11/08/2026
তারুণ্যের বিদ্যাপিঠ জাফরপুর সিদ্দীকীয়া দাখিল মাদরাসা নিয়ে কিছু কথা বলব।আমার আজকের মন্তব্যের পর আমার অনেক শ্রদ্ধেয় ওস্তাদ এবং ছাত্র বন্ধু কিংবা বড় ভাইরা অসন্তুষ্ট হতে পারেন।কিন্তু আমাকে আজ কথা গুলো বলতেই হবে।
আজ দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর খুব খারাপ লাগছিল।যদিও সারা দেশে নাজুক অবস্থা কিন্তু আমাদের জাফরপুর সিদ্দীকীয়া দাখিল মাদরাসা এমন ফলাফল করবে এটা আশানুরুপ ছিলনা।যাইহোক আমি আজ ব্যতিক্রমধর্মী কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলব।জানিনা আমার পূর্বে অত্র মাদরাসার কোন প্রাক্তন ছাত্র এ বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছে কি না?
আ লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে আমাদের শ্রদ্ধেয় আব্দুস সাত্তার হুজুর এবং ফারুক স্যার কিছু ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে বাকি শিক্ষকদের সাথে অসদাচারন করেছিলেন।এবং ওনারা নাকি সরাসরি সৈরাচারের ভূমিকা পালন করেছিলেন।সময়ের বিবর্তনে আ লীগ চলে গেলে ওনাদের বিরুদ্ধে আ লীগের দোসর ট্যাগ দিয়ে মানববন্ধনও করানো হয়।এবং ওনাদেরকে কঠিনভাবে তিরস্কারও করা হয়।আমি বলছি না ওনারা নির্দোষ,বলছি না ওনাদের এগুলো করা উচিত ছিল।নিঃসন্দেহে ওনারা দোষী এবং আ লীগের দোসর স্বীকার করলাম।
আমার প্রশ্ন আজ যদি আ লীগের দোসর হওয়া এবং কিছু অভ্যন্তীরন গোলযোগের কারনে তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে বহাল হতে দেওয়া না হয়।তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ এবং আ লীগের কার্যক্রম কিভাবে তারালীতে চলে?যেখানে জামাতের জেলা পর্যায়ের নেতা তারালীর।ওনারা দোষ করেছেন ভুলও স্বীকার করেছেন তবুও ফারুক স্যারকে মাপ করা হয়নি।
আজ জানতে চাই তারালী ইউনিয়নে আ লীগের লোকজনের থেকে ইয়ানতের টাকা নেওয়ার সময় দোসর দের কথা মনে পড়েনা?জানতে চাই আ লীগ কিভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে?জানতে চাই রাতের আধারে কেন নিয়োগ বানিজ্য হয়?এগুলোর উত্তর আছে আপনাদের কাছে?
পরিশেষে বলি আব্দুস সাত্তার হুজুর এবং ফারুক স্যার দুজনই খুব অভিজ্ঞ শিক্ষক ছিলেন।আপনারা মানেন আর না মানেন মুখ্য বিষয় নয়।ওনাদেরকে আজকের দিনে জাফরপুর সিদ্দীকীয়া দাখিল মাদরাসায় দরকার ছিল।
বিঃ দ্রঃ কারো গায়ে লাগলে আমার কিছুই করার নাই।যদি বলেন আমি ওনাদের দালাল। বলতে পারেন। সত্য কথা বলতে গিয়ে দালাল হলে সমস্যা নাই।
ধন্যবাদ।🙏🙏
©Md. Imrul Kayes