Dazzle Green Tangail

Dazzle Green Tangail Dazzle Green is an enterprise to work for prevent nature pollution & bring some better alternate way

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় ...
03/06/2026

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।

ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।

বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ?

আমার এক বন্ধু একবার অঙ্কে ৯৬ পাইছিল।

সেই বন্ধুর মা আমাদের সামনেই শুরু করলো মাইর।

যেমন সেমন মাইর না, কঠিন মাইর। মাইর খাইয়া বেচারা মায়ের পা চাইপা ধরলো।

ছেলেটা যে কী নরম সরম ছিল।

এখনো কি তাই আছে?

আমি জানি না। এত মাইর খাইয়া কেউ কি নরম থাকে?

রুয়েটের এক ফ্রেন্ড আফসোস করে বলছিল, তার বাবা তার কাছে কোনদিন জানতে চায়নি, সে কেমন আছে?

স্কুল কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি, একটাই প্রশ্ন, রেজাল্ট কত? ও তোমার আগে গেল কেমনে?

আমার আরেক ফ্রেন্ড এর বাপ নাকি ও ওয়াশরুমে গেলেও বকাবকি করত। লেখাপড়া রেখে ওয়াশরুমে কী?

এক আপুর স্বপ্ন ছিল নিজের প্রথম স্যালারি দিয়ে বাবাকে একটা দামি ঘড়ি গিফট করা। আমাদের মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন যেমন হয় আর কী।

ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, বিসিএস পড়া কেবল শুরু করেছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই, প্রেমও করতেন একটা, সবাই যেমন করে,

মাস্টার্স এ সেই আপুকে ধরে বিয়ে দেওয়া হইলো এক আমেরিকান পাত্রের সাথে। আপু একবার সুইসাইড এটেম্পট নিলেও পরেরবার হাসিমুখেই বিয়েটা করে আমেরিকা চলে গেলেন।

জামাইয়ের তিনটা বাড়ি। টাকার কোন অভাব নাই।

চাইলে এখন তিনি রোল্যাক্স কিনেও বাপকে দিতে পারেন।

কিন্তু বাবার জন্য একটা ক্যাসিও বা টাইটানও কিনেননি।

কারণ, রুচি হয়নি।

উনার বাবা মা আমার পরিচিত।

সারাদিন অভিযোগ করে, মেয়েটা আমাদের ভুলেই গেল। অথচ মেয়েটার জন্য কত কী করলাম!!

আমাদের দেশে ছেলে মেয়েদের ধরে ধরে কুরবানি দেওয়াকে অনেক কিছু করা হিসেবে দেখানো হয়।

আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।

মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।

দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।

একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?

এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,

এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।

শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,

ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।

মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।

হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,

এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।

সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।

কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,

বাপ মায়েরা শিখাইছিল,

আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,

কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।

আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?

কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।

যন্ত্রের কি আর কান আছে?

একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?

তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।

কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?

২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র‍্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।

তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷

মায়া করতে শেখান।

কারণে ভালোবাসা শেখান।

অকারণেও ভালোবাসা শেখান।

একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।

নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।

একটা ফুল দেখলেও যেন আপনার ছেলেটা বা মেয়েটা বলতে পারে,

ভালো থেকো ফুল,
মিষ্টি বকুল,
ভালো থেকে,

ভালো থেকে ধান,
ভাটিয়ালি গান,
ভালো থেকে,

ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা,
ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা
ভালো থেকো..........

এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।

এই পৃথিবী একটা আয়না।

এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।

ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।

ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।

ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,

এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।

ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।

কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,

কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া........কপি

29/05/2026

সমঝোতা স্মারক (MEMORANDUM OF UNDERSTANDING)

সমঝোতা স্মারকটি অদ্য... মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে টাঙ্গাইল পৌরসভা কার্যালয়ে নিম্নলিখিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত হইল:

প্রথম পক্ষ: মাননীয় মেয়র / প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, টাঙ্গাইল পৌরসভা, টাঙ্গাইল। (যিনি এই চুক্তিতে 'পৌর কর্তৃপক্ষ' বা 'প্রথম পক্ষ' হিসেবে অভিহিত হইবেন)।

