Bangladesh Film Development Corporation

Bangladesh Film Development Corporation বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের আঁতুড়ঘর

কোন চলচ্চিত্রের স্থিরচিত্র এটি এবং অভিনেত্রী দুজনের নাম কি? #বাংলা_চলচ্চিত্র  #এফডিসি
01/09/2026

কোন চলচ্চিত্রের স্থিরচিত্র এটি এবং অভিনেত্রী দুজনের নাম কি?

#বাংলা_চলচ্চিত্র #এফডিসি

‘চাওয়া পাওয়া’ স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক-সামাজিক ঘরানার চলচ্চিত্র। অনিলচন্দ্...
01/09/2026

‘চাওয়া পাওয়া’ স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক-সামাজিক ঘরানার চলচ্চিত্র। অনিলচন্দ্র সাহা’র প্রযোজনায় মিতালী কথাচিত্রের ব্যানারে এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক নারায়ণ ঘোষ মিতা। তৎকালীন ঢালিউডের অন্যতম শীর্ষ জুটি মোস্তফা ও সুচন্দা এই চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন। স্বনামধন্য সঙ্গীত পরিচালক সত্য সাহার সুর ও সঙ্গীতে বেশ কয়েকটি কালজয়ী গান পরিবেশিত হয় এ চলচ্চিত্রে। বিশেষ করে মাহমুদুন নবী ও ফেরদৌসী রহমানের কণ্ঠে ‘কিছু আগে হলে ক্ষতি কি ছিল’ গানটি সে সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এ ছাড়া সঙ্গীতশিল্পী খন্দকার ফারুক আহমেদ সত্য সাহার সুরে ‘রিক্ত হাতে যারে ফিরিয়ে দিলে’ গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার মাধ্যমেই ঢালিউডে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। নারায়ণ ঘোষ মিতার নিখুঁত নির্মাণ এবং অভিনয় ও সঙ্গীতের চমৎকার মেলবন্ধনে এটি ঢালিউডের ইতিহাসের একটি স্মরণীয় চলচ্চিত্র হয়ে রয়েছে। ১৯৬৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় এ চলচ্চিত্রটি।

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

দীর্ঘ ২৬ বছরের কর্মজীবন শেষে আজ অবসর গ্রহণ করেন বিএফডিসি'র কালার অ্যানালিস্ট জনাব মোঃ আব্দুল মুন্নাফ। এসময়ে তাকে বিদায়ী ...
31/08/2026

দীর্ঘ ২৬ বছরের কর্মজীবন শেষে আজ অবসর গ্রহণ করেন বিএফডিসি'র কালার অ্যানালিস্ট জনাব মোঃ আব্দুল মুন্নাফ। এসময়ে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানান বিএফডিসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয় ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

#বিএফডিসি

‘শেষ পর্য্যন্ত’ স্বাধীনতা পূর্বকালীন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য একটি সামাজিক ও রোমা...
31/08/2026

‘শেষ পর্য্যন্ত’ স্বাধীনতা পূর্বকালীন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য একটি সামাজিক ও রোমান্টিক ধারার চলচ্চিত্র। কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান এর প্রযোজনায় সিনে ওয়ার্কশপ এর ব্যানারে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন নুরুল হক। তৎকালীন বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রা, আবেগ-অনুভূতি এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন ও প্রেমের নানা জটিলতার পটভূমিতে নির্মিত এ চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন নায়করাজ রাজ্জাক ও ববিতা। নায়িকা হিসেবে এটাই ছিল ববিতার প্রথম চলচ্চিত্র। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন মুস্তফা, সুলতানা, বেবী জামান, সামাদ, রানু প্রমুখ। প্রখ্যাত সুরকার আবদুল লতিফ এ চলচ্চিত্র সঙ্গীত পরিচালনা করেন। ১৯৬৯ সালের ০৮ আগস্ট মুক্তি পায় এ চলচ্চিত্রটি।

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

কোন চলচ্চিত্রের স্থিরচিত্র এটি এবং অভিনেত্রীদ্বয়ের নাম কি? #বাংলা_চলচ্চিত্র  #ঢালিউড  #এফডিসি
30/08/2026

কোন চলচ্চিত্রের স্থিরচিত্র এটি এবং অভিনেত্রীদ্বয়ের নাম কি?

