Pranabes Bhattacharyya

Pranabes Bhattacharyya Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pranabes Bhattacharyya, KOLKATA.

29/11/2025

সময়টায় হয়তো হারিয়ে যাওয়ার, সময় বলতে এই শতাব্দী বলা যেতেই পারে, বা আরও উচ্চাকাঙ্খী হলে এই সহস্রাব্দ, তবে হারিয়ে যাওয়ার বিরাম নেই কিছুতেই।

জল, জমি, জঙ্গল, নয়ানজুলি হারিয়ে গেছে বলে এক বন্ধু ক্ষুব্ধ এবং ক্রুদ্ধ, "শিশু সুলভ" বলে মুখে বললেও জানি বিষয়টা গুরুতর। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সকলের স্বাধীন ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার, দেশের সাংবিধানিক অধিকার, বহুত্ববাদের প্রকাশের অধিকার, ভিন্নমত পোষণ করেও বন্ধু থাকার অধিকার হারিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক গবেষক বন্ধু। মাটির সাথে যোগ নেই বলে খিল্লি করে দিয়েছি নিশ্চিন্তে। মন খারাপ মানুষের মনের খেয়াল রাখার খেয়াল রাখে নি কেউ, তাঁদের অধিকার রাখার কথা সোচ্চার কন্ঠে বলে যাচ্ছেন এক অনুজা, বুর্জোয়া বিলাসিতা বলে ইগনোর করে গেছি, হয়তো (?) অন্যায়ই হয়েছে।

কাজেই এই অবস্থায় হঠাৎ করে ছয় ঋতুর মধ্যে এক ঋতু খুঁজে পাই নি বহুদিন বলে দুঃখ করলে ফেসবুক সমাজ ভালো চোখে নেবেন না। দুঃখ করার নিতান্তই কিছু একটা চাই বলে এই সব ঢং, এমন বললেও তর্কে যাব না।

তবে আমার দেওয়ালে আমার বার্তা, এই ভাবনা থেকেই এক মন কেমন করার কথা, হেমন্ত হারিয়ে যাচ্ছে। সামান্য হেমন্ত হারিয়ে গেলে কি বা যায় আসে কেউ বলতেই পারেন, তবে অভিমান না করলেও, হেমন্তের ইতিহাস ভোলার নয়। ছোটবেলার কথা মনে ভিড় করে আসে, হেমন্ত এতটা দুর্লভ এবং অদেখা ছিল না ছোট বেলায়। স্পষ্ট বুঝতে পারতাম শরতের চলে যাওয়া, শীতের পদধ্বনি আসত জানান দিয়েই, মাঝের সময় টুকু নিরবিচ্ছিন্ন হেমন্তের হাতে। দুর্গাপূজার সাথে হিসেব মিলিয়েই হয়তো শরৎ আর হেমন্তের ফারাকটা আরও বেশী করে চোখে পড়ত। শরৎ মানেই মাঠ জুড়ে প্যান্ডেল আর আলোর ঝলকানি, আর সেই মাঠেই বিসর্জনের পর বাঁশ, দড়ি আর অগণিত উপেক্ষিত পেরেকের সাথে এক অসামান্য অবুঝ নীরবতা, খবর দিত হেমন্ত আসছে।

দূরকমের হেমন্ত দেখার কথা মনে আছে, সম্পূর্ণ আলাদা রকম সময়কালে স্থান, কাল, পাত্র সব পাল্টালেও এক এবং একমাত্র যোগসূত্র ছিল হয়তো এই হেমন্ত, তাই আরও বেশী করেই মনে আছে।

হেমন্তের সাথে প্রথম আলাপ রাঢ় বাংলায় এক লাল মাটির শহরে, হেমন্ত তখন ঠিক সেই সময়টা যখন বিকেলে খেলতে গেলেই হঠাৎ করে সন্ধ্যে এসে যেত আর খেলা বাকী রেখেই বাড়ি ফিরতে হত। সেই সময়ে এজন্য মন খারাপ হত না বললে মিথ্যা কথাই বলা হবে, তবুও কেন জানি না সেই এগিয়ে আসা সন্ধ্যগুলো বড় কাছের ছিল। বাড়ি ফিরতে ফিরতে দেখতাম ল্যাম্পপোস্টের আলো জ্বলে উঠছে, আশেপাশের বাড়ি থেকে ভেসে আসছে ধূপের গন্ধ আর শঙ্খের ধ্বনি, আমি আনন্দে এটুকু ভেবেই যে বাবার সাদা এম্বাসেডর বাড়ির সামনে আসার সময় হয়ে এল।

