Sufia's dream

Sufia's dream Just Love Natures

25/01/2024

জীবনের শেষ প্রান্তেঃ ২৫/০১/২৪ইং।৷ জীবনের শেষবেলায় খালে এখন পুরো ভাটা। জল নেমে গিয়ে কাদা আর ভাঙা ইটপাটকেল ওজন ভারি আবজনা বেরিয়ে পড়েছে। কংক্রিটের পুলের কাছে খালের ধারে লাগানো সালতি থেকে খড় তোলা হচ্ছে পাড়ে। পাশাপাশি জোড়া লাগনো দুটো বড় সালতি বোঝাই আটিবাধা খড় তিনজনের মাথায় চড়ে গিয়ে জমা হচ্ছে, ওপরের মস্ত গাদায়। ওঠানামার পথে ওরা খড় ফেলে নিয়েছে কাদায়। সালতি থেকে ওদের মাথায় খড় তুলে দিচ্ছে দূজন। একজনের বয়স হয়েছে,আধপাকা চুল,রোগা শরীর। অন্যজন মাঝবয়সী, বেটে, জোয়ান,মাথায় ঠাসা কদমছাটা রুক্ষ চুল। পুলের তলা দিয়ে ভাটার টান ঠেলে এগিয়ে এল সরু লম্বা আরেকটা সালতি, দু-হাত চওড়া হয়নি না হয়। দু-মাথায় দাড়িয়ে দুজন প্রৌঢ়া বিধবা লগি ঠেলছে, ময়লা মোটা থানের আচল দু-জননেরই কোমরে বাধা। মাঝ-খানে বসে আছে অল্প বয়সী বৌ। গায়ে জামা আছে,নকশা পাড়ের সস্তা সাদা শাড়ী।আটসাট থমথমে গড়ন, গোল গাল মুখ। মাসি-পিসি ফিরছে কৈলেশ, বড়ো লোকটি বলল। কৈলাশ বাহকের মাথায় খড় চাপাতে ব্যস্ত ছিল।চটপট শেষ আটিটা চাপিয়ে দিয়ে সেই যখন ফিরলো,মাসি- পিসির সালতি দু- হাতের মধ্যে এসে গেছে। ও মাসি,ওগো পিসি, রাখো রাখো। খবর আছে শুনে যাও। সামনের দিকে লগি পুতে মাসি- পিসি সালতির গতি ঐেকায়, আহ্লাদি সিথির সিদুর পযন্ত ঘোমটা টেনে দেয়। সামনে থেকে মাসি বলে বিরক্তির সঙ্গে, বেলা আর নেই কৈলাড। পেছনে থেকে পিসি বলে,অনেকটা পথ যেতে হবে কৈলাশ। মাসি- পিসির গলা ঝরঝরে, আওয়াজ একটু মোটা, একটু ঝংকার আছে। -----চলবে ঐ।

