AITC

AITC জয় বাংলা, মা মাটি মানুষের জয় Ma Mati Manuser joy. Joy Bangla... Mamata Banerjee Zindabad

কেন এত অভিষেক বিরোধিতা জানেন?কারণ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বহুদিন ধরেই একটা বিশাল বড় অংশের " ধান্দাবাজ/ সুবিধাবাদী/ বেইমান/...
14/07/2026

কেন এত অভিষেক বিরোধিতা জানেন?

কারণ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বহুদিন ধরেই একটা বিশাল বড় অংশের " ধান্দাবাজ/ সুবিধাবাদী/ বেইমান/ পালটিবাজ " নেতাদের চিহ্নিত করে আসছে।

আপনারা প্রায়ই শুনতেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বহু নেতাকেই পাত্তা দেয় না, বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ নেতাদের, তার কারণ আজ নিশ্চই বুঝতে পারছেন ?!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও হয়ত জানতেন যে তার ঘনিষ্ঠ নেতারা তাকে ছুরি মারতে পারে বিপদের দিনে , কিন্তু তিনি কোনো কঠিন পদক্ষেপ নেননি, তার কারণ উনি খুব উদার মনের এবং ক্ষমাপড়ায়ন । মা কখনও সন্তানদের তাড়িয়ে দেয় না শত অন্যায় করলেও ক্ষমা করে দেয়।

আর এই উদারতারই সুযোগ এতদিন এইসব নেতারা নিয়ে এসেছে , যারা আজ পালটি মারছে।
আজ দলের বদনাম এরাই করেছে। শুধু মাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর মুখ ব্যাবহার করে এরা এতদিন ভোটে জয়ী হয়েছে।
তবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কিন্তু আগে থেকেই বলে রেখেছিলেন যে ভোটে জেতার পর কিন্তু এইসব ধন্দাবাজদের ব্যাবস্থা করবেন, কারণ উনি জানতেন যে এইসব নেতারা তলে তলে অন্য টিমের সাথে যোগাযোগ রাখছে।
যাই হোক ৪ঠা মে কি হয়েছে কারুর অজানা নয়।
এর একটা ইতিবাচক দিক আছে , এই ধান্দাবাজদের মুখোশ খুলে গেছে।

তাই এরা এখন অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কে আক্রমণ করছে।
কারণ এরা জানে, হয়ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর পা ধরে ক্ষমা চেয়ে কান্নাকাটি করলে ওনার নরম মন গলে যাবে , কিন্তু অভিষেক ? ও কিন্তু এদের ক্ষমা করবে না এবং ঢুকতেও দেবে না।

এ ছাড়াও অন্যতম গুরুত্বপূর্ন বিষয় হল তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কিন্তু অভিষেক বন্দোপাধ্যায় , এবং সেই ভবিষ্যৎ কে ধ্বংস করাই তৃণমুল বিরোধীদের মূল উদ্দেশ্য। কারণ তারাও জানে মমতা অভিষেক ডুয়েল ওদের ধ্বংস করে দেবে। তাই বিভিন্ন কেস দিয়ে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কে ভাঙার চেষ্টা করছে।

তবে বিরোধীদের জেনে রাখা ভালো, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া!
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর যোগ্য উত্তরসূরি অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। ঠিক যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজার হাজার আক্রমণ সহ্য করে আজকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়েছেন, ঠিক তেমনই অভিষেক বন্দোপাধ্যায়েও হাজার হাজার আক্রমণ সহ্য করে শক্ত লোহা তে পরিণত হয়েছেন এবং আরো হচ্ছেন এবং হবেন।
অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কে ভাঙা অসম্ভব ঠিক যেমন ওনার গুরু মাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে🙏

অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কে কাটবে যত বাড়বে তত
ভাঙবে যত গড়বে তত 💪😎

Abhishek Banerjee জিন্দাবাদ 🙏💚
Mamata Banerjee জিন্দাবাদ 🙏💚
All India Trinamool Congress জিন্দাবাদ 🙏💚