আগের মিলেনিয়ামের শেষ দশকে আমাদের সেই মফস্বল শহরে ঠান্ডা পড়ত একটু বেশী, তবে গরমকালের লোডশেডিং এর উৎপাত খানিক কমে যেত শরৎ পেরোলেই আর আমাদের সেই পাড়ায় সন্ধ্যা হলে সব বাড়ির ছেলে মেয়েদের পড়তে বসার এক আশ্চর্য প্রথা ছিল। তাই বাড়ি ফিরেই পড়তে বসার এক তাড়া ছিল ঠিকই তবে সকালে স্কুল যাওয়ার কারণে দুপুরেই বাড়ির কাজ প্রায় শেষ হয়ে থাকত বলে তেমন দীর্ঘায়িত হত না সন্ধ্যাবেলার পড়াশুনার পর্ব। সন্ধ্যায় বৈঠকখানায় তখন আড্ডা জমে উঠেছে বাবা আর প্রতিবেশী বাবার সহকর্মীদের। এনাদের আসলেই অনেক গুলো ক্যাটাগরিতে একসাথে ফেলা যেত, সরকারি আবাসনে থাকতাম বলে বাবার সহকর্মী আর প্রতিবেশী সেটটা কমন যেত, আর সেই বাম আমলে সরকারি আমলাদের ছেলেরা সকলেই জেলা স্কুলে পড়ত বলে এনাদের অনেকেই আমার সহপাঠী বা সিনিয়র জুনিয়রদের বাবা, তাই এনাদের স্ট্যাটাস অনেক ক্ষেত্রেই নিতান্ত "বাবার কলিগ" এর চাইতে অনেকটা কাছের। ওনাদের গল্প আড্ডা শুনতাম মাঝে মাঝে পর্দার আড়াল থেকেই, আর তখনই গুটি কতক মানুষের নিন্দা মন্দ শুনেছিলাম বেশ বেশী রকম। নাম গুলো ঝাপসা হলেও লোকগুলোর দোষ না কি একটাই, "তেল দেওয়া"। ব্যাপারটা স্পষ্ট না বুঝে অবাক হতাম, কারণ তখন তেল মেখে চান করা নিত্য দিনের অভ্যাস ছিল আমাদের। গিজার লাগত না, হেমন্ত বা শীত যাই হোক এক বালতি জল নিয়ে বারান্দায় এক ঘণ্টা রাখলেই কাজ হত।

যা হোক বাবার সেই সান্ধ্য আড্ডার পর আমার আর ভাইয়ের বাবার কাছে গল্প শোনার একটা অবকাশ বেরিয়েই আসত, আর সেই গল্পগুলোর মজা তখন না বুঝলেও পরে এসে বুঝেছি। কি আশ্চর্য, ঐ গল্প গুলো কোনোদিন কোনও বই, পত্রিকা এমনকি ২০ বছর পর ইন্টারনেটেও পাই নি। এখন বুঝি গল্প গুলো সব কটাই বাবার নিজের বানানো, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয়তো তাৎক্ষণিক। তবে অবাক কান্ড সব গুলো গল্প শেষ হত এক রকম ভাবে, যেখানে অনেক গুলো হাবিজাবি লোক একটা রাজা বা জমিদার বা দৈত্যকে হারিয়ে দেয়। আমার বেশ লাগত, মনে মনে ভাবতাম আমরা স্কুলের সব বন্ধু মিলে সেই মাস্টারটাকে, যে একটু দুষ্টুমি করলেই দুমাদ্দুম চড় চাপাটি লাগায়, একদিন ঠিক হারিয়ে দেব।

------- (ক্রমশ)

17/11/2025

সময়টায় হয়তো হারিয়ে যাওয়ার, সময় বলতে এই শতাব্দী বলা যেতেই পারে, বা আরও উচ্চাকাঙ্খী হলে এই সহস্রাব্দ, তবে হারিয়ে যাওয়ার বিরাম নেই কিছুতেই।

