Labour's Unity

  • Home
  • Labour's Unity

Labour's Unity Political

গুজরাটি পুঁজির শ্রেষ্ঠ পরীক্ষাগার হরিয়ানার মানেসর। গাড়ি তৈরির কারখানা থেকে রপ্তানি ইউনিট — এই শিল্পাঞ্চলে হাজার হাজার ...
15/04/2026

গুজরাটি পুঁজির শ্রেষ্ঠ পরীক্ষাগার হরিয়ানার মানেসর। গাড়ি তৈরির কারখানা থেকে রপ্তানি ইউনিট — এই শিল্পাঞ্চলে হাজার হাজার ঠিকা শ্রমিক প্রতিদিন উৎপাদন করেন কোটি কোটি টাকার পণ্য। কিন্তু তাঁদের বেতনে ন্যূনতম মজুরিও ঠিকমতো নেই। কতক্ষণ কাজের সময়? ৮ ঘণ্টার সীমা মানে না মালিকপক্ষ। ওভারটাইমের হিসেব নেই, অতিরিক্ত মজুরিও নেই। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা প্রতিবাদে রাস্তায়, আর রাষ্ট্র নেমে এসেছে তাঁদের গলা টিপতে।

আন্দোলন সর্বপ্রথম শুরু হয়েছিল জানুয়ারিতে, পানিপতের IOCL রিফাইনারিতে। সেখান থেকে NTPC, আদানি পাওয়ার, টাটা স্টিল, জিন্দাল স্টিল সহ নয়টি রাজ্যের দুই ডজনেরও বেশি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে ক্রমশ। ২'রা এপ্রিল থেকে IMT মানেসরের শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘট শুরু হয়। মাত্রাতিরিক্ত গ্যাসের দাম ছিল মূল ইন্ধন। হোন্ডা, মুঞ্জাল শোওয়া, সত্যম অটো, রূপ পলিমার্স, রিচিকো গ্লোবাল, মডেলামা এক্সপোর্টস, রিকো, সুপ্রজিৎ ইঞ্জিনিয়ারিং, সিরমা এসজিএস — একের পর এক কারখানার শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে রাস্তায় নামেন। তাদের দাবি স্পষ্ট: ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস, ডবল ওভারটাইম, এবং নিরাপদ কাজের পরিবেশ। শ্রমিকরা চাইছেন মজুরি ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার করতে হবে। CSTU-র দাবি আরও সরাসরি — ১৯৫৭ সালের শ্রম সম্মেলন এবং ১৯৯২ সালের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী ন্যূনতম মজুরি হওয়া উচিত মাসে ৩০ হাজার টাকা।

৮ এপ্রিল, প্রায় সাত হাজার ঠিকা শ্রমিক একসঙ্গে ধর্মঘটে নামেন। গুরগাঁও জেলা প্রশাসন IMT মানেসরে BNSS-এর ধারা ১৬৩ জারি করে, যাতে পাঁচজনের বেশি জমায়েত না করা যায়। ৯ এপ্রিল রাত থেকে তার পরদিন সকালে শ্রমিকরা কাজে ফেরেননি — বরং কারখানার গেটের বাইরে জমায়েত হন। বেপরোয়া লাঠি চালায় পুলিশ। ২২ জন শ্রমিক আহত হন। ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের মধ্যে ১৭ জন মহিলা শ্রমিক। রিচিকো গ্লোবালের শ্রমিকদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে অগ্নিসংযোগ, হত্যার চেষ্টা, দাঙ্গা ও ষড়যন্ত্রের মতো গুরুতর ধারা।

মানেসরের বেলসোনিকা এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নেতা অজিত সিংকে ৭ এপ্রিল রাত সাড়ে দশটায় দিল্লি পুলিশ তুলে নিয়ে যায়, পরের দিন সকালে ছেড়ে দেয়। তারপর গুরগাঁওয়ে লেবার কাউন্সিলের অফিসে মিটিং শেষ করে বেরিয়ে তিনি নিখোঁজ। নয়ডার CITU নেতা রামশরৎ এবং গঙ্গেশ্বরকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। গৃহবন্দী করা হয়েছে ফরিদাবাদের ক্রান্তিকারি মজদুর মোর্চার সত্যবীর সিংকেও। CASR জানাচ্ছে, প্রতিবাদস্থল থেকে এবং বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পুলিশ স্টেশনে জোর করে নথিতে সই করানো হচ্ছে শ্রমিক প্রতিনিধিদের। শ্রমিক নেতা বেচা প্রসাদ সিং এভাবেই এক বছরের ওপর UAPA তে বন্দী।