10/07/2026
রক্ত কখনো বেইমানি করে না , করতে পারে না। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য সুভাষ চন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন ফরওয়ার্ড ব্ল...
09/07/2026

রক্ত কখনো বেইমানি করে না , করতে পারে না। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য সুভাষ চন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন ফরওয়ার্ড ব্লক কর্মীদের গুন্ডা বলছেন।এই কথা বলার জন্য আর যাইহোক শমীক বাবু কে বেইমান বলা চলে না, বা তিনি আর্দশের প্রতি বিশ্বাস ঘাতকতা করেনি। বড় জোর বলা চলে সাহসের অভাবে যে কথা এত দিন বলতে পারেননি । এখন ক্ষমতায় এসে,আগে পেছনে পুলিশ থাকায় বুকে বল পেয়েছেন ,তাই বলেছেন।

বলেছেন নেতাজী কে নিয়ে। কে এই নেতাজী....?

কবি নজরুল লিখছেন

"সে দিন নীশিথ বেলা
যে যাত্রী একাকী ভাসালো ভেলা
সে তো আর ফিরিল না কূলে
তারি লাগি আঁখি মুছি আর রচি গান
আজিও বিনিদ্র জাগি"

এ অপেক্ষার বিনিদ্র রজনী জাগরন, আর চোখের জল ফেলা আজও সমানে চলেছে যে মহামানবের জন্য সেই সুভাষ বোস আজ গুন্ডাদের সর্দার ?
বিট্রিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ,আসুমদ্র হিমাচলের নয়নের মনি, যার উদাত্ত আহ্বানে...

"তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব"

সাড়া দিয়ে হাজার হাজার যুবক যুবতী বুকের রক্ত ঢেলে দিতে স্বাধীনতার সংগ্রামেএগিয়ে এসেছিল, সেই নেতাজী আজ গুন্ডা ?
সুভাষ বোস কে নেতাজী আখ্যায় ভূষিত করলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি বললেন ,.....

"সুভাষচন্দ্র, বাঙালি কবি আমি, বাংলাদেশের হয়ে তোমাকে দেশনায়কের পদে বরণ করি। ... দুঃখকে তুমি করে তুলেছ সুযোগ, বিঘ্ন কে করেছ সোপান। সে সম্ভব হয়েছে, যেহেতু কোনো পরাভব কে তুমি একান্ত সত্য বলে মাননি। তোমার এই চরিত্র শক্তিকেই বাংলাদেশের অন্তরের মধ্যে সঞ্চারিত করে দেবার প্রয়োজন সকলের চেয়ে গুরুতর।"
ভারত মায়ের এই দামাল ছেলের কথা বলে শেষ করা যাবে না ,বা তিনি কত বড় এই মূল্যায়ন করার যোগ্যতা আমার নেই।

কিন্তু শমীক বাবু একথা বললেন কেন? স্লিপ অফ টাঙ্ক? নেভার।
তিনি কি অশিক্ষিত?না তাও নন। অসচেতন ভাবে বলে ফেলেছেন? এক্কেবারে না। তিনি সচেতন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে বলেছেন। তিনি যে রাজনীতি করেন,যে আর্দশে বিশ্বাস করেন তার সঙ্গে নেতাজীর রাজনীতি সম্পূর্ণ আলাদা মেরুর।