25/01/2024

বিক্রমপুরের এক অপরিচিত সন্তান। বজ্রযোগিনীর অতীশ দীপস্করকে আমরা জানি।এতবড় ধমবেওা ভু--ভারতে কয়জন জন্মেছেন? দেশ-- বিদেশী বৌদ্ধধম প্রচারের জন্য তিনি শ্মরণীয় হয়ে আছেন। আচায জগদীশ চন্দ্র বসুর নামও আমাদের নয়। রাঢ়ীখাল গ্রামের এই কৃতি- পুরুষ বিজ্ঞানের জগতে যে কৃতিত্ব প্রদশন করেন,তা যুগ যুগ ধরে বিক্রমপুরবাসীকে গবিত করে আসছে।দেশবন্ধুচিওরন্জন দাশের কথাও সবারই জানা।প্যারিসের লন্ড্রী থেকে যায় কাপড় ধুয়ে আসত,স্বদেশী মন্তে উদ্বুদ্ধ হয়ে তার পোষাক হয়েছিল খদ্দর। পদ্নাগভে বিলীন হয়ে যাওয়া তেলিরবাগ গ্রামে জন্ম হয়েছিল এই বিদগ্ব আইনজীবী- রাজনীতিবিদ ত্যাগী পুরুষের। সরোজিনী নাইডুর জন্মও বিক্রমপুরের। রাজনৈতিক অঙ্গনে যার কমকান্ত বিক্রমপুরবাসী বুক ফুলিয়ে উচ্চারণ করে। আর মালখানগরের বুদ্ধদেব বসুর লেখাও কমবেশী অনেকেই পড়েছেন।রবীন্দ্রনাথের পী বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় এমন সাবলীল পদাচারণা আর কার আছে? বাংলা সাহিত্যের শ্রেস্ঠ ঐপন্যাসিক মানিক বন্দোপাধ্যায়ও বিক্রমপুরের গাউদিয়া গ্রামের। আর জীবনানন্দ দাশের পৈতৃক ভিটাও ছিল পদ্নায় বিলুপ্ত হওয়া বিক্রমপুরের গাউপাড়া গ্রামে। ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলী প্রলুপ্ত হওয়া বিক্রমপুরের গাউপাড়া গ্রামে। ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী প্রসঙ্গে নিশিকান্ত চট্রোপাধ্যায় নামক এক গবেষকের উল্লেখ করেছেন রবূন্দ্রনাথ তার আত্নজীবনতে। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন,জামানীতে অবস্হানকালে নিশিকান্ত চট্রোপাধ্যায় ইউরোপীয় সাহিত্যের সঙ্গে আমাদের গীতিকবিতার সাদৃশ্যপূণ দিকটির প্রতি প্রতি আলোকপাত করেছেন এবং পি্ এইচ্ ডি. ডিগ্রী লাভ করেন। উক্ত বিষয়ের উপর লিখিত পূস্তিকায় নিশিকান্ত কবি ভানুসিংহের ভূয়সী প্রশংসা করেন। মজার ব্যাপার হল যে ভানুসিংহ নামে কোনো কবির অস্তিত্ব কোনোকালে ছিল। ২৫/০১/২৪ইং। চলবে ---ঐ

24/01/2024

মোল্লা ঃ ২৪/০১/২৪ইং। মোল্লা একটু দাড়াও। আমার বন্ধুনাসির মোল্লা কোটের প্রাণে হাটতে হাটতে হাতে হেচকা টান দিয়ে বললে। কী ব্যাপার? ব্যাপার আছে।কোটের পিছনে একটা শব্দ শোনা যাচ্ছে।দেখে আসা যাক। আমার তারাতাড়ি বাড়ি ফেরার কথা। খাজনাসংক্রান্ত একটা মামলা ছিল তার পরের দিন। নচেত এখানে এই টন্নি-- দালাল উকিল -- মোক্তারের দঙ্গলে আর এক তিল দাড়াতে মন চায় না।কিন্ত আমার মামলায় তদবির,যুক্তি--. পরামশ।উকিলের দরদস্তর নাসিরই করে। এদিকে আমার মগজ দৌড়ায় না। অগত্যা মোগলের খানা খেতে হয়।।আমার আরও আপওি ছিল অন্য কারণে।।আদালতের পেছনে যাওয়া কতটা বিলাত ঘুরে মক্কা আসার মতো কোট টিলার ওপর। পেছনে যেতে হলে এক ধাপ নিচে নেমে আবার ওপরে উঠতে উঠতে জান খারাপ। রীতিমতো হাপানি ধরে যায়। তবু নাসিরের অনুরোধ এড়াতে পারলাম না। আমরা দুজনেই চাকরি থেকে রিটায়ার করেছি। এখনও সংসারের গেরো কাটেনি। আর সময় কাটবে কী করে? কিছুনা কিছুকাজে লেগে থাকতেই হয়। নাসির পাকাপোক্ত লোক। তার হাতে হাত সপেই আমি নিশ্চন্ত। এই ক্ষেএে আর আর ঘাড় বাকিয়ে জোয়ালের ভার আর ও বাড়াতে রাজি নই। কিন্ত টিলাপথে যরীতি নেমে আবার ওপরে ওঠার সময় তামাশা দেখা গেলো।আদালতের পেছনে এক ফালি মাঠের ওপর বেশ ভিড় জমে গেছে একএকটা পাদ্রিকে ঘিরে। যিশুখ্রিস্টার সেবকটিকেআমরা ও দেখতে পাচ্ছি। সামনে টাক-পড়া মাথা, ফরসা লম্বটে চেহারা। গলায় ক্রস ঝুলছে। এতো আমার চেনা লোক। ব্রাাদার জন। নাসির হঠাত বলে উঠল।। চলবে---- ঐ

