29/08/2026
স্বভাব যায় না মলে ..
যে রঙকে আপনারা নিশানা করছেন, সেই রঙের তাণ্ডব দেখেছিল '' প্রজাপতি দক্ষ ''
সেই রঙের তাণ্ডব দেখেছিল '' আফগান (পাঠান) বাহিনী '' গোকুলের যুদ্ধে
সেই রঙের তাণ্ডব দেখেছিল '' ঔরঙ্গজেবের বাহিনী ''
বিশ্বাস করুন, আপনারা নিজেদের স্বপ্নেও সেই তাণ্ডব দেখতে চাইবেন না ..
BJP West Bengal
Suvendu Adhikari
৭ই আগস্ট ইস্টবেঙ্গল গ্যালারিতে বাংলা ভাষার প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি টিফো দেখানো হয়েছিল। সেই ছবি আনন্দবাজারের প্রথম পাতায় প্রকাশিত হলেও, ছবির নিচে কোনো ব্যাখ্যা বা প্রাসঙ্গিক তথ্য ছিল না। শুধুমাত্র ফটোগ্রাফারের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সেই সময় আনন্দবাজার সেই ছবিটিকে "টিফো" হিসেবেই দেখেছে, এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের নাম যুক্ত করেনি।
তবে গতকালের ছবির ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র হিন্দু বাঙালি শরণার্থীদের কথা লেখা আছে বলেই, আনন্দবাজার কেন এটাকে 'বিজেপির ভাষ্য' বলছে? শরণার্থীদের কথা বলা কি শুধু বিজেপির একার অধিকার? যারা নিজেদের জীবন বাঁচাতে অন্য দেশ থেকে এই দেশে আসতে বাধ্য হয়েছে, তাদের কথা বলা কি ভুল? আনন্দবাজারের এই ধরনের মন্তব্য তাদের পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট করে।
গণমাধ্যম সমাজের আয়না হওয়া উচিত, যা নিরপেক্ষভাবে সব ঘটনা তুলে ধরে। কিন্তু আনন্দবাজার তাদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। তারা গ্যালারির সাধারণ সমর্থকদের আবেগ বা প্রতিবাদকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা হিসেবে দেখিয়ে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে।
আনন্দবাজারের উচিত ছিল নিরপেক্ষভাবে ঘটনাটি তুলে ধরা। যদি তারা টিফোটির পেছনের বার্তা ব্যাখ্যা করতে চাইত, তাহলে তারা বলতে পারত, "কিছু সমর্থক হিন্দু বাঙালি শরণার্থীদের নিয়ে তাদের বার্তা তুলে ধরেছে।" কিন্তু সরাসরি রাজনৈতিক দলের নাম টেনে আনা শুধু অসাংবাদিকতাই নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিও অন্যায়। এই ধরনের সাংবাদিকতা শুধু সমাজের বিভাজনই বাড়ায়, যা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
#আনন্দবাজার #সাংবাদিকতা #নিরপেক্ষতা #বাঙালির_কণ্ঠ