Shiropa Development Society

Shiropa Development Society Implementing the PKSF RAISE Project on behalf of Shiropa Development Society. Our Slogan: "Empowering Human Potential through Micro-Initiatives".

Join us in building a better future, one small step at a time!

সেলাই মেশিনের সুই-সুতার প্রতিটি নিখুঁত টানে লুকিয়ে থাকে একজন নারীর স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন আর আত্মবিশ্বাসের গল্প। গ্রামী...
16/07/2026

সেলাই মেশিনের সুই-সুতার প্রতিটি নিখুঁত টানে লুকিয়ে থাকে একজন নারীর স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন আর আত্মবিশ্বাসের গল্প। গ্রামীণ ও শহরতলির সাধারণ তরুণীদের দক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগটি অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীর ক্ষমতায়ন এবং যুবউন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রাতিষ্ঠানিক বৃত্তের বাইরে এসে সরাসরি কাজের মাধ্যমে শেখার এই চমৎকার পরিবেশ তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ যেমন তৈরি করে দিচ্ছে, তেমনি সমাজের মূল ধারায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার এক অনন্য শক্তি জোগাচ্ছে।

আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীদের ভূমিকা এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান। সেলাই বা টেইলারিংয়ের মতো ব্যবহারিক কাজগুলো কেবল একটি পেশা নয়, বরং এটি তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার প্রধান চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। প্রথাগত প্রশিক্ষণের গণ্ডি পেরিয়ে অভিজ্ঞ মেন্টরদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে কাজ শেখার এই সুযোগ তরুণীদের কাজের মানকে আরও নিখুঁত করে তোলে। এই নিয়মতান্ত্রিক শিক্ষানবিশ প্রক্রিয়াটিই তাদের সাধারণ গৃহিণী বা কর্মহীন অবস্থা থেকে একজন আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলছে।

যেকোনো সমাজকে বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো কর্মমুখী দক্ষতা। যখন একজন নারী নিজের মেধা ও পরিশ্রমে স্বাবলম্বী হতে শেখেন, তখন তার পুরো পরিবার এবং সমাজ এক নতুন স্বপ্নের দিশা পায়। কারিগরি দক্ষতার সাথে সঠিক দিকনির্দেশনার এই চমৎকার মেলবন্ধন আমাদের বেকারত্ব দূরীকরণে এবং নারীদের যোগ্য মর্যাদার আসনে বসাতে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখবে। আসুন, জীবন গড়ার এই নিরলস লড়াইয়ে সাহসী ও পরিশ্রমী নারীদের পাশে দাঁড়াই এবং তাদের কাজের যোগ্য সম্মান দিয়ে একটি স্বাবলম্বী ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।

ছবিতে যে দৃশ্যটি আমরা দেখতে পাচ্ছি, তা আমাদের দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা হাজারো লেদ মেশিন বা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের...
16/07/2026

ছবিতে যে দৃশ্যটি আমরা দেখতে পাচ্ছি, তা আমাদের দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা হাজারো লেদ মেশিন বা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের একটি অতি চেনা এবং বাস্তব চিত্র। এই অনানুষ্ঠানিক খাতটি আমাদের দেশের অর্থনীতির অলিখিত ও মূল চালিকাশক্তি হলেও এর গভীরে লুকিয়ে আছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বাস্তবমুখী দিক, যার একটি হলো কারিগরি দক্ষতা এবং অন্যটি হলো পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা। আমরা এই অনানুষ্ঠানিক খাতের কারিগরদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি।

ছবির দিকে তাকালে প্রথমত আমাদের দক্ষ টেকনিশিয়ানের মনোযোগ ও কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখে মন ভরে যায়। প্রাতিষ্ঠানিক বড় কোনো ডিগ্রি না থাকলেও বছরের পর বছর ধরে নিজ হাতে কাজ করে ওনারা যে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা-ই আমাদের দেশীয় প্রযুক্তির মূল শক্তি। এই সহজাত ও ব্যবহারিক দক্ষতাকে আমরা স্যালুট জানাই। তবে একই সাথে এই ছবিতে একটি বড় ধরনের চিন্তার দিকও উন্মোচিত হয়েছে।

লেদ মেশিনের মতো অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ঘূর্ণায়মান একটি যন্ত্রে কাজ করার সময় অপারেটরের চোখে কোনো সেফটি গগলস নেই, হাতে কোনো সুরক্ষামূলক গ্লাভস নেই এবং পায়ে নেই কোনো বিশেষ সেফটি শু। সামান্য অসাবধানতায় এই ধরনের কর্মক্ষেত্রে যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে, যা একটি পরিবারের জন্য বয়ে আনতে পারে চরম বিপর্যয়।