24/01/2024

একটি বাস্তব ঘটনা সহ- মরণ আমি যখন ৮ম শ্রেণীতে পড়ি,আমাদের এলাকাতেই আমার জন্মস্হান নরসিংদী আগে ঢাকা জিলায় ছিল।জিয়া রহমানের আমলে জেলায় নাম- করণ হয়েছে নরসিংদী জেলা,নরসিংদী জেলাকে বলা হয় দ্বিতীয় আগরতলা, নরসিংদী মতন বাংলাদেশে কোনো জেলায় এত হিন্দুবাস করে। আমাদের বাসার সাইটে মাএ তিনটি মুসলিমদের বাড়ী,তাই আমরা মিলে মিশে বসবাস করি,আমি কখনো দেখেনি হিন্দু মুসলিমদের মধ্যে বিবাদ,। আমার তিন নাম্বার ভাই হিন্দু মেয়ের সাথে প্রেমে জরিয়ে পড়ে,মেয়েরা ছিল,খুবই দরিদ্র পরিবারে জন্ম,তার বাবা ছিল,ওস্তাদ খুবই ভালো মানুষ।যাই হউক,আসল কথা যাওয়া যাক,পাশের বাড়ীর হিন্দু পরিবারে ৪ ছেলে, আর মেয়ে ৩ টা, আর তাদের বাবা,মা,বাবা একদিন হাটএ্যাটক করে মারা যায়,ছেলেরা বাবাকে শশান্মে নিয়ে পুড়িয়েতে গেছে,তখনই ছেলেদের কাছে খবর গেলো তার মাও বিষ প্রাণ করে মারা গেছে,তখন ছেলেরা বাবাকে রেখে বাড়িতে এসে মাকে মৃত দেখে,তারপর পর পুলিশ কল করা হলো আমার বড় ভাই,তারা গরীব মানুষ এবং মাছ বিক্রি করতো তারা আমার বাবার কাছে আসে, থানা থেকে যাতে কোনো হয়রানী না করা হয়।স্বয়ং ওসি আসলো বাবাকে ছালাম করে বসলো,ওসির নাম ছিল,মোহাজেম হোসেন,যখন কোনো নতুন ওসি জয়েন করেই বাবার সাথে দেখা করতে আসতো,আমাদের বাড়ী চারিদিকে সন্ধ্যা সাতটা পর শুরু কঠিন নিরাপওা,বাবা ওসিকে বললেন কোন রকম কেস যাতে না করে,ওসিও নরমাল মৃত বলে দিল,আর বললো আপনাদের মাকে নিয়ে যান শশান্মে তারপর একই সাথে বুড়া- বুড়িকে পুড়িয়ে দিলো,কত মিডিয়া, কত হাজার হাজার মানুষের ঢল,তখনও পুলিশের বিশাল বাহিনী এত লোক সামলাতে হয়েছে,। আমার এখনও সেই কথা মনে হলে কান্না আসে,কারন ছেলের বউরা শুশুর,শাশুড়ীকে সহ্য করতে পারতো না,বুড়ী,বুড়া খুবই নীরহ মানুষ ছিল।আমার বাবাকে সব হিন্দু মুসলিম বাবা বলে ডাকতো। তখনই আমি মনে মনে বলছিলাম আমি জীবনে কখনো বিয়ে করবো না,ছেলে,বা মেয়ে যাতে কোন দিন না হয়।

