Joypur Fact

Joypur Fact Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Joypur Fact, Social service, Dhaka, Newmarket, ON.

জয়পুর ফ্যাক্ট—আপনার স্থানীয় সত্যের একমাত্র ঠিকানা!
জয়পুরহাট জেলার সকল গুরুত্বপুর্ণ খবর, ঘটনা, সংস্কৃতি ও মানুষের গল্প, সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য পরিবেশন করাই আমাদের লক্ষ্য। আপনার অঞ্চল সম্পর্কে জানতে এবং সবার সঙ্গে শেয়ার করতে আমাদের সাথে থাকুন।

পাঠানপাড়া খড়িকাটা মোড়ে রাস্তায় খড়ের কারনে মোটরসাইকেল পিছলে ট্রাকের নিচে পড়ে ২ জন নিহত। ১ জন মহিলা আহত। নিহতের একজন...
06/01/2026

পাঠানপাড়া খড়িকাটা মোড়ে রাস্তায় খড়ের কারনে মোটরসাইকেল পিছলে ট্রাকের নিচে পড়ে ২ জন নিহত। ১ জন মহিলা আহত। নিহতের একজন কালাই পৌরসভার সরাইল গ্রামের ইমন সে 2013 সালের এসএসসি ব্যাচ কালাই ময়েনউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট।
আরেকজন হারুঞ্জা গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস।

05/30/2026

আজব দুনিয়া আজব মানুষ।
মানুষ কষ্টের কাজের মধ্য এভাবেই নিজেকে সুখী রাখে। এটা মানুষের এক অদ্ভুত চরিত্র।

জয়পুরহাটের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ না থাকার কারণ হলো গতকালের ঝরে এইরকম অনেক গাছ বৈদ্যুতিক লাইনের উপরে উপরে পরে। যার ফল...
05/24/2026

জয়পুরহাটের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ না থাকার কারণ হলো গতকালের ঝরে এইরকম অনেক গাছ বৈদ্যুতিক লাইনের উপরে উপরে পরে। যার ফলে পুরা জয়পুরহাট বিদ্যুত বিহীন অবস্থায় গতকাল থেকে কষ্টে সময় পার করছে জয়পুরহাট বাসী

05/24/2026

ভদ্রলোক কল্যানপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে এই বাসে উঠলেন। দুইটা হ্যান্ডব্যাগ তার দুপায়ের চিপায় রেখে সাইড ব্যাগটা কাঁধ থেকে নামিয়া শরীরের পিছনে, বাসের বনেটের উপর রাখলেন।
ভদ্রলোকের সামনে এক কিশোরী-বধুর ছোট বাচ্চা চিৎকার করে কাঁদতেছিলো আরো আগে থেকেই। লোকটা ঐ কিশোরীর সাথে দুএক বাক্য বিনিময় করলেন। তারপর তাঁর পিছনে রাখা সাইড ব্যাগ থেকে পত্রিকা বের করে ক্রন্দনরত বাচ্চাটাকে বাতাস করতে লাগলেন। ইতোমধ্যে বাচ্চার মা মৌখিক ভাবে তো অবশ্যই, কতক্ষন হাত দিয়েও বাঁধা দিয়ে ভদ্রলোককে নিরস্ত্র করতে পারেনাই! তিনি পেপার-পাখা চালিয়েই চললেন!
কিছুক্ষণের মধ্যে শিশুটা কান্না বন্ধ করে দিলো, কিন্তু তিনি তাঁর গন্তব্য, গাবতলী পৌছানো পর্যন্ত বাতাস করা থামাননাই!
জয় হোক মানবতার ❤️
©Abu Taher Khokon See less

05/24/2026

জয়পুরহাটের স্বজন রহমান, বহুদিন ধরে থাকেন আমেরিকায়, নামি ইউনিভার্সিটিতে করেন শিক্ষকতা। কিন্তূ নাড়ির টান কখনোই তার পিছু ছাড়েনি।
সুযোগ পেলেই তার বাঙালিয়ানা চরিত্র ফুটিয়ে তোলে। হাতে নেন একতারা বাজান দেশীয় গান, সুর তোলেন বিভিন্ন কালজয়ী গানের।
আমরা আপনার চেষ্টাকে সম্মান করি, আশা করি দেশের প্রতি এই মহব্বত আপনার সারাজীবন থাকবে।

তার পোষ্ট টি হুবহু তুলে ধরা হলো।
Every time I feel distracted, just try something new and somehow adopt!!
Ukulele/Dotara after long time😀😀

আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত স্বজন রহমান।

বগুড়ায় ইয়াবা বিক্রির সময় দুই পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়া...
05/23/2026

বগুড়ায় ইয়াবা বিক্রির সময় দুই পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, সাইদুর রহমান (৩২) ও আব্দুল ওয়াহাব (৪০)। তাদের মধ্যে আব্দুল ওয়াহাব বর্তমানে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য এবং সাইদুর রহমান জয়পুরহাট জেলা পুলিশের সদস্য হলেও গত দুই মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

05/23/2026

ভাইরে ভাই! এরকম বিজিবি আমরা গত ১৬ বছরে দেখি নাই!

