বিদ্যুৎ সেবা, আম্বরখানা সাপ্লাই অফিস, সিলেট

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • বিদ্যুৎ সেবা, আম্বরখানা সাপ্লাই অফিস, সিলেট

বিদ্যুৎ সেবা, আম্বরখানা সাপ্লাই অফিস, সিলেট Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিদ্যুৎ সেবা, আম্বরখানা সাপ্লাই অফিস, সিলেট, Public Service, supply Road, Amberkhana, Sylhet.

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)-এর আওতাধীন বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১, বিউবো, সিলেট একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিতরণ এবং গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন.... । জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির  সাংগঠনিক সম্পাদক ও  বিএনপি...
19/08/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন.... ।
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপি নেতা হাজী মোহাম্মদ সুরমান আলী গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সবাইকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন....
আল্লাহ পাক তাঁর জান্নাত নসীব করুন আ-মিন।

13/08/2026

রাত ৮টার পরে দোকান খোলা না রাখার অনুরোধ জানিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

রাত ৮টার পরে দোকান খোলা না রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে
13/08/2026

রাত ৮টার পরে দোকান খোলা না রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে

প্রি পেইড মিটারের গুরুত্বপূর্ণ কোড সমূহ
07/08/2026

প্রি পেইড মিটারের গুরুত্বপূর্ণ কোড সমূহ

03/08/2026

প্রিপেইড মিটারে মাসের শেষের দিকে দ্রুত টাকা শেষ হয়ে যাওয়া বা বেশি বিল কাটার পেছনে মিটারের কোনো ত্রুটি থাকে না। এর মূল কারণ হলো সরকার নির্ধারিত ধাপভিত্তিক বা স্ল্যাবভিত্তিক (Slab-based) বিদ্যুৎ বিলিং পদ্ধতি।

​১. স্ল্যাব বা ধাপভিত্তিক বিলিং কীভাবে কাজ করে?
​আবাসিক বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ব্যবহার যত বাড়ে, প্রতি ইউনিটের দামও তত বৃদ্ধি পায়। মাসজুড়ে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে এই ধাপগুলো নির্ধারিত হয়:
​লাইফলাইন (০ – ৫০ ইউনিট): সবচেয়ে কম দাম (প্রতি ইউনিট ৪.৬৩ টাকা)।
​প্রথম ধাপ (০ – ৭৫ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ৫.২৬ টাকা।
​দ্বিতীয় ধাপ (৭৬ – ২০০ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ৮.৫০ টাকা।
​তৃতীয় ধাপ (২০১ – ৩০০ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ৯.১০ টাকা।
​চতুর্থ ধাপ (৩০১ – ৪০০ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ৯.৬২ টাকা।
​পঞ্চম ধাপ (৪০১ – ৬০০ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ১৫.০১ টাকা।
​ষষ্ঠ ধাপ (৬০১+ ইউনিট): প্রতি ইউনিট ১৭.৩৫ টাকা।

​২. মাসের শেষে কেন বেশি টাকা কাটে মনে হয়?
​ধাপের পরিবর্তন: মাসের শুরুতে (১ থেকে ৭৫ ইউনিটের মধ্যে) বিদ্যুতের দাম কম থাকে। কিন্তু ১৫ বা ২০ দিন যাওয়ার পর মোট ব্যবহার যখন ২০০ বা ৩০০ ইউনিট অতিক্রম করে, তখন প্রতিটি নতুন ইউনিটের জন্য আগের চেয়ে অনেক বেশি হারে (যেমন: ৮.৫০ টাকা বা ৯.৬২ টাকা) টাকা কাটতে থাকে।
​তাৎক্ষণিক সমন্বয়: প্রিপেইড মিটারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সাথে সাথে টাকা কাটা হয়। তাই মাসের শেষ দিকে উচ্চ ধাপে পৌঁছানোর পর একই পরিমাণ ফ্যান বা এসি চালালেও ব্যালেন্স দ্রুত কমতে থাকে।

​৩. পোস্টপেইডের সাথে পার্থক্য
​পোস্টপেইড মিটারেও একইভাবে উচ্চ ধাপে বিল ধরা হয়, তবে পুরো মাসের হিসাব এক সাথে মাস শেষে কাগজের বিলে আসে। ফলে কম রেট ও বেশি রেটের গড় হিসাব একসাথে থাকায় ধাপ পরিবর্তনের বিষয়টি আলাদাভাবে চোখে পড়ে না। প্রিপেইডে প্রতিদিনের ব্যালেন্স দেখা যায় বলেই মাসের শেষে দ্রুত টাকা কাটা হচ্ছে বলে মনে হয়।

​৪. ব্যালেন্স দ্রুত শেষ হওয়া এড়ানোর উপায়
​ডাবল ডেসিমেলে না রেখে অপ্রয়োজনীয় আলো, ফ্যান এবং এসি (২৫°-২৬° সেলসিয়াসে চালানো) সতর্কভাবে ব্যবহার করা।
​চেষ্টা করা যেন মোট মাসিক ব্যবহার কম ধাপে (যেমন: ২০০ বা ৩০০ ইউনিটের মধ্যে) সীমিত থাকে।