দ্বিতীয় পক্ষ: ইন্জি: মো: শফিউদ্দীন চৌধুরী ( মৃদূল) স্বত্বাধিকারী/উদ্যোক্তা, ড্যাজল গ্রিন টাংগাইল (Dazzle Green Tangail ), স্থায়ী ঠিকানা: ১৭ নম্বর ওয়ার্ড, বিশ্বাস বেতকা, টাঙ্গাইল পৌরসভা। (যিনি এই চুক্তিতে 'উদ্যোক্তা' বা 'দ্বিতীয় পক্ষ' হিসেবে অভিহিত হইবেন)।

১. চুক্তির উদ্দেশ্য ও পটভূমি:

টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডসহ পৌর এলাকার গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক পচনশীল জৈব বর্জ্য বৈজ্ঞানিক উপায়ে ২৪ ঘণ্টার স্বয়ংক্রিয় ওডব্লিউসি (OWC) মেশিনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উপজাত ও জৈব সারে রূপান্তর করা। একই সাথে উৎপাদিত সার দ্বারা টাঙ্গাইল শহরের সবুজায়ন (Gardening) নিশ্চিতপূর্বক বায়ু দূষণ ও মিথেন গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।

২. প্রথম পক্ষের (পৌর কর্তৃপক্ষ) দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ:

দ্বিতীয় পক্ষকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডসহ নির্ধারিত পৌর এলাকায় নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ভ্যানের মাধ্যমে উৎস পর্যায়ে গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহের একক অধিকার প্রদান করা হইবে।

আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা: দ্বিতীয় পক্ষকে নির্বিঘ্নে প্ল্যান্ট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কমার্শিয়াল ট্রেড লাইসেন্স এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিশেষ পারমিট দ্রুততম সময়ে প্রদান করা হইবে।

সহযোগিতা সম্প্রসারণ: দ্বিতীয় পক্ষের প্রকল্প সফল হইলে পৌরসভার ডাম্পিং সাইটের ওপর চাপ কমাতে অন্যান্য ওয়ার্ডের বর্জ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রথম পক্ষকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

৩. দ্বিতীয় পক্ষের (উদ্যোক্তা) দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ:

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার:
দ্বিতীয় পক্ষ নিজস্ব অর্থায়নে সম্পূর্ণ দুর্গন্ধহীন, ধোঁয়ামুক্ত এবং পানি নিষ্কাশনমুক্ত (Zero Leachate) ২৪ ঘণ্টার স্বয়ংক্রিয় ওডব্লিউসি (OWC) ও রোটারি ড্রায়ার প্রযুক্তি স্থাপন ও পরিচালনা করিবে।

পৌর এলাকা সবুজায়ন:
ড্যাজল গ্রিন প্ল্যান্ট থেকে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত সারের একটি নির্দিষ্ট অংশ (কমপক্ষে ২৫%) টাঙ্গাইল পৌরসভার বিভিন্ন উদ্যান, লেক, পার্ক, রোড ডিভাইডার ও রাস্তার পাশে সরকারি/ বেসরকারী খালি জায়গায় গাছ লাগানো ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য হোলসেল মূল্যে প্রথম পক্ষকে সরবরাহ করা হবে।

পরিবেশ রক্ষা ও কমপ্ল্যায়েন্স: বর্জ্য বাছাইকরণের সময় সংগৃহীত ক্ষতিকারক প্লাস্টিক, কাচ ও মেটাল দ্বিতীয় পক্ষ নিজ দায়িত্বে আলাদা করিয়া রিসাইক্লিংয়ের ব্যবস্থা করিবে অথবা রিসাইক্লিকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহকারীগনের কাছে বিক্রি করে সেই বিক্রির টাকা ভোগ করতে পারবে। তবে যদি কোনও অংশবিশেষ বিক্রি বা কাজে লাগানো না যায় তবে তা পৌর নির্ধারিত ডাম্পিং / ল্যন্ড ফিল্ডে ফেলতে পারবে।

৪. আর্থিক নিয়মনীতি ও সার্ভিস চার্জ বর্জ্য সংগ্রহ ফি:

দ্বিতীয় পক্ষ বাসাবাড়ি ও হোটেল থেকে বর্জ্য সংগ্রহ বাবদ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট মাসিক ফি/সার্ভিস চার্জ (যেমন: বাড়ি প্রতি ১৫০ টাকা, ৩০ দিন x ৫ টাকা ) সরাসরি ভোগ করিতে পারিবে।

রাজস্ব ও সার বিক্রয়: উৎপাদিত সার বিক্রি, বাগান সেবার মাধ্যমে অর্জিত সমস্ত বাণিজ্যিক আয় এবং রিসাইক্লেবল উপাদান সমুহ বিক্রির আয় সম্পূর্ণভাবে দ্বিতীয় পক্ষের মালিকানাধীন থাকিবে। এর জন্য প্রথম পক্ষ কোনো বাড়তি লভ্যাংশ দাবী করিবে না।

৫. চুক্তির মেয়াদ: উক্ত চুক্তির মেয়াদ স্বাক্ষরের তারিখ হইতে আগামী ১০(দশ) বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে। উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করা যাইবে।

29/05/2026

বরাবর,
মাননীয় পৌর প্রশাসক ,টাঙ্গাইল পৌরসভা, টাঙ্গাইল।

বিষয়: ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আধুনিক প্রযুক্তিতে বর্জ্য রূপান্তর ও "ড্যাজল গ্রিন" প্রকল্প চালুর অনুমতি ও অংশীদারিত্ব প্রসঙ্গে।

মহোদয়,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের ক্রমবর্ধমান পৌর এলাকায় প্রতিদিন উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ পচনশীল গৃহস্থালি বর্জ্য ডাম্পিংয়ের কারণে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এই সমস্যার পরিবেশবান্ধব ও স্থায়ী সমাধানে আমরা "ড্যাজল গ্রিন" প্রকল্পের আওতায় একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ২৪ ঘণ্টার বর্জ্য শোধন প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করেছি। যেখানে কোনো দুর্গন্ধ বা ধোঁয়া ছাড়াই ময়লা থেকে উন্নত মানের জৈব সার উৎপাদিত হবে এবং সেই সার দিয়ে টাঙ্গাইল শহরের রাস্তার পাশে খালি জায়গাগুলোতে বাগান ও নার্সারি প্রতিষ্ঠা করা এবং শহরের ছাদগুলোকে সবুজায়নের মাধ্যমে আরবান হিট আইল্যান্ড প্রভাব কমানো হবে।

অতএব মহোদয়, উক্ত জনকল্যাণমুখী ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্পটি সফলভাবে পরিচালনার জন্য বর্জ্য সংগ্রহ করার অনুমতি, ট্রেড লাইসেন্স এবং পৌরসভার বর্জ্য শাখার সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সুমর্জি হয়।

নিবেদক,
ইন্জি: মো : শফিউদ্দীন চৌধুরী ( মৃদুল),
উদ্যোক্তা, ড্যাজেল গ্রিন টাঙ্গাইল।
মোবাইল : 01841-532446

29/05/2026

ড্যাজল গ্রিন" (Dazzle Green) সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ছাদ বাগান প্রকল্পের জন্য দৈনিক ১ টন (১,০০০ কেজি) ধারণক্ষমতার একটি আদর্শ কারখানার সম্পূর্ণ প্ল্যান্ট লেআউট (Plant Layout & Space Allocation) নিচে নকশা আকারে তৈরি করে দেওয়া হলো।

একটি ১,৫০০ থেকে ২,০০০ বর্গফুটের শেডের ভেতরে কর্মপ্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা (Workflow) বজায় রেখে কীভাবে জায়গা ভাগ করবেন, তা এখানে সুনির্দিষ্টভাবে দেখানো হয়েছে।

🏢 ১. প্ল্যান্টের প্রধান ৩টি জোন (Zone Allocation)
কারখানার ভেতরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পুরো জায়গাটিকে ৩টি প্রধান ব্লকে ভাগ করা হবে:
ওয়েট জোন (Wet Zone - বর্জ্য আগমন ও প্রসেসিং): এখানে কাঁচা ময়লা আসবে, বাছাই হবে এবং ওডব্লিউসি মেশিনে ঢুকবে।
ড্রাই জোন (Dry Zone - সার শুকানো ও প্যাকিং): ওডব্লিউসি থেকে বের হওয়া সার শুকানো এবং প্যাকেটজাত করার পরিষ্কার এলাকা।
লজিস্টিকস ও অফিস জোন (Office & Storage): ছাদ বাগানের যন্ত্রপাতি, তৈরি সার এবং অফিস কক্ষ।

