বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল , টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ শাখা

  • Home
  • Bangladesh
  • Tangail
  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল , টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ শাখা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল , টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ শাখা সুস্থ ধারার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিরসনে locked & loaded

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির )৪৮তম গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল টাঙ্গাইল মেড...
01/09/2026

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির )৪৮তম গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ শাখার উদ্যোগে কেক কেটে উদযাপন করা হয়।

এবং একই সাথে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মাঝে ভাগ করে নিতে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে রাতের খাবারের ক্ষুদ্র আয়োজন করা হয়।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর দিকনির্দেশনায়, ছাত্রদল সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে আছে এবং থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের হোস্টেলেও!ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, টা...
12/06/2026

বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের হোস্টেলেও!

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ শাখার উদ্যোগে গার্লস ও বয়েজ হোস্টেলে বড় পর্দায় খেলা উপভোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রিয় দলের জয়-পরাজয়ের আবেগ, শ্বাসরুদ্ধকর মুহূর্ত আর বিশ্বকাপের প্রতিটি রোমাঞ্চ উপভোগ করতে সবাইকে আমন্ত্রণ।

আর বিশ্বকাপের এই আয়োজন বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশিক ইকবাল হৃদয় ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল টাংগাইল মেডিকেল কলেজ শাখার আয়োজনে আসন্ন ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ এর সকল ম্যাচসমূহ বড় পর্দায় দ...
09/06/2026

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল টাংগাইল মেডিকেল কলেজ শাখার আয়োজনে আসন্ন ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ এর সকল ম্যাচসমূহ বড় পর্দায় দেখানো হবে।
এছাড়াও সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচসমূহে স্ন্যাক্স এর ব্যাবস্থাও থাকবে!
ভ্যেনু : ছাত্র হোস্টেল ও ক্যাম্পাস মাঠ।

এই পর্বের  #১৩তম লিখা পাঠিয়েছে টি১২ এর Pushpita :-ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নটা ছিল ছোট থেকেই।  যখন চান্স মিস গেল এবং পরবর্তীত...
30/05/2026

এই পর্বের #১৩তম লিখা পাঠিয়েছে টি১২ এর Pushpita :-

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নটা ছিল ছোট থেকেই। যখন চান্স মিস গেল এবং পরবর্তীতে চান্স পেলাম সেই আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। কোন কিছু সহজে পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে পাওয়ায় সুখ অনেক বেশি। রেজাল্ট দেওয়ার পর বুকে ধক ধক নিয়ে যখন এলোটেড মেডিকেলে টাঙ্গাইল মেডিকেল লেখা দেখলাম তখন চিৎকার করে আম্মুকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। যেমনটি আশা করেছিলাম স্বপ্নের ক্যাম্পাসে গিয়ে তার চেয়ে অনেক বেশি পেয়েছি। গাছ গাছালি ভরা কত সুন্দর মনোরম পরিবেশ। চোখে মুখে অনেক কৌতুহল নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ। হোস্টেলে সবকিছু সুন্দর করে সাজালাম। নিজের ছোট্ট এক টুকরো ঘর। বুকে এক অন্যরকম শান্তি। সবচেয়ে বেশি অপেক্ষায় ছিলাম অরিয়েন্টেশনের জন্য। যখন ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতাম তখন মনে মনে এই দিনটি কল্পনা করতাম। কত স্বপ্ন ছিল এই দিনটি ঘিরে। ০৩-০৫-২০২৬ স্বপ্নটা বাস্তবে রুপ নেয়। গায়ে সাদা এপন জড়িয়ে নিজেকে যখন আয়নায় দেখলাম খুশিতে চোখটা ছল ছল করছিল। আমাকে দেখে বাবা-মার চোখ ও ভরে আসলো। গড়বে তাদের বুক ফুলে উঠলো। তাদের মেয়ে সত্যিই ডাক্তার হবে একদিন। একটি পরিবারের স্বপ্ন পূরণের দিন। প্রিন্সিপাল স্যার এবং সকলকে নিয়ে ওয়ারেন্টেশন সম্পন্ন করলাম। অনেক মুহূর্ত ক্যামেরা বন্দি করলাম। বাবা মা যখন হোস্টেলে ছেড়ে যাচ্ছিল আমাকে তখন অনেক কান্না করেছি কিন্তু ভাবছিলাম এই কান্নাটা আমার স্বপ্নজোয়ের বাধা হতে পারে না। নিজেকে সামলে নিলাম এবং নতুন করে শুরু করলাম জীবন। তিন দিন ব্যাপীঅরেন্টেশন চলল তারপরে ক্লাস শুরু হল। ক্লাসগুলো অত্যন্ত মনোযোগের সাথে করেছি এবং অনেক উপকৃত হয়ছি। ক্যাম্পাসের বড় ভাইয়া আপুরাও অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। সবকিছুতে তারা এগিয়ে এসেছিল। ক্যাম্পাসের মনোরম পরিবেশ শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং বড় ভাইয়া আপুদের সহযোগিতা,সহপাঠীদেরসবকিছু সুন্দর করে দিয়েছিল। দিনগুলো স্মৃতির অ্যালবামে আজীবন স্মরণীয় থাকবে ইনশাআল্লাহ।

