BJP - Supporters Maynaguri Town

BJP - Supporters Maynaguri Town ভারতীয় জনতা পার্টির সমর্থকদের স্বাগত

২১ শে জুলাই আসিতেছে !!
19/07/2026

২১ শে জুলাই আসিতেছে !!

অবশেষে অ্যাকশনে প্রশাসন! গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অভিষেকের 'অবৈধ' কার্যালয়! তৃণমূলের দুর্গের ওপর এবার বুলডোজার!যেখান থেকে চল...
18/07/2026

অবশেষে অ্যাকশনে প্রশাসন! গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অভিষেকের 'অবৈধ' কার্যালয়!
তৃণমূলের দুর্গের ওপর এবার বুলডোজার!

যেখান থেকে চলত ক্ষমতার আস্ফালন, যেখান থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো এলাকার সমস্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড—আজ সেই বহুতল গুঁড়িয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন। ফেরেপবাজ, কয়লা ভাইপো আর ছাপ্পা ভোটের তকমা পাওয়া ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিলাসবহুল অবৈধ ৫ তলা সাংসদ কার্যালয় ভাঙার কাজ শুরু হলো।

ঠিক কী ঘটেছে আজ!

বুলডোজারের গর্জন: সকাল থেকেই বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা জেসিবি ও বুলডোজার নিয়ে হাজির হয়েছেন এলাকায়।

ধুলোয় মিশছে ৫ তলা অহংকার: নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে গড়ে তোলা হয়েছিল এই বিশাল বেআইনি অফিস। আদালতের কড়া নির্দেশ এবং প্রশাসনের সদিচ্ছায় আজ তা ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো করা হচ্ছে।

এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন—"আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।" এতদিন যে ক্ষমতার দাপটে মানুষ মুখ খুলতে পারতেন না, আজ সেখানে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন অনেকে।

ছাপ্পা ভোট দিয়ে বা কয়লা-বালির সিন্ডিকেট চালিয়ে সাময়িক ক্ষমতা পাওয়া গেলেও, আইনের হাত থেকে যে পার পাওয়া যায় না—আজকের এই ঘটনা তারই প্রমাণ।

জয় মা 🙏
18/07/2026

জয় মা 🙏

18/07/2026

আজকে তৃণমূলের ইমপ্লোশনের ফলে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে সেখানে যেন সিপিএম ঢুকে না পড়ে সেদিকে বিজেপিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

কম্যুনিস্ট মানেই ভন্ড, এই সরল কথাটা এখনো আমাদের, অর্থাৎ বাঙালি হিন্দুদের অনেকের মগজে ঢুকল না?

এর উপরে বাঙালি-হিন্দু (নামে মাত্র) কম্যুনিস্টরা মুসলমানের ভোটের জন্য আধ হাত জিভ বার করে ল্যা ল্যা করে। বিকাশ ভট্টাচার্যের ভাগাড় থেকে তোলা পচা গরুর মাংস খাওয়া তারই নিদর্শন - যদিও মহম্মদ সেলিমকে শুয়োরের মাংস খাওয়ানো যায় নি। তবে ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে সেলিম বড়বাজারে হনুমান মন্দিরে হনুমানজির চরণামৃত খেয়েছিল।

আজ থেকে চব্বিশ বছর আগে, ২০০২ সালে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সাহস করে বলে ফেলেছিল সীমান্ত অঞ্চলে বেশ কিছু মাদ্রাসায় দেশবিরোধী প্রচার হয়। সেই খবর গণশক্তি সমেত সব কাগজে ছাপা হয়। পরদিন ভন্ড পার্টির চাপে বুদ্ধ সেই উক্তি সটান অস্বীকার করে।

✍️ তথাগত রায়

18/07/2026

🔱 জল্পেশ মন্দির — উত্তরবঙ্গের প্রাচীন শৈব তীর্থের গৌরবগাথা 🔱জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির পবিত্র ভূমিতে অবস্থিত জল্পেশ মন...
17/07/2026