📐 ২. কারখানার পূর্ণাঙ্গ ২D লেআউট নকশা (Physical Layout Map)
(ধরে নেওয়া হয়েছে শেডটির সাইজ ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৪০ ফুট প্রস্থ)

৩. উপাদান ও কাজের ধারাবাহিক ফ্লো (Workflow Direction)লেআউটটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন ময়লা একদিক থেকে ঢুকে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াজাত হয়ে অন্য দিক দিয়ে সরাসরি সুগন্ধি জৈব সার ও প্রোডাক্ট হিসেবে বের হয়ে যায়। এতে ভেজা ময়লার সাথে তৈরি সারের মিশ্রণ ঘটার কোনো সুযোগ থাকবে না:

ধাপ-১ (Unloading): ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভ্যানগুলো এসে 'বর্জ্য আগমন চাতালে' ময়লা আনলোড করবে। কর্মীরা গ্লাভস পরে প্লাস্টিক, কাচ ও লোহা আলাদা করে স্ক্রিনারে ফেলবেন।

ধাপ-২ (Shredding): বাছাইকৃত জৈব বর্জ্য শ্রেডার মেশিনে দিয়ে ছোট টুকরো করা হবে।

ধাপ-৩ (Composting): কুচি করা ময়লা সরাসরি ২৪ ঘণ্টার ওডব্লিউসি মেশিনে ইনপুট দেওয়া হবে।

ধাপ-৪ (Drying): ২৪ ঘণ্টা পর ওডব্লিউসি থেকে বের হওয়া ২০% আর্দ্রতার সার সরাসরি রোটারি ড্রায়ার মেশিনে প্রবেশ করবে এবং আর্দ্রতা ১০%-এ নেমে আসবে।

ধাপ-৫ (Packaging): শুকনো ঝরঝরে সার অটোমেটিক ফিলিং ও সিলিং মেশিনের সাহায্যে ৫ কেজি, ১০ কেজি ও ২৫ কেজির ড্যাজল গ্রিন ব্র্যান্ডের প্যাকেটে ভরা হবে।

ধাপ-৬ (Storage & Delivery): প্যাকেটগুলো গুদামে সাজিয়ে রাখা হবে, যা পরবর্তীতে আপনার ল্যান্ডস্কেপিং ভ্যানে করে টাঙ্গাইল শহরের ছাদ বাগানীদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

"ড্যাজল গ্রিন" (Dazzle Green) প্রজেক্টে সংগ্রহ করা শুকনো অজৈব আবর্জনা (যেমন কাঠ, ছেঁড়া কাপড়, গাছের শুকনো ডালপালা বা পিচব...
29/05/2026

"ড্যাজল গ্রিন" (Dazzle Green) প্রজেক্টে সংগ্রহ করা শুকনো অজৈব আবর্জনা (যেমন কাঠ, ছেঁড়া কাপড়, গাছের শুকনো ডালপালা বা পিচবোর্ড) বিশেষত মেডিকেল বর্জ্য পুড়িয়ে যে উত্তাপ বা তাপ (Flue Gas/Heat) তৈরি হবে, তা সরাসরি রোটারি ড্রায়ার মেশিনে (Rotary Drum Dryer) ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে কারিগরি ভাষায় "ইনডাইরেক্ট ওয়েস্ট হিট রিকভারি" (Indirect Waste Heat Recovery) বলা হয়।

প্ল্যান্টের শতভাগ জ্বালানি খরচ বাঁচানোর জন্য এই আধুনিক তাপ স্থানান্তর প্রক্রিয়াটির বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও টেকনিক্যাল ডিজাইন নিচে দেওয়া হলো:

⚙️ ১. তাপ সরাসরি সারে না লাগিয়ে কীভাবে ব্যবহার করবো ?
(The Indirect Heating Process)পূর্বেই আলোচনা করা হয়েছে যে, আবর্জনা পোড়ানো আগুন বা ধোঁয়া সরাসরি সারের সংস্পর্শে এলে সারের নাইট্রোজেন ও অণুজীব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। তাই একটি ইনডাইরেক্ট বা পরোক্ষ হিট এক্সচেঞ্জার (Heat Exchanger) সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে:

হিট চেম্বার বা ইনসিনারেটর (Incinerator Chamber):

প্ল্যান্টের এক কোণে একটি ছোট অবদমিত রিফ্র্যাক্টরি ইট (Firebrick) দিয়ে তৈরি চুলা বা ফার্নেস থাকবে, যেখানে শুকনো আবর্জনাগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে পোড়ানো হবে।

হিট এক্সচেঞ্জার টিউব (Heat Exchanger Pipes): এই চুল্লির ওপর একটি ভারী মেটাল পাইপলাইন (Air Ducting) থাকবে। চুল্লির উত্তাপ এই পাইপের ভেতরের বাতাসকে প্রচণ্ড গরম (প্রায় ১৫০°-২০০° সেলসিয়াস) করবে, কিন্তু চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়া পাইপের ভেতরের বাতাসের সাথে মিশবে না।

হিট ব্লোয়ার ফ্যান (Hot Air Blower): একটি কমার্শিয়াল সেন্ট্রিফিউগাল ব্লোয়ার ফ্যান পাইপের ভেতরের এই বিশুদ্ধ গরম বাতাসকে টেনে সরাসরি রোটারি ড্রায়ার ড্রামের ইনপুট চ্যানেলে পাঠিয়ে দেবে।

৩. এই সিস্টেমের মূল টেকনিক্যাল রিকোয়ারমেন্টস (Technical Requirements)পাইপের মেটেরিয়াল:

হিট এক্সচেঞ্জারের মূল পাইপলাইনটি অবশ্যই ভারী কার্বন স্টিল (Seamless Carbon Steel) বা এসএস (SS) পাইপ দিয়ে তৈরি হতে হবে, যা উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে।

থার্মাল ইনসুলেশন (Rockwool Insulation): ব্লোয়ার থেকে ড্রায়ার পর্যন্ত যে পাইপ দিয়ে গরম বাতাস যাবে, তার চারপাশে ২ ইঞ্চি পুরু 'রকউল' (Rockwool) বা কাচতন্তু দিয়ে মুড়িয়ে দিতে হবে। এতে পাইপের ভেতরের তাপ বাইরে নষ্ট বা রেডিয়েট হবে না।

ড্যাম্পার কন্ট্রোল ভালভ (Damper Valve): পাইপের মাঝখানে একটি মেকানিক্যাল বাটারফ্লাই ভালভ বা ড্যাম্পার থাকবে। ড্রায়ারের ভেতরের তাপমাত্রা যদি ৬৫° সেলসিয়াসের ওপরে চলে যায়, তবে এই ভালভটি ঘুরিয়ে গরম বাতাসের প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া যাবে।

৪. ব্যবসার জন্য আর্থিক লাভ (Financial Benefits)এই ওয়েস্ট-হিট রিকভারি সিস্টেমটি স্থাপন করলে "ড্যাজল গ্রিন" প্রজেক্টের পরিচালন ব্যয়ে বিশাল পরিবর্তন আসবে।

শূন্য জ্বালানি খরচ: সার শুকানোর জন্য প্রতি মাসে যে ১২,০০০-১৪,০০০ টাকার বিদ্যুৎ বিল অথবা ৪৪,০০০ টাকার এলপিজি গ্যাস লাগার কথা ছিল, তা একদম ০ (শূন্য) টাকায় নেমে আসবে।

শতভাগ রিসাইক্লিং:
১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কোনো আবর্জনাই আর ল্যান্ডফিলে যাবে না; পচনশীল অংশ থেকে সার হবে, শুকনো রিসাইকেলেবল আবর্জনা ম্যানুয়াল সর্টিং এর মাধ্যমে আইটেম ওয়াইজ সর্টিং করে ভালো মূল্য বিক্রি করা হবে আর অপচনশীল শুকনো অংশ বিশেষত মেডিকেল বর্জ্য যা পৌর এলাকার জন্য একটি বড় মাথা ব্যথার কারন, তা দিয়ে সেই সার শুকানোর জ্বালানি তৈরি হবে।