আমরা ঠিক এই জায়গাটিতেই ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য কাজ করছি। ঐতিহ্যগত কাজের কৌশলের সাথে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে আমরা এই পরিশ্রমী কারিগরদের দক্ষতা যেমন বাড়িয়ে তুলছি, তেমনি কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করাকে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, জীবন বাঁচানো ও সুস্থভাবে বাড়ি ফিরে যাওয়া প্রতিটি কর্মীর মৌলিক অধিকার।

তাই অনানুষ্ঠানিক খাতে বিনামূল্যে সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং বিপজ্জনক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সঠিক গাইডলাইন প্রদানের মাধ্যমে আমরা একটি সচেতনতার সংস্কৃতি গড়ে তুলছি। আসুন, দেশের অর্থনীতির এই পেছনের কারিগরদের কাজের কদর করার পাশাপাশি তাদের জন্য একটি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি।

আমাদের চেনা চারপাশের দিকে তাকালে দেখা যায়, বর্তমান সময়ে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সাশ্রয়ী মাধ্যম হয়ে উঠ...
16/07/2026

আমাদের চেনা চারপাশের দিকে তাকালে দেখা যায়, বর্তমান সময়ে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সাশ্রয়ী মাধ্যম হয়ে উঠেছে মোটরসাইকেল। আর এই বিপুল সংখ্যক যানকে যারা প্রতিনিয়ত সচল রাখছেন, তারা হলেন আমাদের অনানুষ্ঠানিক খাতের অত্যন্ত দক্ষ মেকানিক ভাইয়েরা। মোটরসাইকেল সার্ভিসিং খাতটি কেবল একটি সাধারণ কাজের ক্ষেত্র নয়, বরং এটি আমাদের দেশের অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির অন্যতম এক শক্তিশালী স্তম্ভ।

লাখ লাখ বেকার তরুণের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি এই ক্ষুদ্র গ্যারেজগুলো স্থানীয় পর্যায়ের অর্থপ্রবাহকে সচল রাখছে এবং দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে থমকে যাওয়া থেকে রক্ষা করছে।

তবে সময়ের সাথে সাথে এই খাতে মেকানিকদের কারিগরি দক্ষতা বা স্কিল উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আধুনিক মোটরসাইকেলগুলোতে এখন যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক সব সেন্সর, উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম এবং ফুয়েল ইনজেকশন প্রযুক্তি, যা সনাতন বা কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে মেরামত করা অসম্ভব।

এই পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে মেকানিকদের প্রথাগত ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। সঠিক কারিগরি দক্ষতা যেমন একজন মেকানিকের কাজের মান ও আয় বাড়িয়ে দেয়, ঠিক তেমনি রাস্তায় চলাচলকারী চালক এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বড় ভূমিকা রাখে।

আমরা এই অনানুষ্ঠানিক খাতের পরিশ্রমী কারিগরদের আধুনিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করার পাশাপাশি তাদের কর্মক্ষেত্রের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সমানভাবে নজর দিচ্ছি। কাজের নিখুঁত মানের সাথে যখন মাথায় হলুদ সেফটি হেলমেট এবং হাতে উপযুক্ত গ্লাভসের মতো সুরক্ষাসামগ্রী যুক্ত হয়, তখনই একটি সাধারণ মেকানিক শপ আদর্শ কর্মক্ষেত্রে রূপান্তরিত হয়।

প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং জীবনের নিরাপত্তা—এই দুইয়ের সমন্বয়েই আমাদের দেশের এই দক্ষ তরুণরা একদিন অটোমোবাইল খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। আসুন, আমরা এই নীরব অর্থনৈতিক লড়াকুদের কারিগরি দক্ষতাকে সম্মান জানাই এবং তাদের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে পাশে দাঁড়াই।

আমাদের দেশের ইনফরমাল সেক্টর বা অনানুষ্ঠানিক খাতের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাস্তার ধারের ছোট ছোট মেকানিক শপ বা লোক...
05/07/2026

আমাদের দেশের ইনফরমাল সেক্টর বা অনানুষ্ঠানিক খাতের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাস্তার ধারের ছোট ছোট মেকানিক শপ বা লোকাল মোটরবাইক গ্যারেজগুলোর ছবি। দেশের যাতায়াত ব্যবস্থার একটা বিশাল অংশ জুড়ে আছে মোটরসাইকেল, আর এই লাখ লাখ বাইককে প্রতিদিন সচল রাখছেন পাড়া-মহল্লার সাধারণ মেকানিকেরা। প্রাতিষ্ঠানিক কোনো বড় ডিগ্রি না থাকলেও, কেবল অভিজ্ঞতা আর হাতের কাজ দিয়ে তারা এই খাতের এক বিশাল কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখছেন।

কিন্তু এই অনানুষ্ঠানিক মোটরসাইকেল সার্ভিসিং খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই বেশ অবহেলিত। এখানকার মেকানিক ও টেকনিশিয়ানদের কাজের কোনো নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নেই, নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা সামাজিক নিরাপত্তা।

