Arambagh Youth Congress

Website

Arambagh Youth Congress Arambagh Youth Congress Committee
Join This Congress Team

মুরগী টা তা হলে হলো কে? কমেন্ট করুন।
25/09/2026

মুরগী টা তা হলে হলো কে?
কমেন্ট করুন।

বাঙলার মেয়ে ঋতিকা চোপড়া সম্প্রতি যে ধরণের সাংবাদিকতা করলেন, আগামী ১০০ বছর ওনাকে মনে রাখবে ইতিহাস। পশ্চিমবঙ্গের‌ বহু বি...
25/09/2026

বাঙলার মেয়ে ঋতিকা চোপড়া সম্প্রতি যে ধরণের সাংবাদিকতা করলেন, আগামী ১০০ বছর ওনাকে মনে রাখবে ইতিহাস। পশ্চিমবঙ্গের‌ বহু বিশিষ্ট সাংবাদিক, যাদের কাছে সব কিছু গোপন সুত্রে খবর থাকে, তাদের লড়াই টা শুধুমাত্র পা চেটে MLA, MP হওয়া, তাই তারা চাটতে থাকবেন। কিন্তু এই ইতিহাসের সাক্ষী হওয়ার ক্ষমতা ক্ষণজন্মা দের হয়। আমি গর্বিত বাঙালি হিসেবে যে, এই ক্ষণজন্মা বাঙলার মেয়ে। ( অশিক্ষিত দের জন্য বলে দিই, ক্ষণজন্মা এর অর্থ খুবই শুভ মূহুর্তে জন্ম)

25/09/2026

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী এর মেয়ে এর‌ আবেদন

সেই অলিপাবের ঘটনা টি মনে আছে, সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস ভক্ষণ। সেই সায়ক চক্রবর্তী আড়াইলাখ টাকা নিয়েছে বিজেপির থেকে। এছা...
25/09/2026

সেই অলিপাবের ঘটনা টি মনে আছে, সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস ভক্ষণ।
সেই সায়ক চক্রবর্তী আড়াইলাখ টাকা নিয়েছে বিজেপির থেকে। এছাড়া শমিক অধিকারি কত টাকা নিয়েছে তেরো লাখ টাকা।

আজ কলকাতার  বিধান ভবনে কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিশিষ্ট লেখক মানিক ফকির। তাঁর হাতে কংগ্রেসের পতাকা তুলে দিয়ে এবং উত্তরীয় পরিয়ে...
24/09/2026

আজ কলকাতার বিধান ভবনে কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিশিষ্ট লেখক মানিক ফকির। তাঁর হাতে কংগ্রেসের পতাকা তুলে দিয়ে এবং উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেন এ আই সি সি'র ইনচার্জ : পশ্চিমবঙ্গ প্রকাশ জোশি সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

আরামবাগ বিধানসভা থেকে বিধায়ক হিসেবে জয়লাভ করার পর, বিধায়ক মহাশয়ের কাজ যেন রোজ কোথাও না কোথাও গিয়ে সংবর্ধনা নেওয়া। ...
24/09/2026

আরামবাগ বিধানসভা থেকে বিধায়ক হিসেবে জয়লাভ করার পর, বিধায়ক মহাশয়ের কাজ যেন রোজ কোথাও না কোথাও গিয়ে সংবর্ধনা নেওয়া। আর হাতে ফুল নিয়ে অথবা মাইক হাতে অবশ্যই একটি পোস্ট Facebook-এ দেওয়া চাই! কোনো দিন যদি কোনো সংবর্ধনা অনুষ্ঠান না থাকে, তখন পুরোনো একটি ছবি পোস্ট করা হয়। মানে, ছবি দেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ!

গত ১৫ বছরে তৃণমূল কোনো কাজ করেনি—এমনটাই যদি দাবি হয়, তাহলে এখন আপনার উচিত সমস্ত কাজ করে দেখানো।

১. আরামবাগ ব্রিজের নিচে দুর্গন্ধে প্রতিদিন যাতায়াত করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
মাননীয় বিধায়ক মহাশয়ের উচিত, এই সমস্যার সমাধানের জন্য অবিলম্বে একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা—কবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে?

