ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা

  • Home
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,
শাহ্ আলী থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর

15/08/2026

ইসলামী মূল্যবোধ ভূলুণ্ঠিত হয়েছিলো মালিবাগ শহীদি মসজিদ চত্বরে
- কে এম আতিকুর রহমান

২০০২ সাল। ইসলামী মূল্যবোধ তখন রাজনৈতিক অঙ্গণে বিশেষ পরিচিত শব্দ। শব্দটির উৎপত্তি কুরআন হাদীস থেকে না হলেও ইসলাম শব্দটি থাকার কারণে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে ছিল এটি মুক্তির মূলমন্ত্র। আর এ শব্দের প্রয়োগে জাতীয় নির্বাচন উৎরে যাওয়ায় “ইসলামী মুল্যবোধের সরকার” হিসেবে জনশ্রুতি ব্যাপক পরিচিত করে তুলেছিল তৎকালিন চারদলীয় জোট সরকারকে। তখনকার সদ্যবিদায়ী আওয়ামী শাসনামলের বিভিন্ন বিতর্কিত ও ইসলামবিরোধী কর্মকা- বিশেষ করে ক্ষমতার শেষভাগে ফতওয়া নিষিদ্ধ করে দেয়া হাইকোর্টের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় দেশব্যাপী ফুঁসে উঠা ধর্মপ্রাণ মুসমানদের ওপর সরকারের হামলা-মামলা ও বি-বাড়িয়ায় ছয়জনকে শহীদ করায় এমনিতেই জনগণ ক্ষিপ্ত ছিল। সে সময়ে ইসলাম রক্ষার মহান দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে কয়েকটি ইসলামী দল নিঃশর্তভাবে বিএনপির নেতৃত্বে জোটে যোগ দেয় এবং ‘ইসলামী মূল্যবোধ’ সে জোটের মৌলিক শ্লোগান হিসেবে প্রচার করে। ওলামায়ে কেরামের একটি অংশ সেই জোটে যোগ দিলেও চরমোনাই পীর সাহেবসহ অপরাপর ওলামায়ে কেরাম নিতান্তই ইসলামী স্বার্থরক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা নেই দেখে জোটে যোগ দেননি।

সাধারণ মানুষের ধারণা ছিল ওলামায়ে কেরামের সংশ্লিষ্টতায় যেহেতু ইসলামী মূল্যবোধের বিএনপি সরকার ক্ষমতায়, তাই দেশে অতীতের চেয়ে মুসলমানদের ঈমান-আকীদা বেশি হেফাজতে থাকবে। কিন্তু মানুষের সে ভুল ভাঙতে বেশি দিন সময় লাগেনি। ১৫ আগস্ট ২০০২ সালে রাজধানীতেই বিএনপি দলীয় নেতার গু-াবাহিনীর হাতে প্রাণ দিতে হয়েছিল মসজিদ রক্ষা করতে যাওয়া বীর মুজাহিদদের। আর এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে গিয়ে শীর্ষ ওলামাদের হাতেই ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল তথাকথিত শ্লোগান “ইসলামী মূল্যবোধ” এর।