23/01/2024

জীবন ও বৃক্ষ: উওরে বলবঃ ২৩/০১/২৪ ইং। চমচক্ষুকে বড় না করে কল্পনা ও অনুভুতির চক্ষুকে বড় করে তুললে বৃক্ষের বেদনাও সহজে উপলদ্ধি করা যায়। আর বৃক্ষের সাধনায় যেমন একটা ধীরস্হির ভাব দেখতে পাওয়া যায়,সাধনায়ও তেমনি একটা ধীরস্হির ভাব দেখতে পাওয়া যায়,আর এটাই হওয়া উচিত নয় কি? অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা উচিত নয়। যাকে বলা হয় গোপন ও নীরব সাধনা তা বৃক্ষেই অভিব্যক্ত, নদীতে নয়। তাছাড়া বৃক্ষের সাথকতার ছবি মত নয়। সহজে উপলদ্ধি করতে পারি, নদীর সাথকতার ছবি তত সহজে উপলদ্ধি করা যায় না। নদী সাগরে পতিত হয় সত্য, কিন্ত তার ছবি আমরা প্রত্যহ দেখতে পাই না। বৃক্ষের ফুল ফোটানো ও ফল ধরানোর ছবি কিন্ত প্রত্যহ চোখে পড়ে। দুরের কাছে দাড়িয়ে থেকে সে অনবরত নতি,শান্তি ও সেবার বাণী প্রচার করে। সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড় জিনিস। নদীর সাগরে পতিত হওয়ায় সেই প্রাপ্তি স্পট হয়ে ওঠে না। সে তো প্রাপ্তি নয়, আত্নবিসজন। অপরপক্ষে বৃক্ষের প্রাপ্তি চোখের সামনে ছবি হয়ে ফুটে ওঠে। ফুলে ফলে যখন সে পরিপূণ হয়ে ওঠে তখন আপনা থেকেই বলতে ইচ্ছা হয়: এই তো সাধনার সাথকতা। বৃক্ষে প্রাপ্তি ও দান। সৃজনশীল মানুষেরও প্রাপ্তি ও দানে পাথক্য দেখা যায় না। যা তার প্রাপ্তি ত-ই তার দান। বৃবৃক্ষের পানে তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিশ্চয়ই অন্তরের সৃস্টিধম উপলদ্দ্ধি করেছেন। বল্হু কবিতায় তার পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্ত গদে্য তিনি তা স্পস্ট করে বলেননি।। বললে ভালো হতো। তাহলে নিজের ঘরের কাছেঔ যে সাথকতার প্রতীক রয়েছে, সে সন্মন্ধে আমরা সচেতন পারতাম। নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সাথকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনে মানে বৃদ্ধি, ধমের মানেও তাই। পরকৃতির যে ধম মানুষের সে ধম; পাথক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তর বৃদ্ধির ওপী তাদের নিজেদের কোনো হাত নেঔ, মানুষের বৃদ্ধির ওপরে তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মযাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্নিকও। মানুষকে আত্না সৃস্টি করে নিতে হয়,তা তৈরি পাওয়া যায় না। সুখ-- দুঃখ--বেদনা উপলদ্ধির ফলে অন্তরের যে পরিপকৃতা, তাই তো আত্না। এই আত্নারুপ ফল স্রস্টার উপভোগ্য। তাই মহাকবির মুখে শুনতে পাওয়া যায়: Ripeness is all-- পরিপক্বতাই সব। আত্নাকে মধুর ও পুস্ট করে গড়ে তুলতে হবে। নইলে তা স্রস্টাট উপভোগের উপযুক্ত হবে না। কেননা, তাতে আত্নার উন্নতি হয় না-- জীবনবোধ ও মূল্যবোধে অন্তর পরিপূণ হয় না; তা হয় সাহিত্য-- শিল্পীকলার দ্বারা। তাই শিক্ষাক্ষেএে তাদের এত মূল্য। ওপরে যে বৃদ্ধির কথা বলা হলো বৃক্ষের জীবন তার চমতকার নিদশন। বৃক্ষের অস্কুরিত হওয়া থেকে ফলবান হওয়া পযন্ত সেখানে কেবলই বৃদ্ধির ইতিহাস। বৃক্ষের পানে তাকিয়ে আমরা লাভবান হতে পারি-- জীবনের গূঢ় অথ সম্বন্ধে সচেতন হতে পারি বলে। বৃক্ষ যে কেবল বৃদ্ধওর ইশারা তা নয়-- প্রশান্তিরও ইঙ্গিত। অতি শান্তও সহিন্ঢ়ুতায় সে জীবনের গুরুভার বহন করে।।।

