকর্মী এবং স্বজনদের হৃদয়ে দীর্ঘকাল অম্লান হয়ে থাকবে।

মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমের সকল গুনাহ-খাতা ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় বিয়োগের ভার বহন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শোকবার্তা৩ নং ওয়ার্ডের রেডক্রস নিবাসী মোহাম্মদ আলী সরকার বার্ধক্যজনিত কারণে আজ সকালে ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ...
30/08/2026

শোকবার্তা
৩ নং ওয়ার্ডের রেডক্রস নিবাসী মোহাম্মদ আলী সরকার বার্ধক্যজনিত কারণে আজ সকালে ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তাঁর ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমের জীবনের সকল গুনাহ-খাতা ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার তাওফিক দান করুন।
মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমিন।

আলহাজ্ব মফিজুল হক মাষ্টার — এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের স্মরণীয় অধ্যায়আলহাজ্ব মফিজুল হক মাষ্টার—একজন সজ্জন, অমায়িক, মিশুক ও...
30/08/2026

আলহাজ্ব মফিজুল হক মাষ্টার — এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের স্মরণীয় অধ্যায়

আলহাজ্ব মফিজুল হক মাষ্টার—একজন সজ্জন, অমায়িক, মিশুক ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন কেটেছে জ্ঞান বিতরণ, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় গড়ে তোলা এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার মধ্য দিয়ে।

তাঁর কর্মজীবনের সূচনা রতি গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে তিনি কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কর্পুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব। শিশুদের মনস্তত্ত্ব বুঝে সহজবোধ্য ও স্নেহমিশ্রিত পদ্ধতিতে পাঠদান করার কারণে শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয় একজন শিক্ষক।

শিক্ষকতার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রয়োজনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সহযোগিতা করে আসছেন। প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুশীলনের অংশ হিসেবে তিনি তাবিজ-কলম প্রদান করতেন এবং জিন-ভূত সংক্রান্ত সমস্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সাধারণ অসুস্থতায় প্রচলিত চিকিৎসা ও পরামর্শও দিয়ে থাকেন।

একজন আদর্শ শিক্ষক কেবল পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানই বিতরণ করেন না; তাঁর স্নেহ, শাসন, নৈতিকতা ও মানবিক আচরণের মধ্য দিয়েও তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করেন। আলহাজ্ব মফিজুল হক মাষ্টারের কর্মময় জীবনও তেমনই এক স্মরণীয় অধ্যায়।

তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণময় জীবন কামনা করছি। তাঁর প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক সম্মান।

দলদলিয়ার গর্ব—প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মোঃ ইয়াছিন আলীকুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পূরা মৌজার একজন প্রবীণ ...
29/08/2026

দলদলিয়ার গর্ব—প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মোঃ ইয়াছিন আলী

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পূরা মৌজার একজন প্রবীণ ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব মোঃ ইয়াছিন আলী। ১৯১০ সালে জন্ম নেওয়া এই গুণী মানুষটি দীর্ঘ ১১৬ বছরের জীবনের সাক্ষী হয়ে আজও আমাদের মাঝে আছেন।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচিতি:
🔹 নাম: মোঃ ইয়াছিন আলী
🔹 পিতা: মোঃ নছিম উদ্দিন
🔹 জন্ম: ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ
🔹 নিবাস: কর্পূরা মৌজা, দলদলিয়া ইউনিয়ন, উলিপুর, কুড়িগ্রাম

💼 কর্মজীবন ও জনসেবা

মোঃ ইয়াছিন আলী মূলত একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি জনসেবামূলক কাজেও নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। কর্মজীবনের একটি সময়ে তিনি গ্রাম পুলিশের দাফাদার হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

দীর্ঘ জীবনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত-

১১৬ বছর বয়সেও তিনি নিজের পায়ে হাঁটাচলা করতে পারেন—যা সত্যিই বিস্ময়কর ও অনুপ্রেরণাদায়ক। দীর্ঘ জীবনের স্বাভাবিক নিয়মে বর্তমানে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।

