BNP Research Cell

BNP Research Cell BNP Research Cell

01/01/2026

গণতান্ত্রিক প্রতারণার দল হল জাশিবট। তাদের এক শাখা পূজায় মন্তর পড়বে আবার আরেক শাখা বেহেস্ত বিক্রি করবে, আবার আরেক শাখা ভারত বিরোধী শ্লোগান দিবে, আরেক শাখা গোপনে ভারতের সাথে মিটিং করবে ক্ষমতায় আসীন হবার জন্য এই যে এক গাছের বিভিন্ন শাখা জাশিবট খুলে বসেছে পাবলিক এটা বুঝে গেছে। এই জন্য সিপি আর বট এক হয়ে গেছে। মূল গাছকে গোপন কর বিভিন্ন নামের শাখা প্রশাখার রাজনীতি বাজারে বিক্রি হল গণতন্ত্রিক প্রতারণা। আপনি যে গাছের ফল বিক্রি করবেন আপনি ঐ গাছের নাম বলবেন। আপনার গাছ হল জাশিবটবিষ গাছ। আপনি এক শাখার ফলের নাম দেন শান্ডা, আরেক শাখার ফলের নাম দেন পাকিস্তানি টাকলা শুয়াদ, আরেক শাখার নাম দেন সবজি ভুয়া, আরেক শাখার ফলের নাম দেন আমার বাঁশ ফল, আরেকটি শাখার ফল খেলে স্বর্গে যাবে, আরেক শাখার ফল খেলে বেহেস্তে যাবে এই যে বহুমুখী লোক ঠকানো পরিকল্পনা নিয়েছেন একে তো দেশের মানুষ রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক প্রতারণার দোকান বলবে।
আপনাদের আদর্শের প্রতি দেশের মানুষের যে সম্মান ছিল এখন তারা যদি দেখে আপনাদের আদর্শ বলতে কিছু নেই তাহলে আপনাদের সমর্থকরা তো আপনাদের ভোট দিবে না, প্রতারিত অনুভব করে। তা অন্য ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করবেন, যেখানে দোকানের নাম মানুষ ঠকানোর ১০০ টি কৌশল।‌
ঐ প্রডাক্ট তারাই কিনবে ঐ হামজার মতো রাশমিকার অনুসারী যারা তারাই যারা মানুষ ঠকানোর কৌশল আয়ত্ত করতে চায়, দিনে স্বর্ণ বেহেস্তের টিকিট রাতে বলিউড হিরোইন রাধিকার বন্দনা।
ভন্ডামির একটা লিমিট থাকা উচিত। এই রকম স্ববিরোধী শাখা প্রশাখা ভন্ডামিটা আনলিমিটেড হয়ে গেল কিনা।

31/12/2025

ভবিষ্যতে বিএনপির নেতা বা পদ হতে হলে তার রাজনীতির মিশন এবং ভিশন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে। রাজনীতি হল জনসেবা। রাজনীতি দলীয় পদ বিক্রি না। বা আসলামকে টাকা মোবাইল তন্দুরি চিকেন খাইয়ে পদ ভাগানো না। কোন আসলাম কে ঘুষ দিয়ে যারা পদ পেয়েছেন এখন আর সেটা চলবে না। জিয়াউর রহমানের মতো রাজনৈতিক নেতা হতে চাইলে তার পরীক্ষা নেয়া হবে । পাস করলে আপনাকে পদ দেয়া হবে। ফেল করলে আপনাকে পদ দেয়া হবে না। কারণ আপনাকে একটি রাজনৈতিক পদ দিয়ে দেশ দল দেশের মানুষ দলের সমর্থক তাদের কি লাভ? প্রশ্ন আপনার কাছে যারা পদ নিতে চান।

30/12/2025

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভিভাবক, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতীক, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মহা প্রয়াণে আমরা দেশবাসী গভীরভাবে শোকাহত।

মহান এই নেত্রীর কাছে এই দেশ, এই দেশের মাটি এই দেশের মানুষ ছিল তাঁর সবকিছু। তাঁর বিদেশে কোন ঠিকানা ছিলনা। এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল তাঁর রাজনৈতিক শক্তির উৎস।

দেশনেত্রী খালেদা জিয়া তার সব ধরনের উপাধি ছাড়িয়ে তিনি বাংলাদেশের জনমানুষের অভিভাবক হয়ে উঠেছিলেন। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব প্রতীক হয়ে উড়ে ছিলেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে ঐক্যের প্রতীক ছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি দেশের মানুষের ভোটাধিকার লড়াইয়ে কখনো আপোষ করে নি, এইজন্য তিনি হয়ে ওঠেন আপোষহীন নেত্রী। তিনি জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের সংবিধানে সংযোজন করেন। এবং তিনি সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বাংলাদেশ সংবিধানে সংযোজন করেন।

তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দেশের এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমরা তাঁর পরিবারের সদস্য, সহকর্মী, বিএনপির অগণিত নেতাকর্মীদের ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