ড্যাজল গ্রিন" (Dazzle Green) প্রকল্পের বর্জ্য থেকে উৎপাদিত জৈব সার দ্রুত, নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে শুকানোর জন্য কমার্শিয়...
29/05/2026

ড্যাজল গ্রিন" (Dazzle Green) প্রকল্পের বর্জ্য থেকে উৎপাদিত জৈব সার দ্রুত, নিখুঁত ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে শুকানোর জন্য কমার্শিয়াল রোটারি ড্রাম ড্রায়ার (Rotary Drum Dryer) মেশিন সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো :

⚙️ মেশিনের মূল কারিগরি গঠন ও কার্যপদ্ধতি :

১. সিলিন্ডার বা ড্রাম ডিজাইন (Cylinder Body): এটি মূলত একটি দীর্ঘ এবং মোটা স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি অনুভূমিক পাইপ বা ড্রাম, যা একটি মজবুত মেটাল ফ্রেমের ওপর কিছুটা ঢালু কোণে (৩°-৫°) বসানো থাকে।

২. মেটেরিয়াল গ্রেড (SS 304): যেহেতু রান্নাঘর বা গৃহস্থালির বর্জ্য থেকে তৈরি সারে বিভিন্ন জৈব এসিড ও আর্দ্রতা থাকে, তাই মরিচা ও ক্ষয় রোধ করতে ড্রামের ভেতরের অংশ অবশ্যই SS 304 গ্রেডের ফুড-সেফ স্টিল দিয়ে তৈরি করা হয়।

৩. ধীর গতির ঘূর্ণন (Rotational Speed): ড্রামটি খুব দ্রুত ঘোরে না। একটি হেভি-ডিউটি রিডাকশন গিয়ারবক্সের সাহায্যে এটি প্রতি মিনিটে মাত্র ৪ থেকে ৮ বার (4-8 RPM) ঘোরে, যেন ভেতরের উপাদানগুলো ভেঙে না গিয়ে সমানভাবে শুকায়।

৪. লিফটিং ফ্লাইটস বা ব্লেড (Lifting Flights): ড্রামের ভেতরের দেয়ালে সর্পিলাকার (Spiral) মেটাল পাখা বা ব্লেড ঝালাই করা থাকে। ড্রামটি ঘোরার সময় এই ব্লেডগুলো ভেজা সারকে নিচে থেকে ওপরে তুলে আবার বৃষ্টির মতো ঝরিয়ে ফেলে, যার ফলে গরম বাতাস সারের প্রতিটি দানায় পৌঁছাতে পারে।

৫. পরোক্ষ তাপ স্থানান্তর (Indirect Heating): সার শুকানোর জন্য আগুন সরাসরি সারের গায়ে লাগানো হয় না। চুল্লির বা হিটারের বিশুদ্ধ গরম বাতাস (Hot Air) ফ্যান ব্লোয়ারের মাধ্যমে ড্রামের ভেতরে পাঠিয়ে সার শুকানো হয়, যা সারের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন রাখে।

🔄 সারের গুণগত মান ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ :

৬. দ্রুত আর্দ্রতা হ্রাস (Moisture Reduction): ২৪ ঘণ্টার ওডব্লিউসি (OWC) মেশিন থেকে যখন সার বের হয়, তখন তাতে প্রায় ১৫-২০% আর্দ্রতা থাকে । এই রোটারি ড্রায়ারের ভেতর দিয়ে মাত্র ১৫-২০ মিনিট চালনা করলেই আর্দ্রতা আদর্শ মাত্রা ১০% থেকে ১২%-এ নেমে আসে।

৭. প্যাকেজিং উপযোগিতা ও সেলফ লাইফ: আর্দ্রতা ১০%-এ নেমে আসার কারণে সারের আঠালো ভাব দূর হয়ে যায় এবং সারটি ঝরঝরে দানাদার হয়ে যায়। এর ফলে প্লাস্টিক প্যাকেটে সার ভরে রাখলেও ভেতরে ঘাম তৈরি হয় না বা কোনো ধরণের সাদা ছত্রাক (Fungus) জন্মায় না।