আধুনিক প্রযুক্তির বাইকগুলো যখন বাজারে আসে, তখন প্রথাগত জ্ঞান দিয়ে সেগুলোর জটিল ইলেকট্রিক্যাল বা সেন্সর-ভিত্তিক সমস্যার সমাধান করা এই লোকাল মেকানিকদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। উন্নত ট্রেনিং বা আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে তারা অনেক সময় পিছিয়ে পড়েন, যা তাদের আয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

অথচ এই বিশাল দক্ষ জনশক্তিকে যদি একটু সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া যেত, তবে দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হতে পারত। এই লোকাল গ্যারেজের মেকানিকদের জন্য যদি আধুনিক প্রযুক্তি, ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) এবং অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি বা পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (OHS) বিষয়ক সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যায়, তবে এই সেক্টরের চেহারা পুরোপুরি বদলে যাবে।

পাশাপাশি, নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মেকানিকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (PPE) ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, প্রতিনিয়ত পোড়া তেল, গ্রিজ আর ভারি যন্ত্রাংশ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তারা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েন।

এই ইনফরমাল সেক্টরটিকে যদি একটু গুছিয়ে, আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া দিয়ে দক্ষ করে তোলা যায়, তবে তা শুধু বাইকারদের রাইডকেই নিরাপদ করবে না, বরং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এক বিশাল মাইলফলক হয়ে দাঁড়াবে।

এদেশের অর্থনীতির এক নীরব, অথচ সবচেয়ে শক্তিশালী চালিকাশক্তি হলো আমাদের ইনফরমাল সেক্টর বা অনানুষ্ঠানিক খাত। আমরা যখন দেশে...
05/07/2026

এদেশের অর্থনীতির এক নীরব, অথচ সবচেয়ে শক্তিশালী চালিকাশক্তি হলো আমাদের ইনফরমাল সেক্টর বা অনানুষ্ঠানিক খাত। আমরা যখন দেশের উন্নয়ন আর প্রবৃদ্ধির খতিয়ান মেলাই, তখন বড় বড় কর্পোরেট ভবন, মেগা প্রজেক্ট আর ফর্মাল খাতের হিসেবটাই চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কিন্তু বাস্তবতার পর্দার আড়ালে থাকা যে বিশাল কর্মযজ্ঞ দেশের মোট রাজস্বের প্রায় ৪১ শতাংশ জোগান দিচ্ছে, তার গুরুত্ব হয়তো অনেকের মাথাতেই আসে না।

রাস্তার ধারের ছোট চায়ের দোকানদার, হকার, রিকশাচালক, ছোটখাটো কারিগর থেকে শুরু করে গ্রামীণ কুটির শিল্পের সাথে যুক্ত কোটি কোটি মানুষ—এরাই এই খাতের প্রাণ। তারা শুধু নিজেদের জীবিকাই সংস্থান করছেন না, বরং দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সবচেয়ে বড় জ্বালানি জোগাচ্ছেন। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো, যে খাতটি রাজস্বের এত বড় একটা অংশ বহন করে, সেটিই আজ সবচেয়ে বেশি অবহেলিত ও উপেক্ষিত।

এই খাতের সাথে জড়িয়ে আছে দেশের সিংহভাগ মানুষের কর্মসংস্থান। প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির সুযোগ যখন সীমিত, তখন এই অনানুষ্ঠানিক খাতই দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে সবচেয়ে বড় বাফার হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রাতিষ্ঠানিক কোনো আর্থিক নিরাপত্তা বা আইনি সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। ব্যাংক ঋণ পেতে তাদের পোহাতে হয় অন্তহীন ভোগান্তি, আপদ-বিপদে পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এদের জন্য গড়ে ওঠেনি।

আমরা প্রায়শই যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার গল্প শুনি, তার মূল ভিত্তিটাই দাঁড়িয়ে আছে এই অবহেলিত খাতের ওপর। মন্দা কিংবা যেকোনো বৈশ্বিক সংকটে এই অনানুষ্ঠানিক খাতই দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে টিকিয়ে রাখে। একে অবহেলা করে বা বাদ দিয়ে দেশের প্রকৃত ও টেকসই উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

এখন সময় এসেছে দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর। এই বিশাল সম্ভাবনাময় খাতকে শুধু 'অনানুষ্ঠানিক' তকমা দিয়ে একপাশে সরিয়ে না রেখে, একে মূলধারার অর্থনীতিতে মর্যাদার সাথে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।

তাদের সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ করে দেওয়া, কাজের পরিবেশের উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আজ সময়ের দাবি। যে খাত আমাদের অর্থনীতির প্রায় অর্ধেকটা সচল রাখছে, তাকে অবহেলা নয়, বরং সযত্নে এগিয়ে নেওয়াই হোক আমাদের লক্ষ্য।

03/07/2026
13/06/2026

শিরোপা রেইজ জব ফেয়ার-২০২৬।

Address

Tangail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shiropa Development Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category