বিএসএফ আসছিল সীমান্তে ১৫০ গজের ভেতরে বেড়া দেওয়ার জন্য। বিএসএফের সঙ্গে আরো বেশ কয়েকজন সিভিলিয়ন ছিল।

এরপর বিজিবি সেখানে নিষেধ করে বেড়া যেন না দেয়। তারপর ভারতীয় সিভিলিয়ানরা বিজিবির সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু করে।

এক পর্যায়ে সিভিলিয়ান বিজিবিকে বলে "এই তুমি কে"? এরপর বিজিবি সদস্যরা রেগে ফায়ার হয়ে যান!

তারা পাল্টা বলেন 'তুমি কে'? তোমার এখানে কাজ কী? এখানে কথা হবে বিজিবি এবং বিএসএফের! তুমি কে? আর একটা কথাও বলবা না!

দীর্ঘক্ষণ বিজিবির দৃঢ় অবস্থান ও তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে সেই সিভিলিয়ান পিছু হটতে বাধ্য হয়।

পড়শু দেখলাম আরেক সীমান্তে বিএসএফ'কে বিজিবি বলতেছে বাংলাদেশের ভিতরে এসে কাউকে মা রলে একদম 'গো য়ামেরে' দিবোনে"!

তার আগেরদিন দেখলাম গু 'লির বদলে গু 'লি করতে।

***‎গাব পাড়তে গিয়ে মাটির নিচে মিলল ধাতব গণেশ মূর্তি, কেটে ভাগ করল তিন কিশোর***‎জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা উপজেলার সোনাম...
05/23/2026

***‎গাব পাড়তে গিয়ে মাটির নিচে মিলল ধাতব গণেশ মূর্তি, কেটে ভাগ করল তিন কিশোর***

‎জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামে গাব ফল পাড়তে গিয়ে মাটির নিচে ধাতব গণেশ মূর্তি পাওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় এক কেজি ওজনের সোনালি রঙের ওই মূর্তিটিকে ‘সোনা’ মনে করে তিন কিশোর হ্যাকসো ব্লেড দিয়ে কেটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গ্রামজুড়ে কৌতূহল, রহস্য ও নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের কেউ কেউ এটিকে পুরোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলেও ধারণা করছেন।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুরে গণিপুর গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে সাজু হোসেন তার বন্ধু মিনহাজ ও রব্বানীকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি মণ্ডপসংলগ্ন জঙ্গলে গাব ফল পাড়তে যায়। গাছ থেকে নামার সময় সাজুর পায়ে মাটির নিচে শক্তbধাতবজাতীয় কিছু অনুভূত হয়। পরে তিন বন্ধু মাটি খুঁড়ে সোনালি রঙের একটি গণেশ মূর্তি উদ্ধার করে।
‎প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও পরে মূর্তিটি স্বর্ণের হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তারা ধনী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। মূর্তিটি পুকুরের পানিতে ধোয়ার পর সাজু বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তিন বন্ধু মিলে হ্যাকসো ব্লেড দিয়ে মূর্তিটির মাথা ও কানের অংশ কেটে ভাগাভাগি করে নেয় বলে জানা গেছে। শুক্রবার সকালে সাজুর পরিবারের সদস্যরা মিনহাজ ও রব্বানীর বাড়িতে গিয়ে কাটা অংশ ফেরত চাইলে পুরো ঘটনা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।

‎স্থানীয়দের ভাষ্য, মিনহাজ ও রব্বানী মূর্তিটির মাথা ও একটি কান নিজেদের কাছে রাখে। অপর একটি কান ও মূল দেহাংশ সাজুর কাছে ছিল। পরে সাজুর বড় ভাই সজিব মূর্তিটির অবশিষ্ট অংশ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও বেড়েছে।
‎সাজু হোসেন বলেন, মূর্তিটা দেখতে ভারী আর ধাতব মনে হওয়ায় আমরা বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে সেটি স্বর্ণ মনে করে সেটার অংশ কেটে ভাগ করি। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জেনে যায়। তিনি আরও বলেন, আমার বড় ভাই মূর্তির মূল অংশ নিয়ে বাইরে গেছে। সম্ভবত সেটি সোনা কি না পরীক্ষা করাতেই গেছে। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
‎গণিপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু বলেন, শুক্রবার সকালে বিষয়টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামজুড়ে ব্যাপক হৈচৈ পড়ে যায়। মূর্তিটি পুরোনো বা মূল্যবান ধাতুর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবার এটি প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্নও হতে পারে।
‎স্থানীয় ইউপি সদস্য সরদার আয়নাল হোসেন বলেন, গাব পাড়তে গিয়ে তিন কিশোর একটি গণেশ মূর্তি পেয়েছে। সেটা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল চলছে। পরীক্ষা ছাড়া এটি স্বর্ণ কি না নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