জল, জমি, জঙ্গল, নয়ানজুলি হারিয়ে গেছে বলে এক বন্ধু ক্ষুব্ধ এবং ক্রুদ্ধ, "শিশু সুলভ" বলে মুখে বললেও জানি বিষয়টা গুরুতর। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সকলের স্বাধীন ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার, দেশের সাংবিধানিক অধিকার, বহুত্ববাদের প্রকাশের অধিকার, ভিন্নমত পোষণ করেও বন্ধু থাকার অধিকার হারিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক গবেষক বন্ধু। মাটির সাথে যোগ নেই বলে খিল্লি করে দিয়েছি নিশ্চিন্তে। মন খারাপ মানুষের মনের খেয়াল রাখার খেয়াল রাখে নি কেউ, তাঁদের অধিকার রাখার কথা সোচ্চার কন্ঠে বলে যাচ্ছেন এক অনুজা, বুর্জোয়া বিলাসিতা বলে ইগনোর করে গেছি, হয়তো (?) অন্যায়ই হয়েছে।

কাজেই এই অবস্থায় হঠাৎ করে ছয় ঋতুর মধ্যে এক ঋতু খুঁজে পাই নি বহুদিন বলে দুঃখ করলে ফেসবুক সমাজ ভালো চোখে নেবেন না। দুঃখ করার নিতান্তই কিছু একটা চাই বলে এই সব ঢং, এমন বললেও তর্কে যাব না।

তবে আমার দেওয়ালে আমার বার্তা, এই ভাবনা থেকেই এক মন কেমন করার কথা, হেমন্ত হারিয়ে যাচ্ছে। সামান্য হেমন্ত হারিয়ে গেলে কি বা যায় আসে কেউ বলতেই পারেন, তবে অভিমান না করলেও, হেমন্তের ইতিহাস ভোলার নয়। ছোটবেলার কথা মনে ভিড় করে আসে, হেমন্ত এতটা দুর্লভ এবং অদেখা ছিল না ছোট বেলায়। স্পষ্ট বুঝতে পারতাম শরতের চলে যাওয়া, শীতের পদধ্বনি আসত জানান দিয়েই, মাঝের সময় টুকু নিরবিচ্ছিন্ন হেমন্তের হাতে। দুর্গাপূজার সাথে হিসেব মিলিয়েই হয়তো শরৎ আর হেমন্তের ফারাকটা আরও বেশী করে চোখে পড়ত। শরৎ মানেই মাঠ জুড়ে প্যান্ডেল আর আলোর ঝলকানি, আর সেই মাঠেই বিসর্জনের পর বাঁশ, দড়ি আর অগণিত উপেক্ষিত পেরেকের সাথে এক অসামান্য অবুঝ নীরবতা, খবর দিত হেমন্ত আসছে।

দূরকমের হেমন্ত দেখার কথা মনে আছে, সম্পূর্ণ আলাদা রকম সময়কালে স্থান, কাল, পাত্র সব পাল্টালেও এক এবং একমাত্র যোগসূত্র ছিল হয়তো এই হেমন্ত, তাই আরও বেশী করেই মনে আছে।

হেমন্তের সাথে প্রথম আলাপ রাঢ় বাংলায় এক লাল মাটির শহরে, হেমন্ত তখন ঠিক সেই সময়টা যখন বিকেলে খেলতে গেলেই হঠাৎ করে সন্ধ্যে এসে যেত আর খেলা বাকী রেখেই বাড়ি ফিরতে হত। সেই সময়ে এজন্য মন খারাপ হত না বললে মিথ্যা কথাই বলা হবে, তবুও কেন জানি না সেই এগিয়ে আসা সন্ধ্যগুলো বড় কাছের ছিল। বাড়ি ফিরতে ফিরতে দেখতাম ল্যাম্পপোস্টের আলো জ্বলে উঠছে, আশেপাশের বাড়ি থেকে ভেসে আসছে ধূপের গন্ধ আর শঙ্খের ধ্বনি, আমি আনন্দে এটুকু ভেবেই যে বাবার সাদা এম্বাসেডর বাড়ির সামনে আসার সময় হয়ে এল।
.... (আপনারা ভরসা দিলে) ক্রমশ...

বাঙ্গালীর সেকাল একাল।
01/04/2023

বাঙ্গালীর সেকাল একাল।

20/09/2022

আজ যদি ফিরে যেতে বল,
ইনসাফ হবে কি মালিক ?
এ ফসলে লাঙ্গল আমারও,
কান্নার হবে না শরিক ?