মহান আল্লাহ তাঁর আত্মাকে শান্তি দান করুন। তাকে জান্নাতময়ী করুন। হে মহান আল্লাহ বাংলাদেশের এই জাতীয় নেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন। আমিন।

21/12/2025

উগ্র ফ্যাসিস্ট লীগ এবং জাশিবট দুইটা দল চায় নির্বাচন না হোক। জাশিবট চায় নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় বসতে।
আর এটাই হলো আওয়ামী লীগের ডেড ট্রাপ।

জাশিবট নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় বসে উগ্রবাদীতা ছড়ালেই ফ্যাসিস্ট লীগ ভারতের সহযোগিতার বাংলাদেশে একটি কাউন্টার রেভ্যুলেশন চালানোর প্লট তৈরি করতে পারবে।
এই জন্য ফ্যাসিস্ট লীগ মনে প্রাণে চায় জাশিবট উগ্রতা ছড়াক। এই জন্য ভারতপন্হি কিছু ইউটিউবার জাশিবট সমর্থকদেরকে উস্কে দিচ্ছে।

অন্যদিকে জাশিবট জানে তার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসমর্থন নেই। তাই সে যদি মব করে ক্ষমতায় বসে সংবিধান সাসপেন্ড করে বিপ্লবী সরকার করতে পারে ইরান মডেলে।
আর এই ট্রাপেই উস্কানি দিচ্ছে জাশিবটের মবের ভিতরে ঢুকে ম্যাসাকার করছে খুনী ফ্যাসিস্ট লীগ এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার একটি অংশ।
কারন বিডিআর কিলিং এ ভারতের একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম আসছে। এটা প্রতিষ্ঠিত হলে বিচারের মাধ্যমে ভারতের এই গোয়েন্দা বাহিনী আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে পড়বে।
সব কিছু মিলিয়ে জাশিবটের উগ্রপন্থায় ক্ষমতা দখল এবং ফ্যাসিস্ট লীগ এবং পাশের দেশের গোয়েন্দা প্রতিনিধিদের জামাতের মবের ভিতরে ঢুকে ভায়োলেন্স করা এক সূত্রে গেথে গেছে।

তাই উগ্রবাদী উস্কানি মূলক দুটি দল জাশিবট এবং ফ্যাসিস্ট লীগের পদক্ষেপ কে জনগণের উচিৎ সজাগ দৃষ্টি রাখা এবং তাদের প্রমাণ সহ আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

কারন খুনী ফ্যাসিস্ট লীগ এবং মব জাশিবট উভয়ের হাতেই দেশ নিরাপদ না।

20/12/2025

আপনি মব মারাইতে গেছেন বিধায় আপনার ভিতরে গুপ্ত ছাত্রলীগ সুযোগ পেয়েছে আপনার ভিতরে ঢুকে তার কাজ করার। কিন্তু আপনি মব না করলে তো ছাত্রলীগ ঢুকে না। ওসমান হাদি কে মারলো কে? ছাত্রলীগ যে তার সাথে দুই সপ্তাহ ধরে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। আবার বলেন ডেইলি স্টারে প্রথম আলোতে আগুন দিয়েছে কে ছাত্রলীগ। সব কিছুইতো ছাত্রলীগ আপনার ব্যানারে করছে। এর দায় তো আপনি এখন এড়াতে পারবেন না। আপনি মব না করতেন, উস্কানি না দিতেন, ছাত্রলীগকে আপনার ভিতরে আশ্রয় প্রশ্রয় ঠাঁই না দিতেন তাহলে তো এগুলো হতো না। হাদি বেঁচে থাকতো। তাই হাদির হত্যার দায় থেকে আপনারা কখনোই এড়াতে পারবেন না। আপনারা এতটাই অনৈতিক এই ছেলেটার মৃত্যুর আবেগ নিয়ে আপনারা ক্যাশ করে পাকিস্তানি রাজনীতি শুরু করে বাংলাদেশ কে আফগানিস্তান বানানোর চক্রান্ত করেছেন।
শেখ হাসিনা ৫ বছর পর পর ম্যাকানিক্যাল ভৈট করেছে। আপনাদের তো ভোট বানচাল করে কোন নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতায় থাকতে চাচ্ছেন। এগুলো তো হাদির আদর্শের বিপরীত।