হরিয়ানার মানেসর থেকে বিদ্রোহের আগুন সরাসরি উত্তরপ্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। নয়ডার ফেজ ২ এবং সেক্টর ৫৯ থেকে ৬৩ জুড়ে শ্রমিক বিক্ষোভে শহর কার্যত স্তব্ধ। চিল্লা বর্ডার, DND ফ্লাইওয়ে এবং দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়েতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট। রাষ্ট্রীয় দমনের বিরুদ্ধে ১২ই এপ্রিল কালায়াতের সিমলা গ্রামে 'বিগুল মজদুর দস্তা' এবং 'মনরেগা' শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথ প্রতিবাদ সভা করে গুরগাঁও, মানেসর, ফরিদাবাদ এবং নয়ডায়। সভা থেকে আটজন গ্রেফতার হন। আইনজীবী প্রতীক কুমার এবং মহম্মদ তনভীর আলি তাঁদের সাহায্য করতে গিয়েছিলেন। সুরজপুর কোর্ট থেকে তাঁদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে।

এত দমনপীড়নের পরেও স্বতঃস্ফূর্ত শ্রমিক বিক্ষোভে আষাঢ়ে মেঘ দেখছেন অস্ত্রবীর আদিত্যনাথ। 'রাজ্যের উন্নয়ন নষ্ট করার ষড়যন্ত্র' এই বিক্ষোভের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পুলিশ বশংবদ হয়ে তা করেও চলেছে।

হরিয়ানা সরকার ঘোষণা করেছে মজুরি ৩৫ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু শ্রমিক সংগঠনগুলি জানাচ্ছে, সংশোধিত মজুরি হয়েছে মাত্র ১৫,২২০ টাকা — যা তাদের প্রত্যাশার ধারেকাছেও নেই এবং ধর্মঘটের মূল দাবিগুলোর কোনো সমাধানও নয়। এই নতুন মজুরির কাঠামো সব কোম্পানিতে সমানভাবে প্রয়োগও হচ্ছে না।

নতুন শ্রম কোড ধর্মঘটের অধিকার সংকুচিত করেছে, নিয়োগ-বরখাস্তে মালিকের ক্ষমতা বাড়িয়েছে, ঠিকা শ্রমিকদের সুরক্ষা দুর্বল করেছে। শ্রমিকের অনিশ্চয়তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে রক্তচোষা বানিয়াদের মাথার ওপর বসাতে চায় এই কোড। বামপন্থীরা তাই শুরুর দিন থেকেই এর প্রতিবাদ করে চলেছেন৷ এই কোড ভুলিয়ে দিতে চায় যে ধর্মঘট শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার। বোঝাতে চায়, তাঁদের কোন দাবি বা চাহিদা থাকতে নেই।

"বুঝবি যখন আসবে তেড়ে
ন্যাংটো মজুর সাবানকলের"

বিক্ষুব্ধ, প্রতারিত, ক্ষুধার্ত শ্রমিক রাস্তায় নামলে কর্পোরেট মিডিয়ার কাজ একটাই — দেশদ্রোহ খোঁজা। আন্দোলনের পেছনে 'পাকিস্তানের হাত', 'মাওবাদী চক্রান্ত', 'বিদেশি ষড়যন্ত্র' সবরকম ন্যারেটিভই ঠেসে দেওয়া হচ্ছে। লাঠি চলছে। নেতারা নিরুদ্দেশ। অপহৃত। রাস্তায় মার খাচ্ছেন মানুষ। ১৬৩ ধারা জারি হয়েছে। ৪৫ জন কারাগারে। তবুও খেটে খাওয়া মানুষের তীব্র বিক্ষোভ চলছে অকৃত্রিম।

সব আগুন লাঠি দিয়ে নেভানো যায় না। শ্রমজীবী ঐক্য সুদীর্ঘজীবী হোক।

মানেসরের মারুতি সুজুকি প্ল্যান্টে বিক্ষোভের ছবি রইল।( ✍️✍️✍️হিন্দোল গাঙ্গুলি)

চারটি কালা শ্রমকোড বাতিল, মূল্যবৃদ্ধি ও বেসরকারীকরণ রোধ, সরকারী শুন্যপদে নিয়োগ, গীগ ওয়ার্কারদের স্থায়ীকরন সহ বিভিন্ন দাব...
13/02/2026

চারটি কালা শ্রমকোড বাতিল, মূল্যবৃদ্ধি ও বেসরকারীকরণ রোধ, সরকারী শুন্যপদে নিয়োগ, গীগ ওয়ার্কারদের স্থায়ীকরন সহ বিভিন্ন দাবিতে আজ সারা ভারত সাধারন ধর্মঘট ও পশ্চিমবঙ্গ শিল্প ধর্মঘটের সমর্থনে AIUTUC সহ দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশনগুলির কলকাতায় যৌথ মিছিল |

