Netaji Subhas Brigade Ek Sangram

Netaji Subhas Brigade Ek Sangram Society for Research and Awareness on the True History of Netaji and India's Freedom Fighters
(A Non-Political Initiative)

18/08/2026

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম মহান বিপ্লবী ও শহীদ ভগৎ সিং-এর বাকি বিপ্লবী বন্ধু দের চেনেন?
কিছুটা এই ভিডিও টা তে জন্য যাবে যাদের কেউ চেনেন না.
জয় হিন্দ জয়তু সুভাষ 🙏

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

বিবেকের বার্তা নিয়ে পথচলা: ব্যারাকপুর থেকে অযোধ্যা পাহাড়অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাতে এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বস...
18/08/2026

বিবেকের বার্তা নিয়ে পথচলা: ব্যারাকপুর থেকে অযোধ্যা পাহাড়

অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাতে এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নীতি ও আদর্শকে ছড়িয়ে দিতে ব্যারাকপুর থেকে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় পর্যন্ত এক ঐতিহাসিক 'জনসংযোগ যাত্রা' সম্পন্ন করেছিলেন 'নেতাজি সুভাষ ব্রিগেড – এক সংগ্রাম'-এর অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক প্রসেনজিৎ ঘোষ।

এই চেতনার যাত্রাপথে এক অভূতপূর্ব ও হৃদয়স্পর্শী মুহূর্ত গড়ে ওঠে, যখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে বেশ কিছু সাধারণ মানুষ সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁদের মধ্যে চারজন মাতৃশক্তি (ঝাঁসি রানী ব্রিগেড)—যাঁরা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর দেশপ্রেম, আপসহীন দৃষ্টিভঙ্গি এবং 'নেতাজি সুভাষ ব্রিগেড – এক সংগ্রাম'-এর মূল নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মন খুলে আলোচনা করেন। তাঁরা নেতাজিজীর ভাবধারায় নিজেদের জীবন পরিচালিত করার দৃশ্যমান অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

দেশমাতৃকার প্রতি এই চারজন মাতৃশক্তির ভালোবাসা, নেতাজির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং সংগঠনের নীতি-আদর্শ বাস্তবায়নে তাঁদের অকৃত্রিম আগ্রহ দেখে আমরা অত্যন্ত আপ্লুত ও অভিভূত।

দেশকে পুনরায় নেতাজির আদর্শে পুনর্গঠিত করতে এবং এই সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যেতে মাতৃশক্তির এই যোগদান আমাদের লড়াইকে আরও নতুন শক্তিতে বলীয়ান করল।

জয় হিন্দ! আজাদ হিন্দ জিন্দাবাদ!
নেতাজি সুভাষ ব্রিগেড – এক সংগ্রাম

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

উত্তাল সমুদ্রে অনড় সংকল্প: নেতাজির ঐতিহাসিক সাবমেরিন অভিযান:-ভারতকে মুক্ত করতে একজন নেতা কতটা দুঃসাহসী ও দৃঢ়সংকল্প হতে প...
18/08/2026

উত্তাল সমুদ্রে অনড় সংকল্প: নেতাজির ঐতিহাসিক সাবমেরিন অভিযান:-

ভারতকে মুক্ত করতে একজন নেতা কতটা দুঃসাহসী ও দৃঢ়সংকল্প হতে পারেন, ইতিহাসের এই অধ্যায়টি তার এক জ্বলন্ত প্রমাণ।

কিয়েল বন্দর থেকে যাত্রা শুরু:
১৯৪৩ সাল—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চরম অস্থিরতার সময়। ভারতের স্বাধীনতার দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলার লক্ষ্যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু জার্মানি থেকে জাপান যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ৮–৯ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে জার্মানির কিয়েল বন্দর থেকে ব্রিটিশদের চোখ এড়িয়ে জার্মান সাবমেরিন U-180-তে চেপে বসেন নেতাজি ও তাঁর বিশ্বস্ত সঙ্গী আবিদ হাসান। দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে, আফ্রিকার উপকূল প্রদক্ষিণ করে তাঁরা প্রবেশ করেন ভারত মহাসাগরে।

ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ বিপত্তি:
পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল মাদাগাস্কারের অদূরে এক গোপন স্থানাঙ্কে জার্মান সাবমেরিনটির সঙ্গে জাপানি সাবমেরিন I-29-এর মিলিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুই সাবমেরিন কাছাকাছি আসতেই শুরু হয় মারাত্মক ঝড় ও প্রকাণ্ড ঢেউ। দুটি ভারী সাবমেরিন কাছাকাছি এলে ধাক্কা লেগে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, আর দূরে থাকলে উত্তাল স্রোতে মানুষ স্থানান্তর করা সম্পূর্ণ আত্মঘাতী!

মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে অনড় সিদ্ধান্ত:
টানা দু'দিন (২৬ ও ২৭ এপ্রিল) চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছিল না। সাবমেরিনের সীমিত জ্বালানি, শত্রু রাডারে ধরা পড়ার ভয় এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে জার্মান ক্যাপ্টেন ওয়ার্নার মুসেনবার্গ মিশন বাতিল করে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানান। কিন্তু নেতাজির উত্তর ছিল পরিষ্কার—ফিরে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই! যেভাবেই হোক তাঁকে জাপানি সাবমেরিনে পৌঁছাতেই হবে।

ইতিহাসের নজিরবিহীন স্থানান্তর:
২৮ এপ্রিল নেতাজি সিদ্ধান্ত নেন ছোট বাতাসভর্তি রাবার ডিঙিতে করে উত্তাল সমুদ্র পার হবেন। ক্যাপ্টেন মুসেনবার্গ এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে প্রথমে রাজি না হলেও নেতাজির অটল সংকল্পের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হন। পাহাড়প্রমাণ ঢেউ আর নিশ্চিত মৃত্যুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে নেতাজি ও আবিদ হাসান সেই ছোট রাবার বোটে নামেন এবং ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিরাপদে জাপানি সাবমেরিন I-29-এ গিয়ে পৌঁছান।

সামরিক ইতিহাসের পাতায় বিশ্বযুদ্ধের আবর্তে উন্মুক্ত উত্তাল সমুদ্রে এক সাবমেরিন থেকে অন্য সাবমেরিনে কোনো রাষ্ট্রনেতার এমন বিপজ্জনক স্থানান্তর ছিল একমাত্র এবং অভূতপূর্ব ঘটনা।

স্বাধীনতার নতুন ভোর:
এই দুঃসাহসিক অভিযানের পর ৬ মে তাঁরা সুমাত্রার সাবাং দ্বীপে পৌঁছান এবং সেখান থেকে টোকিও পৌঁছে নেতাজি 'আজাদ হিন্দ ফৌজ'-এর সর্বাধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন। দেশের স্বাধীনতার কাছে নিজের জীবন তাঁর কাছে কতটা গৌণ ছিল, এই ঘটনা তার স্পষ্ট প্রমাণ।

যে মানুষটি দেশের জন্য মৃত্যুর মুখে পা বাড়াতে দু'বার ভাবেননি—তাঁকে আজ যারা হেয় করার দুঃসাহস দেখায়, তারা কি আদৌ ভারতবাসী?

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদলিপি"সম্প্রতি যাদবপুরে বামপন্থীদের একটি জনসভায় মোঃ সেলিম এবং দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের মতো শীর্ষস্থান...
18/08/2026

তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদলিপি

"সম্প্রতি যাদবপুরে বামপন্থীদের একটি জনসভায় মোঃ সেলিম এবং দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের মতো শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতিতে, মঞ্চে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রতিকৃতি তাঁদের পায়ের কাছে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

ভারতের স্বাধীনতার মহান নায়ক তথা আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক নেতাজির প্রতি এই চরম অনাদর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দেশমাতৃকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বীরের প্রতিকৃতির প্রতি এই ধরনের অবহেলা কোটি কোটি দেশবাসী এবং নেতাজিজানদের আবেগ ও শ্রদ্ধাবোধে প্রচণ্ড আঘাত হানে।

যে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি বা মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের জাতীয় বীরদের প্রতি ন্যূনতম সম্মান ও মার্জিত আচরণ প্রদর্শন করা পরম কর্তব্য।

'নেতাজি সুভাষ ব্রিগেড – এক সংগ্রাম'-এর পক্ষ থেকে এই অনভিপ্রেত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি।"

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

18/08/2026

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু: সশস্ত্র সংগ্রাম ও ঔপনিবেশিকতাবিরোধী বিপ্লব

এটি তাঁর বিভিন্ন বিতর্কিত সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন নয়—বরং ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির ক্ষেত্রে তাঁর আপসহীন ও সশস্ত্র (militant) পন্থার প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা। বিশেষ করে, অন্য ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের অহিংস পদ্ধতির তুলনায় তাঁর এই অবস্থান ছিল একেবারেই আলাদা।

সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও জাতীয়তাবাদী নেতা। ভারতের বুকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর দুঃসাহসিক অবাধ্যতা ও প্রত্যক্ষ চ্যালেঞ্জ তাঁকে কোটি কোটি ভারতীয়র কাছে নায়কের আসনে বসিয়েছিল। তিনি মূলত গান্ধীর অহিংস নীতি প্রত্যাখ্যান এবং ঔপনিবেশিক শাসন অবসানে সশস্ত্র ও আপসহীন পন্থা অবলম্বনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

'নেতাজি' (যার অর্থ 'শ্রদ্ধেয় নেতা') সম্মানসূচক উপাধিটি প্রথম ১৯৪২ সালের শুরুর দিকে জার্মানিতে তাঁর নামের পূর্বে ব্যবহৃত হয়। বার্লিনে অবস্থিত 'স্পেশাল ব্যুরো ফর ইন্ডিয়া'-র জার্মান ও ভারতীয় কর্মকর্তা এবং 'ইন্ডিশে লেজিয়ন'-এর ভারতীয় সৈন্যরা প্রথম তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেন। বর্তমানে সমগ্র ভারতজুড়ে তিনি এই নামটিতেই পরম শ্রদ্ধায় স্মরিত হন।

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

17/08/2026

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Netaji Subhas Brigade Ek Sangram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share