Dazzle Green Tangail

Dazzle Green Tangail Dazzle Green is an enterprise to work for prevent nature pollution & bring some better alternate way

Dazzle Green Tangail প্রজেক্টের উৎসস্থল (উৎস বা বাড়ি-বাড়ি) থেকেই বর্জ্যকে সঠিকভাবে আলাদা করে সংগ্রহ করার জন্য সবুজ (Gree...
06/08/2026

Dazzle Green Tangail প্রজেক্টের উৎসস্থল (উৎস বা বাড়ি-বাড়ি) থেকেই বর্জ্যকে সঠিকভাবে আলাদা করে সংগ্রহ করার জন্য সবুজ (Green), হলুদ (Yellow) এবং লাল (Red)—এই ৩ রঙের পৃথক বাস্কেট বা বিন যুক্ত একটি বিশেষায়িত অটো রিক্সা ভ্যান (Eco-Friendly Waste Collection Van)-এর ৩ডি ডিজাইন করা হয়েছে।

কারখানায় বর্জ্য আসার আগেই যেন প্রাথমিক সর্টিং বা পৃথকীকরণ সম্পন্ন করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই থ্রি-হুইলার কার্গো ভ্যানটির বডি ও কালার কোডিং ডিজাইন করা হয়েছে।

# # 🚛 ডাজেল গ্রিন অটো ভ্যানের কালার কোডেড বিন লেআউট:

1. 🟢 সবুজ বাস্কেট (Green Bin - জৈব বা পচনশীল বর্জ্য):
* ব্যবহার: শাকসবজির খোসা, উচ্ছিষ্ট খাবার, গাছের পাতা, ডাবের খোসা ইত্যাদি পচনশীল বর্জ্য।
* প্রসেস কানেক্টিভিটি: এই বাস্কেটের ময়লাগুলো কারখানায় পৌঁছে সরাসরি ১ নম্বর মেশিন (ট্রামেল সেপারেটর) হয়ে জৈব সার তৈরির লাইনে চলে যাবে।

2. 🟡 হলুদ বাস্কেট (Yellow Bin - পুনর্ব্যবহারযোগ্য বা রিসাইকেল অজৈব বর্জ্য):
* ব্যবহার: প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন ব্যাগ, অ্যালুমিনিয়াম ক্যান, মেটাল বা লোহা, কাগজ ও কার্টুন এবং পরিষ্কার কাপড়।
* প্রসেস কানেক্টিভিটি: কারখানায় নামানোর পর এগুলো সরাসরি ২ নম্বর সেপারেটিং টেবিলে চলে যাবে এবং ওখান থেকে বাম পাশের নির্দিষ্ট অজৈব চেম্বারগুলোতে (১ থেকে ১০ নম্বর বাঙ্কার) জমা হবে।
3. 🔴 লাল বাস্কেট (Red Bin - বিপজ্জনক, ক্ষতিকারক বা মেডিক্যাল বর্জ্য):
* ব্যবহার: ক্ষতিকারক ও রিজেক্টেড ময়লা বা মেডিক্যাল ওয়েস্ট যা রিসাইকেল বা সার কোনোটারই উপযোগী নয়।
* প্রসেস কানেক্টিভিটি: লাল বাস্কেটের এই বর্জ্যগুলো কারখানার প্রসেস লাইনের একদম শেষে থাকা ৬ নম্বর মেশিন (ইনসিনেটর)-এ পুড়িয়ে ধ্বংস করার জন্য নিয়ে যাওয়া হবে এবং উৎপাদিত তাপ রোটারি ড্রায়ারে সার শুকানোর কাজে লাগানো হবে।
------------------------------
* বডি টাইপ: এটি একটি শক্তিশালী বৈদ্যুতিক মোটরচালিত (Electric 3-Wheeler) পরিবেশবান্ধব থ্রি-হুইলার কার্গো ভ্যান, যা টাঙ্গাইলের ছোট-বড় বা সংকীর্ণ রাস্তায় সহজে যাতায়াত করতে পারবে।