‎আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন রেজা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মূর্তিটির প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব থাকতে পারে। আমরা সেটি উদ্ধারে কাজ করছি।

05/23/2026

রোমের সম্রাট তার নিজের দেহরক্ষীদের হাতেই খুন হয়েছেন। এবং তারপর সেই একই দেহরক্ষীরা আরও উন্মাদজনক একটি কাজ করে বসে। তারা আস্ত রোমান সাম্রাজ্যকেই নিলামে তোলে! কোনো প্রদেশ নয়, কোনো প্রাসাদ নয়, কোনো রাজকোষও নয়—স্বয়ং সিংহাসনটিই।

এটি হলো প্রেটোরিয়ান গার্ডের গল্প, যারা ছিল রোমের অভিজাত রক্ষীবাহিনী এবং পরবর্তীতে ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর 'কিংমেকার'। প্রথম রোমান সম্রাট অগাস্টাসের অধীনে তাদের যাত্রা শুরু হয়। কাগজে-কলমে তাদের ভূমিকা ছিল খুব সাধারণ: সম্রাটকে রক্ষা করা এবং রাজধানী ও এর আশেপাশে শৃঙ্খলা বজায় রাখা। কিন্তু প্রেটোরিয়ানরা কখনোই সাধারণ সৈন্য ছিল না। তাদের বেশি বেতন দেওয়া হতো, তারা কম বছর কাজ করত এবং সীমান্তের যেকোনো সৈন্যদলের চেয়ে তারা ক্ষমতার অনেক কাছাকাছি বাস করত। যখন রোমান সৈন্যরা দূরবর্তী সীমান্তে শীতে জমতে বসেছিল এবং মরুভূমি ও নদী পেরিয়ে যুদ্ধ করছিল, তখন প্রেটোরিয়ানরা প্রাসাদ, সিনেট এবং ৫ কোটিরও বেশি মানুষের সাম্রাজ্য শাসনকারী লোকটিকে পাহারা দিত।

আর ঠিক এখানেই ছিল সমস্যা। কারণ, কেউ যখন সিংহাসনের যথেষ্ট কাছাকাছি দাঁড়ায়, তখন সে বুঝতে শুরু করে যে সিংহাসনে বসা লোকটি মূলত তার ওপরই নির্ভরশীল। সম্রাট টাইবেরিয়াসের অধীনে, এই রক্ষীদের রোমের কাছাকাছি একটি স্থায়ী ক্যাম্প, 'কাস্ট্রা প্রেটোরিয়া'-তে একত্রিত করা হয়। এটি তাদের আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলেছিল। তারা তখন আর কেবল রাজকীয় দেহরক্ষী ছিল না; তারা হয়ে উঠেছিল সাম্রাজ্যের হৃদপিণ্ডের ঠিক পাশেই বসে থাকা একটি সশস্ত্র বাহিনী। রোম মূলত এমন একটি তলোয়ার তৈরি করেছিল এবং সেটিকে তার নিজের গলার উপরে ধরে রেখেছিল।

এরপর এল ক্যালিগুলা। অপ্রত্যাশিত, অস্থির, ভয়ংকর এবং ঘৃণিত এক সম্রাট। ৪১ খ্রিস্টাব্দে, প্রেটোরিয়ান অফিসাররা প্রাসাদ চত্বরের ভেতরেই তাকে হত্যা করে। ঠিক এভাবেই, সম্রাটের পতন ঘটে। আর তারপর এল সেই মুহূর্তটি, যা আসল সত্যটিকে উন্মোচিত করেছিল।

পরবর্তী সম্রাট সিনেট নির্বাচন করেনি, সাধারণ জনগণ নির্বাচন করেনি, এমনকি সীমান্তের সৈন্যদলও নির্বাচন করেনি। পরবর্তী সম্রাট নির্বাচন করেছিল খোদ দেহরক্ষীরা। তারা ক্যালিগুলার চাচা ক্লডিয়াসকে প্রাসাদে লুকিয়ে থাকতে দেখে, তাকে টেনে বের করে এবং সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করে। রোমের শাসক কার্যত সেই লোকদের দ্বারাই নির্বাচিত হয়েছিলেন, যাদের তাকে পাহারা দেওয়ার জন্য বেতন দেওয়া হতো।