৮. নিখুঁত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ (Temperature Fixation): সারের ভেতরের নাইট্রোজেন ও উপকারী অণুজীব যেন অতিরিক্ত তাপে নষ্ট না হয়ে যায়, সেজন্য ড্রামের ভেতরের তাপমাত্রা থার্মোস্ট্যাট সেন্সরের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৬০° থেকে ৬৫° সেলসিয়াসের মধ্যে ফিক্সড রাখা হয়।

৯. ধূলিকণা সংগ্রাহক (Cyclone Dust Collector): সার শুকানোর সময় হালকা সারের গুঁড়ো বা ধুলো বাতাসে উড়তে পারে। তা প্রতিরোধের জন্য ড্রায়ারের শেষ প্রান্তে একটি 'সাইক্লোন সেপারেটর' ফিল্টার যুক্ত থাকে, যা বাতাস থেকে সারের ধুলো আলাদা করে নিচে জমা করে এবং বায়ু দূষণ রোধ করে।

১০. একটানা উৎপাদন ক্ষমতা (Continuous Feeding): এই মেশিনে ব্যাচ মডেলে কাজ করতে হয় না। এর ইনপুট হপার দিয়ে অনবরত ভেজা সার ঢাললে ড্রামের ঢালু কোণের কারণে শুকনো সার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য প্রান্তের আউটলেট দিয়ে বের হয়ে আসে।

💰 জ্বালানি সাশ্রয় ও সমন্বিত প্রযুক্তি :

১১. মাল্টি-ফুয়েল বার্নার সিস্টেম (Multi-Fuel Options): এই ড্রায়ারটি চালানোর জন্য তিন ধরণের জ্বালানি ব্যবহার করা সম্ভব—বিদ্যুৎ (ইলেকট্রিক কয়েন হিটার), বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাস বার্নার অথবা বর্জ্য পোড়ানো উত্তাপ।

১২. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মোটর: দৈনিক ১ টন সারের প্রকল্পের জন্য ড্রামটি ঘোরাতে মাত্র ৩ থেকে ৫ হর্সপাওয়ারের (HP) একটি ছোট মোটর প্রয়োজন হয়, ফলে মেকানিক্যাল বিদ্যুৎ খরচ অত্যন্ত কম।

১৩. ওয়েস্ট হিট রিকভারি (Waste Heat Recovery): ড্যাজল গ্রিন প্রকল্পের বিশেষ নকশা অনুযায়ী, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সংগ্রহ করা শুকনো অজৈব আবর্জনা (কাঠ, ছেঁড়া কাপড়, কার্টন) একটি চুল্লিতে পুড়িয়ে যে ফ্রি উত্তাপ পাওয়া যাবে, তা পাইপের মাধ্যমে সরাসরি এই ড্রায়ারে ব্যবহার করা হবে।

১৪. শূন্য জ্বালানি খরচ (Zero Running Cost): শুকনো আবর্জনা পোড়ানো তাপ ব্যবহার করলে সার শুকানোর জন্য প্রতি মাসে যে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল বা গ্যাস সিলিন্ডারের খরচ হওয়ার কথা ছিল, তা সম্পূর্ণ ০ (শূন্য) টাকায় নেমে আসবে।

১৫. জায়গার পরিমাপ (Compact Space): দৈনিক ১ টন ক্ষমতার একটি ড্রায়ার সাধারণত ৪ ফুট ব্যাস এবং ১০ থেকে ১২ ফুট লম্বা হয়ে থাকে। এটি আপনার কারখানার শেডের এক কোণায় খুব কম জায়গায় বসানো সম্ভব।

🏭 বাণিজ্যিক সেটআপ ও সরকারি অনুমোদন :

১৬. শ্যামপুর ইঞ্জিনিয়ারিং হাব থেকে তৈরি: ঢাকার শ্যামপুর ও কদমতলী শিল্প এলাকায় বহু অভিজ্ঞ মেটাল ওয়ার্কশপ রয়েছে, যারা সরাসরি আন্তর্জাতিক ক্যাটালগ দেখে দেশীয় কাঁচামালে মাত্র ২.৫ থেকে ৪ লাখ টাকার মধ্যে এই কাস্টম ড্রায়ারটি তৈরি করে নেয়া হবে।