22/01/2024

জীবন ও বৃক্ষ ঃ--- ২৩/০১/২৪ইং। সমাজে কাজ কেবল টিকে থাকে সুবিধা দেওয়া নয়,মানুষকে বড় করে তোলা,বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে দেওয়া। স্বল্পপ্রাণ স্হুলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূণ। তাদের কাজ নিজের জীবনকে সাথক ও সুন্দর করে তোলা নয়,অপরের সাথকতার পথে অন্তরায় সৃস্টি করা। প্রেম ও সৌন্দযের স্পশ লাভ করেনি বলে এরা নিস্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। এদের একমাএ দেবতা অহংকার- এ সবের নিশান ওড়ানোই এদের কাজ। মাঝে মাঝে এনে দিতে হবে বড় মানুষ-- সূক্ষ্মবুদ্ধি উদার রিদয় গভীরচিও ব্যক্তি, যাদের কাছে বড় হয়ে উঠবে জীবনের বিকাশ,কেবল, কেবল টিকে থাকা নয়। তাদের কাছে জীবনাদশের প্রতিক হবে প্রাণহীন ছাড় বা কল নয়,সজীব বৃক্ষ-- যার বৃদ্ধি আছে, গতি আছে,বিকাশ আছে,উপলদ্ধ করা দরকার,নইলে। সাথকতা ও পরিপূণতার ছবি চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হবে না। বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাতপয উপলদ্ধি সহজ হয়। তাই বারবার সেদিকে তাকানো প্রয়োজন। মাটির রস টেনে নিয়ে নিজেকে মোটাসোটা করে তোলাতেই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয়। তাকে ফুল ফোটাতে হয়,ফল ধরাতে হয়।নইলে তার জূবন অসম্পূণ থেকে যাবে। তাই বৃক্ষেকে সাথকতার প্রতীক হিসাবে গ্রহন করার প্রয়োজনীয়তা সজীবতা ও সাথকতার এমন জীবন্ত দৃস্টান্ত আর নেই। অবশ্য রবীন্দ্রনাথ অন্য কথা বলেছেন। ফুলের ফো আর নদীর গতির সঙ্গে তুলনা করে তিনি নদীর গতির মধ্যেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেব। তার মনে মনুষ্যত্বের বেদনা নদীর গতিতেই উপলদ্ধ হয়,ফুলের ফোটায় নয়। ফুলের ফোটা সহজ,নদীর সহজ নয়- তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়।কিন্ত ফুলের ফোটার দিকে না তাকিয়ে বৃক্ষের ফুল ফোটানোর দিকে তাকালে বোধহয় রবিন্দ্রনাথ ভালো করতেন তপোবনপ্রেমিক রবীন্দ্রনাথ কেন যে তা করলেন না বোঝা মুশকিল। জানি,বলা হবে: নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ যতটা স্পস্ট হয়ে ওঠে বৃক্ষের ফুল ফোটানোয় তা তত স্পস্ট হয়ে ওঠে না। তাই কবি নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন।---------ঐ চলবে।

21/01/2024

মানুষ সকল সত্যঃ ২২/০১/২৪ই- ওরে মন কান্না কেন? যন্তণায় কেন জজরিত? মৃত্যর পাষাণ বুকে প্রাথনার বানী ব্যথ হয়ে অবিশ্রান্ত ফিরে আসে। চলে কাল নিলিপ্ত নিভয়ে। তুমি জানো না মন আমরা কালের হাতে ধৃত? বুঝি তাই মৃত্যু তার অন্য এক অথ নিয়ে আসে; অনিবাণ দীপ্তি যার অমৃতের পুএদের পথে সমস্ত যন্তণা মুছে বহমান দুনিবার স্রোতে, সেই স্বপ্নে তারাফুল ঝরে পড়ে মৃওিকার ঘাসে। যে পথে গিয়েছে তারা কালিদাস,খৈয়াম,হাফিজ,সুকান্ত- মিল্টন- শেলী অকাতরে ঢেলপ মনসিজ সেই পথে গেছে সেও। এই শান্তি আমার- তোমার। হে মন প্রফুল্ল হও। শোনো তার মৃত্যুহীন গান মানুষ সকল সত্য। এই সত্যে আমি অনিবাণ।

