গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপি

গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপি সত্যের পথে নির্ভীক কণ্ঠ।
গণতন্ত্র, ন্যায় ও জনগণের অধিকার রক্ষায় অটল।
ভয় নয়—বলব সত্য।

22/07/2026

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সামরিক কর্মকর্তা থেকে জননন্দিত রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তর এবং দেশে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দর্শনের ভিত্তিমূল গঠনে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার রাজনৈতিক অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জননেতা মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়া স্মৃতি জাতীয় কমিটি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট তৈরি হয়েছিল, তখন প্রায় সব রাজনৈতিক ধারাই এক ধরনের কিংকর্তব্যবিমূঢ়তার মুখে পড়েছিল। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির সঙ্গে শেরে বাংলার কৃষক প্রজা পার্টি যেমন কার্যকারিতা হারায়, তেমনি স্বাধীনতার পর মুসলিম লীগের রাজনীতিও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামের মতো রাজনৈতিক দল পবিত্র ইসলাম এবং কোরআনের নামে যে সংগঠিত দর্শন এবং ইসলামের সংমিশ্রণ তৈরি করেছিল, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের যুদ্ধবিরোধী ও দেশবিরোধী ভূমিকার কারণে বাংলাদেশে তারা দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ থাকতে বাধ্য ছিল। সেই সময় জাসদের প্রতিক্রিয়াধর্মী উত্থান কিংবা মস্কোপন্থী-চীনপন্থী রাজনীতি যখন দিশেহারা, ঠিক সেই সময়ে সমসাময়িক দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পথরেখা তৈরি করার একক দূরদর্শিতা দেখিয়েছিলেন কেবল যাদু মিয়া।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাদ দিয়ে যাদু মিয়ার রাজনৈতিক মূল্যায়ন অসম্পূর্ণ। সামরিক বাহিনীর মনোজগত থেকে একজন সেনা কর্মকর্তাকে অত্যন্ত স্বাভাবিক ও নিখুঁত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রাজনীতিক হিসেবে গড়ে তোলার কঠিন দায়িত্বটি যাদু মিয়াই কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। শহীদ জিয়ার রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা, তাঁর চিন্তা, দর্শন এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে যাদু মিয়ার অনন্য প্রজ্ঞা কাজ করেছিল।

মন্ত্রী আরও বলেন, যাদু মিয়ার সেই সময়কার দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণেই বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ধারাক্রম রচিত হয়েছে। একই সঙ্গে সেদিন সামরিক কর্মকর্তা থেকে জিয়াউর রহমানকে রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরের সূচনা করেছিলেন বলেই পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনার পথ পেয়েছে। ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে যাদু মিয়ার রাজনৈতিক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক।

বিশিষ্ট ছড়াকার আবু সালেহ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ। স্মারক বক্তব্য উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. ক্যাপ্টেন এম. রেজাউল করিম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এমপি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, সাবেক মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সৈয়দ দিদার বখত, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক গাজীউল হাসান খান এবং মোস্তফা কামাল মজুমদার। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিটা রহমান।

বক্তারা মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

10/07/2026
10/07/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

10/07/2026

দেশে বর্তমানে বিভিন্ন ক্যাডারে মোট ৮ হাজার ৯৯টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব শূন্য পদ দ্রুত পূরণ এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

জুলাই ৭, ২০২৬, সংসদে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেধা, সততা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রমও শেষ হয়েছে। এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, শূন্য পদ পূরণ এবং দেশের বেকারত্ব হ্রাসে সরকার ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মপরিকল্পনায় উল্লিখিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা, শূন্য পদের তথ্য এবং নিয়োগের অধিযাচন পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, দ্রুততম সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ সম্পন্ন করতে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্যও সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।

09/07/2026

বিগত সময়গুলোতে শিক্ষা ক্ষেত্রে শুধু বিল্ডিং হয়েছে। হিউমান রিসোর্সের কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জীবনমান উন্নয়নে ধাপে ধাপে তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে।

-তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

08/07/2026

'সবার আগে বাংলাদেশ' - এই দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান সরকার একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় 'বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬' একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য, 'বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ', আমাদের এই জাতীয় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃক্ষ বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন শোষণ করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমায় এবং পরিবেশকে নির্মল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও রেলপথের দুই পাশ, বাঁধ, সরকারি বনভূমি, উপকূলীয় চরাঞ্চল, নগর এলাকা এবং বসতবাড়িসহ দেশের সর্বত্র বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নগর বনায়নে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং বিনামূল্যে চারা বিতরণের উদ্যোগও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি পাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা সহজ হবে এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।

উন্নত জীবনের জন্য যেমন প্রয়োজন সমৃদ্ধ দেশ ও শক্তিশালী অর্থনীতি, তেমনি সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন। সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও সবুজ বন পরস্পর ওতপ্রোতভাবে সম্পর্কযুক্ত।

একটি গতিশীল ও সম্ভাবনাময় সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে বন ও বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই দেশকে সবুজে আচ্ছাদিত করার লক্ষ্যে বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ও প্রান্তিক জমিতে, খাল ও নদীর পাড়ে, বাঁধে, সড়ক ও সড়কদ্বীপে, বাড়ির ছাদে এবং শহর-বন্দর নির্বিশেষে উপযুক্ত প্রতিটি স্থানে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রমে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই।

বৃক্ষমেলা দেশে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্ষরোপণে দেশবাসীকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছরও জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আমি আশা করি, দেশবাসী বৃক্ষমেলা থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহের সুযোগ পাবে এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করবে।

আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করি এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করি।

এ বছর যারা 'বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার, ২০২৫', 'বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার, ২০২৬' এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ অর্জন করেছেন, আমি তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

আমি জাতীয় 'বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬' এর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।

08/07/2026
08/07/2026

পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ প্রদান করা হবে।

-তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

Address

Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share