মোঃ ইয়াছিন আলী শুধু একটি পরিবারের প্রবীণ সদস্য নন—তিনি দলদলিয়া ও উলিপুরের জীবন্ত ইতিহাসের একজন সাক্ষী। তাঁর দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য মূল্যবান শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার উৎস।

🙏 মহান আল্লাহ তাঁকে সুস্থতা, শান্তি ও নেক হায়াত দান করুন।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়—মোঃ ইয়াছিন আলী।

#দলদলিয়া_নাগরিক_ফোরাম
#দলদলিয়ার_গর্ব #উলিপুর #কুড়িগ্রাম #প্রবীণ_ব্যক্তিত্ব #জীবন্ত_ইতিহাস

হাফেজ মোঃ রোস্তম আলী — নিবেদিত কর্মজীবনের এক অনন্য অধ্যায়-নাজিমখান ছালামিয়া নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং মেহের উল্ল্যা...
28/08/2026

হাফেজ মোঃ রোস্তম আলী — নিবেদিত কর্মজীবনের এক অনন্য অধ্যায়-

নাজিমখান ছালামিয়া নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং মেহের উল্ল্যা শিশু সদন (এতিমখানা)—১৯৭৭ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বীনি ও মানবিক প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে দীর্ঘ ৩২ বছরেরও অধিক সময় নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন হাফেজ মোঃ রোস্তম আলী।

১৯৯৪ সালে মাদ্রাসায় কর্মজীবন শুরু করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন। দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি শুধু একজন কর্মরত শিক্ষক/কর্মচারী হিসেবেই দায়িত্ব পালন করেননি; বরং প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে গড়ে তুলেছেন এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক।

বিশেষ করে পবিত্র মাহে রমজানে তাঁর মধুর কণ্ঠে তারাবীহর নামাজের তিলাওয়াত ছিল মুসল্লিদের জন্য এক অনন্য প্রশান্তির অনুভূতি। তাঁর সুমধুর কণ্ঠে পবিত্র কোরআনের আয়াতের তিলাওয়াত শুনে মুসল্লিদের হৃদয় প্রশান্তিতে ভরে উঠত, অন্তর আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠত। রমজানের সেই সুমধুর তারাবীহর রাতগুলোর স্মৃতি আজও অনেকের হৃদয়ে অমলিন।

কর্মজীবনের অবসান ঘটলেও একজন নিষ্ঠাবান মানুষ হিসেবে তাঁর অবদান ও স্মৃতির অবসান নেই। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন, দায়িত্বশীলতা এবং দ্বীনি পরিবেশে নিবেদিত পথচলা আগামী প্রজন্মের কাছে হয়ে থাকুক অনুপ্রেরণার উৎস।

আল্লাহ তাআলা তাঁর অবসর-উত্তর জীবনকে সুস্থতা, শান্তি, নেক আমল ও বরকতে পরিপূর্ণ করুন এবং তাঁর সকল খেদমত কবুল করুন।
🤲 আমিন।

উলিপুরের দলদলিয়ায় মুঘল আমলের ‘কাজীর মসজিদ’কালের স্রোতে চাপা পড়া বর্ণাঢ্য ইতিকথার মুক্ত মানিক কাজীর মসজিদ। এটি কুড়িগ্রামে...
27/08/2026

উলিপুরের দলদলিয়ায় মুঘল আমলের ‘কাজীর মসজিদ’

কালের স্রোতে চাপা পড়া বর্ণাঢ্য ইতিকথার মুক্ত মানিক কাজীর মসজিদ। এটি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে দলদলিয়া ইউনিয়নের দলবাড়ির পাড় গ্রামে অবস্থিত।

