PDSF Hooghly District

PDSF  Hooghly District Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PDSF Hooghly District, Political organisation, hooghly, Hooghly.

দুর্নীতির আঁতুড়ঘর NTA বাতিল করো। ছাত্রছাত্রী বিরোধী নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে গর্জে ওঠো!
21/06/2024

দুর্নীতির আঁতুড়ঘর NTA বাতিল করো।
ছাত্রছাত্রী বিরোধী নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে গর্জে ওঠো!

⭕️Combat Ragging⭕️  স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কত রঙিন স্বপ্ন বুকে নিয়ে কলেজের পথে পা বাড়িয়ে দিই আমার। স্কুলের সেই ১০টা-৫ টা'র...
27/08/2023

⭕️Combat Ragging⭕️

স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কত রঙিন স্বপ্ন বুকে নিয়ে কলেজের পথে পা বাড়িয়ে দিই আমার। স্কুলের সেই ১০টা-৫ টা'র র‍্যুটিন কিংবা ড্রেসকোড পেরিয়ে সামনে তখন অসীমের হাতছানি, এ যেন এক অন্য দুনিয়া! নিজের পছন্দের বিষয় নিয়ে সময় এখন সামনের দিকে পা বাড়িয়ে দেওয়ার। সেই কোনকাল থেকে মনের গভীরে লালন পালন করা স্বপ্নগুলোর এবার বাস্তবে নেমে আসার পালা। কিন্তু তখনই ঠিক ঘটে যায় কোন এক অঘটন। অকালে ঝরে যায় এক না ফোটা ফুলের কুঁড়ি। দরজায় কড়া নেড়েই ক্ষান্ত থাকতে হয় তাকে, ঘটে যায় সে স্বপ্নের মৃত্যু। নতুন দুনিয়ার স্বাদ আস্বাদন করা তার আর হয়ে ওঠে না।
র‍্যাগিং। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে, এই শব্দ টা যেন আবারও জায়গা করে নিয়েছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে। আর যাদবপুরের ঘটনা সামনে আসার পরপরই সামনে উঠে আসছে বিভিন্ন কলেজের একাধিক র‍্যাগিং এর ঘটনা। একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু কার্যত খুলে দিয়ে গেছে সেই Pandora's box.
হাতেগোণা কিছু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিয়ে প্রায় সর্বত্রই বহাল তবিয়তে টিকে রয়েছে এই র‍্যাগিং সংস্কৃতি; মানসিক থেকে শারীরিক, সবরকমের। আর তাতে অবাক হওয়ারই বা কি আছে, 'শিক্ষকদের হাতের বেত টা আবার ফিরিয়ে দিন' - এই আধিপত্যকামী শিক্ষণপদ্ধতিকেই তো আদর্শ মানি আমরা! আর তাই চালু হায়ারার্কি কে কাজে লাগিয়ে কখনো র‍্যাগিং এর উপাদান হয়ে উঠেছে লিঙ্গ বা জাতিগত বৈষ্যমও। মুজফফরনগরের এক স্কুলে হোমওয়ার্ক না করার জন্য এক মুসলিম ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে হিন্দু ছাত্রদের একে একে গালে চড় মারার নিদান দেওয়া সেই শিক্ষিকার মানসিকতা এরই সম্ভাব্য অন্তিম বিন্দু কিংবা নয়! র‍্যাগিং তাই টিকে থাকে আধিপত্যকামী এই শিক্ষণপদ্ধতির অঙ্গ হয়েই। কিন্তু কখনো তা খারিজ হয়ে যায় হাল্কা মজার নামে; কখনো বা বাইরে আসে না শাসক দলের আশীর্বাদধন্য কলেজের দাদা-দিদি'দের 'দেখে নেওয়া'র ভয়ে; কখনো অপদার্থ কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায়; আবার কখনো কলেজের উপযুক্ত হয়ে উঠতে গেলে 'ওটুকু তো দরকার' এর কুযুক্তিতে। আর তাই নতুন কলেজে আসা ছাত্র বা ছাত্রীটিও আসলে মানিয়ে নিতে শেখে। হয় সে পরের বছর নিজে এই সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হয়ে ওঠে, নতুবা নিজেকে এসবের থেকে বিচ্ছিন্ন করেই সন্তুষ্ট থাকতে চায়, আর কেউ বা কিছু প্রকাশ করতে না পেরে নিজের মধ্যেই গুমরে মরে, তাদেরই কারো একজনের অন্তিম পরিণতি হয় স্বপ্নদীপের মতো।
স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে দায়ী সকলের শাস্তি অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তাদের শাস্তি দিলেই র‍্যাগিং থেমে থাকবে না বন্ধু; যতদিন না আমরা অর্থাৎ এই আপামোর শুভবুদ্ধিসম্পন্ন ছাত্রছাত্রী সমাজ সকলে মিলে শপথ গ্রহণ করি যে এই র‍্যাগিং সংস্কৃতিকেই সমূলে উৎপাটিত করব। যেখানেই র‍্যাগিং দেখব, তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব, জুনিয়রদের উপর সিনিয়রদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা নয়; সিনিয়র-জুনিয়র সুসম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে এক সুস্থ ক্যাম্পাস পরিবেশ গড়ে তুলব - এই শপথই আজকের সময়ের দাবি।
আমরা প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ছাত্রছাত্রী ফেডারেশন, প্রতিটি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে র‍্যাগিং এর মতো পশ্চাৎপদ অপসংস্কৃতিকে সমূলে উপড়ে ফেলতে বদ্ধপরিকর। যখনই যেখানে র‍্যাগিং ঘটবে, আমরা তার বিরুদ্ধে লড়তে সর্বদা প্রস্তুত। কলেজের দাদা-দিদি'দের ভয়ে গুটিয়ে থাকার দিন এবার শেষ। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে বুড়ো আঙুল দেখানোর সময় এখন। এই লড়াই তোমার লড়াই, এই লড়াই আমাদের লড়াই, এই লড়াই বাংলার আপামোর ছাত্রছাত্রী সমাজের। যখনই যেখানে র‍্যাগিং এর ঘটনা ঘটবে যোগাযোগ করো আমাদের সাথে। আমরা আমাদের সবটুকু সামর্থ্য দিয়ে লড়তে প্রস্তুত।
আমরা আমাদের হাত বাড়িয়েই রাখলাম; বাংলার প্রতিটি ক্যাম্পাসকে র‍্যাগিং মুক্ত করে তোলার শপথ নিয়ে তোমার বাড়িয়ে দেওয়া হাতের অপেক্ষায়।

