18/07/2026
এই যে আপনি , হ্যাঁ আপনাকেই বলছি ।
কিছুদিন পর বিয়ে করবেন , বা বিয়ে করেছেন ।
মহান আল্লাহ তাআলার অসীম নেয়ামত , সন্তান তো অবশ্যই গ্রহণ করবেন ইনশাল্লাহ ।
তবে সেই সন্তান আর সন্তানের গর্ভধারিণী মা যাতে সুস্থভাবে এই দুনিয়ায় বাঁচতে পারে সেই দিকে অবহেল করবেন .!?
যেদিন আপনি এই অসামান্য খুশির সংবাদ পাবেন যে আপনি বাবা হতে চলেছেন , সেদিন থেকেই আপনার স্ত্রীর তো যত্ন খেয়াল করবেন ই সাথে আরেকটা জিনিস বাধ্যতামূলকভাবে করবেন । সেটা হলো -
নিজের আত্মীয়
প্রতিবেশী
বন্ধুবান্ধব
যার সাথেই দেখা হবে ,যদি সে রক্তদানের উপযুক্ত বলে আপনার মনে হয় , সাথে সাথেই কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব না করে বিনয়ের সাথে তার রক্তের গ্রুপ টা জেনে নিবেন।
যদি আপনার স্ত্রীর সাথে মিলে যায় তাহলে , ওই লোকের নাম্বার টা আপনি তার নামের পাশে রক্তের গ্রুপ দিয়ে সেভ করবেন ।
যেমন - আপন ভাই (O+)
এইভাবে 10 মাসে আশা করি 20-25 জন ম্যানেজ করা কখনোই কারো কাছে কঠিন বিষয় না।
এতে করে যেদিন আপনার প্রয়োজন সেদিন এই 20 জন লোকের মধ্যে 2 জন কে তো অন্তত পাবেন রক্ত দেওয়ার জন্য।
আপনাদের এইটুক সচেতনতা যে কত মানুষের প্রাণ বাঁচতে পারবে আপনার ধারণাও নেই ,
থ্যালাসেমিয়া
কিডনি ডায়ালাইসিস ইত্যাদি রোগীর বাধ্যতামূলকভাবে রক্ত প্রয়োজন হয় তাও সেটা খুব কম সময় পর পরই ।
সিজার এর জন্য বা ডেলিভারির জন্য আমরা যে পরিমাণ ডোনেট করি সেইগুলো এদের দিতে পারলে অনেক মানুষ বেঁচে যেত হয়তো।
তাই আপনার একটু সচেতনতাই পারবে আরো বেশি মানুষের জীবন বাঁচাতে ।
অথচ মানুষ এই কাজ না করে যেদিন সিজার সেদিন ফোন দিয়ে বলে ,
"প্লিজ ভাই আমার বউ বাচ্চা মইরা যাবে"
"ইমার্জেন্সী রক্ত না পাইলে শেষ হইয়া যাবে সব"
"2 দিন ধইরা সিজার হইতাছে না ভাই , রক্ত ম্যানেজ কইরা দেন"
আবার 95%+ ক্ষেত্রে প্রথম ডেলিভারির রোগী হলে হিমোগ্লোবিন 10 বা এর বেশি হলে রক্ত লাগে না ।
মানুষ ফোন দিয়ে পাগল বানিয়ে ফেলে , একটুও বুঝার চেষ্টা করে না ,
অনেকেই এইসব লোকের কথা শুনে রক্ত দিয়ে আসে পরে সেই রক্ত আর লাগে না এবং ফেলে দেওয়া হয় ডাস্টবিনে ।
যে রক্তে বাঁচার কথা একটা প্রাণ , সেই রক্ত যায় ডাস্টবিনে , আহ কি প্রশান্তির কথা, তাই না ??
আসুন নিজে সতর্ক হই, অন্যকে সতর্ক করি
জনস্বার্থে,
টাঙ্গাইল ব্লাড সংগঠন ও Blood Help BD
জরুরী মুহূর্তে রক্তের প্রয়োজনে ভিজিট করুন
https://bloodhelpbd.com/donor_list.html