14/12/2025

প্রশাসনিক ব্যাবস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ব্যাবস্থায় ফ্যাসিস্টের লোক যতদিন থাকবে ততদিন হাদির মতোন‌ অন্যান্য বিপ্লব/গণ অভ্যুত্থানের এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষের মুখপাত্ররা টার্গেট কিলিং এর শিকার হবেন।
এখনো ঘাপটি মেরে আছে ফ্যাসিস্টের দলবল। তাদের চিহ্নিত করে অতীত ফাইল তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা দরকার।
জিয়াউর রহমানের বড় ভুল ছিল তৎকালীন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জেনারেল ওসমানীর পরামর্শ না শুনে রক্ষিবাহিনী কে সেনাবাহিনীর সাথে মার্চ করা। এবং জিয়াউর রহমানকে হত্যায় অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ সেনা কর্মকর্তা ছিলেন রক্ষি বাহিনী থেকে আগত।
এমনকি ১/১১ এর সময় বিএনপির উপর অত্যাচার এবং তারেক রহমানের কোমড় ভাঙা, দুই তালা থেকে তারেককে নীচে ফেলিয়ে দেয়া ছিল রক্ষিবাহিনী থেকে আগত অফিসার শেখা হাসিনার টিকিটে এমপি জেনারেল মাসুদ।
ফ্যাসিস্ট সময়ে যারা প্রমোশন এবং নিয়োগ পেয়েছে তাদের অধিকাংশ এখনো ফ্যাসিস্টের প্রতি অনুগত। যার জন্য আর্মি ডিপ্লয়েড থাকার পরেও হাদির উপর হত্যার উদ্দেশ্যে টার্গেট গুলি বর্ষণ হয়। যেমন বিডিআর বিদ্রোহের সময় শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশে সাধারণ আর্মিকে নিষ্ক্রিয় রাখা হয়েছে বর্তমানে একই ভাবে নিষ্ক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেটা পুলিশ আর্মি আনসার প্রশাসন সব ক্ষেত্রেই। নয়তো দিনে দুপুরে হাদির মতো জনপ্রিয় নেতার উপর গুলি বর্ষণ হয় না। হাদিযে কতটা জনপ্রিয় সারাদেশে সেটা সামাজিক মাধ্যম অনুসরণ করলে দেখা যায়।
এছাড়াও খুব সুক্ষ্ম ভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে ২৪ এর গণ অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর মধ্যে যাতে তারা আন্তকোলহে ধ্বংস হলে ফ্যাসিস্টের বি টিম ফ্যাসিস্টের তার রেখে যাওয়া প্রশাসনের সহায়তায় পুনরায় ক্ষমতা দখল করতে পারে।
এছাড়াও ইতোমধ্যে ফ্যাসিস্টের এজেন্টরা ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধকে কুলসিত করে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছে এবং অপরদিকে ফ্যাসিস্টের বুদ্ধিজীবীরা মাঠে নেমে ফ্যাসিস্টকে পুনর্বাসনের লুকাস স্টান্ডির আর্গুমেট রাখছে। আর মূল খেলা শান্ত ভাবে খেলছে কলকাঠি নাড়ছে প্রশাসনের ভিতরে থাকা ফ্যাসিস্টের লোক। তারা উপর থেকে সাধারণ লেবাসে থাকলেও ভিতর থেকে তারাই ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনের মাস্টার মাইন্ড।
ফ্যাসিস্ট পতন হবার পরেও ফ্যাসিস্টকে তার প্রশাসনের লোকজন পুনর্বহাল করতে চাচ্ছে কারণ তাদের পকেটে রয়েছে ফ্যাসিস্টের আমলের দূর্নীতির হাজার হাজার কোটি টাকা। যদি ফ্যাসিস্ট পুনরায় বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে এই অর্থের সেইফ এক্সিট পাবে। এই ভয় বা লাভক্ষতির দৃষ্টি থেকেই তারা ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনে মরিয়া।
সেই কারনেই আগামীতে যেকোনো সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সরকারের ভিতরে ফ্যাসিস্টের ছায়া সরকার নিয়ন্ত্রণ করা। এবং ফ্যাসিস্টের নিরাপত্তা বাহিনীর ভিতরে যারা গোপনে ফ্যাসিস্টের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা।
এছাড়াও সরকারের হাতে নিরাপত্তা ইস্যুতে দ্বিতীয় অপশন আছে, সেটা হল BNCC এর কয়েকটি কোরের সকল সদস্যকে নিরাপত্তার জন্য ডিপ্লয় করা। এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশে নতুন সদস্য নিয়োগ করা।

