24/07/2023
"শহিদ মঞ্চে আজান ও হিন্দু ধর্মের শ্লোকের সঙ্গে মিউজিক মিশ্রন আসলে ইমানের পরীক্ষা, যে সামনে দাড়ানো এবং টিভিতে দেখা মুসলমানগুলি কতটা ইসলাম ত্যাগ করেছে!😥
এই যে একটা কথা প্রচলিত আছে না "ধর্ম যার যার উৎসর সবার" এটারই এডভান্স ফরমুলা লঞ্চ করা হল শহিদ মঞ্চ থেকে।এবার ধর্মও আলাদা থাকবে না, ওরা তুবড়ে মুচড়ে সব এক করে দেবে। এটা আপনি সহ্য করছেন কি না সেটাই পরীক্ষা, দেখা গেল আমরা খুব ভালোই উপভোগ করেছি।তাই সমস্ত শ্রোতা সহ সিদ্দিকুল্লা ও তোহা এই ককটেল শুনে দারুন খুশি। প্রতিবাদ করা তো ভুলে যান।
আসলে ইদানিং মুসলিম রাজনৈতিক নেতারা মসজিদে যান আর না যান, মন্দিরে নিয়মিত যান, গড়ও করেন অনেক নেতা।ফিরহাদ হাকিমের নাম সবার উপর, সিদ্দিকুল্লাও কম যান না।উনি আবার পুজো পান্ডাল উদ্বোধনে এক্সপার্ট। একটিই উদ্দেশ্য টিকিটটা যেন পাক্কা হয়। শহিদ মঞ্চের এই এক্সপেরিমেন্টকে হাল্কা ভাবে নেবেন না। মুসলমানদের বেইমান না বানাতে পারলে ওদের গোলাম বানানো যে খুব কঠিন।এটা তারই প্রক্রিয়াকরন।এদের একজনেরও সাহস নেই এর প্রতিবাদ করার।
আজ যদি বাদ্যযন্ত্র প্রোয়োগে এই হিন্দু ধর্মের শ্লোক ও আজানের মিক্সচার মেনে নিই,কাল এরা জমজমের সঙ্গে গঙ্গাজল ও গোবরজল মিক্স করবে।বলবে এটা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, আপনি বিরোধিতা করলেই হয়ে যাবেন সাম্প্রদায়িক ও জেহাদি। যেমনটা আমাকে বলা হবে,নিশ্চিত থাকুন। এদের এতো উদারতা আপনি সহ্য করলেও এরা কিন্তু হিজাবকে সহ্য করতে পারবে না।কনস্টেবলের ইন্টারভিউ হিজাব পরে দিতে আপনি পারবেন না। তখন এরা আর এস এসের বাপ।
আসলে আমাদেরও দোষ কম না,আমরা অর্ধেক বেইমান তো হয়েই গেছি।মসজিদে লোক পাওয়া না গেলেও মদের ঠেকে আমাদেরই ভিড় বেশি। রমজানের ইবাদত চাঁদ রাতেই সরবতের ফউওয়ারায় ভেসে যায়। ঈদে এদের কালিপুজার ডেকোরেশনের লাইটিং লাগিয়ে,আর ডি জে বাজিয়ে ইসলামের ষষ্টিপুজো করা হয়।মনের ভিতরটা লোভ,হিংসা, প্রতারনায় ভরপুর,ইমানটা থাকবে কোথায় ? হাজি হয়েছে টুরিস্ট,আর মসজিদ মাদ্রাসা কব্জা করেছে পলিটিকাল লুচ্চারা। শিক্ষিত মানুষরা ইদমিলনের নামে সমকামীতার প্রচার করছে, কোথায় যাবেন।
ইসলামের পবিত্রতা ও সৌন্দর্য নষ্ট করার বিশ্বব্যাপি চক্রান্ত চলছে শ্রীমতী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসও তার বাইরে না।উনি সযত্নে হিন্দুত্বকে তুলে ধরছেন,গঙ্গাসাগর মেলা হোক, দীঘার জগন্নাথ মন্দির হোক, গঙ্গা আর্তি হোক,দূর্গা কানর্নিভাল হোক,প্রতিটি ক্ষেত্রেই পরিস্কার। সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হোক বা ওয়াকাফ সম্পত্তি ধ্বংস হোক ওনার অবদান সবথেকে বেশি। এরপর আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংস অপেক্ষা করছে।
আমরা না মরে ভুত হব না।" Imtiaz Ahmed Molla