যেমন সুভাষ বোস বিশ্বাস করতেন রাষ্ট্রের বা রাজনীতি সঙ্গে ধর্ম কে মেলানো যাবে না ,ধর্ম ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত ব্যাপার। এই বিশ্বাস তাঁর জীবন ও কর্মে বারবার প্রতিভাত হয়েছে।আজাদ হিন্দ ফৌজের হিন্দু ও মুসলমানের জন্য আলদা রান্নার পরিবর্তে এক জায়গায় রান্না খাওয়া ব্যবস্থা করেছিলেন। আজাদহীন্দ বাহীনির March song গীতা,কোরান, বাইবেলের শ্লোক নিয়ে করা হলে তিনি বিরক্ত হন এবং সাবধান করে বলেছিলেন ধর্ম দিয়ে যদি মেলাতে চাও, তবে ধর্মের জন্যই একদিন ভাগ হয়ে যাবে। এমনকি দেশের অভ্যন্তরে হিন্দু মহাসভা ,মুসলীম লীগ সহ আরো কিছু কায়েমী স্বার্থবাদীরা বলতে শুরু করল হিন্দু ও মুসলমানের স্বার্থ আলদা ফলে আলদা দেশ চায়। তখন নেতাজী স্পষ্ট করে করে বলেছিলেন হিন্দু ও মুসলমান স্বার্থ আলাদা নয়।একজন মুসলমান চাষীর সঙ্গে এক জন হিন্দু চাষীর কোনো পার্থক্য নেই।বরং একজন গরীব মুসলমানের সাথে এক জন বড়লোক মুসলমানের পার্থক্য অনেক বেশি।
নেতাজীর রাজনীতি বা মতাদর্শের সঙ্গে শমিক বাবুদের রাজনৈতিক ও আর্দশ গত বিরোধের জায়গাটা পরিষ্কার।

শমীক বাবুর পূর্ব পুরুষ হিন্দু মহাসভা ,আর এস,এস পরাধীন ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেননি বরং বলা ভালো বিরোধীতা করেছেন। তার বহু ঐতিহাসিক প্রমান ,দলিল, বক্তব্য আছে। ড:শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের উপাচার্য থাকা কালীন দুই ছাত্র ইংল্যান্ডের পতাকাকে স্যালুট না করায় বেত্রাঘাতের আদেশ ও বহিষ্কার করেছিলেন। আজাদ হিন্দ বাহিনীকে আটকানোর জন্য ছোট লাটকে চিঠি লিখেছেন এবং এতদূর পর্যন্ত বলেছিলেন ....আমরা আপনাদের সাহায্য করবো আপনার ঠেকান।
৪২ এর ভারত ছাড়া আন্দোলন কে শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী বিশৃংখলা বলে অভিহিত করেছিলেন। আবার নেতাজি ঝাড়গ্রামের সভা থেকে হিন্দু মহাসভা কে বয়কট করার ডাক দিয়েছিলেন। ফলে এদের রাজনৈতিক অবস্থান দুই মেরুর। এরকম বহু প্রামাণ্য ঘটনা আছে।

ফলে হিন্দু মহাসভা ,আর এস এস তখন থেকেই নেতাজী সহ
বিপ্লবী ,স্বাধীনতা আন্দোলনকারীদের প্রতি কুৎসা রটনা ,চরিত্র কে কালিমালিপ্ত করার হীন চেষ্টা করে আসছে।সেই পূর্বসূরীদের রক্ত শমীক বাবু ধমনীতে বহমান হলে বলতেই হয় তিনি রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেন নি। বাঙালি তথা দেশবাসী তাদের প্রিয় নেতার প্রতি এই অবমাননা কর ভাষা প্রয়োগ বরদাস্ত করবেন কি করবেন না এটা আলাদা ব্যাপার।

কিন্তু আমার বলার জায়গা হচ্ছে..... অবস্থান পরিষ্কার করার।
শমীক বাবু ও তাঁর দল বিজেপি ক্ষমতা থাকলে প্রকাশ্যে ঘোষণা করুক যে হিন্দু মহাসভা/বিজেপি/আর এস,এস স্বাধীনতার সংগ্রামের বিরোধী ছিল, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরোধী ছিল এবং আছি। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান মানি না। আমাদের আদর্শ , রাজনৈতিক লাইন এই রকম এই রকম এবং এই রকম ।

মনে এক আর মুখে এক কেন বাপু? নেতাজী কে নিয়ে আদিখ্যেতা করব , স্বাধীনতা সংগ্রামীদের গলায় মালা দেব আবার শ্যামাপ্রসাদের গলায় মালা দেব এ কেমন দ্বিচারিতা??
পক্ষ নিতে হয় শমিক বাবু । পক্ষ নিন।

Address

Dhaniakhali
712302

Telephone

+919932077127

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AITC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share