21/01/2024

মহাজাগতিক কিউরেটরঃ ২১/০১/২৪ইং। সৌরজগতের তৃতীয় গৃহটি খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে তারা বেচ সন্তুস্ট হলো।প্রথম প্রাণীটি বলল,এখানে প্রাণের বিকাশ হয়েছে। হ্যা। বেশ পরিণত প্রাণ। অনেক ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রজাতি।একেবারে ক্ষুদ্র এককোষী থেকে শুরু করে লক্ষ- কোটি কোষের প্রাণণী। দ্বিতীয় প্রাণীটি আরও একটু খুটিয়ে দেখে বলল, না।আসলে এটি জটিল প্রাণ নয়।খুব সজ এবং সাধারণ। কে? সাধারণ কেন বলছ? তাকিয়ে দেখ কত ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির প্রাণ। শুরু হয়েছে ভাইরাস থেকে,প্রকৃতপক্ষে ভাইরাসকে আলাদাভাবে প্রাণহীন বলা যায়।অন্য কোনো প্রাণীর সংস্পশে এলেই তার মাঝে জীবনের লক্ষণ দেখা যায়। তারপর রয়েছে এককোষী প্রাণ, পরজীবী ব্যাকটেরিয়া। তারপর আছে গাছপালা,এক জায়গায় স্হির। সালোকসংশ্লেণ দিয়ে নিজের খাবার নিজেই তৈরী করে নিচ্ছে। পদ্ধতিটা বেশ চমতকার।গাছপালা ছাড়া ছাড়সাও আছে কীটপতঙ্গ। তাকিয়ে দেখ কত রকম কীটপতঙ্গ। পানিতেও নানা ধরনের প্রাণী আছে,তাদের বেচে থাকবে পদ্ধতি ভিন্ন। ডাঙাতেও নানা ধরনের প্রানী,কিছু কিছু শীতল রক্তের কিছু কিছু উয্ন্ন রক্তের। উযন্ন রক্তের স্তন্যপায়ী প্রাণীদের একটির ভিতরে আবার অত্যন্ত নিম্নশ্রেণীর বুুদ্ধির বিকাশ হয়েছে। কোথাও কোথাও প্রকৃতিকে নিয়ন্তণ করার চেস্টা করছে। কিন্ত সব আসলে বাহ্যিক।এই ভিনন ভিন্ন প্রজাতির মাঝে আসলে কোনো মৌলিক পাথক্য নেই। প্রথম প্রাণীটি বলল,আমি বুঝতে পারছি না তুমি কেন এই পাথক্যকে বাহ্যিক বলছ। তুমি আরেকটু খুটিয়ে দেখ। এই ভিন্ন প্রজাতি কী দিয়ে তৈরূ হয়েছে দেখ। চলবে ঐ