জান্নাত চাই নি তো আমি,
চোখে তাই জমে নি বিষাদ;
রাষ্ট্রদ্রোহের গানে তাই,
রাষ্ট্রহীনের ফরিয়াদ।

দিন বদলাবে আমি জানি,
সে আশায় চিঠি লিখে রাখি,
বিপ্লব সমাগত জেনে,
জাগবে আবার আগুনপাখি।

ঐ মেয়েটা ভোর থেকে রাত পথেই থাকে,ঝড় আসলেও সবাইকে ঠিক আগলে রাখে;ঐ মেয়েটা মায়ের মতন মানুষ মানে,যুদ্ধ হলে আগুন হয়েও জ্ব...
26/02/2022

ঐ মেয়েটা ভোর থেকে রাত পথেই থাকে,
ঝড় আসলেও সবাইকে ঠিক আগলে রাখে;

ঐ মেয়েটা মায়ের মতন মানুষ মানে,
যুদ্ধ হলে আগুন হয়েও জ্বলতে জানে।

আমি তো খুঁজিনি শান্তি,যুদ্ধ চেয়েছি প্রতি পলে;কবিতা বা গান নয় যেন,বন্দুকই শেষ কথা বলে।আমি তো লিখিনি পদ্য,মেলেনি তো সে অন্...
23/02/2022

আমি তো খুঁজিনি শান্তি,
যুদ্ধ চেয়েছি প্রতি পলে;
কবিতা বা গান নয় যেন,
বন্দুকই শেষ কথা বলে।

আমি তো লিখিনি পদ্য,
মেলেনি তো সে অন্তমিল;
হৃদয়ের মাঝখান দিয়ে,
গড়ে যাওয়া অমোঘ পাঁচিল।

তবু যদি কোন এক ভোরে,
আত্মার অবাধ্য সুরে,
শুনি মিছিলের আহ্বান,
জোট বেঁধে কৃষকে মজুরে;

আমি চুপ থাকবো না যেন,
ফেটে পড়বো ই ঠিক রাগে,
বুলেট বাঁচিয়ে রেখো তুমি,
প্রত্যেক যোদ্ধার ভাগে।

দিন বদলাবে আমি জানি,
অবাধ্য গ্রামেতে শহরে,
লিখে যাই তারই দিনলিপি,
উদ্ধত দৃঢ় অক্ষরে।

লাল পতাকায় লেখা হয়ে গেছে নাম,আজকেও তুই ভিড়ের মাঝেই আছিস;দিন বদলাবে, লেখা হবে ইতিহাস,এই দ্রোহকালে আমরা সবাই আনিস।
22/02/2022

লাল পতাকায় লেখা হয়ে গেছে নাম,
আজকেও তুই ভিড়ের মাঝেই আছিস;

দিন বদলাবে, লেখা হবে ইতিহাস,
এই দ্রোহকালে আমরা সবাই আনিস।

স্নেহস্পদ কানাই,আশা করি মাতা গান্ধীর আশীর্বাদে কুশলেই আছো। বয়সে ছোট হলেও অনেক মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা সম্ভ্রম এনে দেয় তা...
28/09/2021

স্নেহস্পদ কানাই,

আশা করি মাতা গান্ধীর আশীর্বাদে কুশলেই আছো। বয়সে ছোট হলেও অনেক মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা সম্ভ্রম এনে দেয় তাঁর সংগ্রাম, তাঁর ত্যাগ, তাঁর জীবন চর্যা। তুমিও তেমনই একজন ছিলে, যাকে দেখে ভরসা পেতাম, আশায় বুক বাঁধতাম এদেশের মানুষের মুক্তি সংগ্রামের।

কানাই, তোমাকে জ্ঞান দেওয়ার স্পর্ধা আমার নেই, তবু ছাত্র আন্দোলনের এক প্রাক্তন সাধারণ সৈনিক হিসেবেই কিছু প্রশ্ন ছিল। উত্তর দেওয়ার সময় সুযোগ হবে কি না জানি না, তবু প্রশ্নগুলো খুব সরল, তুমি না হলেও তোমার ভক্ত অনুরাগীরা উত্তর খুঁজে দেবে হয় তো।

১. স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা তোমার কথায় উঠে এসেছে বারবার, কিন্তু তোমার কি মনে হয় না দেশ স্বাধীন হবার পর পেরিয়ে গেছে ৭৪ বছর এবং তার মধ্যে এক সুদীর্ঘ সময়কাল তোমার নতুন দল ছিল ক্ষমতায়❓