📖র‍্যাগিংকে আমরা কী ভাবে দেখি? রইল একটা প্রতিবেদন (বাংলা, English):
https://linktr.ee/pdsfwb

নভেম্বর বিপ্লব জিন্দাবাদ!পুঁজিবাদী শোষণ, ফ্যাসিস্ট আগ্রাসের বিরুদ্ধে বিপ্লবী লড়াই গড়ে তুলতে ছাত্রছাত্রী সমাজ জোট বাঁধো।
07/11/2022

নভেম্বর বিপ্লব জিন্দাবাদ!

পুঁজিবাদী শোষণ, ফ্যাসিস্ট আগ্রাসের বিরুদ্ধে বিপ্লবী লড়াই গড়ে তুলতে ছাত্রছাত্রী সমাজ জোট বাঁধো।

📜 উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রতি...📣ছোটবেলায় আমাদের সবারই মনে হয়, কবে বড় হব? কবে কলেজ যাব? সেই সময়ে মনে হত, বড় হল...
01/04/2022

📜 উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রতি...📣

ছোটবেলায় আমাদের সবারই মনে হয়, কবে বড় হব? কবে কলেজ যাব? সেই সময়ে মনে হত, বড় হলেই স্কুলের কড়া নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে অনেক দূর ওড়া যায়...

