18/08/2021
✅বর্তমান মিডিয়া সমাজের প্রচার করা একটি বিষয় আমাদের সভ্য সমাজ খুব ভালো ভাবেই পোষণ করে নিয়েছে।
আজ সেটা নিয়ে কথা বলবো।
#বিয়ের_প্রলোভনে_ধর্ষন❌
বিষয়টা যদি ভালোভাবে আমরা লক্ষ করি, তবে এখানে বুঝা উচিত ধর্ষন বলতে আসলে কি.!?!?
✅অধিকাংশ বিচারব্যবস্থায় ধর্ষণ বলতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক অন্য কোনো ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিক্রমে তার সঙ্গে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হওয়া কিংবা অন্য কোনোভাবে তার দেহে যৌন অনুপ্রবেশ ঘটানোকে বুঝায়।
✅তবে এই যদি হয় ধর্ষনের ব্যাখ্যা, তবে আমরা মিডিয়াতে নিউজ প্রচারের মাধ্যমে দেখি বিয়ের প্রলোভনে তরুণী, ছাত্রী, শিক্ষিকা, গৃহবধু, প্রবাসী স্ত্রী, বান্ধবী, অফিস স্টাব অথবা কলিগ ইত্যাদি ইত্যাদি কে ধর্ষনের দায়ে গ্রেফতার উমুক।
✅আচ্ছা এবার আসি প্রলোভন বিষয় নিয়ে।
প্রলোভন মানে লোভ বা লালসা, লোভ দেখানো, আশা দেখানো অথবা লোভ লালসা করা ও আশা করা।
✅সুতরাং আপনি যদি কোনো মহিলাকে বিয়ের অথবা একসাথে থাকার প্রলোভন দেখান অথবা না দেখান, তবে একসাথে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের জেরে দৈহিক প্রয়োজনের তাগিদে অনৈতিক হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে যান এবং এক সময় দুজনের সাধ্য হাসিল হবার পর আর আপনি একসাথে থাকতে না চান তবে সেটা কোন দিক থেকে ধর্ষন বা ধর্ষনের শামিল হয়.!?!?
সেটা হবে অন্যায় বা অবিচার।
কোনভাবেই ধর্ষন নয়, কারন ধর্ষন মানেই হচ্ছে বিনা অনুমতিতে কিংবা জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করা।
✅কিন্তু এখানে সেই নারী অথবা মহিলা অবশ্যই দুজনের সম্মতিক্রমেই আপনার সাথে বিয়ের আগে অথবা পরকীয়ায় জড়িত হয়েছে।
✅সুতরাং অপরাধীর কাতারে যদি ফেলতেই হয়, তবে সেই নারী এবং পুরুষ দুজনকেই সমান অপরাধী হিসেবে গণ্য করতে হবে, এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে।
✅আজ সমাজে প্রলোভন বিষয়টা এমন হয়ে গেছে যে, নারীরা জানে যে যদি একজন পুরুষের সাথে সে পরকীয়ায় জরায় আর যদি কোনো কারনেও তাদের বিচ্ছেদ হয়, তবেই একমাত্র সেই পুরুষই অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবে, আর সেই নারী থাকবে বিচার বা আলোচনার বাইরে।
✅যার জন্য নারীরা হয়ে গেছে অপুরুষের সাথে সমান তালে বেসামাল।
✅যদি এটাকে সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনা হয়, তবে আমার মনে হয় সমাজ থেকে এটা অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব এটা।
ধন্যবাদ সবাইকে।🙂