একবার যখন সেই সীমা অতিক্রম করা হলো, তখন তা আর কখনোই ফেরানো সম্ভব ছিল না। প্রেটোরিয়ানরা তাদের আসল শক্তি আবিষ্কার করে ফেলেছিল। তারা শুধু সম্রাটদের রক্ষাই করত না; তারা চাইলে সম্রাট তৈরি করতে, তাদের পতন ঘটাতে এবং তাদের প্রতিস্থাপন করতে পারত।

তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ মুহূর্তটি আসে ১৯৩ খ্রিস্টাব্দে। সম্রাট পার্টিন্যাক্স, কমোডাসের মৃত্যুর পরের বিশৃঙ্খলার পর শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলেন। প্রেটোরিয়ানরা এটা মোটেও পছন্দ করেনি। তাই তারা তাকে খুন করে। তারপর তারা এমন কিছু করে বসে যা ছিল কল্পনাতীত। তারা তাদের ব্যারাকে ফিরে যায় এবং পুরো সাম্রাজ্যটি নিলামে তোলে।

ভাবুন তো, ব্যাপারটা কতটা নির্মম! রোমের সিংহাসন, যা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দু, তা একটি সামরিক ক্যাম্পের ভেতরে কেবল নিলামের বস্তুতে পরিণত হয়েছিল। নিলামে বিজয়ী হন ডিডিয়াস জুলিয়ানাস, একজন ধনী রোমান সিনেটর। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যদি তারা তাকে সম্রাট ঘোষণা করে, তবে প্রতিটি সৈন্যকে ২৫,০০০ সেসটারস (রোমান মুদ্রা) দেবেন। এবং তারা তা-ই করেছিল।

এটাই ছিল তখনকার রোম। কোনো নিয়তি নয়, কোনো আইন নয়, কোনো মহান উত্তরাধিকারও নয়, কেবল নগদ অর্থ। কিন্তু রোমানরা এতে বিরক্ত হয়েছিল। সাধারণ মানুষ জুলিয়ানাসকে ঘৃণা করত, প্রদেশগুলো তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং সীমান্তের শক্তিশালী সেনাপতিরা কী ঘটেছিল তা দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ছিলেন সেপ্টিমিয়াস সেভেরাস। তিনি তার বাহিনী নিয়ে রোমের দিকে অগ্রসর হন, আর যে প্রেটোরিয়ানরা রাজধানীর ভেতরে এত সাহসী ছিল, তারা তাদের দিকে ধেয়ে আসা সত্যিকারের একটি সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হয়ে ভয় পেয়ে যায়।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে জুলিয়ানাস মাত্র ৬৬ দিন টিকে ছিলেন। সেভেরাস ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং পুরানো রক্ষীদের শাস্তি দেন। তিনি তাদের বরখাস্ত করেন এবং তাদের জায়গায় নিজের প্রতি অনুগত সৈন্যদের নিযুক্ত করেন।

কিন্তু কলঙ্কটি রয়েই গেল। কারণ প্রেটোরিয়ান গার্ড সাম্রাজ্যিক রোম সম্পর্কে একটি ভয়ংকর সত্য প্রকাশ করে দিয়েছিল: সম্রাট কখনোই যতটা নিরাপদ মনে হতো, ততটা নিরাপদ ছিলেন না। যদি প্রাসাদের গেটে থাকা রক্ষীরা তার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াত, তবে রাতারাতি সেই রাজকীয় মুকুটটিই মৃত্যু পরোয়ানায় পরিণত হতে পারত।

এবং সেভেরাস তাদের ভেঙে দেওয়ার পরও, প্রেটোরিয়ানদের এই অতীত ইতিহাস সাম্রাজ্যের নিরাপত্তার ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে থাকে, যতক্ষণ না ৩১২ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট কনস্ট্যানটাইন অবশেষে এই রক্ষীবাহিনীকে সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করেন।

একবার ভেবে দেখুন, সম্রাটকে রক্ষা করার জন্য তৈরি করা একটি অভিজাত বাহিনী শেষ পর্যন্ত সম্রাটদের হত্যা, সম্রাট নির্বাচন এবং সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে সাম্রাজ্য বিক্রি করার কাজে জড়িয়ে পড়েছিল। ঠিক এই কারণেই প্রেটোরিয়ান গার্ড হয়তো রোমের সবচেয়ে নিষ্ঠুর রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত হয়েছিল। এজন্য নয় যে তারা বিদেশি রাজ্য জয় করেছিল, বরং এ কারণে যে তারা ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়েছিল এবং জেনে গিয়েছিল যে, তারা মুকুট পরিহিত মানুষটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আর সৈন্যরা একবার যখন বুঝতে পারে যে তারা সিংহাসন বিক্রি করতে পারে, তখন প্রতিটি সাম্রাজ্যই ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।©রাজিক হাসান

05/23/2026

Address

Dhaka
Newmarket, ON
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Joypur Fact posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category