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

‘সুখের স্বর্গ’ ঢালিউডের নব্বই দশকের পারিবারিক ও সামাজিক অ্যাকশন-ড্রামা ঘরানার একটি চলচ্চিত্র। কিশোর সাহা’র প্রযোজনায় চলচ...
30/08/2026

‘সুখের স্বর্গ’ ঢালিউডের নব্বই দশকের পারিবারিক ও সামাজিক অ্যাকশন-ড্রামা ঘরানার একটি চলচ্চিত্র। কিশোর সাহা’র প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন স্বনামধন্য দ্বৈত পরিচালক ইস্পাহানী আরিফ জাহান। দেলোয়ার জাহান ঝন্টু এ চলচ্চিত্রের কাহিনী ও সংলাপ রচনা করেন। জাকির হোসেন এর চিত্রধারণে এ চলচ্চিত্রে পারিবারিক টানাপোড়েন, সৎ মায়ের নিষ্ঠুরতা, ভাই-বোনের অটুট বন্ধন, জীবনসংগ্রাম এবং পরিশেষে প্রতিকূলতা জয় করে সাফল্যের গল্প ফুটে উঠেছে অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী হয়ে। চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রসমূহে অভিনয় করেন আলমগীর, শাবানা, ওমর সানী ও মৌসুমী। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন হুমায়ূন ফরিদী, আনোয়ার হোসেন, প্রবীর মিত্র প্রমুখ জনপ্রিয় শিল্পীদের উপস্থিতি চলচ্চিত্রটিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। আনোয়ার জাহান নান্টু’র সুর ও সংগীতে এবং দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ও আব্দুল হাই আল হাদীর গীত রচনায় এ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন গানে কন্ঠ দিয়েছেন রুনা লায়লা, এন্ড্রু কিশোর, খালিদ হাসান মিলু, কনক চাঁপা’র মত জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পীগণ। দিলদার জাহান এর সম্পাদনায় নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৯৬ সালের ৩০ আগস্ট।

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

‘প্রেম কাহিনী’ ঢালিউডের আশির দশকের একটি উল্লেখযোগ্য রোমান্টিক ড্রামা ঘরানার চলচ্চিত্র। ডি রাস ফিল্মস পরিবেশিত এ চলচ্চিত্...
30/08/2026

‘প্রেম কাহিনী’ ঢালিউডের আশির দশকের একটি উল্লেখযোগ্য রোমান্টিক ড্রামা ঘরানার চলচ্চিত্র। ডি রাস ফিল্মস পরিবেশিত এ চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা করেন দারাশিকো। তিনি মূলত অভিনেতা হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত হলেও, তাঁর পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলোর সহজ-সরল কাহিনী উপস্থাপন দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। মূলত ভালোবাসা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, শ্রেণি বৈষম্য এবং সামাজিক মর্যাদার মতো গভীর মানবিক ও সামাজিক বিষয়বস্তু ঘিরে আবর্তিত হয় এ চলচ্চিত্রের গল্প। সিরাজুল ইসলাম এর দৃশ্যধারণে তা অত্যন্ত সাবলীল হয়ে ধরা দেয়। চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও দোয়েল। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন শওকত আকবর, মিঠুন, বাবর, জহিরুল হক, মিনতি হোসেন, খোরশেদ আলম প্রমুখ। প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী’র সুর ও সংগীতে এবং স্বনামধন্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার এর গীত রচনায় এ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন গানে কন্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন, এন্ড্রু কিশোর, কুমার বিশ্বজিৎ, রুনা লায়লার মত জনপ্রিয় শিল্পীরা। চলচ্চিত্রটি সম্পাদনা করেন আমিনুল ইসলাম মিন্টু। ১৯৮৫ সালের ৩০ আগস্ট মুক্তি পায় এ চলচ্চিত্রটি।

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র। অডিও ভিস্যুয়াল সার্ভিসেস ব্যুরো, বিএফডিসি ও বাদল র...
29/08/2026

‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র। অডিও ভিস্যুয়াল সার্ভিসেস ব্যুরো, বিএফডিসি ও বাদল রহমান প্রযোজিত এ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন খ্যাতনামা পরিচালক বাদল রহমান। জার্মান সাহিত্যিক এরিখ কাস্টনারের কালজয়ী উপন্যাস 'এমিল অ্যান্ড দ্য ডিটেকটিভস’ অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা করেছিলেন পরিচালক নিজেই। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রগ্রাহক আনোয়ার হোসেনের নান্দনিক চিত্রধারণে সম্পূর্ণ রঙিন এ চলচ্চিত্রে খুলনার ছেলে এমিলের ঢাকায় পুরস্কার গ্রহণ করতে আসার পথে টাকা হারিয়ে ফেলা, পরবর্তীতে ঢাকার একদল শিশু-কিশোরকে নিয়ে বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার সাথে চোরকে পাকড়াও করার গল্প ফুটে উঠেছে অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী হয়ে। গোলাম মোস্তফা, এ টি এম শামসুজ্জামান, সারা যাকের, শর্মিলী আহমেদ, আনিস, মাঃ পার্থ, মাঃ শিপলু, মমতাজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ অভিনেতাদের অনবদ্য অভিনয় চলচ্চিত্রটিকে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে যায়। প্রখ্যাত সুরকার আলম খান এ চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেন। সম্পাদনা করেন পরিচালক নিজেই। অসাধারণ নির্মাণশৈলির কারণে চলচ্চিত্রটি ১৯৮১ সালে আয়োজিত ৬ষ্ঠ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এ শ্রেষ্ঠ প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক এবং শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা এই পাঁচটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেয়। ১৯৮০ সালের ২৯ আগস্ট মুক্তি পায় চলচ্চিত্রটি।