* সুরক্ষা: বাস্কেটগুলোর ওপরে হাইড্রোলিক বা ম্যানুয়াল ঢাকনা (Lid) থাকবে, যেন রাস্তা দিয়ে ময়লা নেওয়ার সময় কোনো দুর্গন্ধ না ছড়ায় বা ময়লা বাইরে পড়ে না যায়।

আমাদের Dazzle Green Tangail প্রজক্টের জন্য আমরা বেশ কয়েকটি 3D ডিজাইন তৈরী করেছি।  বলুনতো কোন ডিজাইটি সবচেয়ে সুন্দর হয়েছে...
31/07/2026

আমাদের Dazzle Green Tangail প্রজক্টের জন্য আমরা বেশ কয়েকটি 3D ডিজাইন তৈরী করেছি। বলুনতো কোন ডিজাইটি সবচেয়ে সুন্দর হয়েছে, যেটি দ্বারা আমাদের কর্মপরিকল্পনা খুব সুন্দর ভাবে বোঝা যায়?

17/07/2026

আমাদের দেশের পরিবেশ দূষনের সবচেয়ে বড় কারন হল- বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা পুরোপুরি ব্যর্থ। এটাকে আসলে আমরা ব্যবস্হাপনা না বলে অ-ব্যবস্হাপনা বলতে পারি।

যেমন ধরেন, বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর অধীনে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ প্রনয়ন করেছে। এই বিধিমালার প্রথমে বলা হয়েছে, পচনশীল জৈব এবং অপচনশীল অজৈব উপাদান গুলোকে উৎস থেকে অর্থাৎ ব্যক্তিগত নাগরিক পর্যায় থেকে পৃথকীকরন করতে হবে।

২য় ধাপে যাদেরকে এগুলো সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তাদেরকে বলা হয়েছে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন ( STS) নির্মান করে সেখানে স্তুপ করে রাখতে। অর্থাৎ কেউ যদি জৈব- অজৈব আলাদা করেও রাখে এখানে এসে তা মিশিয়ে ফেলা হচ্ছে। আর যখনই চাল, ডাল, তেল, লবন মিশিয়ে খিচুড়ি বানানো হচ্ছে তখনই চালকে এখানে থেকে আলাদা করে রিসাইকল করা দূরহ হয়ে পড়ছে।

এখন সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, সরকার সবাই মিলে কোটি টাকার STS আর রিসাইক্লিংয়ের প্রকল্প নিয়েও বিন্দু মাত্র সফল হতে পারছে না। আমাদের শহর, বন্দর, নদী, ড্রেন বা রাস্তা ও বাড়ির পাশের খালি জায়গাগুলোতে আবর্জনার স্তূপ দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। আমরা পরিনত হয়েছি এক অপরিচ্ছন্ন জাতিতে।

এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমরা খুব সহজ একটি পাইলট প্রকল্প ডিজাইন করেছি -
১. টাংগাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডের ২/৩টি রোডের ১৫০০ টি বাড়ি/ পরিবার নিয়ে কাজ শুরু করব।
২. পরিবার গুলোক বিশেষ কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে জৈব আর অজৈব উপাদান আলাদা রাখতে অভ্যস্ত ও অনুপ্রানিত করব। ( আইনতও কিন্তু তারা বাধ্য)।
৩. আমাদের বিশেষ ডিজাইন করা ভ্যানের মাধ্যমে প্রতিদিন জৈব, অজৈব ও মেডিকেল ওয়েস্ট ( যদি কোনও ক্লিনিক থাকে) পৃথকভাবে আমাদের প্রজেক্ট সাইটে নিয়ে আসব।
৪. শুধু বাসাবাড়ি থেকে নয়, এই ২/৩ রোডের সমস্ত এলাকা থেকেই আমরা আবর্জনা সংগ্রহ করে পুরো এলাকাকে একদম নিট এন্ড ক্লিন করতে থাকব।
৫. এলাকার আশপাশে একটি ২০ শতাংশ প্লট নিয়ে নিয়ে ছবির মত ডিজাইন করে একটি অস্থায়ী সেড খুব কম বাজেটে তৈরী করব এবং ছবির ধারাবাহিকতায় ৫ টি ছোট মেশিন বসাবো।
৬. ২ নং মেসিনটি হল ক্রাসার, যেটি জৈব উপাদান গুলোকে গুড়োতে পরিনত করবে।
৩ নং টি হল ডিহাইড্রেটিং মেশিন - যা গুড়ো জৈব উপাদান গুলো থেকে ৭০/৮০% পানি বের করে দিব।
৪ নং টি হল - রোটারি ড্রায়ার, যা ২৪ ঘন্টা খুব আস্তে আস্তে ঘুরে জৈব উপাদান গুলোকে শুকাতে থাকবে ও জৈব সারে পরিনত হবে।
৫ নং মেসিনটি হল ইনসিনেটর - যেটাতে আমরা মেডিকেল ওয়েস্ট এবং নন রিসাইক্লেবল অজৈব ওয়েস্ট পুড়িয়ে তাপ তৈরী করবো এবং সেই তাপ পাম্পের মাধ্যমে ৪ নং রোটারি ড্রায়ারে দিয়ে জৈব উপাদান গুলোকে শুকিয়ে জৈব সার তৈরী করব।অর্থাৎ কন্টিনিউয়াস প্রসেসে মাত্র ২৪ ঘন্টায় জৈব ময়লা হবে জৈব সার।
আর ১ নং মেসিনটি হল ট্রামেল সেপারটর - যেটি মুলত জৈব গুড়ো উপাদানে মিশে থাকা অজৈব উপাদান গুলোকে পৃথক করতে সাহায্য করবে।
৭. প্রজেক্টের ১ নং ও ২ নং মেশিনের মাঝে একটি চলমান মেনুয়াল সেপারেটিং টেবিল থাকবে, যে টেবিলের দূপাশে দাড়ানো শ্রমিকেরা শুকনো অজৈব উপাদান গুলোকে প্লাস্টিক, পলিথিন, কাচ, লোহা, এলুমিনিয়াম, ইট, কাগজ, কাপড়, রাবার, কাঠ ইত্যাদি উপাদান গুলোকে পৃথক করে শেডের বাম পাশের খালি জায়গাগুলো আইটেম ওয়াইজ বিক্রির জন্য স্তুপ করে রাখবো।
৮. প্রজেক্ট উৎপাদিত জৈব সারের একটা অংশ আমরা প্রতিটি পরিবারকে ফেরত দেব তাদের ছাদবাগান, বাড়ির আর রাস্তার পাশের খালি জায়গার বাগানে ব্যবহার করার জন্য।
৯. প্রতিটি পরিবার থেকে বর্জ্য কালেকশন ফি বাবদ যে ১৫০ টাকা করে নিব তাতে মোটামুটি ৮/১০ শ্রমিকের মাসিক বেতন হয়ে যাবে।
১০. আইটেম ওয়াইজ পৃথককৃত অজৈব উপাদান বিক্রি করলে আমাদের কিছু আয় আসবে।
১১. ইনশাআল্লাহ, প্রকল্প চালু হবার কয়েক মাসের মধ্যেই আমাদের এই এলাকায় কোনও আবর্জনা থাকবে না।
১২. আমাদের এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নে যে ১৫০০ পরিবার সহযোগিতা করবে তারা নিজরাই তাদের এলাকার পরিবর্তন দেখে সারা বাংলাদেশের জন্য দৃষ্টান্ত তৈরী করবে।
১৩. আমরা সফল হলে আমাদের কনসেপ্ট সারা দেশে দ্রুতই কপি পেস্ট হয়ে ছড়িয়ে পড়বে, ইনশাআল্লাহ।

