Aawaz-The Voice of Society

Aawaz-The Voice of Society The voice of society

কলকাতার ঘটনা। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে — নেই বড় কোনও মিডিয়া ট্রায়াল, নেই টানা শোরগোল, নেই রাস্তাজুড়ে প্রতিবাদ, নেই মিছিলের...
25/05/2026

কলকাতার ঘটনা। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে — নেই বড় কোনও মিডিয়া ট্রায়াল, নেই টানা শোরগোল, নেই রাস্তাজুড়ে প্রতিবাদ, নেই মিছিলের ঢেউ।
প্রশ্ন একটাই — কেন?
এতদিন ধরে এমন একটি ভয়াবহ ঘটনা জনসমক্ষে আসেনি কেন? কারা চুপ ছিল? আর কেনই বা চুপ ছিল?
আর জি কর কাণ্ডের ক্ষত এখনো শুকায়নি। তার মধ্যেই আবার কলকাতার বুকে এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে ঘিরে উঠে এসেছে আরও এক হৃদয়বিদারক অভিযোগ।
যে হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, যে চোখে থাকার কথা ছিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন — সেই কিশোরীকেই নাকি হতে হয়েছে নৃশংসতার শিকার।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসের ১৭-১৮ তারিখের মধ্যে বেহালার এক স্কুলছাত্রীকে পরিচিতির সুযোগ নিয়ে একটি গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িতে ছিল তারই এক স্কুল-পরিচিত এবং আরও কয়েকজন যুবক। প্রথমে বিশ্বাস অর্জন, তারপর ঘুমের ওষুধ মেশানো চকোলেট — নিষ্পাপ একটি মেয়ে বুঝতেই পারেনি, কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অধ্যায় শুরু হতে চলেছে।
ধীরে ধীরে সে অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত এক স্থানে। অভিযোগ, সেখানে তার উপর চালানো হয় পাশবিক অত্যাচার। শুধু তাই নয়, সেই ঘটনার ভিডিও রেকর্ড পর্যন্ত করা হয় — যাতে ভবিষ্যতে ভয় দেখিয়ে তাকে চুপ করিয়ে রাখা যায়।
ভাবুন, একটি কিশোরী কতটা আতঙ্ক, অপমান আর মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গেলে তার পৃথিবীটাই বদলে যায়!
যে বয়সে “বন্ধু” মানে ভরসা, সেই বন্ধুত্বকেই ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতার অস্ত্র হিসেবে।
যে শহর নিজেকে সংস্কৃতি, শিক্ষা ও মানবিকতার শহর বলে পরিচয় দেয়, সেই শহরেই যদি একটি নাবালিকা নিরাপদ না হয় — তাহলে আমরা ঠিক কোন সমাজে বাস করছি?
এই ঘটনা শুধু একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়, এটি পুরো সমাজের লজ্জা।
আজ যদি আমরা চুপ থাকি, তাহলে আগামীকাল আরও কোনও মেয়ের শৈশব এভাবেই অন্ধকারে হারিয়ে যাবে।
একটা পরিচিত মুখ, বিশ্বাসের সম্পর্ক, চকলেটে মেশানো ড্রাগ, তারপর গণধর্ষণের অভিযোগ — এর চেয়ে ভয়ঙ্কর ও অসুস্থ মানসিকতার পরিচয় আর কী হতে পারে?
এরপর একটি মেয়ে কাকে বিশ্বাস করবে?
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় — কেন এই ঘটনা নিয়ে বাংলার মূলধারার অনেক মিডিয়ায় তেমন আলোচনা নেই? কেন এত নীরবতা?
নারীর নিরাপত্তার প্রশ্ন কি রাজনৈতিক সুবিধা-অসুবিধা দেখে বিচার হবে?
অপরাধীর পরিচয় দেখে কি প্রতিবাদের ভাষা বদলে যাবে?
আমাদের স্পষ্ট কথা —
নারীর উপর অত্যাচারের কোনও রং হয় না।
কোনও দল, কোনও ক্ষমতা, কোনও প্রভাব — অপরাধকে আড়াল করতে পারে না, করা উচিতও নয়।
আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানাই।
তদন্ত যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হয়, এবং কোনও রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব যেন বিচারপ্রক্রিয়ার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।
নারীর নিরাপত্তা শুধু পোস্টার, স্লোগান বা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না — বাস্তবেও তা নিশ্চিত করতে হবে।
আর কোনও মেয়ের শৈশব, স্বপ্ন ও নিরাপত্তা এভাবে ছিন্নভিন্ন হতে দেওয়া যায় না।
আসুন, আমরা সবাই আওয়াজ তুলি।
কারণ নীরবতা কখনও নিরপেক্ষতা নয় — অনেক সময় তা অপরাধীদের শক্তি বাড়ায়।
আমাদের রাজ্যে, আমাদের শহরে —
আর কোনও নারী যেন এভাবে অত্যাচারিত না হন।
হতে দেব না।