সেই দিন আর বেশি দূরে নেই। স্কুলের গণ্ডি পেরোনোর সময় হাজির। স্কুলজীবনের শেষ পরীক্ষা। একটা অধ্যায় শেষ হয়ে যাওয়ার যেমন দুঃখ আছে, তারই পাশাপাশি নতুন একটা অধ্যায় শুরু হওয়ার আনন্দ আছে, আর এর মাঝে আছে পরীক্ষার ভয়, উচ্চমাধ্যমিক। স্বাভাবিক স্কুলজীবনের সাথে দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছিন্ন থাকার পর, গুগলমিট-জুম থেকে স্কুলের ক্লাসরুমে ফিরে শেষবারের মতো পরীক্ষাটা সবাই মন-প্রাণ খুলে জমিয়ে দাও। একটা অতিমারির পর সবাই আমরা এটা অন্তত বুঝতে পেরেছি আগাম প্রস্তুতিই শুধু যথেষ্ট নয়, তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি অনেক কিছু শিখিয়ে যায়। অতএব, সবকিছু ভালো হবে এই আশা নিয়ে আগামীর সকল ইচ্ছা পূরণের পথে এগিয়ে যাও, নিজেদের উচ্চশিক্ষার হকটা বুঝে নাও। স্থান দখলই যোগ্যতার শেষ মাপকাঠি নয়। ১,২,৩,..... এর শেষ কোথায়? নেই.... অতএব, কোন একটা স্থান একান্তই তোমার, যার জন্য প্রতিযোগিতার দরকার হয় না, যে যার নিজের স্থানে নিজের মতো করেই সফল হওয়া যায় যদি একে অপরের প্রতি সহযোগিতা থাকে। জীবনে অনেক বড়ো হতে হবে সকলকে, কিন্তু একা একা বড় হওয়া যায় না। পরীক্ষার খাতার মার্জিন অতিক্রম করে আমাদের শিক্ষা যেন সমাজের জন্য হয়ে ওঠে এইটুকু ভরসা আমরা নিজেদের ওপর রেখে আগামীর পথে পা বাড়াই...। সফল হোক পরীক্ষা, সুন্দর হোক আগামী, রইল সকলের জন্য অনেক শুভ ইচ্ছা।

💐💐💐

★ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ছাত্রছাত্রী ফেডারেশন ★
★ PDSF ★

15/03/2022

মানব সভ্যতার ইতিহাসকে শাসকের চোখে নয়, শোষিতের চোখ দিয়ে বিচার করাটা এত সহজ কাজ নয়। কার্ল মার্ক্স সেই কাজটাই হাতে নিয়েছিলেন। কেবল বিচার না; দুনিয়াটাকে বদলানোর প্রকল্পই আমৃত্যু তাঁর উপজীব্য ছিল। ১৮৪৮ সালে কমিউনিস্ট লিগের ম্যানিফেস্টোয় মার্ক্স এবং এঙ্গেলস ঘোষণা করলেন

"..The history of all hitherto existing society is the history of class struggles..."