এই পর্বের  #১২তম লিখা পাঠিয়েছে টি১২ এর সিয়াম আহাম্মেদ:-টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ—স্বপ্ন, অনুভূতি আর আপন এক ঠিকানা”একজন মেডিক...
30/05/2026

এই পর্বের #১২তম লিখা পাঠিয়েছে টি১২ এর সিয়াম আহাম্মেদ:-
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ—স্বপ্ন, অনুভূতি আর আপন এক ঠিকানা”একজন মেডিকেল শিক্ষার্থীর কাছে মেডিকেল কলেজ শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়; এটি স্বপ্ন গড়ে তোলার একটি বিশেষ অধ্যায়। দীর্ঘ পরিশ্রম, অপেক্ষা আর অনেক প্রার্থনার পর Tangail Medical College-এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের অন্যতম আনন্দের মুহূর্ত। কলেজে প্রথম দিন পা রাখার সেই অনুভূতি আজও মনে গভীরভাবে গেঁথে আছে—মনে হয়েছিল বহুদিনের লালিত স্বপ্ন যেন বাস্তব রূপ নিয়েছে।
Tangail Medical College-এর ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ও পরিবেশ সত্যিই প্রশংসনীয়। সবুজে ঘেরা, শান্ত ও সুশৃঙ্খল এই ক্যাম্পাসে এক ধরনের প্রশান্তি কাজ করে। ক্যাম্পাসের ভেতর হাঁটতে হাঁটতে বারবার মনে হয়েছে—এখান থেকেই শুরু হবে আমাদের চিকিৎসক হয়ে ওঠার দীর্ঘ ও সম্মানজনক পথচলা। এই জায়গাটার প্রতি অল্প কিছুদিনেই এক ধরনের গভীর টান তৈরি হয়ে গেছে।
ক্লাসের অভিজ্ঞতাও আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলীর আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁদের সহানুভূতিশীল আচরণ সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। তাঁদের প্রতিটি ক্লাস শুধু বইয়ের পাঠেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব, মানবিকতা ও নৈতিকতার বিষয়গুলোও নতুনভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। নতুন একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁদের আন্তরিক ব্যবহার আমাকে অনেক সাহস ও আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।
হোস্টেল জীবন আমার জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। পরিবার ছেড়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার শুরুতে কিছুটা অচেনা লাগলেও খুব দ্রুতই জায়গাটা আপন হয়ে উঠেছে। বন্ধুদের সঙ্গে একসাথে গণরুমে থাকা, প্রতিদিনের ছোট ছোট মুহূর্ত ভাগাভাগি করা সবকিছু মিলিয়ে হোস্টেল যেন আরেকটি পরিবারের মতো মনে হয়েছে। বিশেষ করে বড় ভাইদের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তাঁদের স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও আপন করে নেওয়ার মানসিকতা নতুন পরিবেশটাকে অনেক সহজ ও স্বস্তিদায়ক করে তুলেছে।
অল্প কিছুদিনের এই পথচলাতেই আমি অনুভব করেছি, Tangail Medical College শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি স্বপ্ন, পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতার এক সুন্দর মিলনস্থল। এই প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থী হতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত। আমার বিশ্বাস, এই ক্যাম্পাস একদিন আমাদের শুধু দক্ষ চিকিৎসক হিসেবেই নয়, একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলবে।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের সঙ্গে এই পথচলা দীর্ঘ হোক—এই প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে স্বপ্নগুলো একদিন পূর্ণতা পাক, এটাই আমার আন্তরিক কামনা।

গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি
30/05/2026

গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

28/05/2026

NOTICE : STORY SUBMISSIONS FOR "STORY WIRITING CONTEST BY JCD TMC" ARE NOW CLOSED. Due to Eid, we are not yet able to post all the writings we got. Sorry for that. Soon we will upload your amazing writings & update each individual participant. Stay tuned
N.B :- Many of the participants still havent shared their bkash number. You are requested to share it as soon as you remember.

- Team JCD TMC.

সিরিজের  #১১তম গল্প পাঠিয়েছে টি১২ এর Sithi Das:-নতুন শহর,নতুন মানুষ,নতুন দিনের ভীড়অচেনারা ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে নীড়।ঘুমহীন ...
28/05/2026

সিরিজের #১১তম গল্প পাঠিয়েছে টি১২ এর Sithi Das:-

নতুন শহর,নতুন মানুষ,নতুন দিনের ভীড়
অচেনারা ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে নীড়।
ঘুমহীন কিছু রাত আর গল্পভরা ক্ষণ,
ব্যস্ততার মাঝে খুঁজে পাই আপন এক ভুবন।"

এ কয়দিনের অভিজ্ঞতা ঠিক এই চার লাইনের ছন্দের মতোই।
ছোটবেলায় পড়েছিলাম ১ পক্ষে ১৫ দিন আর আমাদের মেডিকেল জীবনের বয়স ও ১৫ দিনই(০৩ মে-১৮ মে)।তাই এই ছোট্ট গল্পখানির নাম "সাদা অ্যাপ্রোনে প্রথম পক্ষ" ছাড়া কিছুই মাথায় আসছে না।যখন প্রথম দিন apron গায়ে জড়িয়ে কলেজের বারান্দা দিয়ে হাঁটছিলাম এমন অনুভব হয়েছিলো যে এই বুঝি stetho গলায় ঝুলিয়ে prescription লিখতে বসে যাবো।তবে সে স্বপ্ন থেকে বাস্তবতায় ফিরিয়ে আনতে মেডিকেলের পড়ালেখা বেশীদিন সময় নেয় নি..সে যাই হোক,এই ১৫ দিনে যেটুকু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলাম তার সারাংশ এই যে,এখানে রোজ ঘুমের সাথে যুদ্ধ করতে হয়,Attendance এর জন্য দৌড়াতে হয়,সকাল ৮ টার ক্লাসে সুযোগ বুঝে পিছনের সারিতে বসে একটা ঘুম ও দিতে হয় আর Vishram Singh এর Anatomy বই খুললে মনে তো হতেই হয় যে মানবদেহের হাড়ের থেকে আমার টেনশনের সংখ্যা ঢের বেশী।তারপর প্রথম দিন Guyton হাতে নিয়ে এই বই এ বিশেষজ্ঞ হওয়ার স্বপ্ন দেখেনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া বিরল আর Guyton পড়ার কথা স্বীকার করবে এমন মানুষ পাওয়া তো তার থেকেও বেশী বিরল।তারপর আসি গণরুমের এই ১৫ দিনের স্মৃতিচারণে যা করতে গেলে সাতকাহন হয়ে যাবে।তবে ছোট করে বলি--যেদিন প্রথম গণরুমে পদার্পণ করলাম সেদিন কেউ বাড়ির লোকের জন্য মন খারাপ করছে,কেউ বিছানা গোছাচ্ছে আবার কেউ নতুন বন্ধু বানানোর mission এ আছে।আমি চুপচাপ সব দেখছিলাম।তবে ২-৩ দিন যেতে না যেতেই বুঝে গেলাম এখানে "চুপচাপ" বলতে কিছু নেই।এখানে একজনের হাসি মানে সবার হাসি আর একজনের মন খারাপ মানে সবাই মিলে তাকে হাসানোর চেষ্টা।এখানে রাতে নিজে পড়ার থেকে " কে কত কম/বেশী পড়েছে" এটা প্রমাণের চেষ্টাই থাকে বেশী। 1st item এর টেনশন তো proff এর tension কেও নিঃসন্দেহে হার মানাবে। একজনের অ্যালার্মে দশজনের ঘুম ভাঙা,একজনের noodles এর গন্ধে সবার ক্ষুধা লাগা,মাঝরাতে হঠাৎ কোনো একজনের " এই চা খাবি?" বলে ওঠা তো এখানকার নিত্যদিনের সঙ্গী।তবু এই বিশৃঙ্খলার মাঝে অদ্ভুত এক মায়া আছে।অচেনা মানুষগুলো কীভাবে যেন পরিবার হয়ে যায়,তাই না? এই ক'দিনে অনুভব করলাম মেডিকেল জীবন কঠিন ঠিকই কিন্তু এই কঠিনের মাঝে লুকিয়ে আছে সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো যেগুলো একসময় স্মৃতির পাতায় জ্বলজ্বল করবে।কখনো খুব হতাশ হয়ে বলে উঠি "ধুর! কেন যে আসলাম এখানে"।তবে এর ঠিক পরক্ষনেই মনে হয় " মেডিকেলে চান্স না পেয়ে কান্না করার চেয়ে এই মেডিকেলের ক্যাম্পাসে হেঁটে Item,card,term,proff এর জন্য tension করা অনেক বেশী তৃপ্তির"।

