11/08/2026
রাজ্যের সম্মাননীয় বিদ্যালয় শিক্ষামন্ত্রীর সাথে এবিটিএ-র কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা
আজ ১১ আগস্ট ২০২৬ বিকাশভবনে এবিটিএ-র পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যালয় শিক্ষামন্ত্রী সম্মাননীয় দীপক বর্মণের সাথে একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার করা হয়।এবিটিএ-র সভাপতি সুদীপ্ত গুপ্ত ও সাধারণ সম্পাদক সুজিত দাসের নেতৃত্বে এবিটিএ-র কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর এগারো জন সদস্য এই সাক্ষাৎকারের সময় উপস্থিত ছিলেন।
এবিটিএ-র পক্ষ থেকে সম্মাননীয় বিদ্যালয় শিক্ষামন্ত্রীকে উত্তরীয়,পুষ্পস্তবক,কলম এবং সমিতি প্রকাশিত বই দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।সমিতির পক্ষ থেকে এইসময়ে দাঁড়িয়ে শিক্ষাক্ষেত্রের কিছু সমস্যাও সম্মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়।
সারপ্লাস ট্রান্সফার নিয়ে একটি সঠিক বিজ্ঞানসম্মত নীতি গ্রহণ করার জন্য সমিতির পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়।বেশ কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরে সমস্যার গভীরতা,সমিতির পক্ষ থেকে তাঁকে জানানো হয়।সম্মাননীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন,এখনও সারপ্লাস ট্রান্সফার কারো হয় নি।বিগত ১৫ বছরে শিক্ষক নিয়োগ হয় নি।তাই সাময়িকভাবে বিদ্যালয়গুলিকে রক্ষার স্বার্থে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে।সারপ্লাস ট্রান্সফার বিষয়ে কোন নীতিগত প্রস্তাব থাকলে, সমিতিকে তিনি তাঁর কাছে জমা দিতে বলেছেন।
টেট বিষয়ে কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্বেগের বিষয়টি তাঁর কাছে সমিতির পক্ষ থেকে জানিয়ে এই বিষয়ে তাঁকে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।তিনি জানিয়েছেন,সুপ্রিম কোর্টের এই বিষয়ে একটি রায় আছে।সমস্যাটি তাঁরও নজরে আছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে যদি কিছু করার থাকে,অবশ্যই তাঁরা চেষ্টা করবেন।
রাজ্যে সিলেবাস রচনা কমিটি গঠন হয়েছে।এই কমিটি ও সিলেবাস সংক্রান্ত বিষয়ে এবিটিএ, সমিতির পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানালে সম্মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন,সিলেবাস কমিটি নতুন সিলেবাস রচনার পর সেই প্রস্তাবিত সিলেবাস,পাবলিক ডোমেনে দিয়ে দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে।তার মধ্যে যে কোন সংগঠন বা ব্যক্তি বিকল্প প্রস্তাব দিতে পারে।সেই বিকল্প প্রস্তাব অবশ্যই বিবেচনা করা হবে।সমিতি তখন সিলেবাস সংক্রান্ত কিছু প্রস্তাব থাকলে,দিতে পারে।
সমিতির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের দাবি WBHS-এ শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি তাঁর কাছে রাখা হয়।তিনি এই দাবির প্রতি তাঁর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন।
জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীরা যাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অন ডিউটি পেয়ে এই গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্ব সঠিক সময়ে সম্পাদন করতে পারেন,সেই বিষয়টি সহানুভূতির সাথে তিনি দেখবেন,আশ্বাস দেন।
পার্শ্বশিক্ষক-কারিগরী শিক্ষক-চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের অর্থনৈতিক বঞ্চনার বিষয়টি সমিতির পক্ষ থেকে তাঁকে জানানো হলে,তিনি জানিয়েছেন,এই সমস্যা দীর্ঘদিনের।বিষয়টি তাঁর নজরে আছে।
বকেয়া ডিএ প্রাপ্তির বিষয়ে গ্র্যান্ট-ইন-এইডদের ক্ষেত্রে সরকার সদর্থক ভূমিকা নিক,সমিতির পক্ষ থেকে তাঁর কাছে এই আবেদন জানানো হয়েছে।২০১৬ সালের যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পুনর্বহাল ও ২০২৬ সালের প্যানেলের শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে দ্রুত নিয়োগের দাবিও সমিতির পক্ষ থেকে উত্থাপিত করা হয়।
আরো অন্যান্য সমস্যাগুলিও সমিতির পক্ষ থেকে তাঁর কাছে লিখিতভাবে জমা দেওয়া হয়েছে।