যেভাবে ঘটনা : কয়েক বছর আগে রাজধানীর মালিবাগ এলাকায় প্রধান সড়কের পাশে টিএন্ডটি কলোনীতে এলাকার মানুষ নামাজ আদায়ের জন্য একটি মসজিদ তৈরি করে। ধীরে ধীরে মুসল্লী সংখ্যা বাড়তে থাকে, মসজিদের নামকরণ হয় বাইতুল আজিম জামে মসজিদ। কিন্তু পার্শ্ববর্তী জমির দখলদার যুবদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার তৌফিক ও তার সহযোগীদের সেই জায়গায় মার্কেট বানানোর প্ল্যানে ছেদ পড়ে। মসজিদ যাতে মুসল্লীহীন হয়ে পড়ে সেজন্য প্রচেষ্টা চালায় বিভিন্নভাবে। মসজিদকে অবৈধ বানাতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বেশ কয়েকবার সালিশ দরবারও করে। কিন্তু ইমাম, খতিব ও মুসল্লীদের সচেতনতার কারণে পেরে উঠছিল না কিছুতেই। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয় ক্ষমতা ও অস্ত্রের জোর ব্যবহার করার। ১৫ আগস্ট ফজরের নামাজ পড়তে গেলে মুসল্লীরা দেখতে পায় মসজিদের প্রবেশপথ দেয়াল তুলে আটকানো। ইশার নামাজে যেপথ দিয়ে তারা বের হয়েছে, ভোরবেলা সেপথ বন্ধ হয় কিভাবে? তাদের আর বুঝতে বাকী থাকে না এ কাজ তৌফিক গংদের। মুসল্লীদের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণে এনে মসজিদটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে দখল করার ফন্দি এটেছে সে। দ্রুত সকল মুসল্লী এবং স্থানীয় মাদরাসা চৌধুরীপাড়া ও জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের কানে এ খবর গেলে উত্তেজনায় ফেটে পড়ে সকলে। ডাক দেয়া হয় বিক্ষোভ সমাবেশের।
আর কিছু নয়, মসজিদ দখল করা হয়েছে, তাও আবার মসজিদের শহর ঢাকাতে? বিক্ষোভে উত্তাল মানুষের মধ্য থেকে দাবী উঠতে থাকে এখনই মসজিদকে দখলমুক্ত করা হোক।

ওদিকে তৌফিক গং মসজিদের দখল বজায় রাখতে চারিদিকে স্বশস্ত্র আনসারদের পাহারা বসিয়েছিল। সমাবেশের এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতার একটি দল ছুটলো মসজিদের প্রবেশপথে তৈরি করা নতুন দেয়াল ভাঙতে। আনসাররা বাধা দিলেও জনতার রুদ্রমূর্তি দেখে প্রথমে পিছু হটে তারা। দেয়াল প্রায় ভেঙে ফেলেছে এ পর্যায়ে আনসাররা আবার এগিয়ে আসে, তৌফিক গংদের নির্দেশে অতর্কিত গুলি চালায় তারা। নিরস্ত্র মুসল্লী ও মাদরাসার ছাত্ররা হতভম্ব হয়ে যায় ঘটনার আকস্মিকতায়। রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায় মালিবাগের রাজপথ। গুলিবিদ্ধ আহতদের হাসপাতালে নেয়া হয়, খবর আসে গুলিবিদ্ধ তিন ছাত্র ও এক মুসল্লী গুরুতর আহত।

বিক্ষুব্ধ মানুষ তখন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আশে পাশে দোকানপাটে ভাংচুর চালিয়ে মসজিদে ঢুকে পড়লে আনসাররাসহ দখলদাররা পালিয়ে যায়। এর মধ্যে চার জন নিহতের খবর আসলে তা মসজিদের মাইকে প্রচার করা হয় ও শহীদদের জন্য মাগরীব বাদ সেখানে দোয়ার আয়োজন করা হয়। ইতোমধ্যে নিহতদের পরিচয় সনাক্ত হয়- ১। শহীদ হাফেজ আবুল বাশার (মালিবাগ মাদরাসার ছাত্র), বাড়ি পিরোজপুর জেলার খলিশাখালীতে, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কর্মী ও খিলগাঁও থানার দায়িত্বশীলও ছিল। ২। শহীদ রেজাউল করীম ঢালী (চৌধুরীপাড়া মাদরাসার ছাত্র) বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানায়, সেও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য ছিল ৩। শহীদ হাফেজ ইয়াহইয়া (মালিবাগ মাদরাসার ছাত্র) বাড়ি মোমেনশাহী জেলার ফুলপুর থানায়। ৪। শহীদ জয়নাল আবেদীন (ফেনী জেলার ডুমুরিয়া গ্রামের দিনমজুর) যিনি মেয়ের বিয়ের টাকা যোগাতে ঢাকায় এসেছিলেন।