এই সিরিজের  #১০ম লিখা। পাঠিয়েছে টি১২ এর Humayun Kabir Heemal:- আসসালামু আলাইকুম। শুরুতেই আল্লাহর শুকরিয়া  আদায় করছি তি...
28/05/2026

এই সিরিজের #১০ম লিখা। পাঠিয়েছে টি১২ এর Humayun Kabir Heemal:-
আসসালামু আলাইকুম। শুরুতেই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি তিনি আমাকে টাঙ্গাইল মেডিকেলে পড়াশোনার করার সুযোগ করে দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার প্রবল ইচ্ছা বাস্তবে রূপ নিয়েছে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ার দিন থেকে।সেই স্বপ্নটা আরও তীব্রতর হয়ে প্রকাশ পেয়েছে যেদিন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য এসেছিলাম। আসার পরেই দেখেছি এক ঝাঁক সিনিয়র ভাইয়া আপুরা এপ্রোন পড়ে এক ক্লাস থেকে আরেক ক্লাসে যাচ্ছেন। তাদের সেই দৃশ্যটা দেখে খুবই আপ্লুত হয়ে ছিলাম এইজন্য যে কিছুদিন পর থেকে এই করিডোরে আমিও এভাবে আমার স্বপ্ন পূরণের জন্য ছুটে বেড়াবো। ভর্তির দিনে এসে অবাক হয়েছিলাম এটা দেখে যে আমাদের সিনিয়র ভাইয়া আপুরা কত সুন্দর ভাবে ভর্তির সবগুলো প্রসেস নিজেদের হাতে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। সেদিনই বুঝতে পেরেছিলাম আমার ক্যাম্পাসে সিনিয়র জুনিয়র একটা বন্ধুত্ব সুলভ সম্পর্ক তৈরি হবে। তারপর আমাদের হলে উঠার দিনে খুব সকালেই আমি ক্যাম্পাসে চলে আসি। এসে দেখি চারিদিকে ব্যাচমেটদের সবাই নিজেদের নতুন ঠিকানাকে গুছিয়ে নিতে ব্যস্ত। দীর্ঘ ৮ ঘন্টা জার্নি করে এসে যখন হলে উপস্থিত হই তখন সিনিয়রদের পক্ষ থেকে আমাদের নাস্তার ব্যবস্থা করানো হয়,এত দীর্ঘ জার্নির পরে বাইরে যেয়ে নাস্তা করার কষ্ট লাঘব হয়।তারপরে রুমের বেড কিভাবে গুছিয়ে নেব সেজন্য সিনিয়ররা সরাসরি হেল্প করেছে। তারপরে আমার পড়ার জন্য টেবিল ছিল না আমি এক সিনিয়র ভাইয়াকে বলাতে তিনি তার নিজের টেবিল আমাকে দিয়েছিলেন এটা সত্যিই অবাক হওয়ার মতো একটা মুহূর্ত ছিল, সেই সাথে তিনি একটা আলনারও ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। অচেনা এক মানুষ হিসেবে গিয়েও এত ভালো ব্যবহার এবং উপকার পাব আশা করিনি তাই খুবই মুগ্ধ হয়ে ছিলাম। তারপরে নতুন ক্যাম্পাসে নতুন এলাকা দুপুরবেলা খাওয়ার কথা ভাবতে ভাবতেই সিনিয়রদের থেকে বলা হল যে তাবলীগের ভাইয়েরা দুপুরে খাবারের ব্যবস্থা করেছেন তাই দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা করার চিন্তা করা লাগেনি। সন্ধ্যাবেলা