17/09/2026
বলছিলাম না, রাজনীতি করে কুষ্টিয়ার এমপি আমীর হামজা। এই যাবত সবচেয়ে কড়া একটা ডেলিভারি দিয়েছেন এমপি হামজা। বিএনপির সংরক্ষিত নারী কোটার এমপি ফরিদা ইয়াসমিনকে উত্তম জবাবটাই না দিয়েছেন। বিএনপির সংরক্ষিত নারী কোটার এমপিদেরকে এইভাবেই অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখা লাগবে। এমপি হামজা থেকে শিখে নিন সবাই।
আমীর হামজার আসনে এমপিগিরি করতে গিয়েছে বিএনপির নারী কোটার এমপি ফরিদা ইয়াসমিন। এমপি হামজা তার উপরে ডাবল এমপিগিরি করেছে। ফরিদা ইয়াসমিনকে ক্লিয়ার কাট বলে দিয়েছেন যে, আমি কুষ্টিয়ার ১ লাখ ৮৩ হাজার জনগণের ভোট পেয়েছি। আপনার কোন ভোট নেই। সরকার আপনাকে এই আসনের দায়িত্ব দিলেও, সাংবিধানিকভাবে আপনার কোন গুরুত্ব নেই। আমার উপরে এমপিগিরি করার জন্য আপনাকে পাঠানোর কোন সিস্টেম এই রাষ্ট্রের নেই।
এমপি হামজার এই কড়া ডেলিভারির পরে মনে হয় না বিএনপির নারী কোটার এমপি আর কখনো কুষ্টিয়ায় গিয়ে এমপিগিরি দেখানোর সাহস দেখাবে। যার পাওয়ারের কোন সাংবিধানিক ভিত্তি নেই, সে কীভাবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপির আসনে গিয়ে পাওয়ার দেখাবে? এই প্রাসঙ্গিক আলাপটাই জামায়াতের এমপি আমীর হামজা এনেছেন। জামায়াতের অন্যান্য এমপিদের জন্য এটা শিক্ষণীয় বটে। এমপিগিরি কীভাবে করতে হয়, হামজার কাছ থেকে শিখা দরকার।
যাইহোক, আমীর হামজাকে প্রায় দুই লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছে, এটা আজকেই জানলাম। এমনিতেই আর হামজা সাহেব বলেনি, আগামী ৫ বছরের জন্য আমিই কুষ্টিয়ার প্রধানমন্ত্রী। যেহেতু, অধিকাংশ জনগণ তাঁকে পাওয়ার দেখানোর ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাই এসব কথা বলার স্কোপ এমপি হামজার আছে। বলছিলাম, এমপি হামজা হবে জামায়াতের সবচেয়ে প্রভাবশালী এমপিদের একজন; তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তাঁর মধ্যে এমপিগিরি করার মতো সেই হিম্মত আছে; রাজনীতিও আছে। ন্যায়সঙ্গতভাবে হ্যাডম দেখানোর সাহস ও মানসিকতাও তাঁর মধ্যে দেখা যাচ্ছে। সো, গুড মুভ মুফতি আমীর হামজা এমপি।