মসজিদ দখলমুক্ত হলেও আন্দোলনকারী বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতার মনে তখন প্রচ- দ্রোহ। শহীদদের লাশের অপেক্ষা করছিল সবাই, একনজর দেখে জানাজা দাফন দিয়ে কিছুটা কষ্ট ঘুচানোর পরিকল্পনাও করছিল অনেকেই। কিন্তু ওদিকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আরেক অধ্যায়। ইসলামী মূল্যবোধের সরকারের ভাবমূর্তি কোনক্রমেই নষ্ট হতে দেয়া যাবে না, তাতে যদি আবারও গুলি চালাতে হয় তাও চলবে এমন পরিকল্পনাই চলে রাতভর। উদ্দেশ্য শহীদদের খুনীদের বিচার নয়, ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে খুনিদের রক্ষা করা। সেটাই স্পষ্ট হলো তাদের পরবর্তী কর্মকা-ে। প্রথমে মিটিং থেকে বের হয়ে তারা প্রতিবাদ সমাবেশ ও জানাজার কথা বললেও সকালে জানাজার অপেক্ষমানদের জানানো হলো, ঢাকায় কোন জানাজা হবে না, গ্রামের বাড়িতে হবে।

শহীদদের লাশ দেখা ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বিশাল জানাজায় অংশগ্রহণের সৌভাগ্য আর হলো না সতির্থদের। এখানেই শেষ নয়, কেউ যাতে এ নিয়ে পরে আন্দোলন না করে সে ব্যাপারেও হুশিয়ার করে দেয়া হলো। পরদিন বিভিন্ন মাদরাসায় জোটভুক্ত ইসলামী দলের নেতারা গিয়ে বলে দিল, কোন মিছিলে যাতে কেউ না যায় তা নিশ্চিত করতে। কোন এক অদৃশ্য হালুয়া রুটি শহীদদের মাদরাসার ওস্তাদদেরও মুখ বন্ধ করে দিল নিমিষেই। যে মাদরাসার ছাত্র শহীদ হয়েছে তার সাথী ভাইরা একটু প্রতিবাদ করবে সে অধিকারও বন্ধ করে দেয়া হলো। কিন্তু একজনের মুখ সেদিন বন্ধ করতে পারেনি শাসকগোষ্ঠী ও তাদের উচ্ছিষ্টভোগিরা।

তিনি হলেন তৎকালীন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আমীর মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই রহ.। তিনি পরদিনই মালিবাগ বাইতুল আজিম শহীদী মসজিদ নামকরণ করে মসজিদ পুরোপুরি দখলমুক্ত করাসহ শহীদদের খুনিদের গ্রেফতার ও শহীদ পরিবারের ক্ষতিপুরণ দাবী করে কর্মসূচি ঘোষণা করলেন। ধারাবাহিক কর্মসূচি চলাকালে তিনি সরকারের সাহায্যের আশায় না থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক শহীদের পরিবারের কাছে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নগদ অর্থ পাঠান। এরপর ধারাবাহিক কর্মসূচি চালান কয়েক মাস। এখনও প্রতিবছর আগস্ট এলেই কর্মসূচি পালন হয়, কিন্তু দাবী আজও বাস্তবায়ন হয়নি। সেদিন জোটে থাকা আলেমদের শহীদদের বিরুদ্ধে নেয়া কুটকৌশল সাময়িকভাবে তাদেরকে স্বস্তি দিলেও ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল তাদের “ইসলামী মূল্যবোধ”। প্রমাণিত হয়েছিল আওয়ামীলীগ শুধু নয়, বিএনপির কাছেও ইসলাম পুরোপুরি অনিরাপদ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আয়োজনে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২১ আগষ্ট'২৬ শুক্রবার বাদ জ...
14/08/2026