মুঘল আমলের এই মসজিদটি বালু সিমেন্ট ব্যবহার না করে সুরকি ব্যবহার করে তৈরি করেছেন কারুশিল্পীরা। মসজিদের পুরাতন ভবনটি আকারে ৩ গম্বুজবিশিষ্ট শক্তভিত্তির উপর দণ্ডায়মান। মসজিদের দৈর্ঘ্য ৩২ ফুট ও প্রস্থ ১৩ ফুট। দেয়ালের পুরত্ব প্রায় আড়াই ফুট। যা বর্তমানে মসজিদটির ছাদে ৫টি গম্বুজ ও ছোট ছোট ৪টি মিনার সম্প্রসারিত করেছে। অতি পুরাতন হওয়ায় মসজিদটির কিছু অংশ মাটিতে দেবে গেছে। মূল মসজিদের মধ্যে একটি ছোট মেহরাব রয়েছে, জুমার দিন খতিব এখান থেকে বয়ান পেশ করেন।

মসজিদটির ভেতরে ১৫/২০ জন একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। ভেতরে সাদা মাটা থাকলেও বাইরে খচিত অলংকরণ বেশি হওয়ায় আরও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই মসজিদটি সম্প্রসারিত করে অত্যাধুনিক ও নিপুণ কারুকাজে সৌন্দর্যবর্ধনে প্রসারিত করা হচ্ছে।

এ নিদর্শনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে মসজিদের পূর্বদিকে প্রাচীনকালের সান বাঁধানো একটি পুকুর ও নতুন একটি কবরস্থান। মসজিদের উত্তরে ঈদগাহ, হাফিজিয়া মাদরাসা, লিল্লাহ বোর্ডিং, দক্ষিণে নুরানি মাদরাসা ও পশ্চিমে কবরস্থানসহ প্রায় ৩ একর জমি ইটের প্রাচীর দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।

ঐতিহ্যবাহী কাজীর মসজিদের পুরাতন ভবনকে ঘিরে গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক প্রচলিত কথা যা হার মানায় রূপকথাকেও। কখন, কিভাবে নির্মিত হয়েছে তার সঠিক কোন ইতিহাস আজও জানা যায়নি। এ ব্যাপারে দুটি মতবাদ রয়েছে, মসজিদটি আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন যা গায়েবিভাবে ভূগর্ভ থেকে উঠে এসেছে, অন্যটি সেই মুঘল আমলের কাজী কুতুব উদ্দিনের তৈরি।

উলিপুরের ইতিহাস ও লোকসাহিত্য গ্রন্থ থেকে জানা যায়, ১২১৪ হিজরি সনে পারস্য (ইরান দেশ) থেকে কাজী কুতুব উদ্দিন নামের একজন ধর্মযাজক ইসলাম ধর্ম প্রচার করার জন্য এ অঞ্চলে এসে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি এলাকায় ধর্ম প্রচার করে মুসল্লিদের নিয়ে এই মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। তিনি চলে যাওয়ার পরে এলাকার মুসল্লিরা দীর্ঘসময় সেখানে নামাজ আদায় করেন। ধীরে ধীরে সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মসজিদটি ঝাড় জঙ্গলে ঢেকে যায়।

মসজিদটির নামকরণ প্রসঙ্গে বিভিন্ন যুক্তিতর্কের সমাধান হয়, মূল মসজিদের প্রবেশের পথে একটি ফার্সি ভাষার শিলালিপি থেকে জানা গেছে। যার বঙ্গানুবাদ : পরম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। আল্লাহ ছাড়া মাবুদ নাই, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসূল। কাজী কুতুব উদ্দিন সাহেব, ঈমানি দৃঢ় বিশ্বাসে পবিত্র আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণ করেন। নবী (সা.)-এর অসিলায় প্রতিষ্ঠার কাজ সোমবারে সমাপ্ত হয়েছে।

হিজরি সাল তালাশ করে জানা যায়, এক হাজার দুইশ চৌদ্দ সন। মসজিদটির নির্মাতা কাজী কুতুব উদ্দিন। তার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘কাজীর মসজিদ’। ধারণা করা হয়, তিনি ছিলেন এ উপমহাদেশে ধর্ম প্রচার করতে আসা রাসুল (সা.)-এর নায়েবে নবী। ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রত্মতত্ত্ব বিভাগ কাজীর মসজিদটি অধিগ্রহণ করে।