🔱 জল্পেশ মন্দির — উত্তরবঙ্গের প্রাচীন শৈব তীর্থের গৌরবগাথা 🔱

জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির পবিত্র ভূমিতে অবস্থিত জল্পেশ মন্দির শুধু একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি উত্তরবঙ্গের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানুষের অগাধ বিশ্বাসের এক অনন্য প্রতীক।

কথিত আছে, এই পবিত্র ধামে অধিষ্ঠিত রয়েছেন ভগবান মহাদেব জল্পেশ্বর রূপে। ভক্তদের বিশ্বাস, এখানকার শিবলিঙ্গ অনাদি ও স্বয়ম্ভূ। যুগ যুগ ধরে অসংখ্য ভক্ত এই ধামে এসে প্রার্থনা করে শান্তি ও আশীর্বাদ লাভ করেন।
ইতিহাসের পাতায় জল্পেশ মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কোচ রাজবংশের নাম। প্রাচীনকালে রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এই মন্দিরের নির্মাণ ও সংস্কার হয়।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ঝড়, সময়ের পরিবর্তন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও জল্পেশ মন্দির আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

শ্রাবণ মাসে যখন ভক্তরা শিবের মাথায় জল ঢালতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন, তখন সমগ্র জল্পেশ ধাম ভরে ওঠে "হর হর মহাদেব" ধ্বনিতে। মহাশিবরাত্রি ও শ্রাবণী মেলা এই অঞ্চলের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম বড় উৎসব।

জল্পেশ আমাদের শুধু ভক্তির শিক্ষা দেয় না, মনে করিয়ে দেয় আমাদের প্রাচীন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কথা।
🙏 হর হর মহাদেব 🙏

#জল্পেশ_মন্দির
#ময়নাগুড়ি
#উত্তরবঙ্গের_ঐতিহ্য
#হরহরমহাদেব

জলপাইগুড়ি রোড স্টেশন ☘️আজ বেলা ১ টায় ভার্চুয়াল উদবোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জী, উপস্থিত থাকবেন মাননীয় সুকান্ত মজুমদ...
17/07/2026

জলপাইগুড়ি রোড স্টেশন ☘️
আজ বেলা ১ টায় ভার্চুয়াল উদবোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জী, উপস্থিত থাকবেন মাননীয় সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

17/07/2026

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শুরু থেকে বর্তমান ইতিহাস (সংক্ষিপ্ত ধারাবাহিক বিবরণ)
১. সূচনা পর্ব: জনসংঘের সময় (১৯৫১–১৯৭৭)
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শিকড় রয়েছে ভারতীয় জনসংঘ-এর মধ্যে। ১৯৫১ সালে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জনসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতার এই নেতা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
জনসংঘের মূল ভাবধারা ছিল জাতীয়তাবাদ, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান। তবে সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস ও পরে বাম রাজনীতির শক্তিশালী প্রভাবের কারণে জনসংঘ বড় শক্তি হয়ে উঠতে পারেনি।

২. বিজেপির জন্ম ও প্রথম দিকের সংগ্রাম (১৯৮০–১৯৯০)
১৯৮০ সালে জনসংঘের উত্তরসূরি হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) প্রতিষ্ঠিত হয়।
পশ্চিমবঙ্গে প্রথমদিকে বিজেপির সংগঠন ছিল খুব সীমিত। কয়েকটি শহর ও নির্দিষ্ট অঞ্চলে দলীয় কার্যক্রম চললেও নির্বাচনী সাফল্য খুব বেশি ছিল না।

৩. রাম জন্মভূমি আন্দোলন ও সংগঠন বৃদ্ধি (১৯৯০-এর দশক)
১৯৯০-এর দশকে রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সময় বিজেপির জনসমর্থন বাড়তে শুরু করে। পশ্চিমবঙ্গেও দলের কর্মী ও সমর্থক সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।
১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে কিছু আসন লাভ করে এবং রাজ্যে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়।