বিদ্যুতের বিল বেশী আসার অভিযোগ ও কিছু কথাঃএকবিংশ শতাব্দিতে এসে বিদ্যুৎ একটি অতীব প্রয়োজনীয় জিনিস। যার ব্যবহার আমাদের মাঝ...
29/07/2026

বিদ্যুতের বিল বেশী আসার অভিযোগ ও কিছু কথাঃ

একবিংশ শতাব্দিতে এসে বিদ্যুৎ একটি অতীব প্রয়োজনীয় জিনিস। যার ব্যবহার আমাদের মাঝে এমনভাবে বিস্তৃত যে, তা ছাড়া একটি দিন চিন্তা করাই প্রায় অসম্ভব।পৃথিবীর অনেক দেশ বিদ্যুতে স্বনির্ভরতা অর্জন করলেও সীমিত সম্পদের কারনে আমরা এখনো সেটা নিশ্চিত করতে পারিনি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির প্রায় পুরোটাই আমদানি নির্ভর এবং অত্যন্ত ব্যায়বহুল,তার কাঁচামাল(গ্যাস,তেল কয়লা) বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, আমদনি করতে হয়। যার কারনে বাংলাদেশের মত দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন একটি ব্যয়বহুল কার্যক্রম। তাই বিদ্যুৎ ও জ্বালানী নিরাপত্তা সব সরকারের আমলেই এটি একটি বড় মাথাব্যথার কারন। ডলার ক্রাইসিস ও বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতায় জ্বালানী বাজারে নতুন সমস্যা নিয়ে আসে, কোনো কারনে তেল,গ্যাস আমদানি করতে না পারলে অনেক ক্ষেত্রেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হয়। মাত্রারিক্ত গরম হলে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় এস্টিমেটের তুলনায় অনেক বেশী। তখন সিস্টেম স্বাভাবিক রাখার জন্য কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়। এটা কোনো বিতরন সংস্থা ইচ্ছা করলেই করতে পারে এমন না, তা করতে হয় বাধ্য হয়ে,সিস্টেমকে স্বাভাবিক রাখতে।

ইদানিংকালে অনেকেই অভিযোগ করছেন তার বিদ্যুৎ বিল বেশী আসছে /কাটছে, তার জন্য অনেকেই প্রিপেইড মিটারকে দায়ী করছেন।যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রিপেইড মিটার অত্যন্ত সঠিক বিলিং করে যেখানে অতিরিক্ত বিলের কোনো সুযোগ নেই। প্রকৃতিগত কারনে মানুষ কোনো কিছুর মূল্য ব্যবহারের পূর্বে দিতে চায় না। ব্যবহারের পূর্বে কোনো কিছুর বিল পরিশোধ করলে মানুষ তা কষ্টদায়ক মনে করে।যেমন - মোবাইলে টাকা রিচার্জ। তাছাড়া অনেক অভিযোগের ভিত্তিতে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে বিশেষজ্ঞ দিয়ে কয়েকবার দৈবচয়নের ভিত্তিতে পরীক্ষা করানো হয়েছে তাতেও নূন্যতম অসামঞ্জস্যতা পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে জনগণ বিদ্যুতের মূল্যটাই দিতে পারে না, সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন,বিতরন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিচালন খরচ এসবের জন্য সরকার গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী একটা ডিমান্ড চার্জ নেয়, যা না নিলে অবকাঠামো তৈরী ও মেরামত গরীব দেশের জন্য অসম্ভব।আরেকটি হল মিটার ভাড়া, মিটার গ্রাহক নিজে ক্রয় করলে তার থেকে ভাড়া নেওয়া হয় না। শুধুমাত্র বিতরন সংস্থা থেকে মিটার ভাড়ায় নিলেই কেবল তার মিটার ভাড়া নেয়া হয়। এখানেও সরকার জনগণকে ভর্তুকি দিচ্ছে, একটি প্রিপেইড মিটারের মূল্য মিটার ভেদে প্রায় ৫৫০০ টাকার কম বেশী হয়, যা ভাড়ায় নিলে ৪০/মাসে দিলে আসল পরিশোধ করতেই ১১.৪ বছর সময় লাগবে। যা গ্রাহকের জন্যই লাভজনক।