৷৷৷ আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ পরিবর্তন ও সফলতার এক গল্প সৃষ্টি করতে।

বি: দ্র: লোকাল মেশিন বানিয়ে প্রজেক্টি চালু করতে যে ৩০/৪০ লাখ টাকা, জায়গা আর পৌরসভার অনুমোদনের প্রয়োজন আমরা এখন সেগুলো যোগাড়ের চেষ্টা করছি।

৷৷৷৷৷৷ আমাদের এই কনসেপ্টটি যদি আপনার কাছে ভালো লাগে, তাহলে দয়া করে এই পোস্টটি শেয়ার করে দেবেন যেন আমরা সরকারী-বেসরকারী সংস্হা বা ব্যক্তির অথবা কোনও আগ্রহী বিনিয়োগকারীর নজরে আসতে পারি, সহযোগিতা পেতে পারি। কারণ আমাদের একার পক্ষে এই কাজ সম্ভব নয়।

আমাদের দেশের পরিবেশ দূষনের সবচেয়ে বড় কারন হল-  বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা পুরোপুরি ব্যর্থ। এটাকে আসলে আমরা ব্যবস্হাপনা না ...
15/07/2026

আমাদের দেশের পরিবেশ দূষনের সবচেয়ে বড় কারন হল- বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা পুরোপুরি ব্যর্থ। এটাকে আসলে আমরা ব্যবস্হাপনা না বলে অ-ব্যবস্হাপনা বলতে পারি।

যেমন ধরেন, বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর অধীনে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ প্রনয়ন করেছে। এই বিধিমালার প্রথমে বলা হয়েছে, পচনশীল জৈব এবং অপচনশীল অজৈব উপাদান গুলোকে উৎস থেকে অর্থাৎ ব্যক্তিগত নাগরিক পর্যায় থেকে পৃথকীকরন করতে হবে।

২য় ধাপে যাদেরকে এগুলো সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তাদেরকে বলা হয়েছে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন ( STS) নির্মান করে সেখানে স্তুপ করে রাখতে। অর্থাৎ কেউ যদি জৈব- অজৈব আলাদা করেও রাখে এখানে এসে তা মিশিয়ে ফেলা হচ্ছে। আর যখনই চাল, ডাল, তেল, লবন মিশিয়ে খিচুড়ি বানানো হচ্ছে তখনই চালকে এখানে থেকে আলাদা করে রিসাইকল করা দূরহ হয়ে পড়ছে।

এখন সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, সরকার সবাই মিলে কোটি টাকার STS আর রিসাইক্লিংয়ের প্রকল্প নিয়েও বিন্দু মাত্র সফল হতে পারছে না। আমাদের শহর, বন্দর, নদী, ড্রেন বা রাস্তা ও বাড়ির পাশের খালি জায়গাগুলোতে আবর্জনার স্তূপ দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। আমরা পরিনত হয়েছি এক অপরিচ্ছন্ন জাতিতে।

এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমরা খুব সহজ একটি পাইলট প্রকল্প ডিজাইন করেছি -
১. টাংগাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডের ২/৩টি রোডের ১৫০০ টি বাড়ি/ পরিবার নিয়ে কাজ শুরু করব।
২. পরিবার গুলোক বিশেষ কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে জৈব আর অজৈব উপাদান আলাদা রাখতে অভ্যস্ত ও অনুপ্রানিত করব। ( আইনতও কিন্তু তারা বাধ্য)।
৩. আমাদের বিশেষ ডিজাইন করা ভ্যানের মাধ্যমে প্রতিদিন জৈব, অজৈব ও মেডিকেল ওয়েস্ট ( যদি কোনও ক্লিনিক থাকে) পৃথকভাবে আমাদের প্রজেক্ট সাইটে নিয়ে আসব।
৪. শুধু বাসাবাড়ি থেকে নয়, এই ২/৩ রোডের সমস্ত এলাকা থেকেই আমরা আবর্জনা সংগ্রহ করে পুরো এলাকাকে একদম নিট এন্ড ক্লিন করতে থাকব।
৫. এলাকার আশপাশে একটি ২০ শতাংশ প্লট নিয়ে নিয়ে ছবির মত ডিজাইন করে একটি অস্থায়ী সেড খুব কম বাজেটে তৈরী করব এবং ছবির ধারাবাহিকতায় ৫ টি ছোট মেশিন বসাবো।
৬. ২ নং মেসিনটি হল ক্রাসার, যেটি জৈব উপাদান গুলোকে গুড়োতে পরিনত করবে।
৩ নং টি হল ডিহাইড্রেটিং মেশিন - যা গুড়ো জৈব উপাদান গুলো থেকে ৭০/৮০% পানি বের করে দিব।
৪ নং টি হল - রোটারি ড্রায়ার, যা ২৪ ঘন্টা খুব আস্তে আস্তে ঘুরে জৈব উপাদান গুলোকে শুকাতে থাকবে ও জৈব সারে পরিনত হবে।
৫ নং মেসিনটি হল ইনসিনেটর - যেটাতে আমরা মেডিকেল ওয়েস্ট এবং নন রিসাইক্লেবল অজৈব ওয়েস্ট পুড়িয়ে তাপ তৈরী করবো এবং সেই তাপ পাম্পের মাধ্যমে ৪ নং রোটারি ড্রায়ারে দিয়ে জৈব উপাদান গুলোকে শুকিয়ে জৈব সার তৈরী করব।অর্থাৎ কন্টিনিউয়াস প্রসেসে মাত্র ২৪ ঘন্টায় জৈব ময়লা হবে জৈব সার।
আর ১ নং মেসিনটি হল ট্রামেল সেপারটর - যেটি মুলত জৈব গুড়ো উপাদানে মিশে থাকা অজৈব উপাদান গুলোকে পৃথক করতে সাহায্য করবে।
৭. প্রজেক্টের ১ নং ও ২ নং মেশিনের মাঝে একটি চলমান মেনুয়াল সেপারেটিং টেবিল থাকবে, যে টেবিলের দূপাশে দাড়ানো শ্রমিকেরা শুকনো অজৈব উপাদান গুলোকে প্লাস্টিক, পলিথিন, কাচ, লোহা, এলুমিনিয়াম, ইট, কাগজ, কাপড়, রাবার, কাঠ ইত্যাদি উপাদান গুলোকে পৃথক করে শেডের বাম পাশের খালি জায়গাগুলো আইটেম ওয়াইজ বিক্রির জন্য স্তুপ করে রাখবো।
৮. প্রজেক্ট উৎপাদিত জৈব সারের একটা অংশ আমরা প্রতিটি পরিবারকে ফেরত দেব তাদের ছাদবাগান, বাড়ির আর রাস্তার পাশের খালি জায়গার বাগানে ব্যবহার করার জন্য।
৯. প্রতিটি পরিবার থেকে বর্জ্য কালেকশন ফি বাবদ যে ১৫০ টাকা করে নিব তাতে মোটামুটি ৮/১০ শ্রমিকের মাসিক বেতন হয়ে যাবে।
১০. আইটেম ওয়াইজ পৃথককৃত অজৈব উপাদান বিক্রি করলে আমাদের কিছু আয় আসবে।
১১. ইনশাআল্লাহ, প্রকল্প চালু হবার কয়েক মাসের মধ্যেই আমাদের এই এলাকায় কোনও আবর্জনা থাকবে না।
১২. আমাদের এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নে যে ১৫০০ পরিবার সহযোগিতা করবে তারা নিজরাই তাদের এলাকার পরিবর্তন দেখে সারা বাংলাদেশের জন্য দৃষ্টান্ত তৈরী করবে।
১৩. আমরা সফল হলে আমাদের কনসেপ্ট সারা দেশে দ্রুতই কপি পেস্ট হয়ে ছড়িয়ে পড়বে, ইনশাআল্লাহ।