25/05/2026
দীর্ঘ কয়েক দশকের অপেক্ষার পর মুর্শিদাবাদ জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এটি জেলার শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগত...
24/05/2026

দীর্ঘ কয়েক দশকের অপেক্ষার পর মুর্শিদাবাদ জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এটি জেলার শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, প্রতিষ্ঠার পর এত বছর কেটে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা, গবেষণার সুযোগ, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি এবং ছাত্রছাত্রীদের মৌলিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত উন্নয়ন আজও চোখে পড়ে না।
একটি জেলার ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে তার শিক্ষাব্যবস্থার ভিতের উপর। মুর্শিদাবাদের অসংখ্য ছাত্রছাত্রী আজও উন্নত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে অন্য জেলায় পাড়ি দিতে বাধ্য হয়। তাই আমরা আশা করব, রাজ্যের নতুন সরকার মুর্শিদাবাদের এই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে বিশেষ নজর দেবে এবং দ্রুত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা, গবেষণাকেন্দ্র, ডিজিটাল সুবিধা ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
মুর্শিদাবাদের মানুষ কোনো করুণা নয়, নিজেদের প্রাপ্য উন্নয়ন চায়। জেলার বিশ্ববিদ্যালয় যেন সত্যিকারের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও প্রগতির কেন্দ্র হয়ে ওঠে—এই দাবি আজ সময়ের দাবি। অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

Suvendu Adhikari

19/05/2026

ভয় ইন ভরসা আউট...

19/05/2026

"হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার।"
— কাজী নজরুল ইসলাম

আজকের পশ্চিমবঙ্গে এই লাইনগুলো শুধু কবিতা নয়, এক কঠিন সতর্কবার্তা।
যেখানে মানুষের পরিচয় তার মনুষ্যত্ব নয়, ধর্ম দিয়ে মাপা হচ্ছে; যেখানে প্রতিবেশীর সঙ্গে প্রতিবেশীর দূরত্ব বাড়ানো হচ্ছে রাজনীতির স্বার্থে— সেখানে নজরুলের কণ্ঠ আজও বজ্রের মতো ধ্বনিত হয়।
বাংলা কোনোদিন ঘৃণার মাটি ছিল না। এই বাংলায় রবীন্দ্রনাথের মানবতা, নজরুলের সাম্য আর লালনের ভ্রাতৃত্ব একসঙ্গে শ্বাস নেয়। মন্দিরের ঘণ্টা আর মসজিদের আজান এখানে যুগের পর যুগ মিলেমিশে বাংলার আত্মাকে তৈরি করেছে। অথচ আজ ধর্মের নামে বিভাজনের আগুন জ্বালিয়ে সাধারণ মানুষের আসল সমস্যা— বেকারত্ব, দারিদ্র্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার সংকট— আড়াল করার চেষ্টা চলছে।
মনে রাখতে হবে, দাঙ্গা কখনো গরিব মানুষের ঘর বাঁচায় না; আগুনে পুড়ে যায় শুধু সাধারণ মানুষের স্বপ্ন। ধর্মের রাজনীতি ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে, কিন্তু সমাজকে দুর্বল করে দেয়। তাই আজ সবচেয়ে বেশি দরকার হিন্দু-মুসলিম নয়, মানুষ হিসেবে এক হওয়া।
কারণ শেষ পর্যন্ত রক্তের রং এক, কান্নার ভাষা এক, আর বাংলার মাটিও সবার জন্য সমান।
ঘৃণার দেয়াল নয়, মানুষের হাত ধরেই বাঁচবে বাংলা।

28/01/2026

কলকাতার Wow Momo কারখানায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ নরহত্যা আবারও প্রমাণ করল যে মালিকদের কাছে শ্রমিকের জীবনের মূল্য কি! খোদ কলকাতার বুকে এতগুলো মানুষ পুড়ে মারা গেলেন!

রাজ্য জুড়ে জায়গায় জায়গায় শুরু হলো প্রতিবাদ।
28/01/2026

রাজ্য জুড়ে জায়গায় জায়গায় শুরু হলো প্রতিবাদ।

21/01/2026

ছবির লেখাটি হুবহু নিচে তুলে দিচ্ছি—
নেশার থিয়েটার - পেশার থিয়েটার
একটি বিষাদের ব্লো-হট নাট্য..
Courtesy - Bratyajon

Address

Murshidabad

Telephone

+918001970558

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aawaz-The Voice of Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category