২. CAA-NRC বিরোধী সংগ্রামে যখন সারাদেশ উত্তাল হয়েছে, অজস্র মানুষ গেছেন কারাগারে, চলেছে গুলি, ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী হয়েছেন আমাদের অগুনতি সহ নাগরিক, তোমার নতুন দলের ভূমিকা ঠিক কি ছিল ❓

৩. হিন্দুত্ববাদ তথা মনুবাদের বিরুদ্ধে তোমার মনোভাব এবং প্রতিস্পর্ধী আন্দোলনের কথা মানুষের মুখে মুখে আজও ফেরে, কিন্তু হিন্দুত্ববাদ প্রসঙ্গে তোমার নতুন দলের অবস্থান কি তোমার খুব বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় কানাই ❓

৪. দিল্লী দাঙ্গার কথা অনেকে ভুলে গেলেও তোমার মনে থাকবেই আমি জানি, সেই দাঙ্গার সময় দিল্লী জুড়ে তোমার নতুন দলের নেতা কর্মীদের আক্রান্ত মানুষের পাশে থাকতে দেখেছ কানাই ❓

৫. জাতপাতের নিগড় ভাঙবে তুমি এমনই তো কথা ছিল, কিন্তু তোমার নতুন দল তোমাকে তার অনুমোদন দেবে তো কানাই ❓

৬. বাল্য বিবাহের মত কুপ্রথা একটি রাজ্যে আইনসিদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছে
তোমার নতুন দলের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকার, কানাই তুমি আটকে দেবে তো ❓

৭. সারা ভারতের মেহনতী মানুষ, যাঁদের তোমার আগের দল "সর্বহারা" বলত, তাঁদের নিয়ে তোমার তো শ্রেণী আন্দোলন করার কথা ছিল কানাই। শ্রেণী আন্দোলন না করেই তাঁরা এই পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থার মধ্য থেকে মুক্তি পাবেন এটা তোমার নতুন দল নিশ্চিত করতে পারবে কানাই ❓

যাই হোক ভালো থেকো।
যেই লড়াইয়ের কথা শুনে তোমাকে ভালো লাগা, ভালোবাসা সেই লড়াই আসবে আবার ❓
নোট বন্দীর সময়, মূল্য বৃদ্ধির সময়, অপরিকল্পিত লক ডাউনের সময়, NRC-CAA বিরোধী আন্দোলনের সময় তোমার নতুন দলের যা ভূমিকা ভরসা করতে ভয় হয়।

তবুও স্নেহ সততই দুর্বলতা ডেকে আনে, বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবারে পারবে, এতদিন তুমি ছিলে না বলেই পারে নি। এখন ঠিক পারবে।

মানুষের ঐক্যে, মানুষের গণ আন্দোলনে ভরসা রেখো কানাই।

আমাদের দেশের মানুষ দেবতায় ভরসা রাখে, আর কে না জানে দেবদূতেরা বরাবর কাস্তে হাতুড়ি পতাকা নিয়েই এসেছেন।

সুস্থ থেকো।
লড়াইয়ে থেকো।

তোমার নতুন দলকে ভালোবাসি না ঠিক, কিন্তু তুমি তো কাছের, কাজের, মনের মানুষ।

স্নেহাশীষ নিও।
(তোমার নতুন দল রাগ করবে জানি) রক্তিম অভিনন্দন।

10/04/2021

মনে থাকবে না জানি তাও,
মুছে যাবে রক্তের দাগ,
বিজয় মিছিল যাবে ঠিক,
খুঁজবে না ওদের কখনও।

ওরা তো সেলিব্রিটি নয়,
এক দিনই দেখাবে টিভিতে,
জানত শুধুই ভোট দিতে,
মৃতদের ভোট নেই কেন ❓

ঐতিহাসিক_____________স্কুল জীবন থেকেই বিষয়টা তেমন পছন্দের ছিল না আমার, পড়তে ভালো লাগত না, নাম্বার ও তেমন পেতাম না তাই।...
29/03/2021

ঐতিহাসিক
_____________

স্কুল জীবন থেকেই বিষয়টা তেমন পছন্দের ছিল না আমার, পড়তে ভালো লাগত না, নাম্বার ও তেমন পেতাম না তাই।