মার্ক্স পুঁজি, পুঁজিবাদকে কাঁটাছেঁড়া করে বুঝলেন এই ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের উদ্বৃত্ত শ্রম শোষণ করে। পুঁজিবাদের একমাত্র উদ্দেশ্য মুনাফা তৈরী করা এবং সেই মুনাফাকে ক্রমশ বাড়িয়ে যাওয়া।
মার্ক্স শিখিয়েছেন যে পুঁজিবাদের প্রকৃতিজাত অন্তর্নিহিত বিভিন্ন দ্বন্দ্বের ফলে; দীর্ঘকালীন প্রেক্ষাপটে এই মুনাফার হারের পতন ঘটে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থাও দীর্ঘকালীন স্থিতিশীল থাকে না। বরং সংকট পুঁজিবাদের এক অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য।
অন্যদিকে কেবল তাত্ত্বিক-দার্শনিক বিশ্লেষণই না; শ্রমিক আন্দোলনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে মার্ক্স থেকেছেন একেবারে সামনের সারিতে। শ্রমিকদের সংগঠন গড়ে তোলা, কমিউনিস্ট লিগের রাজনৈতিক নির্মানে বিশেষ ভূমিকা নেওয়া থেকে শুরু করে 'ইন্টারন্যাশনাল'-এর গঠনপ্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছেন আজীবন। বলা বাহুল্য, বাস্তবের শ্রেণী আন্দোলন এবং তার মধ্যে বা সার্বিকভাবে জন্ম নেওয়া পুঁজিবাদ বিরোধী বিভিন্ন ধারার রাজনীতি থেকে যেমন মার্ক্স নিজে শিখেছেন যথেষ্ট; ঠিক একইরকমভাবে এই আন্দোলন এবং বিভিন্ন ধারার মতাদর্শকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে জারিত করতে তিনি পিছপা হন নি।

মার্ক্স যে যুগে পুঁজিবাদ
নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন; তাঁর মৃত্যুর পর তার রূপ বদলেছে। সে যুগের প্রতিযোগিতামূলক পুঁজিবাদ, বিংশ শতকে সাম্রাজ্যবাদের রূপ পরিগ্রহ করে দু'দুটো বিশ্বযুদ্ধে পৃথিবীর আকাশ বাতাস বিদীর্ণ করে দিয়েছে।উল্টোদিকে পুঁজিবাদকে অতিক্রম করার আকাঙ্ক্ষা, বাস্তবের শ্রেণীসংগ্রাম; উত্তাল পশ্চিম ইউরোপ কিংবা তৃতীয় বিশ্বের কলোনীগুলোর কাছে; মার্ক্সবাদ হয়ে উঠেছিল পুঁজিবাদ উত্তীর্ণ সমাজ গড়ার এক দার্শনিক হাতিয়ার।

সময় বদলেছে। পুঁজি তার নতুন রূপ নয়া উদারবাদ লাগু করে বিশ্বজুড়ে শোষণের নতুন নতুন হাতিয়ার নিয়ে এসেছে। প্রকৃতি এবং শ্রমের অভূতপূর্ব শোষণের পাশাপাশি এত শক্তিশালী মতাদর্শীক ব্যবস্থাকে আজ পর্যন্ত পুঁজিবাদে দেখা যায় নি। একসময় যে আমেরিকা, যে পশ্চিম ইউরোপ এই বদলে যাওয়া সিস্টেমকে সামনে রেখে; কমিউনিস্ট আন্দোলনের স্থিতাবস্থায় ঘোষণা করেছিল 'মার্ক্স' 'মৃত'; ২০০৮ পরবর্তী সংকট আবার মার্ক্সকে নিয়ে এসেছে বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সামনে নব প্রেক্ষাপটে....পাতার পর পাতা 'ক্যাপিটাল' ওলটানো এম.আই.টির পুঁজিবাদী অর্থনীতিবীদ এই সঙ্কটের মূলগত কারণ বিশ্লেষণ করে উঠতে না পারলেও; বর্তমান পুঁজিবাদের যুগে, এই সিস্টেম যখনই আপাত সাম্যাবস্থা কাটিয়ে গভীরতরে সঙ্কটে প্রোথিত হয়েছে তখনই ফিরে এসেছেন মার্ক্স। যখনই এই ব্যবস্থাকে একুশ শতকে মানুষ আবার প্রশ্ন করতে শুরু করেছে; তখনই ফিরে এসেছেন মার্ক্স। একবিংশ শতকের সার্ভিস সেক্টর বা গিগ ইকোনমি; পুঁজির টিকে থাকার মূলগত কাঠামো নিয়ে মার্ক্সের বিশ্লেষণ আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক বলেই, পুঁজিবাদকে অতিক্রম করতে চাওয়া মানুষদের কাছে শ্রেষ্ঠ দার্শনিক হাতিয়ার আজও মার্ক্সবাদ...