২. আরামবাগের বিবেকানন্দ পল্লী থেকে প্রান্তিক পল্লী যাওয়ার রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত বেহাল।
রাস্তায় জল জমে থাকে, এমনকি টোটো উল্টে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। তাহলে এই রাস্তাটি কবে সংস্কার করা হবে?

সংবর্ধনা, ফুলের তোড়া আর Facebook পোস্টের পাশাপাশি এবার আরামবাগের মানুষের বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধানেও নজর দেওয়া হোক।

24/09/2026

আজকে যুব কংগ্রেসের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও,
সকলকে অনুরোধ করছি দল, পার্টি নির্বিশেষে আমাদের সমর্থণ করুন,
জাতীয় কংগ্রেস জিন্দাবাদ।

SIR প্রক্রিয়াকে আমি সমর্থন করেছিলাম। এর মধ্যে ষড়যন্ত্র আছে, নিশ্চিত জেনেই সমর্থন করেছিলাম। আমার আশা ছিল, আমাদের রাজ্যে...
23/09/2026

SIR প্রক্রিয়াকে আমি সমর্থন করেছিলাম। এর মধ্যে ষড়যন্ত্র আছে, নিশ্চিত জেনেই সমর্থন করেছিলাম। আমার আশা ছিল, আমাদের রাজ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বুথস্তরে শক্ত সাংগঠনিক শক্তি আছে। তারা নিশ্চয়ই মাঠেই নির্বাচন কমিশনের ছকবাজি ফাঁস করে দেবেন। কিন্তু দেখলাম, তারা নিবিড় কাজের বদলে চমকের রাজনীতির রাস্তায় হাঁটল। ফলে চরম বিপদে পড়লেন কয়েক লক্ষ মানুষ। এখনও তাঁরা বিপদ থেকে মুক্তি পাননি। কোনও রাজনৈতিক দলকে নাম হারানো মানুষদের পাশে দাঁড়াতেও তেমন দেখা যাচ্ছে না।
নির্বাচন কমিশনের ষড়যন্ত্রের খানিকটা ফাঁস করল Indian Express এর একটি রিপোর্ট। আমাদের তৃণমূল সরাসরি দুর্নীতি, তোলাবাজি, সিন্ডিকেট নিয়ে ব্যস্ত রাখা হচ্ছে। আর নির্বাচন কমিশন কীভাবে বিজেপির হয়ে ডাকাতি করে ফাঁক করে দিয়েছে সেটা স্পষ্ট হবে রীতিকা চোপড়ার রিপোর্টে। সেটা থেকে কিছু অংশ লিখছি।
***
রিপোর্টে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে দুই কমিশনার—সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন।
কমিশনের তৃতীয় সদস্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। দুই কমিশনারের অভিযোগ, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাঁদের না জানিয়েই নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তাঁদের কোনও আপত্তি কানেও তোলা হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশন প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেয়। সুপ্রিম কোর্ট পরে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনালে এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ দেয়। গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশন আদালতকে জানায়, ট্রাইব্যুনালগুলির সামনে মোট ৩৮ লক্ষ আপিল রয়েছে।
- ২২.২১ লক্ষ আপিল করেছেন বাদ পড়া ভোটাররা—নাম ফেরানোর জন্য।
- ১৬.১০ লক্ষ আপিল করা হয়েছে তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য।
এই দ্বিতীয় ধরনের আপিল কারা করেছে, কমিশন তা জানায়নি।
এখানেই নির্বাচন কমিশনার সান্ধুর প্রশ্ন। তিনি কমিশনকে লিখে জানতে চান: এই আপিলগুলি নির্বাচন কমিশনের হয়ে করার অনুমতি কে দিয়েছে? আর আসলে এই আপিলগুলি কে করেছে? সান্ধুর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি নিজে, বিবেক যোশি এবং পশ্চিমবঙ্গের Chief Electoral Officer—কেউই এই আপিল করার সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতেন না।
