23/08/2026
২৮০০/ টাকার লাইসেন্স এর জন্য ১০ হাজার??
কে কে কট খেয়েছেন এই আওলাদ সাহেবের কাছে??
কঞ্জারভেন্সী শ্রমিক (চুক্তিভিত্তিক) মোঃ আওলাদ হোসেন এর দৌরাত্ম
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে অস্থায়ী ও দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে নিয়োগকৃত কঞ্জারভেন্সী শ্রমিক মোঃ আওলাদ হোসেনের ঘোষনা যদি সে অঞ্চল-৬(বাসন) অফিসে চাকুরী করতে না পারে তবে সে অফিসের লাইসেন্স কর্মকর্তা মোঃ গোলাম রসূল কিংবা আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার এমনি কর কর্মকর্তাও চাকুরি করতে পারবেন না। কঞ্জারভেন্সী শ্রমিক (চুক্তিভিত্তিক) তার ঘোষনা মতো অঞ্চল-৬(বাসন) এর লাইসেন্স কর্মকর্তা মোঃ গোলাম রসূল ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বেনামে বিভিন্ন অভিযোগ লিখে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের অফিসে এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের কাছে জমা দিয়েছেন যেন তারা বাসন অফিসে চাকুরী করতে না পারেন। অভিযোগের সূত্র ধরে জানা যায়ঃ বিগত ১২/০৫২০২৬খ্রিঃ তারিখের ৪৬.১৯.০০০০.০০৪.১৯.১৯০.২২২২৮/১(২৮) নং স্মারকে কঞ্জারভেন্সী শ্রমিক মোঃ আওলাদ হোসেনকে বাসন অফিস হতে অঞ্চল-২(পোবাইল) এ বদলী করা হয়। এবং বদলীর আদেশের প্রেক্ষিতে বিগত১৩/০৫/২০২৬খ্রিঃ তারিখের ৪৬.১৯.০০০০.১২৬.৯৯.১২৭.২৩.১০১০ নং স্মারকে তাকে বাসন অফিস হতে রিলিজ (অবমুক্ত) করা হয়। যেহেুতু কঞ্জারভেন্সেী শ্রমিক মোঃ আওলাদ হোসেন বাসন অফিসে লাইসেন্স শাখায় কাজ করত তাই বাসন অফিস হতে বদলীর কারনে সে লাইসেন্স অফিসারকে দায়ী করেন এবং লাইসেন্স কর্মকর্তা কিভাবে বাসন অফিসে কাজ করবেন তা দেখে নেওয়ার ঘোষনা দেন। পাশাপাশি বদলী জনিত কারনে যেহেতু আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার কঞ্জারভেন্সী শ্রমিক মোঃ আওলাদ হোসেনের অবমুক্তির(রিলিজ) পত্রে স্বাক্ষর করেন তাই আওলাদ হোসেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তারকেও দেখে নেওয়ার ঘোষনা দেন এবং বিভিন্ন রুপক নামে মোঃ গোলাম রসুল ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তারের নামে বিভিন্ন বানোয়াট অভিযোগ লিখে সিটি কর্পোরেশন ও বিভিন্ন সাংবাদিকের নিকট দাখিল করেন।
অধিকতর খোজ নিয়ে জানা যায় ২০২২ সালে বিভিন্ন অপকর্ম ও দুর্নীতির কারনে মোঃ আওলাদ হোসেনকে অঞ্চল-৬(বাসন) অফিস হতে বদলী করে অঞ্চল-৮ (কাশিমপুর) অঞ্চলে বদলী করা হয় । পট পরিবর্তন হলে ২০২৬ সালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মোঃ আওলাদ হোসেন অঞ্চল-৬(বাসন) অফিসে বদলী হয়ে আসেন। অঞ্চল৬(বাসন) অফিসে যোগদান করেই বিভিন্ন অপকর্মে জরিয়ে পড়েন। বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আওলাদ হোসেনকে ২০২৬ সালে মে মাসে তার নিজ আবাসস্থলের সন্নিকটে অঞ্চল-২(পুবাইলে) বদলী করা হয়। এতেই সে ক্ষিপ্ত হয়ে একজন চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী হয়েও ঘোষনা দেন সে পুবাইল অফিসে যোগদান করবেন না এবং অঞ্চল-৬(বাসন) এর লাইসেন্স কর্মকর্তা মোঃ গোলাম রসূল, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তারকে চাকুরিচ্যূত করার জন্য যা করার দরকার তাই করবেন এবং বাসন অফিসে কর্মরত কোন কর্মকর্তাই আর বাসন অফিসে চাকুরী করতে পারবেন না।