গতকাল ছিলো কার্ল মার্ক্সের ১৩৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী....শ্রেণীহীন সমাজ গড়ার পথে প্রতিদিন পাথেয় হয়ে উঠুক কার্ল হাইনরিখ মার্ক্সের জীবন, দর্শন এবং চেতনা.....

09/03/2022
14/02/2022

প্রতিরোধের ৩৪,
প্রতিস্পর্ধার ৩৪।

02/02/2022

পাবলিক সার্ভিস কমিশন (PSC) এর আন্ডারে বিভিন্ন রকম চাকরির পরীক্ষা হত, হ্যাঁ হত। কোভিড ১৯ এর জন্য প্রায় ২ বছর কোনোরূপ পরীক্ষা-নিয়োগ হয়নি। কোভিড আসার আগে থেকেই অবশ্য অবস্থাটা ভয়ঙ্কর ছিলো। পরীক্ষা হয়না বছরের পর বছর, পরীক্ষা হয় তো রেজাল্ট বেরোয় না, রেজাল্ট বেরোয় তো নিয়োগ হয়না ঠিক মতন, নিয়োগ হলেও তা হয় দুর্নীতিগ্রস্ত!
TET হয় না, SSC শেষ কবে হয়েছিল জানতে গেলে উল্টেপাল্টে দেখতে লাগবে ইতিহাসের পাতা, কলেজ সার্ভিস কমিশনের অবস্থা তথৈবচ, ICDS এর ফলপ্রকাশেও দুর্নীতির ছড়াছড়ি, WBCS 2020 মেইন্স ও 2021 এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কবে হবে তা সম্পূর্ণ অজানা, খালি অল্পস্বল্প নিয়োগ হয় গ্রুপ ডি আর পুলিশে, আর সেই পুলিশ দিয়েই ন্যায্য অধিকারের দাবীতে আন্দলনরত চাকরিপ্রার্থী দের ভয় দেখানো হয়।
এই এরম ভয়ঙ্কর একটা অবস্থা, দেশে বেকারত্ব সর্বোচ্চ। আর এদিকে বিভিন্ন সরকারি পদ ফাঁকা থাকা সত্বেও কোনো ঠিকঠাক ব্যবস্থাপনা নেই নিয়োগের। এরূপ অবস্থার বিরুদ্ধে আজ ছিলো PSC ভবন অভিযান। বিভিন্ন ন্যায্য দাবীতে চললো PSC ভবনের সামনে অবস্থান । বিগত পাঁচ-ছয় ঘন্টা অবস্থানের পরেও চেয়ার পারসন নীচে নেমে এসে চাকরিপ্রার্থীদের সাথে কথা বলার সৌজন্যবোধটুকুও দেখাননি বরঞ্চ পিছন দরজা দিয়ে তিনি ফুড়ুৎ হয়েছেন।

সরকার যতই লোক দেখানো দুয়ারে সরকার করছে রাস্তায় নেমেছে বেকার , তাদের দাবীর জন্য লড়াই করবে বলে। এই লড়াইয়ের আগুন ছড়িয়ে পড়ুক দিকে দিকে বিহার,বাংলা.... দাবানলে পুড়ে যাক দুর্নীতিগ্রস্ত,অগণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী সরকার।

" ...মেয়েদের স্কুল ডুমুরের ফুলসে ফুলের টানে বাতাস আকুল… "ফাতিমা শেখ, সাবিত্রীবাই ফুলে থেকে বেগম রোকেয়া ও কত নাম না জানা ...
22/01/2022