12/12/2025

রাজাকার এবং পাকিস্তানের দোহাই দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি, অন্যদিকে আওয়ামী লীগ এবং ভারতের দোহাই দিয়ে বট রাজাকারের রাজনীতির দিন শেষ। দুইটাই দেশ বিরোধী ফ্যাসিস্ট। এই দুইটা দল গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। এই দুইটা দল পরমত সহিষ্ণু করে না। একটা দল জঙ্গি আরেকটি জঙ্গি উদ্ধারের নাটক এই দুই দলের সাধু সাজার ভ্রষ্টাচার, ধর্ম এবং চেতনা বিক্রির রাজনীতি শেষ। বাংলাদেশে চলবে বাংলাদেশ পন্হি রাজনীতি। এখানে ভারতের চর পাকিস্তানের চর এসব বিদেশি শক্তির দালালি চলবে না। বাংলাদেশে চলবে বাংলাদেশের জনগণের দালালি বাংলাদেশের পক্ষের রাজনীতি।
শয়তান যত বড় চালাক, ধোকাবাজ হোক শয়তান।
মানুষ সে তত বড় ভুল করুক সে মানুষ।
এই দুইটার মধ্যে যারা পার্থক্য বুঝে না, বুঝতে হবে তাদের মনে হুশ নেই বা বিবেক নাই। তারা গণমানুষের পক্ষে না দাঁড়িয়ে ঐ শয়তানের পক্ষ অবলম্বন করেছে।
যে যাই বলুক মজলুমের পক্ষে আমি।
শয়তানের বিপক্ষে।
রাজাকার দালালের বিপক্ষে।
সাধারণ মানুষের পক্ষে।
কারণ আমরা সাধারণ মানুষ।