বাবা মা চলে যাওয়ার পরে রাতে কি খাব নতুন এলাকা কিছুই চিনি না ঠিক তখনই জানানো হলো যে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ডিনারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যার কারণে সারাদিনে খাবারের জন্য নতুন এলাকায় ছোটাছুটি করা লাগেনি। এরপর রাতে বন্ধুরা মিলে সবাই পরিচিত হলাম, সিনিয়র ভাইয়েরাও এসে পরিচিত হল। তারপরে রাতে আমরা সবাই খুবই এক্সাইটেড ছিলাম এইজন্য যে পরের দিন আমাদের সেই বহুল আকাঙ্ক্ষার মেডিকেল জার্নি শুরু হতে যাচ্ছে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে। অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে গিয়ে দেখি আমাদের জন্য ফুলেল শুভেচ্ছা অপেক্ষা করছে। সেই সাথে অভিভাবকবৃন্দ এবং আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকেরা আমাদের বরণ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছেন। জীবনের প্রথম এপ্রোন পড়ে মেডিকেল কলেজে ছাত্র হিসেবে অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম উপস্থিত হওয়ার পরে অনুভূতিগুলো কথায় লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম এ শপথ নেওয়ার মুহূর্তটা সারা জীবন স্মৃতির পাতায় রয়ে যাবে। শপথ নেওয়ার সময় অনুভূতিটা ছিল ভিন্ন রকম। সবমিলিয়ে মেডিকেল জার্নি শুরুটা ছিল অসম্ভব সুন্দর। আমাদের ক্যাম্পাস ছোট হলেও এত বেশি সুন্দর যে বড় বড় ক্যাম্পাসগুলি কেও হার মানাবে।এরপর বই খাতা নিয়ে আপ্রোন পরে প্রথম ক্লাসের জন্য যখন করিডর দিয়ে হাঁটছিলাম তখন অনেক আবেগ আপ্লুত হয়ে গিয়েছিলাম কারণ এই মুহূর্তটা এতদিন মোবাইল ফোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল আর আজ সেটা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এরপর হলে এসে সিনিয়রদের সাথে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলায় সহজেই মিশে যাওয়ার অনুভূতিটাও ছিল অনেক সুন্দর। এরপর থেকে সিনিয়র ভাইয়া আপু, স্টাফ, শিক্ষকদের সার্বিক সহায়তায় মেডিকেল জার্নির এখন পর্যন্ত পথটা ছিল অসম্ভব রকমের সুন্দর। অনুভূতি প্রকাশের এই আয়োজনের মাধ্যমে আমার সেই স্মৃতিগুলো আবারো মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের শাখা কে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পর্বের  #৯ম লিখা পাঠিয়েছে টি১২ ব্যাচের সুকন্যা :-আমার নাম সাবরিনা আক্তার সুকন্যা। আমি 25-26 সেশনে সেকেন্ড টাইমার হিসে...
28/05/2026