এবার আসি বিলের বিষয়ে, বিদ্যুৎ বিলের হিসাবটি সরল নয়, কারিগরি বিষয় হওয়ার কারনে এটি একটু জঠিল প্রকৃতির। তাই এই খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া বিষয়টি বুঝা একটু কাঠিন।
পৃথিবীতে যে কয়টি কল্যান রাস্ট্র রয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এখানে সেবাখাতে সরকার ভর্তুকি দেয়। কেমন সেটা - বিপিডিবির তথ্য মতে বর্তমানে ১ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ১৩.০৯ টাকা কিন্তু বিভিন্ন বিতরন সংস্থা তা গ্রাহকের কাছে বিক্রয় করে এ্যভারেজ ১০.৬৩ টাকা অর্থাৎ সরকার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে ভর্তুকি দেয় গড়ে ২.৪ টাকা প্রায়। এটা বিলিয়ন বিলিয়ন ইউনিটে কত হয় তা হিসাব করা যেতে পারে।
তার মধ্যে এদেশের সকল গ্রাহক সমান সামর্থ্যবান নয় তাই যারা গরীব গ্রাহক তাদের বিলিং রেট এবং যারা সামর্থ্যবান তাদের বিলিং রেট এক নয়। এখন এটা নির্ধারণ করা হয় তার ব্যবহারের উপর। যে বেশী ব্যবহার করে তার বাসায় বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি বেশী সে সামর্থবান, যিনি এসি ব্যবহার করেন তাকে গরীব বলার সুযোগ নেই।

ধরি কোনো একজন আবাসিক গ্রাহক মাসের শুরুতে ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার পর্যন্ত তার বিলিং রেট ৫.৩২ টাকা, ৫১ ইউনিট থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত তা ৬.১৮ টাকা, ৭৬- ২০০ ইউনিট ৮.৫০ টাকা, ২০১-৩০০ ইউনিট ৯.১০ টাকা, ৩০১-৪০০ ইউনিট ৯.৬২ টাকা, ৪০১-৬০০ ইউনিট ১৫.০১ টাকা, ৬০০ ইউনিটের উর্ধে ১৭.৩৫ টাকা। প্রিপ্রেইড মিটারে এই ধাপের পার্থক্যগুলো বুঝা যায়, কিন্তু বিলিং মিটারে একত্রে মাস শেষে বিল হওয়ার কারনে তা বুঝা যায় না। প্রিপেইড মিটারে মাসের শুরুতে ১০০ টাকা দিয়ে প্রায় ১৮.৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, কিন্তু মাসের শেষের দিকে যখন ৬০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়ে যায় তখন ধাপ পরিবর্তন হয়ে ১০০ টাকায় ৫.৭ ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। যার কারনে মাসের শেষে দিকে এসে মনে হয় সব টাকা কেটে নিয়ে গেল। কিন্তু এটি খুবই স্বাভাবিক বিষয়। মিটারে ৪১৪ চেপে এন্টার চাপলে চলতি মাসে কত ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে তা জানতে পারা যায়। জুন মাসে অত্যধিক গরম এবং ট্যারিফ রেট বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ বিল বেড়েছে।

বিতরনে চাকরির সুবাধে প্রতিদিন অসংখ্য গ্রাহক আসেন, তাদের সমস্যা শুনি বেশিরভাগ গ্রাহকরাই বিষয়টা বুঝতে পারেন না। বুঝিয়ে দিলে বুঝেন। অনেকেই মিটারে টাকা রিচার্জ করলেও মিটারে টাকা এন্ট্রি দেন না, সিকোয়েন্স মিস করেন,অনুমোদিত লোডের থেকে বেশী লোড ব্যবহার করেন, অনেকেই অনেকভাবে রাজস্ব ফাকি দিতে চান। দিন শেষে দেশটা আমাদেরই। এখানে কেউ কারো শত্রু না।বিদ্যুৎ বিভাগ বেশী বিল করে কাকে দিবে? কি লাভ তাদের বেশী বিল করে?মাঝে মাঝে দু -একটা ভুল হতে পারে, কিন্তু ভুলকে ঢালাওভাবে প্রচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা থেকে আমাদের সকলকে বিরত থাকতে হবে।

লেখক- সৈয়দ জুবায়েদ হাসান
উপ-সহকারী প্রকৌশলী, বিপিডিবি

সকলের অবগতির জন্য
27/07/2026

সকলের অবগতির জন্য

চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় বিকাল ৩টা ৫ মিনিট থেকে লোড শেডিং শুরু হয়েছে। আশা করা যায় শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাব...
04/07/2026

চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় বিকাল ৩টা ৫ মিনিট থেকে লোড শেডিং শুরু হয়েছে। আশা করা যায় শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

জুন/২০২৬ ইং মাসে বিদ্যুৎ এর দাম বৃদ্ধি পাবার কারণে গ্রাহকদের বিল পূর্বের মাসের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত বিল হয়েছে ...
30/06/2026

জুন/২০২৬ ইং মাসে বিদ্যুৎ এর দাম বৃদ্ধি পাবার কারণে গ্রাহকদের বিল পূর্বের মাসের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত বিল হয়েছে এমন অভিযোগ থেকে থাকলে প্রথমেই আপনারা মিটারের রিডিং টা চেক করে দেখুন। রিডিং এর তুলনায় অতিরিক্ত বিল হয়ে থাকলে সরাসরি অভিযোগ দিন

বিদ্যুৎ বিল হাতে পৌঁছে থাকলে ৩০ শে জুন এর মধ্যে তা পরিশোধ করুন।

Address

Supply Road, Amberkhana
Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিদ্যুৎ সেবা, আম্বরখানা সাপ্লাই অফিস, সিলেট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share