***
ভোটার হতে হলে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের Form-6 পূরণ করতে হয়। কিন্তু চলতি বছরের জুলাইয়ে এই ফর্মে একটি নতুন প্রশ্ন যোগ করা হয়। নতুন ভোটারকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাঁর বাবা-মা বা দাদু দিদার নাম আগে ভোটার তালিকায় ছিল কি না।
মে মাসেই নির্বাচন কমিশনার বিবেক যোশি লিখিতভাবে বলেছিলেন, সরকারের নিয়ম না বদলে এভাবে Form-6 পরিবর্তন করা যায় না। সুখবীর সিং সান্ধুও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত ছিলেন। তারপরও Form-6 পরিবর্তন করা হয়।
১৩ আগস্ট সান্ধু লিখিতভাবে বলেন, এই পরিবর্তন “অননুমোদিত এবং অবৈধ” এবং এটি দ্রুত সরিয়ে দেওয়া উচিত।
***
নির্বাচন কমিশনের দীর্ঘদিনের ব্যবস্থা হলো—ভোটার তালিকা মূলত স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।প্রতিটি এলাকার Electoral Registration Officer বা ERO ভোটার তালিকার দায়িত্বে থাকেন।
দুই নির্বাচন কমিশনার প্রশ্ন তুলেছেন, এখন কি ভোটার তালিকার তথ্য ধীরে ধীরে দিল্লি বা কেন্দ্রীয় স্তরে কেন্দ্রীভূত করা হচ্ছে?
বিবেক যোশি মে মাসে এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভোটার ডেটাবেসে পরিবর্তন করার ক্ষমতা যেন শুধু সংশ্লিষ্ট আইনগত কর্মকর্তাদের কাছেই থাকে।
সুখবীর সিং সান্ধুও পরে একই সমস্যা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু রাজ্য নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন যে ERONet নামে ভোটার তালিকার যে অনলাইন ব্যবস্থাটি রয়েছে, তাতে তাঁদের সম্পূর্ণ প্রবেশাধিকার নেই। সান্ধু প্রশ্ন তোলেন, আইন অনুযায়ী যাঁদের ভোটার তালিকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার ক্ষমতা IT বিভাগের কর্মকর্তাদের আছে কি না।
***
ভারতের সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনে রয়েছেন:
- একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা CEC
- দুজন নির্বাচন কমিশনার বা EC
তিনজনের পদমর্যাদা সমান।
CEC হলেন “first among equals”—অর্থাৎ তিনজনের মধ্যে প্রথম, কিন্তু একা সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাঁর নেই।
আইনে বলা হয়েছে, কমিশনের কাজ যতটা সম্ভব সর্বসম্মতভাবে হওয়া উচিত। মতপার্থক্য হলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে।
বাস্তবে দুই নির্বাচন কমিশনার বলছেন, কমিশনের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই বেশ কিছু কথা কমিশনের বক্তব্য বলে বাইরে বলা হচ্ছে।
দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী গত ১০ মাসে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৪টি আনুষ্ঠানিক লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, তাঁদের জ্ঞান বা অনুমোদন ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা ক্যাবিনেট সচিবকেও সব জানিয়েছেন।
***
কী ভাবে জ্ঞানেশ কুমারের একচেটিয়া রাজত্ব কায়েম হয়েছে, সেটা স্পষ্ট। আর সংঘী জ্ঞানেশের হাত ধরে যে ভোটের নামে ডাকাতি হয়েছে, সেটাও স্পষ্ট। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়েও স্পট প্রভু সেবায় জ্ঞানেশের তুঘলকি রাজ চলছেই।
নিন্দা চেঁচামেচি কান্নাকাটি করে কিছু হবে না। খেলাটা টেনে আনতে হবে অন্য মাঠে। বদলের কিছু ইঙ্গিত ফুটে উঠতে শুরু করেছে।

জাতীয় কংগ্রেস জিন্দাবাদ

Address

Hooghly

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arambagh Youth Congress posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share