" ...মেয়েদের স্কুল ডুমুরের ফুল
সে ফুলের টানে বাতাস আকুল… "

ফাতিমা শেখ, সাবিত্রীবাই ফুলে থেকে বেগম রোকেয়া ও কত নাম না জানা মেয়েরা শিক্ষার অধিকারের জন্য ধর্ম, পিতৃতন্ত্র ও জাতের বৈষম্যর তোলা প্রাচীরে বারবার বিরুদ্ধতার আঘাত হেনেছেন । আজ ঘরে ও বাইরের যাবতীয় শিকল ভেঙ্গে, তীব্র অর্থনৈতিক বৈষম্য সত্ত্বেও মেয়েরা শিক্ষাক্ষেত্রে আসলেও শিক্ষাক্ষেত্রে হামেশাই হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন ও জাতের বৈষম্যর শিকার হন । এমনই একটি ঘটনায় কর্নাটকের উদুপি জেলার একটি প্রি-ইউনিভার্সিটি কলেজে ক্লাস ইলেভেন ও টুয়েলভ এর বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার 6 ছাত্রীকে হিজাব পড়ার জন্য গত 31 শে ডিসেম্বর থেকে নিজেদের ক্লাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না । তারা রোজ ক্লাস করতে গেলেও তাদেরকে অনুপস্থিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে চলেছে । দেশের অনেকেই তাদের শিক্ষার মৌলিক অধিকার লংঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চারও হয়েছেন বটে কিন্তু অনেকেই হিজাব পোশাকের বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষের আপত্তিকে সাধুবাদ জানিয়ে নারী স্বাধীনতার কথাও বলেছেন। কিন্তু যে পিতৃতান্ত্রিক সমাজ, রাষ্ট্র ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের বাধ্য হতে শেখায়, পোশাকের মাধ্যমে তাকে, তার যৌনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় সেই সমাজই যদি 'নারী স্বাধীনতার' কথা বলে নির্দিষ্ট একটি পোশাকের জন্য তাকে শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সেই পদক্ষেপ আর যাই হোক কখনোই নারী মুক্তির লক্ষ্যে হতে পারে না । যে সমাজ এখনো মেয়েদের বিরুদ্ধে যৌন হিংসা মূলক ঘটনার ব্যাখ্যা দেয় একটি মেয়ের পোশাকের দৈর্ঘ্য মেপে , তারাই তার পোশাকের শর্ত তৈরি করে নারী মুক্তির পথ দেখাবে সেটা ভাবাটাই অমূলক ।

6 ছাত্রীর একজন একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে গেলে এক শিক্ষক তাকে বেরিয়ে যেতে বলেন তা না হলে তিনি জানান তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া হবে । এই ঘটনা দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি বাড়তে থাকা ঘৃণার রাজনীতির অংশ ছাড়া যে আর কিছুই নয় তা বলতে বাকি রাখে না । আর যে বিজেপি সরকার মুসলিম পরিবারের রক্ষণশীলতার প্রতি প্রশ্ন তুলছে, সেই সরকাররের ঘৃণ্য রাজনীতিই মুসলিম মেয়েদের অধিকার, স্বনির্ভরতার দাবি ও রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধকে ভয় পেয়ে তাদের পথ অবরুদ্ধ করে দাঁড়াতে চাইছে।

এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য, ফ্রান্সের সমুদ্র সৈকতে মুসলিম মহিলাদের জোর করে তাদের পোশাক পরিত্যাগ করতে বাধ্য করলে লেখিকা অরুন্ধতী রায় সে ঘটনার প্রতি প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছিলেন : "It's not about the burqa. It's about the coercion. Coercing a woman out of a burqa is as bad as coercing her into one. "