তবু আজ শরণাপন্ন হতেই হয় ইতিহাসের।
চোখ বুজলেই সেই তো সেদিন, ১৪ মার্চ, ২০০৭, রাজাবাজার বিজ্ঞান কলেজের ক্যান্টিনের সামনে বসেই হঠাৎ খবর পাওয়া গেল গুলি চালিয়েছে পুলিশ, কৃষক দরদী মানবিক সরকারের পুলিশ গুলি চালিয়েছে বিক্ষোভরত কৃষকদের ওপর।
হতাহত অগুন্তি, চলছে লাশ লোপাট করার ষড়যন্ত্র।

কোথাও মনের কোণে খটকা, পুলিশমন্ত্রীকে তো আমরা চিনি, ঐ মানুষটা এই নির্দেশ দিলেন, নিরস্ত্র অন্নদাতার বুকে বুলেট? অত ভাবার সময় নেই তখন, কিছু একটা অঘটন ঘটে গেছে কোন ভাবে।

ততক্ষণে আক্রমণ শুরু করে দিয়েছে দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক দল গুলি এবং তাদের চাটুকার তথাকথিত অতি বামেরা।
নরখাদক, পুঁজির দালাল, সংশোধনবাদী এরকম সব বাছা বাছা বিশেষণ উড়ে আসছে তাঁর দিকে।

তিনি মুখ খোলেন নি, অভিমান হয়েছিল নিশ্চয়ই, জানতে আর দিলেন কৈ, ঝড়ের মুখে একা সমস্ত আক্রমণ টুকু নিজেই আত্মস্থ করলেন, হাসি মেলাল মুখের, চোয়াল হল শক্ত, স্বপ্ন দেখার সাহস যোগাত যেই চোখ সেখানে তখন স্বপ্ন ভাঙার বেদনা, তার চাইতেও বেশী করে হয়তো অভিমান, যেই রাজ্যবাসীর জন্য তাঁর এই জান কবুল লড়াই তাঁরাই ভুল বুঝল তাকে।

চলল "আন্দোলন", উড়ে এলেন রাজনাথ, "হার্মাদ" খুঁজলেন চিদম্বরম, অনুগ্রহভোগী "সুশীল" সমাজ সঙ্গত করলেন, তিনি বিদায় নিলেন।

বাইরে আসেন না আর তেমন,
চোখের স্বপ্ন ঝাপসা,
হাঁফ ধরে বেশী কথা বললে,
মাঝে মাঝে নিজের মনে আঁকিবুঁকি কাটেন, তাও বেস্টসেলার হয়।

তবুও নিরন্তর নিজের মনেই বলে চলেন,

"এভাবে রাজ্য চলতে পারে না,
শ্মশান হয়ে যাচ্ছে রাজ্যটা,
নতুন প্রজন্ম কি নিয়ে বাঁচবে ?"

দিন যায়, বছর যায়,
জটিল হয়ে ওঠে দক্ষিণপন্থী দলের নিজেদের দ্বন্দ্ব,
হঠাৎ করেই এক লহমায় ভেঙে পড়ে মিথ্যের মেঘপুঞ্জ,
১৪ বছর পরে আরেক মার্চ মাসে স্পষ্ট হয় চক্রান্তের চোরাগলি।

তিনি স্মিত হাসেন পাকা দাড়ি গোঁফের আড়ালে,
নীরবে সোচ্চার প্রশ্ন করেন রাজ্যের ১০ কোটি মানুষকে,

"বড় দেরি হয়ে গেল না কি ?"

হঠাৎ করে আজ বড় ভালো লাগে ইতিহাস বিষয়টাকে। এভাবে ন্যায় বিচার তুলে দিতে আর কে পারে?

তাঁকে নিয়ে ইতিহাস লিখবে অধ্যায়ের পর অধ্যায়,
আর ঐ ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য খুব বেশী হলে ক্লেদাক্ত ফুট নোট।

বিধানসভা ভোট হেরেছিলেন স্যার,
ইতিহাসের পাতায় কিন্তু আপনি জয়ীর আসন পেয়ে গেছেন।

আপনার পূর্বসুরী এটুকু বিশ্বাস মানুষের ওপর রেখেছিলেন এই জন্যই।

ভালো থাকুন স্যার,
ঐ হাত বরাভয় আর অনুপ্রেরণা জোগাক সহস্র সংগ্রামকে।

Address

Kolkata

Telephone

+918240126290

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pranabes Bhattacharyya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share