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আয়োজনে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২১ আগষ্ট'২৬ শুক্রবার বাদ জুমা থেকে অনুষ্ঠিতব্য নগর সম্মেলন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ্ আলী থানার ২য় প্রস্তুতিমূলক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত।

সভাপতি আলহাজ্ব সেলিম গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহঃ সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম।

সেক্রেটারি মুহা. কাওছার আলম মাতবরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ্ আলী থানার সকল অঙ্গ সংগঠনের থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিটের দায়িত্বশীলবৃন্দ।

আমার প্রাণে সব সময় চাহে যে, মুসলমানগণ ইসলামী জিন্দেগীর সহিত কবরে যায়। কুফরী জিন্দেগীর সহিত কেউ যেন কবরে না যায়। হামেশ...
14/08/2026

আমার প্রাণে সব সময় চাহে যে, মুসলমানগণ ইসলামী জিন্দেগীর সহিত কবরে যায়। কুফরী জিন্দেগীর সহিত কেউ যেন কবরে না যায়। হামেশা মাবুদের দরবারে মুনাজাত করিয়া রোনাজারি করিয়াছি।

মাওলানা সৈয়দ এসহাক রহ.

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আয়োজনে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২১ আগষ্ট'২৬ শুক্রবার বাদ জ...
12/08/2026

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আয়োজনে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২১ আগষ্ট'২৬ শুক্রবার বাদ জুমা থেকে অনুষ্ঠিতব্য নগর সম্মেলনের দাওয়াত সর্বত্র পৌঁছে দিতে মহানগরের আওতাধীন শাহ আলী থানা শাখার বিভিন্ন জনবহুল স্পটে পোষ্টার সাঁটানো হয়।

উপস্থিত ছিলেন থানা শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারি রেজাউল করিম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ্ আলী থানার সহ: সভাপতি মোঃ শাহিন, আইএবি ৮ নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুর রহিম হাওলাদার ও ছাত্রনেতা আবু তালহা।

প্রচারে: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
শাহ্ আলী থানা (প্রচার ও দাওয়াহ বিভাগ)

নরম কাদামাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হয়। সেই ইটগুলো সাজিয়ে গাঁথুনির মাধ্যমে গড়ে তোলা হয় বিশাল ইমারত।একইভাবে, বিভিন্ন পরীক্...
12/08/2026

নরম কাদামাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হয়।
সেই ইটগুলো সাজিয়ে গাঁথুনির মাধ্যমে গড়ে তোলা হয় বিশাল ইমারত।
একইভাবে, বিভিন্ন পরীক্ষা ও সংকটের মধ্য দিয়ে আল্লাহ তাঁর দ্বীনের সৈনিকদের প্রস্তুত করেন। পরবর্তী সময়ে এই পরিশুদ্ধ ও পোড়খাওয়া মানুষদের মাধ্যমেই তিনি তাঁর দ্বীন বিজয়ের কাজ নেন।

এই সরকারের মধ্যে দলীয়করণ করার একটি ক্ষতিকর প্রবনতা দেখা যাচ্ছে।রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে দলীয় নে...
11/08/2026

এই সরকারের মধ্যে দলীয়করণ করার একটি ক্ষতিকর প্রবনতা দেখা যাচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দেশের সকল জেলা ও মহানগরে দলীয় লোকদের প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখন স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে তুলে দিয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতির পথ উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান
মহাসচিব
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসির অধিনে রাখতে হবে; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক দুর্নীতির দ্বার খোলা যাবে না-মাওলানা গাজী আত...
11/08/2026