১৭. কম জনবল ও সহজ অপারেটিং: এই স্বয়ংক্রিয় রোটারি ড্রায়ারটি পরিচালনা করতে কোনো উচ্চশিক্ষিত বা দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন হয় না; সাধারণ ১ জন অপারেটর বা পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেই মাত্র ১ দিনের ট্রেনিংয়ে এটি চালানো শেখানো সম্ভব।

১৮. পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র: যেহেতু এই সিস্টেমে কোনো ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না এবং সাইক্লোন ফিল্টারের কারণে কোনো ধুলোবালি আকাশে ওড়ে না, তাই টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এর ছাড়পত্র খুব সহজেই পাওয়া যাবে।

১৯. স্মার্ট সিটি গাইডলাইন সামঞ্জস্য: বর্জ্য পুড়িয়ে সেই তাপ দিয়ে আবার বর্জ্যের সার শুকানোর এই "সার্কুলার ইকোনমি" মডেলটি বাংলাদেশ সরকারের "স্মার্ট বাংলাদেশ " রূপকল্পের সাথে শতভাগ সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা পৌরসভায় আমাদের প্রকল্পের ভাবমূর্তি বহুগুন বাড়িয়ে দেবে।

২০. লোকাল ওয়ারেন্টি ও মেইনটেন্যান্স: ঢাকার শ্যামপুর বা স্থানীয় মেকারদের থেকে তৈরি করার প্রধান সুবিধা হলো—ভবিষ্যতে মেশিনের গিয়ারবক্স, চেইন বা মোটর নষ্ট হলে খুব দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যে স্থানীয় বাজার থেকেই স্পেয়ার পার্টস ও টেকনিশিয়ান পাওয়া যায়।

"Dazzle Green" প্রজেক্টের প্রাথমিক বাছাইকরণ (Pre-Sorting) ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজের জন্য মূলত দুটি আলাদা মেশিন বা যন্ত্র...
28/05/2026

"Dazzle Green" প্রজেক্টের প্রাথমিক বাছাইকরণ (Pre-Sorting) ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজের জন্য মূলত দুটি আলাদা মেশিন বা যন্ত্র ব্যবহার করা হবে।

নিচে এই দুটি মেশিনের কাজ ও বিবরণ সহজ ভাষায় দেওয়া হলো, যা আপনার প্রজেক্ট গাইডের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

১. প্রাথমিক বাছাইকরণ যন্ত্র: ট্রমেল স্ক্রিনার বা ভাইব্রেটিং সেপারেটর (Trommel Screener / Sorting Machine)বাসাবাড়ি থেকে আসা ময়লার বস্তা বা ভ্যান সরাসরি এই মেশিনে ঢাললে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বড় ও ছোট উপাদানগুলোকে আলাদা করে ফেলে।

এটি কীভাবে কাজ করে: এটি মূলত একটি বড়, গোল এবং চারদিকে নেট বা চালনিযুক্ত ঘূর্ণায়মান ড্রাম (Rotary Drum)। মেশিনটি যখন গোল হয়ে ঘুরতে থাকে, তখন রান্নাঘরের ছোট ছোট পচনশীল ময়লা ও মাটি নেটের ফুটো দিয়ে নিচে পড়ে যায়। কিন্তু ময়লার ভেতরে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, বড় হাড়, পলিথিন, কার্টন বা কাচের টুকরোগুলো নেটের ভেতর দিয়ে গলতে না পেরে সামনের দিকে সোজা বের হয়ে আসে।সুবিধা: হাত দিয়ে ১ টন ময়লা বেছে আলাদা করা অনেক কঠিন এবং অস্বাস্থ্যকর। এই সোর্টিং বা চালনি মেশিনটি ব্যবহার করলে মাত্র কয়েকজন কর্মী দিয়েই খুব দ্রুত এবং নিরাপদে জৈব ও অজৈব বর্জ্য আলাদা করা সম্ভব হয়।

Address

Chowdhury Villa, Mymensing Road Tangail
Tangail
1900

Telephone

+8801841532446

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dazzle Green Tangail posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dazzle Green Tangail:

Share