08/11/2025

মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে ইস্যু না থাকলেও ফ্যাসিস্ট কে পুনরায় বহাল করার জন্য মুক্তিযুদ্ধকে ইস্যু করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ফরাসী দরবেশ কর্তৃক বিকৃতি করে বট বাহিনী কর্তৃক প্রচারের মাধ্যমে।
ফেব্রুয়ারীর নির্বাচন জামাতের কারণে ননা হলে বা নির্বাচনে জালিয়াতি করে বট জিতলে পরবর্তী নির্বাচন হবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এবং বিপক্ষের শক্তির মধ্যে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি একটি জোট করবে। অপরদিকে থাকবে জামাত আর বটের জোট। বিএনপির দিকে দুটো জোটে যাওয়ার পথ খোলা থাকলেও বিএনপি একক নির্বাচন করবে।
অর্থাৎ ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন হচ্ছে আবার।
আর ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ফেসবুকে জামাত এবং বটকে সমর্থন করলেও কার্ৎত তারা জাতীয় পার্টিকে ভোট দিবে। আওয়ামী লীগ কখনোই বিএনপিকে ভোট দিবে না। জামাতকে আওয়ামী লীগ উপর থেকে সমর্থন করছে যাতে জামাত নিজেকে অনেক বড় ভেবে বিএনপির সাথে এমন দ্বন্দ্বে যায় যাতে কখনো বিএনপি এবং জামাতের ঐক্য না হয়।
এখান প্রশ্ন হল কে এই বট?
এই বট হল ফ্যাসিস্টের আইডি এবং গোয়েন্দা বাহিনীর এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স যারা উপরে জামাতের সমর্থক তল দিয়ে ফ্যাসিস্টর সমর্থক। অর্থাৎ আপনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বা গৃহপালিত বিরোধী দল জাতীয় পার্টি হলে বিএনপির সমালোচনা আপনার মুখে মানাবে না। কারণ বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ টেম্পু স্ট্যান্ড দখল। কিন্তু আপনার দিকে অভিযোগ নির্বাচন ভোট ব্যাংক দেশ লুটের অভিযোগ। তাই আপনি জামাত হলে খুব সহজেই বিএনপির সমালোচনা করা যায়। বট হল ফ্যাসিস্টের পিতার ভাইয়ের সন্তান। এরা মোসাদ হতে পারে। এরা সরাসরি আওয়ামী লীগ না। কিন্তু এদের নৈরাজ্যবাদী কার্যকলাপের ফলে আওয়ামী লীগের ভোট বাড়ে। আওয়ামী লীগ গণহত্যাকারী দল হলেও দেশের স্বার্থে আওয়ামী লীগকে আবার দরকার এই স্লোগান সৃষ্টি করে বটের নৈরাজ্যবাদী সংস্থা। ফরাসী হুজুর হল ঐ বটের লোক। করন ঐ ফরাসী হুজুর কোন পীরের মুরিদ অর্থাৎ কোন দেশের এজেন্ট এখনো ঐ পরিচয় প্রকাশ পায় নাই আর ঐ পরিচয় দেয়ার সাহস ওর নাই। কিন্তু ফরাসী হুজুর কিন্তু আওয়ামী লীগ না। তিনি শাহাবাগের সাথে জড়িত থাকার পর তার প্রমোশন হয় বটের নৈরাজ্যবাদী সংস্থায়। যেমন ইহুদী বিদ্বেষ ইহুদী ভোটব্যাংক তৈরি করেছিল যখন ইসরাইল রাষ্ট্র হয়।‌ এটা হল রিভার্স সাইকোলজি। জামাত সম্পূর্ণ ভাবে বটের চালে পরেছে। বটের ষড়যন্ত্রে জামাত পরেছে। এমনকি আওয়ামী লীগের ভিতরে যেমন তথাকথিত শিবিরের এজেন্ট ছিল তেমনি জামাতের ভিতরেও বটের এজেন্ট আছে। এরা ইচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্বরত জায়গায় থেকে ইসলাম এবং সংবিধানের অপব্যাখ্যা করে সাধারণ জামাত সমর্থকদের ভুল পথে পরিচালিত করছে। আওয়ামী লীগ এখন মাঠে নেই। আছে আওয়ামী লীগের ভাই জাতীয় পার্টি। বিএনপি এবং জামাত এই দুটি শক্তিশালী দলকে মোকাবেলা জাতীয় পার্টির সামার্থ নেই। এই জন্য দন্তহীন জাতীয় পার্টি ক্রীজে টিকে থাকতে পারে তাই ম্যাচের ভারপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন শামীম পাটোয়ারী। তবে জামাত বিএনপি এই দুটো বড় দল কে তাদের পক্ষে হারানো সম্ভব নয়। এই জন্য জামাত বিএনপি যদি নিজেদের মধ্যে গেম অফ এলিমিএটেশনে যায় একটা দল আহত অবস্থায় থাকবে ঐ দুর্বল দলের উপর তখন ঝাঁপিয়ে পরবে আওয়ামী লীগ। তাই মুক্তিযুদ্ধের ইস্যু সামনে। মুক্তিযুদ্ধের ইস্যু আসলে বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকতে হবে। কারণ আওয়ামী লীগ ভাল করেই জানে তারা ছিল মুজিব বাহিনী আর পাতিনেতারা ছিল কলকাতার বাইজি খানায়। বিএনপি হল প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধদের দল। বিএনপিতে খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা আওয়ামী লীগ থেকে বেশি। বিএনপির জন্ম ভাসানীর অনুসারী এবং এন্টি আওয়ামী লীগার। বিএনপি আওয়ামী উভয় বড় দল তাই কিছু মুক্তিযুদ্ধের ঐসময় বিরোধী আছে। তার মানে যে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী কোন দল নয়, বরং রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধাদের দল বিএনপির কাছে মুক্তিযুদ্ধ হল প্রথম আবেগের বিষয়। জামাত বিএনপিকে জেনে শুনেই বটবাহিনী তাদের ভিতর মুক্তিযুদ্ধের ইস্যু নিয়ে দ্বন্দ্ব জড়িয়েছে এবং জামাত বটের এজেন্টের পরামর্শে ফাঁদে পা দিয়ে পাকিস্তানের রাজনীতি শুরু করে এই দেশে জামাতের রাজনীতি কফিনের প্রেক মেরেছে জামাতের সততার রাজনীতির উপর। এরা আদৌ জামাতের লোক কিনা সচেতন জনগণের মনে প্রশ্ন। পূজাতে জামাতের হুজুরদের মন্ত্র পাঠ দেখে সাধারণ জনগণের কাছে জামাত নেতাদের আদর্শ প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে বরং মুখে একটা অন্তরে আরেকটা আদর্শ প্রকাশ পেয়েছে। তারপর জেনেশুনে যারা বিভ্রান্তীকর মন্তব্য দিয়ে দেশের ঐক্য নষ্ট করছে তারা জামাতের বললেও দেশের মানুষ বিশ্বাস করেনা তারা জামাতের লোক। দেশের মানুষ বিশ্বাস করেনা রোজা ও পূজা এক এটা জামাতের আদর্শে আছে। দেশের মানুষ লিবারেল। কিন্তু দেশের মানুষ জামাত কে যেভাবে আদর্শবাদী ভেবেছিল জামাত নামধারী কিছু নেতার কারনে দেশের মানুষের সেই বিশ্বাস আস্থার সংকটে। যারা দলে দলে ছাত্রলীগ হয় হেলমেট বাহিনী হয় তারা শিবির হবে এটা দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। তাহলে এরা কারা? এরাই হল সেই বট বাহিনী। যারা চায়না সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, যাতে আওয়ামী লীগ কোমা থেকে উঠে আসতে পারে। এরা চায় দেশে মম জাস্টিস এবং নৈরাজ্যবাদ দেশে সৃষ্টি হোক, মুক্তিযুদ্ধকে ইস্যু করা হোক মুক্তিযুদ্ধের ভুল ইতিহাস পাবলিক করে যাতে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনের জনমত সৃষ্টি হয়। কারণ ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনে জনমত সৃষ্টি লাগবে। কারণ ফ্যাসিস্টের উপর গণহত্যার অভিযোগ।
তাই বট বাহিনী থেকে বিএনপি এবং জামাতের সাবধান হতে হবে। কারণ তাদের বড় নেতা বামপন্থী রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। ফরাসী ভন্ড হুজুর বামপন্থী ছিলেন।