এই পর্বের #৯ম লিখা পাঠিয়েছে টি১২ ব্যাচের সুকন্যা :-
আমার নাম সাবরিনা আক্তার সুকন্যা। আমি 25-26 সেশনে সেকেন্ড টাইমার হিসেবে টাংগাইল মেডিকেলে চান্স পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। এবং আমার গ্রামের বাড়িও টাঙ্গাইল তাই খুশিটা ছিল আলাদা। নিজের জেলা বলে কথা । আমি বাসা ছেড়ে কখনো কোথাও থাকি নি। তাই সংকোচে ছিলাম কেমন লাগবে জায়গাটা। থাকতে পারবো তো আমি? এই সংকোচ নিয়েই এপ্রিলের 1 তারিখ বাসা থেকে টাঙ্গাইল মেডিকেলের উদ্দেশ্যে বের হই। ২ তারিখ আমাদের হলে ওঠার কথা। সে অনুযায়ী ২ তারিখ আমি আমার হলটি গুছাই। ৩ তারিখ অরিয়েন্টেশনে যাই।৩ তারিখ সারাদিন আম্মু সাথে থেকে আমাকে হলটি আরো গোছাতে সাহায্য করে। ৩ তারিখ সন্ধ্যার সময় আম্মু আমাকে হলে রেখে চলে যায়। কি বলবো আমি খুব কষ্টে কান্না থামিয়ে রেখেছি। আম্মু তো কান্নাই করে দিয়েছে, আমি তাও কান্না আটকিয়ে আম্মুকে বিদায় দিয়েছি। আল্লাহর অশেষ রহমতে এত ভালো রুমমেট পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। ওদের সাথে থেকে আমি বাসা থেকে দূরে থাকার কষ্টটা মিনিমাইজ করতে পেরেছি। আর আমাদের চার তারিখ পুরো মেডিকেল ক্যাম্পাস দেখানো হয়েছে। এবং ৫ তারিখ ছিল মোটিভেশনাল স্পিচ। প্রতিটা ধাপে আমি নতুন করে সব কিছু ফিল করছিলাম। প্রতিটা স্টেজই ছিল আমার জন্য নতুন। এরপর আমাদের ক্লাস শুরু হয়। আমি যতগুলো দিন ক্লাস করেছি আমাদের টিচারগুলোকে অনেক আন্তরিক এবং হেল্পফুল লেগেছে আলহামদুলিল্লাহ। সিনিয়র ভাইয়া আপুরা স্পোর্টস ও কালচার ক্লাব থেকে আমাদের জন্য একটি সেমিনার করেন।সেই সেমিনারে আমার ব্যাচমেট এবং আমার সিনিয়র ভাইয়া আপুরা গান গিয়েছিলেন।তাদের প্রতিভা দেখে আমি আসলেই মুগ্ধ। 😊 ১৩ই মে সন্ধানীর পক্ষ থেকে যে সেমিনার টা করা হয় সেটাতে একটি কুইজ পার্ট ছিল। আমার অনুষ্ঠানের ওই অংশটা অনেক ভালো লেগেছিল। আলহামদুলিল্লাহ আমিও একটি প্রাইজ পাই 🥹।ঈদের ছুটি পাওয়ার আগে প্রথম আইটেম এক্সাম দেওয়ার অনুভূতিটাও পেয়েছি। ১৭ তারিখ ডা. কামরুন্নাহার ম্যাডাম T11 ও T12 এর মেয়েদের জন্য একটি স্ন্যাকস পার্টি করেন। ওই পার্টিতে সবার সাথে দেখা হয়। আমার এই দুই সপ্তাহের মেডিকেল জার্নি টা অনেক ভালো ছিল আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ তা'আলা সামনের পথটাও সহজ করে দিক আমার এবং আমার সহপাঠীদের জন্য। যেন আমরা আমাদের সিনিয়র ভাইয়া আপুদের মত ভালো করতে পারি এবং আমাদের মেডিকেল ক্যাম্পাসের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পারি, ইনশাল্লাহ। 💙

Address

Kodalia
Tangail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল , টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share