৷৷৷ আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ পরিবর্তন ও সফলতার এক গল্প সৃষ্টি করতে।

বি: দ্র: লোকাল মেশিন বানিয়ে প্রজেক্টি চালু করতে যে ৩০/৪০ লাখ টাকা, জায়গা আর পৌরসভার অনুমোদনের প্রয়োজন আমরা এখন সেগুলো যোগাড়ের চেষ্টা করছি।

৷৷৷৷৷৷ আমাদের এই কনসেপ্টটি যদি আপনার কাছে ভালো লাগে, তাহলে দয়া করে এই পোস্টটি শেয়ার করে দেবেন যেন আমরা সরকারী-বেসরকারী সংস্হা বা ব্যক্তির অথবা কোনও আগ্রহী বিনিয়োগকারীর নজরে আসতে পারি, সহযোগিতা পেতে পারি। কারণ আমাদের একার পক্ষে এই কাজ সম্ভব নয়।

13/07/2026

প্রধানমন্রীর এই অভ্যাসটি আমার সঙ্গে মিলে গেছে।

বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত কোনও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সফল হতে পারেনি। দেশের বিভিন্ন শহর ও পৌরসভায় হাজার কোটি,  শত কোটি, ১...
09/07/2026

বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত কোনও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সফল হতে পারেনি। দেশের বিভিন্ন শহর ও পৌরসভায় হাজার কোটি, শত কোটি, ১২২ কোটি, ৩০ কোটি, ২২ কোটি, ১২ কোটি টাকার বিভিন্ন আশাবাদী প্রকল্পের কথা আমরা অনেকদিন ধরেই শুনে আসছি কিন্তু এগুলোর কোনটির ই সফল বাস্তবায়ন দেখতে পাচ্ছি না।

বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর অধীনে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ প্রণয়ন করেছে -

এই বিধিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো কঠিন বর্জ্যের উৎস থেকে শুরু করে সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং চূড়ান্ত নিষ্কাশন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া পরিবেশসম্মতভাবে নিশ্চিত করা।

এই বিধিমালার প্রধান ৫ টি বৈশিষ্ট্য ও নিয়মাবলী হলো:
১. বর্জ্য পৃথকীকরণ:
উৎস বা উৎপত্তিস্থলেই (যেমন- বাসা-বাড়ি, অফিস, কারখানা) পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করা বাধ্যতামূলক।২.দায়িত্ব ও কর্তব্য:
সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বর্জ্য সংগ্রহ ও স্থানান্তরের জন্য সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (STS) নির্মাণ এবং পরিবেশসম্মত ল্যান্ডফিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে।
৩. বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (EPR):
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই বিধিমালায় বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (Extended Producers Responsibility - EPR) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে প্লাস্টিক বা মোড়কজাত পণ্যের উৎপাদকদেরই ব্যবহৃত বর্জ্য ফেরত নেওয়া বা পুনর্ব্যবহারের দায়িত্ব নিতে হয়।
৪.পুনর্ব্যবহার ও বর্জ্য হ্রাস:
সম্ভব হলে পচনশীল বর্জ্য দিয়ে জৈব সার তৈরি করতে হবে এবং প্লাস্টিক, কাঁচ বা ধাতুর মতো অপচনশীল বর্জ্য রিসাইকেল বা পুনর্ব্যবহার করতে হবে।
৫. জরিমানা ও শাস্তি:
এই বিধিমালার নিয়ম লঙ্ঘন করলে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিধান অনুযায়ী জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