গতকালের মিড ডে মিল কর্মীদের মিছিলের খবর, বর্তমান(11/02/2026)
11/02/2026

গতকালের মিড ডে মিল কর্মীদের মিছিলের খবর, বর্তমান(11/02/2026)

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় স্বরূপনগর ব্লকের বালতি-নিত্যানন্দকাটি অঞ্চলের দুই পরিযায়ী শ্রমিকের মর্মান্তিক ...
10/02/2026

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় স্বরূপনগর ব্লকের বালতি-নিত্যানন্দকাটি অঞ্চলের দুই পরিযায়ী শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রেক্ষিতে নিহতদের পরিবারবর্গকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিতিকরণ সহ পাঁচ দফা দাবিতে অল ইন্ডিয়া মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনএর স্বরূপনগর ব্লক কমিটির পক্ষ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি, স্বরূপনগর বিডিওর কাছে এক ডেপুটেশন দেওয়া হয়। বিডিওর সাথে আলোচনায় ব্লক সম্পাদক ছোট্ট মির্জার নেতৃত্বে ৮ জনেরপ্রতিনিধি দলে নিহত পরিযায়ী শ্রমিক সামিম গাজীর মা রসিদা বিবি ও পরিবারের আরও ২ জন সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে বিডিও দাবিগুলির যৌক্তিকতা স্বীকার করে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন এবং নিহতদের পরিবারবর্গকে অন্তর্বর্তীকালীন সম্মানজনক নিশ্চিত ত্রাণের ব্যবস্থা করেন।

ভাবুন, পুঁজিবাদ কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে ! না জানি কত শিশুর পেটে এই দুধ চলেগেছে। আপনার ধর্ম, আপনার পছন্দের রাজনৈতিক দল ...
10/02/2026

ভাবুন, পুঁজিবাদ কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে ! না জানি কত শিশুর পেটে এই দুধ চলেগেছে। আপনার ধর্ম, আপনার পছন্দের রাজনৈতিক দল বা নেতা, আপনার টাকা পয়সা পারবে কি এই আক্রমনকে বন্ধ করতে! ভাবুন ।

শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী শ্রম কোড বাতিল, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতিগুলির বিরুদ্ধে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ জুড়ে...
10/02/2026

শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী শ্রম কোড বাতিল, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতিগুলির বিরুদ্ধে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশ জুড়ে সাধারণ ধর্মঘট ও পশ্চিমবঙ্গে শিল্প ধর্মঘটের সমর্থনে কলকাতায় যুক্ত মিছিল।

ধর্মতলা লেনিন মূর্তির পাদদেশ থেকে মিছিল শুরু হয়ে শিয়ালদা বিগ বাজার পর্যন্ত মিছিল হয়।
মিছিলে এ আই ইউ টি ইউ সি সহ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

10/02/2026

১২ই ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট সমর্থনে মিছিল ।

12 ফেব্রুয়ারী, দশটি শ্রমিক সংগঠনের ডাকে সারা ভারত সাধারন ধর্মঘট এবং পশ্চিমবঙ্গে শিল্প ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়ে সংগ্রামী ...
10/02/2026

12 ফেব্রুয়ারী, দশটি শ্রমিক সংগঠনের ডাকে সারা ভারত সাধারন ধর্মঘট এবং পশ্চিমবঙ্গে শিল্প ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়ে সংগ্রামী ব্যাংক কর্মী সংগঠন AIBEUF এর পোষ্টার ।

কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের সমস্ত শূন্যপদে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগের দাবিতে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচি কাঁচরাপাড়ায় এ...
09/02/2026

কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের সমস্ত শূন্যপদে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগের দাবিতে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচি কাঁচরাপাড়ায় এবং বীরভূম জেলার নলহাটিতে ।। .
.
.

আজ, ৯ই ফেব্রুয়ারি। ১৮ মাস অতিক্রান্ত আজও বিচার হলো না। প্রতিবাদ কর্মসূচি RG Kar মেডিক্যাল কলেজে (Cry of the hour এর সাম...
09/02/2026

আজ, ৯ই ফেব্রুয়ারি। ১৮ মাস অতিক্রান্ত আজও বিচার হলো না। প্রতিবাদ কর্মসূচি RG Kar মেডিক্যাল কলেজে (Cry of the hour এর সামনে)। উপস্থিত ছিলেন ডাঃ অনিকেত মাহাতো সহ অনেকেই ।





Address

Dharmatala

Telephone

+917479300398

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Labour's Unity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your organization to be the top-listed Government Service?

Share