02/11/2025

খালেদা জিয়া বলেছিলেন পদ্মা সেতুর স্ক্রু খুলে যেতে পারে। তার উদ্বিগ্নতার জায়গা ছিল পদ্মা সেতু নিয়ে যে দূর্নীতি হচ্ছে তাতে পদ্মা সেতুর নির্মাণে গুণগত মান বজায় থাকবে কিনা? খালেদা জিয়া পদ্মা সেতু চান নাই এমনটি না। তিনি ক্ষমতায় থাকতেই পদ্মা সেতুর প্রকল্প সমীক্ষা করেছিলেন। তিনি জাপানি সহায়তায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। কারণ বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহায়তা এসেছে জাপান থেকে এবং ক্ষেত্র বিশেষে জাপান অনেক ঋণ বাংলাদেশকে মওকুফ করে দিয়েছে। এর মূলে রয়েছে বাঙালি বিচারকের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর টোকিও ট্রাইব্যুনালে জাপানের বিরুদ্ধে একতরফা রায়ের বিরোধিতা করা। পদ্মাসেতুর প্রকল্প ১০,০০০ হাজার কোটি টাকা থেকে ৪০,০০০ হাজার কোটি টাকায় করা হয়। শেখ হাসিনার সময় পদ্মা সেতু এবং মেট্রোরেল হয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার এই দুইটি প্রজেক্ট করতে ১৬ বছর সময় পেয়েছেন। এই দুই প্রজেক্ট দেখিয়ে গণতন্ত্র এবং জবাবদিহিতা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। শেয়ার বাজার থেকে ১ লক্ষ কোটি টাকা পাচার সহ বাংলাদেশের ব্যাংক খাত একটি গোষ্ঠীর অধীনে নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের অর্থনীতি থেকে ১ ট্রিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছেন। এবং দেশকে গুম,খুন, ধর্ষণ, ঋণের নামে আওয়ামী লীগ নেতার ব্যাংক লুট, দখল বাণিজ্যের অভয়ারণ্য করেছেন এবং শিক্ষা ব্যাবস্থা এবং আর্থিক খাত ধ্বংস করে গেছেন। এই রকম একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং ধ্বংস শিক্ষা ব্যাবস্থা এবং আওয়ামী প্রশাসন রেখে গেছেন যার থেকে এই দেশকে টেনে তুলে ধরা যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য চ্যালেঞ্জ। পদ্মাসেতুর নাটক বল্টু বিয়ারিং খুলে পরে নাই, তবে মেট্রোরেলের বিয়ারিং ঠিক খুলে পরেছে।
দেশের উন্নয়নের দরকার আছে। দূর্নীতির জন্য কোন উন্নয়ন নয়, বরং দেশের মানুষের সেবা বৃদ্ধির জন্য উন্নয়ন। যোগাযোগ ব্যাবস্থাপনার উন্নয়ন সহ রাস্তাঘাট পুল সেতু এগুলোর ব্যাবস্থাপনা মেরামত এবং নির্মাণ দরকার। পাশাপাশি চিকিৎসা, শিক্ষা এবং খাদ্য শিল্প ব্যবস্থাপনা,‌উন্নয়ন এবং দূর্নীতি মুক্ত পলিসি বেজড ব্যবস্থাপনা দরকার। শেখ হাসিনার সময় বড় ব, প্রজেক্ট হলেও মফস্বলের রাস্তা ঘাট মেরামত হয়নাই। বর্তমান সরকারের সময় শহরের রাস্তাঘাট মেরামত নেই, আর গ্রাম মফস্বলের কথা বাদ দিলাম। শেখ হাসিনার ফেলে যাওয়া দেশের যেই রকম ব্যাবস্থাপনা দরকার ছিল, সেটা ইউসুফ সরকার ব্যাবস্থাপনা করতে চরম ব্যার্থ। বরং ইচ্ছাকৃত ভাবে চরম অব্যাস্হাপনার দিকে ঝুকছে বর্তমান সরকার। দেশের যানবাহন ব্যাবস্থা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা যার প্রমাণ। বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে দুইটি শক্তি বিদ্যমান ছিল। একটি আওয়ামী লীগ এবং অপরটি বিএনপি। আওয়ামী লীগের পতনের পর সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছে বিএনপির দিকে। কিন্তু সরকার পতনের পর বিএনপির পাতি নেতাদের বিরুদ্ধে যে পরিমাণ অভিযোগ আসছে বিএনপি অনেক কর্মীদের বহিস্কার করলেও এটা বিএনপির মফস্বল এবং কেন্দ্রের হাইকমান্ডের মধ্যে যে একটি দূরত্ব বা হাইকমান্ডের আদেশ অমান্য করে স্হানীয় নেতারা দখল বাণিজ্যে ঝুঁকছে সেটা ক্ষেত্র বিশেষে অতিরঞ্জিত হলেও বাস্তবিক অর্থে মফস্বলের মানুষ তাদের নেতা মানতে নারাজ এবং বিএনপির কেন্দ্রের উপর নাখোশ এই বিষয়টিতে। শেখ হাসিনার পতনের পর জামাতের একটি রাজনৈতিক সুযোগ থাকলেও এই দলের বর্তমান নেতৃত্ব বেশির ভাগ পূর্বে অন্য দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিল এবং তাদের অতীতের নেতাদের আদর্শ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত। এছাড়াও তাদের পাকিস্তানের উগ্র রাজনৈতিক সমর্থন জামাতের রাজনীতির ১২ টা বাজিয়েছে। একদল অন্ধ সমর্থক থাকলেও সাধারণ ভোটারদের কাছে জামাত এখন আতঙ্কের নাম। তারা দেশের ক্ষমতায় গেলে দেশে এমন উগ্রতার দিকে নিয়ে না যায় যাতে ভারতের বাংলাদেশ নিয়ে পুরাতন অভিসন্ধি যেটা হাসিনার আমলে সম্ভব হয় নাই, জামাত না সেই খালটি তাদের উগ্র পলিসির মাধ্যমে করে দেয়। কারণ জামাতের বর্তমান নেতৃত্বের আদর্শ এবং যারা আওয়ামী লীগের সময় ফাঁসি হয়েছেন তাদের আদর্শের মধ্যে বিস্তর ফারাক বিভিন্ন টকশোর আলোচনায় এসেছে এবং রাস্তাঘাটে পানের দোকানে সেই আলাপ আছে। জামাতের যেমন ভোট ব্যাংক বেড়েছে দাবী করে অপরদিকে জামাত নিয়ে দেশের মানুষের আশংকা সংশয় আছে। নতুন দল এনসিপির মাহুদ কে সেই নিয়ে আছে প্রশ্ন। এনসিপি কি ডঃ ইউনুসের দল, নাকি জামাতের দল, নাকি নাগরিক ঐক্য কমিটির দল নাকি ছাত্র লীগের সী টিম এই নিয়ে আছে প্রশ্ন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের একাংশের দল এনসিপি যেটা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জড়িতরা মনে করে এটা তাদের সাথে বেঈমানি এবং না ইনসাফি। আমজনতার তারেক সে কথা বললেও দল তার ছোট। বাংলাদেশের তাই শেষ ভরসা আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়া। তার নেতৃত্ব দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে দেশের মানুষ সেই আশায় আছে। তবে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। দেশের মানুষের দোয়া তিনি সুস্থ থাকেন। দেশের গার্ডিয়ান থাকেন। বিএনপি সহ সব দলের অভিভাবক তিনি। তিনি দেশের সকল মানুষের অভিভাবক হয়ে আগামীর রাষ্ট্রপতি থাকবেন। পদ্মাসেতুর উপর দিয়েই তার গাড়ি বহর যাবে দক্ষিণ বঙ্গে। এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন। তবে বাংলাদেশের আগামীর সরকার যেই আসুক তাকে হতে হবে চাঁদাবাজি, দূর্নীতি, দলীয়করণ এবং অব্যবস্থাপনার সাথে আপোষহীন।

