21/08/2026
গতকাল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি একটি অত্যন্ত আশ্চর্যজনক ও দেশবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৯৩৭ সালের নিজেদের রেজোলিউশন অনুসরণ করে তারা মহান ‘বন্দে মাতরম্’ গানটির মাত্র দুটি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমি দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস পার্টি মুসলিম তোষণের রাজনীতির কারণে ‘বন্দে মাতরম্’-কে দুই ভাগে বিভক্ত করেছিল। সেখান থেকেই দেশের বিভাজনের বীজ আরও শক্তিশালী হয় এবং দ্বিজাতি তত্ত্ব শক্তি পায়। পরবর্তীতে দেশভাগ হয় এবং পাকিস্তানের জন্ম হয়।
আজ, ‘বন্দে মাতরম্’-এর প্রকাশের ১৫০তম বর্ষে সেই ঐতিহাসিক ভুল সংশোধন করে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই অমর সৃষ্টিকে সম্পূর্ণভাবে গাওয়ার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম্’ পূর্ণাঙ্গভাবে গাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্তকে আইনি স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু কংগ্রেস আজ সেই সিদ্ধান্তকে অমান্য করার পথ বেছে নিয়েছে। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত তাদের ঘোর তোষণের রাজনীতিকেই আরও একবার স্পষ্ট করে তুলেছে। ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে তারা লক্ষ লক্ষ শহিদদেরও অপমান করছেন, যাঁরা ‘বন্দে মাতরম্’ ধ্বনি উচ্চারণ করতে করতে দেশের স্বাধীনতার জন্য ফাঁসির মঞ্চে আত্মবলিদান দিয়েছিলেন।
আজ কংগ্রেস পার্টি ১৯৩৭ সালের নিজেদের রেজোলিউশনকে আঁকড়ে ধরে সংসদের আইনি সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করছে। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস আবারও তোষণের রাজনীতিকে আরও জোরালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছে।
- শ্রী অমিত শাহ