৪. বাম আমলে বিজেপির ধীরে ধীরে বিস্তার (২০০০–২০১০)
দীর্ঘ বামফ্রন্ট শাসনের সময়ে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে প্রধান বিরোধী দল হতে পারেনি। তবে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং কিছু শহরাঞ্চলে সংগঠন শক্তিশালী করতে থাকে।
এই সময় তপন সিকদার, রাহুল সিনহা-দের মতো নেতারা সংগঠন বিস্তারে ভূমিকা নেন।

৫. তৃণমূল আমলে বিজেপির উত্থান (২০১১–২০২১)
২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি ধীরে ধীরে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসে।
বিশেষ করে:
২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ২টি আসন পায়।
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়ে ১৮টি আসন জয় করে।
উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল ও সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজেপির সংগঠন দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
এই সময়ে দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি হিসেবে সংগঠন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

৬. ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে বড় শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
ফলাফল:
বিজেপি ৭৭টি আসন লাভ করে।
তৃণমূল কংগ্রেস তৃতীয়বার সরকার গঠন করে।
বিজেপি প্রধান বিরোধী দল হয়।

৭. ২০২১-এর পর থেকে বর্তমান সময়
২০২১-এর পর বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সংগঠন মজবুত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দলের প্রধান লক্ষ্য:
বুথ স্তরের সংগঠন বৃদ্ধি
নতুন কর্মী যুক্ত করা
উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে সমর্থন বাড়ানো
পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে শক্তি বৃদ্ধি

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে আগের তুলনায় কম আসন পেলেও দল রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলির একটি হিসেবে রয়েছে।

২০২৬ এ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে বিধানসভায় সরকার গঠন

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সভাপতি (ক্রম অনুযায়ী)
রাহুল সিনহা
দিলীপ ঘোষ
সুকান্ত মজুমদার
শমীক ভট্টাচার্য

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজনৈতিক পথচলার সারাংশ
জনসংঘের ছোট সংগঠন → বিজেপির প্রতিষ্ঠা → ধীরে ধীরে বিস্তার → ২০১৯-এ বড় উত্থান → ২০২১-এ প্রধান বিরোধী দল এবং বর্তমানে সরকার এর দায়িত্বে,

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির উত্থান গত তিন দশকের অন্যতম বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হয়।

🚨 ময়নাগুড়ি শহরের জরুরি ফোন নম্বরগুলি সংরক্ষণ করে রাখুন 🚨বিপদ কখনও বলে আসে না। তাই জরুরি সময়ে দ্রুত সাহায্য পাওয়ার জন...
17/07/2026

🚨 ময়নাগুড়ি শহরের জরুরি ফোন নম্বরগুলি সংরক্ষণ করে রাখুন 🚨
বিপদ কখনও বলে আসে না। তাই জরুরি সময়ে দ্রুত সাহায্য পাওয়ার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ নম্বরগুলি আপনার মোবাইলে সেভ করে রাখুন।

📞 সর্বজনীন জরুরি পরিষেবা 🚔 পুলিশ: 112

🚑 অ্যাম্বুলেন্স: 108

🚒 ফায়ার সার্ভিস: 101

👮 ময়নাগুড়ি থানা
☎️ 7810900177

🏥 ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল
☎️ 03561-233062
📱 9475757275

🚆 নিউ ময়নাগুড়ি রেলওয়ে সংক্রান্ত জরুরি যোগাযোগ
☎️ 03561-234219

🙏 আপনার পরিবার, বন্ধু ও পরিচিতদের কাছে এই তথ্যটি শেয়ার করুন।
একটি জরুরি নম্বর কখনও কখনও একটি জীবন বাঁচাতে পারে।
📍 সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন।
#ময়নাগুড়ি #জরুরি_ফোন_নম্বর

Address

Mainaguri
Mainaguri
735224

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BJP - Supporters Maynaguri Town posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share