30/10/2025

আগেই বলেছিলাম জুলাই সনদের কন্টেন্ট আগে জাতির সামনে তুলে ধরা হোক। তারপর হ্যাঁ / না ভোট হবে। জনগন জেনেশুনে বুঝে সিদ্ধান্ত নিবে। এখানে কোন ছলচাতুরি হতে পারবে না। বাংলা সিনেমার মতো টিপসই দিয়ে বাড়ির মালিকে ভিখারি বানানোর মতো জনগণকে ভিখারি বানানোর কল্পনা যারা করছেন, তাদের ষড়যন্ত্র ধ্বংস করা হবে।

না বুঝে না জেনে হ্যাঁ / না ভোট হতে পারে না।
আর বর্তমান প্রেক্ষাপট আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ / না এক প্রেক্ষাপটের না। ঐটার সাথে জুলাই সনদ গণভোট গুলিয়ে লাভ নেই।

জিয়াউর রহমান যখন প্রধান মার্শাল ল এডমিনিস্ট্রেটর দেশে তার পূর্বে বাকশাল হয়ে একদলীয় শাসন ব্যাবস্থা হয়ে সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ। এমনকি আওয়ামী লীগ তখন স্বঘোষিত নিষিদ্ধ। এরপর আওয়ামী লীগের মুস্তাকপন্হিদের নেতৃত্বে সামরিক ক্যু। খালেদ মোশাররফের পাল্টা সামরিক ক্যু। সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রে বিন্দু হলেও প্রেসিডেন্ট তখন খালেদ মোশাররফের তৈরি সায়েম, সেই সায়েম প্রধান মার্শাল ল এডমিনিস্ট্রেটর।
অর্থাৎ দেশে গণতন্ত্র নেই, সংবিধান স্টপ, বাকশাল দ্বারা একদলীয় শাসন, কোন রাজনৈতিক দল নেই, সেনা ক্যু থেকে রাষ্ট্রপতি মোস্তাক, রাষ্ট্রপতি সায়েম, এই রকম একটি দুঃসহ অবস্হা থেকে দেশকে গণতন্ত্রের দিকে টেনে আনেন জিয়াউর রহমান, যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রথম দেন জনগণের স্বীকৃতি স্বরূপ গণভোট। কারন দেখছিল তখন সংবিধান শুন্য পার্লামেন্টে শূন্য, সাংবিধানিক ভাবে বাকশাল একদলীয় শাসন, যাদের নেতারা ক্যু পাল্টা ক্যূ করে নিহত ও পলাতক। এবং রাষট্রপতি ছিল বাকশালের আরেকটি অংশের ক্যু এর মাধ্যমে অধিষ্ঠিত। এই রকম একটা পরিস্থিতিতে জনগণের ম্যান্ডেট এর জন্য গণভোট আর‌ জুলাই সনদের জন্য গণভোট দুইটা এক প্রেক্ষাপটের না। আইন এবং সাংবিধানিক আইন না বুঝে গণভোট গণভোট চিল্লানো হয় কোন মহাভুল নয় কোন মহা ষড়যন্ত্রের নীল নকশার কুশিলব তারা, যাদের কে জাতি কোন দিন বাকশালীদের মতো ক্ষমা করবে না। কারণ ওরা বেঈমান। ওরা মীরজাফর।