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসির অধিনে রাখতে হবে; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক দুর্নীতির দ্বার খোলা যাবে না
-মাওলানা গাজী আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ এক দশক ধরে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার জন্যে একটি মেধাভিত্তিক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠেছে যেখানে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও নিবন্ধন সনদ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশও করতো। এর মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা কমিটির স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতির সুযোগ প্রায় নাই হয়ে গিয়েছিলো। গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সভায় এই পদ্ধতি বাতিল করে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা অর্পন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র প্রতিবাদ করছে এবং অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে আগের মতোই এনটিআরসির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা অর্পন করার দাবি করছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব আজ ১১ আগস্ট, মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ ও দাবি করেন। মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, এই সরকারের মধ্যে দলীয়করণ করার একটি ক্ষতিকর প্রবনতা দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দেশের সকল জেলা ও মহানগরে দলীয় লোকদের প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখন স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে তুলে দিয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতির পথ উন্মুক্ত করা হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে যেখানে ইতিবাচক সংস্কার করার কথা সেখানে এই শিক্ষামন্ত্রী বরং ভালো নিয়ম-নীতিগুলোকে পরিবর্তন করে খারাপের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগের যে ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, গত ২১ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে তা বাতিল করা হয়েছে। সার্বিকভাবে শিক্ষামন্ত্রীর সদিচ্ছা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আমরা সরকারকে সতর্ক করে দিচ্ছি যে, লাখ লাখ বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত এই বিষয় অনেক বড় অসন্তোষ তৈরি করবে। তাই এই সিদ্ধান্ত থেকে দ্রুত সরে আসুন।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

এসএসসি-দাখিল ও সমমানের ফলাফল প্রকাশকাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনকারীদের অভিনন্দন আর যারা প্রত্যাশিত লক্ষ অর্জন করতে পারো নাই তা...
10/08/2026

এসএসসি-দাখিল ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ
কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনকারীদের অভিনন্দন আর যারা প্রত্যাশিত লক্ষ অর্জন করতে পারো নাই তারা ভেঙ্গে না পরে নতুন উদ্যোমে শুরু করতে হবে
-পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম,পীর সাহেব চরমোনাই এসএসসি-দাখিল ও সমমানের ফলাফল ঘোষণার পরে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ফলাফল নির্বিচারে যারাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ফলাফল যাই হোক না কেন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমেই তোমরা একটি উচ্চতর স্তরে পৌছে গিয়েছো। আর যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করেছো তোমাদেরকে বিশেষ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আজকের দিনটি তোমাদের জীবনের একটি স্বরণীয় দিন হয়ে থাকবে। এই দিনে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করতে হবে। কারণ একান্ত তাঁর দয়া ও রহমতেই তোমার এই সাফল্য। একই সাথে বাবা-মা ও শিক্ষকদের প্রতি তোমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ। তারাই তোমার এই সাফল্যের ভিত্তি রচিত করেছে।

আজ ১০ আগস্ট, সোমবার এসএসসি-দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরে দেয়া এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর বলেন, যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারো নাই তাদেরকে বলবো, ধৈর্য ধারণ করতে হবে। ভেঙ্গে পড়া যাবে না। হতাশ হওয়া যাবে না। জীবন অনেক বড়। এই জীবনে সম্ভাবনাও অনেক বড়। এই পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক কিন্তু এটা চুড়ান্ত ও সর্বশেষ মাইলফলক না। ফলে এই পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় কষ্ট হতে পারে কিন্তু তাতে ভেঙ্গে পড়া যাবে না। বরং কোথায় ঘাটতি ছিলো তা খুঁজে বের করে নতুন উদ্যোমে পথচলা শুরু করতে হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই অবিভাবকদের প্রতি আহবান রেখে বলেন, আপনার সন্তানের পাশে থাকুন। যারা সফলতা পেয়েছে তাদের মধ্যে কৃতজ্ঞতাবোধ জাগ্রত করুন। আর যারা কাঙ্খিত ফল পায় নাই তাদেরকে সান্তনা দিন। আশার পথ দেখান।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

সফলতা কামনা করছি।
06/08/2026

সফলতা কামনা করছি।

Address

বাসা-৬৪, রোড-০৬, ব্লক-এ, শাহ্ আলী থানা, মিরপুর-১

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহ আলী থানা:

Shortcuts

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share