এখন আসি আমাদের মূল আলোচনায়, এ পর্যন্ত যতগুলো প্রজেক্ট হাতে নেয়া হয়েছে সেগুলো শুরুই হয়েছে মূলত ২ নম্বর থেকে অর্থাৎ সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাগুলো ও সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ শুধু মিশ্রিত বর্জ্য গুলো নিয়েই নারাচারা করছে -
চাল ডাল তেল লবন মিশিয়ে খিচূরি বানিয়ে তারপর খিচুরি থেকে আবার তার উপাদান গুলো পৃথক করার বৃথা চেস্ট আমরা কর্তা মহলে দেখে আসছি বহুদিন।

যে কোনও সমস্যা সমাধানের উপায় হল Root cause analyses. আমাদের সহজ পর্যবেক্খন - এই বর্জ্য অব্যবস্থাপনা শুরু হয় ঘর থেকে আর শেষ হয় ল্যন্ডফিলে গিয়ে। মাত্র ৩ টি ধাপ - অথচ আজও আমরা ব্যর্থ।
আমাদের Dazzle Green Tangail প্রকল্পটিতে আমরা এই তিনটি ধাপকে একত্র করে একটি পাইলট প্রকল্পের পরিকল্পনা করেছি।

১. টাংগাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডের ১৫০০টি পরিবার থেকে পৃথক ভাবে বর্জ্য সংগ্রহ করা।
২. পৃথককৃত বর্জগুলোকে পৃথকভাবে আমাদের প্লান্টে নিয়ে যাওয়া।
৩. প্লান্টে বর্জ্যগুলোকে ফাইন সেগ্রিগেশনের মাধ্যমে জৈব উপাদান সমুহকে জৈব সারে রুপান্তর করা আর পৃথককৃত অজৈব উপাদানগুলোকে রিসাইকল কারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা।

*** মেডিকেল ওয়েস্ট এবং কিছু রিসাইকল অযোগ্য বর্জ্যকে পুড়িয়ে যে তাপ উৎপাদন হবে তা ব্যবহার করে প্লান্টের অপারেটিং পাওয়ার সাপ্লায়ের ব্যবস্হা করা। অর্থাৎ কোন কিছু আর অবশিষ্ট থাকলো না। জিরো ওয়েস্ট। From 000.

তিন ধাপের এই প্রক্রিয়া, কিছু ছোট ছোট মেশিন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কিছু মানুযের শ্রম এবং ৩০/৪০ শতাংশ জায়গায় উপর নির্মিত এই প্রকল্প আমরা যদি বাস্তবায়ন করতে পারি।
তা হতে পারে সারা বাংলাদেশের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
হোতে পারে, খুব অল্প বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত করা এক প্রতিষ্ঠানিক ধারনা।

এখন যারা বাংলাদেশের শহর ও পৌরসভার ময়লা অবর্জনা সংগ্রহের সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন, তারাই আমাদের এই কনসেপ্টটি তার ওয়ার্ডে প্রয়োগ করে সামান্য কিছু বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি লাভজনক সামাজিক ব্যবসায় উদ্যোগতা হতে পারেন।

আমাদের প্রকল্পের পরিকল্পনাটা যদি আপনার ভালো লাগে, তবে আমাদের পেজটিতে লাইক ও শেয়ার দিয়ে সাথে থাকুন।
আমরা আপনার মূল্যবান মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।

াজধানীর বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের স্...

09/07/2026

যেখানে-সেখানে ফেলা ময়লা শুধু দুর্গন্ধই নয়, ছড়াচ্ছে নানা সংক্রামক রোগ। মশা, মাছি ও ইঁদুরের মাধ্যমে বাড়ছে ডায়.....

https://www.somoynews.tv/news/2024-11-17/KTQ5K5Ts
09/07/2026

https://www.somoynews.tv/news/2024-11-17/KTQ5K5Ts

ভেস্তে যেতে বসেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নের বাকি আছে আর ম...

Address

Chowdhury Villa, Mymensing Road Tangail
Tangail
1900

Telephone

+8801841532446

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dazzle Green Tangail posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Dazzle Green Tangail:

Shortcuts

Share