20/10/2025

বাংলাদেশের প্রত্যেকটি Key Point Installation এ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বেসরকারি বিল্ডিং স্থাপনায় গোয়েন্দা, সেনাবাহিনী, ফায়ার ব্রিগেডের গার্ড স্হাপন করতে হবে।
বাংলাদেশের চট্টগ্রামে এপিজেড, ঢাকা বিমানবন্দরে আগুন এসব কিছু মিলালে দেখলে মনে হয় কোন বিদেশী সংস্থা বারনামার অর্থনৈতিক পয়েন্ট গুলোতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করছে। এটা বুঝতে আইনস্টাইন হতে হবে না। যেমন বিডিআর বিদ্রোহের সময় ভারতীয় র য়ের এটা কাজ ছিল এটা ঐসময়ের সাধারণ জনগণকে বুঝতে আইন স্টালিন হতে হয় নাই। কারণ আর্মির মেরুদন্ড ভাঙার ফলেই গত ষোল বছর একটি ভারতীয় ভাড়াটে সরকার রাখতে পেরেছে কোন রকম দেশের জনগণের ভোট ছাড়া।
বাংলাদেশে এই রকম সহিংসতা হতে থাকলে জনগণ রাষ্ট্রের ক্ষমতা নিয়ে নিবে।
দেশের মানুষের উচিত তার আশে পাশে সন্দেহজন কাউকে দেখলেই তাকে প্রশ্ন করা এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া এবং ভিডিও করে প্রমাণ রাখা এবং প্রয়োজনে ঐ অঞ্চলের ডিসি এবং জেলা জজের সাথে কথা বলে প্রতিটি এলাকায় নিজস্ব নিরাপত্তা তৈরি করা।
বিএনপির ছাত্রদলের এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের উচিৎ স্হানীয় নিরাপত্তার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দেশের সর্বত্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়তা করা।

17/10/2025

বিএনপির উচিত নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচনের নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আন্দোলন করা। দেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ যেনো অবাধ, সুষ্ঠু, প্রভাবমুক্ত, নিরাপদ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় হয় এবং যেখানে শতভাগ সঠিক ভোটের ফলাফল নিশ্চিত করা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করা। নির্বাচনকে অনলাইন এবং অফলাইনে কোন প্রকার প্রভাবিত না করতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করা।
বিএনপির নেতালের উচিৎ পাজেরোতে না ঘুরে, বরং ব্যালট, ব্যালট বক্স, ব্যালট গণণা, ব্যালটের নিরাপত্তা, এবং কারা হবে নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার সেই তালিকা নিয়ে চিন্তা করা।
কিভাবে নিরপেক্ষ এবং নিরাপদ পরিবেশে ভোটারদের নিরাপত্তা, ভোটকেন্দ্রে আগগমন এসব বিষয়ে চিন্তা করা।
বটের আকাম, কুকামের ফাঁদে দেশ যেন না পরে সেই লক্ষ্যে দেশের মানুষকে গুজব এবং সত্য জানিয়ে দেশের মানুষকে সচেতন করা।
এক সময় অনেক ত্যাগীদের ইচ্ছে ছিল বিএনপি কে নিয়ে কাজ করা। কিন্তু বিএনপির পাতি নেতাদের স্বার্থপর ব্যাক্তি কেন্দ্রীক উন্নয়ন দেখে এখন সেই আশা ত্যাগীদের জন্য একটি ঘুম ভাঙা স্বপ্নের মতো।
নেতারা আপনাদের প্রতি অনুরোধ আপনারা জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ এবং কৌশল অনুসরণ করেন। নয়তো এই দল জামাতের ফাদা চালে বিএনপির সাথে সাথে এই দেশের করুন পরিনতির দিকে যাবে।

Address

London

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BNP Research Cell posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share