20/01/2024

বন্দনা- ৬. ২১/০১/২৪ ইং। যৌবনে সহায্যে কার নগর পওন, প্রাসাদ নিমাণ? কার ঋক্ সামযজুঃ চরক সুশ্রুত, সংহিতা পুরাণ? কে গঠিল দুগ,সেতু,পরিখা,প্রণালী,পথ,ঘাট,মাঠ? কে আজ পৃথিবীরাজ -- জলে স্হলে ব্যোমে কার রাজ্যপাট? পন্চভূত বশীভূত প্রকৃতি উন্নীত কার জ্জ্যানে বলে? ভুন্জিতে কাহার রাজ্য- জন্মিলেন হরি মথুরা কোশলে? (৭) প্রবীণ সমাজ পদে,আজি প্রৌঢ় আমি জুরি দুই কর, নমি,হে বিবত- বুদ্ধি।বিদ্যুত- মোহন, বজ্রমুস্টিধর। চরনে ঝটিকাগতি- ছুটিছ উধাও দলি নীহারিকা সপ্তসূষ শিখা।গ্রহে গ্রহে আবতন- কোলে অনু পরমাণু বুঝিছ স্পশনে? (৮) নমি, হে সাথক কাম।স্বরুপ তোমার নিত্য অভিনব। মর দেহে নহ মর,অমর অধিক স্হৈষ ধৈষ তব? লয়ে সলাঙ্গুল দেহ,স্হলবুদ্বি তুমি জন্মিলে জগতে। শুষিলে সাগর শেষে,রসাইলে মরু উড়ালে পবতে। গড়িলে আপন মূতি- দেবতালান্হ্ছন কালের পৃস্ঠায়। গড়িছ ভাঙিছ তকে,দশনে,বিজ্ঞান আপন স্রঠায়। (৯) নমি তোমা নরদেব। কী গবে গৌরবে দাড়িয়েছ তুমি। সবাঙ্গে প্রভাতরশ্মি,শিরে চূণ মেঘ,পদে শস্পভুমি। পশ্চাতে মন্দির-- শ্রেণী,সুবণ কলস,ঝলসে কিরণে; কলকন্ঠ- সসমূথিত নবীন উদ্গীথ গগনে পবনে। রিদয় - স্পন্দন সনে ঘুরিছে জগত চলিছে সময়; ন্র্রভঙ্গে- ফিরিছ সঙ্গে- ক্রমব্যতিক্রম উদয়- বিফল।। (১০) নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিজ- চন্ডাল, প্রভু,ক্রীতদাস। সিন্ধুমূলে জলবিন্ধু, বিশ্বমুলে অণু; সমগ্রে প্রকাশ। নমি কৃষি-তন্মজীবী,স্পতি, তক্ষক, কম,চমকার। অদ্রিতলে শিলাখন্ড- দৃস্টি অগোচরে, বহ অদ্রি-ভার। কত রাজ্য,কত ীাজা গড়িছ নীরবে হে পূজ্য,হে প্রিয়। একত্বে বরেণ্য তুমি,শরণ্য এককে,- আত্নার আত্নীয়।।

20/01/2024

বন্দনাঃ ৩. ২০/০১/২৪ ইং। শীণ অবসন্ন দেহ, গতিশক্তিহীন ক্ষুধাশ অস্হির; কে দিল তুলিয়া মুখে স্বাদু পকুফল, পএপুটে নীট? কে দিল মুছায়ে অশ্রু? কে বুলাল কর সবসঙ্গে আদরে? কে নব পল্লবে দিল রচিয়া চয়ন আপন গহবরে? কি করে পুস্পগুচ্ঋ, শিরে পুস্পলতা, অতিথি সতকার।নিশীথে বিচিএ সুরে বিচিএ ভাষায় স্বপনসম্ভার।। বন্দনা ৪. শৈশবে কাহার সাথে জলে স্হলে ন্দ্রমি শিকার- সন্ধান? কে শিখাল ধনিবেধ, বহিএ চালনা, চম পরিধান? অধদগ্ধ মৃগমাংস কার সাথে বসি,করিনু ভক্ষণ? কাস্ঠে কাস্ঠে অগ্নি জ্বলি কার হস্ত ধরি কুদন নতন? কে শিখাল শিলাস্তুপে, অশ্বস্খের মুলে করিতে প্রমাণ? কে চিখাাল ঋতুভেূ,চন্দ্র-সূঢ মেঘে দেব- দেবী নাম? ৫/ কৈশোরে কাহার সনে মৃওিকস কষণে হইনু বাহির? মধ্যাহুে কে দিল পাএে শালি অন্ন ঢালি, দধি-দুগ্ধ- ক্ষীর? সায়াহুে কুটির দ্ধারে কার কন্ঠের সাথে নিবিদ উচচারি? কার আশীবাদ লয়ে অগ্নি সাক্ষী করি হইনু সংসারী? কে দিল ঔষধি রোগে ক্ষতে প্রলেপন-- স্নেহে অনুরাগে? কার ছন্দ- সোম গন্ধ- ইন্ূ অগ্নি বায়ু দিল যঙ্গ? -----চলবে

সরিশা সাক এর পাকোরা
20/01/2024

সরিশা সাক এর পাকোরা

Chiken Vegetable Roll
19/01/2024

Chiken Vegetable Roll

Address

Wari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sufia's dream posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share