6 জন ছাত্রী ও প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন । বারংবার প্রশাসন ও স্কুল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা সত্ত্বেও কোনো কাজ হয়নি । আজ নিও -নিব্যারাল অর্থনীতির চোখধাঁধানো প্রচার এর যুগে যখন শিক্ষাও একটি পণ্য হয়ে উঠেছে, নারী স্বাধীনতাকে যখন পুঁজিবাদিরা নিজেদের পোশাক, ব্যাগ, ঘড়ি বিপণনের জন্য নিজেদের মতো সংজ্ঞয়িত ও শর্ত তৈরী করে চলেছে, তখন শিক্ষার অধিকারের দাবিতে এই লড়াইয়ের পাশে থাকা আমাদের কর্তব্য , এবং নারী মুক্তির প্রশ্নের মৌলিক দিক গুলি মনে করিয়ে দেওয়া অবশ্যই জরুরি । পারিবারিক কাঠামো ও সমাজের জাত- ধর্ম ও পিতৃতান্ত্রিক বৈষম্যর বিরুদ্ধে এতদিনকার মেয়েদের সংগ্রাম, হাজারো মেয়েদের সঠিক শ্রম ঘন্টার দাবিতে, সঠিক বেতনের দাবিতে, যৌন হেনস্থা মুক্ত কর্মক্ষেত্রের দাবিতে ও শ্রেণি শত্রুর বিরুদ্ধে তাদের লড়াইয়ের স্পৃহা, সমগ্র সমাজের সাথে নারী মুক্তির লড়াই কে যে এগিয়ে নিয়ে গেছে এবং যাবে তা আমরা যেন ভুলতে না বসি ।

এই সময়ে কর্ণাটকের এই ছাত্রীদের নিজেদের শিক্ষার দাবিতে ও সমাজের ধর্মান্ধ ও বিভেদকামী রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পাশে সমাজের সর্বস্তরের মুক্তিকামী মানুষের থাকাটা অবশ্যই জরুরি ।

শ্রীরামপুরে আজ স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে পোস্টারিং করা হলো।সমস্ত কিছু চলছে যখন স্কুল-কলেজও খুলতে হবে অবিলম্বে কোভিডবিধি মে...
20/01/2022

শ্রীরামপুরে আজ স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে পোস্টারিং করা হলো।
সমস্ত কিছু চলছে যখন স্কুল-কলেজও খুলতে হবে অবিলম্বে কোভিডবিধি মেনে।

ভাঙো তালা,খোলো দ্বার
শিক্ষাটা হোক সব্বার

হুগলীর বৈঁচি ও পাণ্ডুয়া অঞ্চলে পোস্টারিং হল রাজ্য জুড়ে প্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে। স্কুল কলেজে পঠনপাঠন চালুর দাবীতে আন্দ...
15/01/2022

হুগলীর বৈঁচি ও পাণ্ডুয়া অঞ্চলে পোস্টারিং হল রাজ্য জুড়ে প্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে।

স্কুল কলেজে পঠনপাঠন চালুর দাবীতে আন্দোলন জোরদার হোক।

পাঠশালা, কলেজ ক্যাম্পাস হোক উন্মুক্ত। অবিলম্বে স্কুল কলেজে অফলাইন পঠনপাঠন চালু করতে হবে। অনলাইন কোনো বিকল্প শিক্ষা পদ্ধত...
14/01/2022

পাঠশালা, কলেজ ক্যাম্পাস হোক উন্মুক্ত। অবিলম্বে স্কুল কলেজে অফলাইন পঠনপাঠন চালু করতে হবে। অনলাইন কোনো বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতি নয়। শিক্ষাক্ষেত্রে কর্পোরেট কোম্পানিগুলির সুবিধার্থেই এই অনলাইন শিক্ষার মডেলের আমদানি। আজ হুগলীর কমরেডরা প্রচারে সামিল।

কোন্নগর, হুগলী
১৪/০১/২০২২

Address

Hooghly
Hooghly

Telephone

+919804767583

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PDSF Hooghly District posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share