সপ্তাহে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এক নজর মসজিদটি দেখা ও মানতের জন্য ভিড় করছেন। জুমার নামাজ আদায়ের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমানের সমাগম ঘটে।

কথিত আছে, এই মসজিদে কেউ কিছু মানত করে দান করলে তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়। মসজিদটিকে কেন্দ্র করে প্রতি শুক্রবার বিভিন্ন এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও অন্য ধর্মাবলী মানুষজনও বিভিন্ন মানত (নগদ টাকা, চিনি, গুড়, পায়েস, খোরমা, জিলাপি, খিচুড়ি, হাঁস-মুরগি, ছাগল, চাল, ডাল ও ধর্মীয় বই) নিয়ে এসে মসজিদ কমিটির হাতে তুলে দেন। এসব মানত ও দান থেকে প্রতিমাসে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা উপার্জিত হয় ।

কাজীর মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুস সবুর জানান, আমি দীর্ঘ ৫০ বৎসর ধরে এই মসজিদের প্রধান খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। যতটুকু জানি, মসজিদটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। একসময় এলাকার লোকজন মসজিদটি আবিষ্কারের পর পুনঃসংস্কার করেন। তখন থেকে মূল মসজিদটিতে ১৫/২০ জন মুসল্লি নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় মসজিদটি সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

আজ থেকে প্রায় ২শ ২৮ বৎসর আগের মুঘল আমলের বিশেষ স্থাপত্যের তৈরির স্মৃতিচিহৃ কাজীর মসজিদ উত্তরবঙ্গে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য স্থাপত্যের শৈলিতে যেমন মোঘল আমলের শ্রেষ্ঠতম নিদর্শন, তেমনি ভারতীয় উপমহাদেশে সমগ্র মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্রাকর্ষক স্থাপনা এই মসজিদ।

তথ্যসূত্রঃ প্রতিদিনের সংবাদ

শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে স্মরণ করছিমোহাম্মদ মহসিন আলী (মহসিন মাস্টার)প্রাক্তন  শিক্ষক, দলদলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।...
27/08/2026

শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে স্মরণ করছি

মোহাম্মদ মহসিন আলী (মহসিন মাস্টার)
প্রাক্তন শিক্ষক, দলদলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মহসিন মাস্টার ছিলেন একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ এবং আদর্শ শিক্ষক। তিনি তাঁর ছাত্রছাত্রীদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন একজন শিক্ষক। জ্ঞান ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তাঁর সন্তানরাও সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত—যা একজন পিতার জন্য নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়।

এমন একজন গুণী শিক্ষক ও ভালো মানুষকে আমরা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছি। তাঁর শিক্ষা, আদর্শ ও সুন্দর কর্ম আমাদের মাঝে চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

স্যারের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি।(আমিন) 🤲❤️

এমদাদুল হক সরদারপ্রাক্তন সহকারি সিনিয়র শিক্ষকদলদলিয়া সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসাঠিকানা: বড় সরদারপাড়াদলদলিয়া এলাকার শ...
26/08/2026

এমদাদুল হক সরদার
প্রাক্তন সহকারি সিনিয়র শিক্ষক
দলদলিয়া সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা
ঠিকানা: বড় সরদারপাড়া

দলদলিয়া এলাকার শিক্ষা ও সমাজজীবনে যাঁরা নিজেদের কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, এমদাদুল হক সরদার তাঁদের অন্যতম। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় থেকে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীকে জ্ঞান, শিক্ষা ও নৈতিকতার আলোয় আলোকিত করেছেন।

একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন আমাদের এলাকার শিক্ষা-ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর অভিজ্ঞতা, মূল্যবোধ ও স্মৃতি নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

জীবিত অবস্থায় একজন গুণী মানুষ ও শিক্ষকের প্রতি আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

আল্লাহ তাঁকে সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও সুন্দর জীবন দান করুন।

Address

দলদলিয়া, উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
Rangpur
5611

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দলদলিয়া নাগরিক ফোরাম DNF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to দলদলিয়া নাগরিক ফোরাম DNF:

Shortcuts

Share