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

‘মাটির পাহাড়’ ঢালিউডের একেবারে শুরুর দিকের উল্লেখযোগ্য একটি সামাজিক ড্রামা ঘরানার চলচ্চিত্র। এটি এফডিসিতে নির্মিত প্রথম ...
28/08/2026

‘মাটির পাহাড়’ ঢালিউডের একেবারে শুরুর দিকের উল্লেখযোগ্য একটি সামাজিক ড্রামা ঘরানার চলচ্চিত্র। এটি এফডিসিতে নির্মিত প্রথম চারটি চলচ্চিত্রের একটি। ইষ্টার্ণ থিয়েটার্স নিবেদিত ও ষ্টার ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটার্স পরিবেশিত এ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন প্রখ্যাত নির্মাতা মহিউদ্দিন। কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা করেন তৎকালীন সময়ের জনপ্রিয় সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। চিত্রনাট্যকার হিসেবে এটিই ছিল তাঁর প্রথম কাজ। স্বনামধন্য চিত্রগ্রাহক কিউ এম জামান এর চিত্রধারণে তৎকালীন গ্রামীণ ও সামাজিক বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, প্রেম, লোভ এবং নৈতিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী হয়ে ধরা দিয়েছিল এ চলচ্চিত্রে। সুলতানা জামান, কাফি খান, সুমিতা দেবী, আনিস, খান আতাউর রহমানদের প্রাণবন্ত অভিনয়ে চলচ্চিত্রটি একটি অনন্য মাত্রা লাভ করে। প্রখ্যাত সুরকার সমর দাস এ চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনা করেন। চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য না পেলেও বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের ইতিহাসে আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দখল করে আছে। ১৯৫৯ সালের ২৮ আগস্ট মুক্তি পেয়েছিল চলচ্চিত্রটি।

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

‘মা ও ছেলে’ ঢালিউডের স্বর্ণযুগের একটি অন্যতম জনপ্রিয় প্রণয়ধর্মী ড্রামা ঘরানার চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির কাহিনী, সংলাপ ও চ...
27/08/2026

‘মা ও ছেলে’ ঢালিউডের স্বর্ণযুগের একটি অন্যতম জনপ্রিয় প্রণয়ধর্মী ড্রামা ঘরানার চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্য রচনা করেন ইসমাইল মোহাম্মদ। অগ্রণী ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটার্স এর ব্যানারে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা কামাল আহমেদ এটি নির্মাণ করেন। পারিবারিক ষড়যন্ত্র, এক অসচ্ছল মায়ের আত্মত্যাগ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ এবং প্রেম ও পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যকার তীব্র টানাপোড়েন ঘিরে আবর্তিত হয় চলচ্চিত্রটির কাহিনী। প্রধান চরিত্রগুলোতে আলমগীর, শাবানা, রেহানা জলি, বুলবুল আহমেদ অভিনয় করেন। এটিই ছিল রেহানা জলি’র অভিষেক চলচ্চিত্র। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে খলিল উল্লাহ খান, মুস্তাফা, আনোয়ার হোসেন, প্রবীর মিত্রর মত গুনী অভিনয়শিল্পীদের অভিনয় চলচ্চিত্রটিকে ভিন্ন মাত্রা দান করে। স্বনামধন্য সঙ্গীত পরিচালক সুবল দাসের সুর ও সঙ্গীতে কালজয়ী গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের রচিত গানে কন্ঠ মিলিয়েছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা ও এন্ড্রু কিশোরের মতো গুণী শিল্পীরা। চলচ্চিত্রটির চিত্রধারণ করেন প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক অরুন রায়। অসাধারণ নির্মাণ ও অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত ১০ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ছবিটি ৩টি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে, যার মধ্যে আলমগীর শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, রেহানা জলি শ্রেষ্ঠ পার্শ্বঅভিনেত্রী এবং ইসমাইল মোহাম্মদ শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকারের সম্মাননা অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালের ২৭ আগস্ট মুক্তি পায় চলচ্চিত্রটি।

#বাংলা_চলচ্চিত্র #ঢালিউড #এফডিসি

Address

Tejgaon
Tejgaon
1208

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8808170504

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Film Development Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Film Development Corporation:

Shortcuts

Share