Jana Ojana - জানা অজানা

Jana Ojana - জানা অজানা "পান্ডুয়া" আমাদের শহর আমাদের গর্ব

জয় বিষহরি মা 🙏♥️🐍
17/08/2026

জয় বিষহরি মা 🙏♥️🐍

৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে যদি এই ভাবে সেজে উঠতো আমাদের শহর পান্ডুয়া খুব ভালো লাগতো দেখতে।। 🇮🇳 ❤️ছবি: বুদ্ধদেব গো...
14/08/2026

৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে যদি এই ভাবে সেজে উঠতো আমাদের শহর পান্ডুয়া খুব ভালো লাগতো দেখতে।। 🇮🇳 ❤️

ছবি: বুদ্ধদেব গোস্বামী দাদার মোবাইল থেকে তোলা অনেকদিন আগেরকার ছবি।

🔥 আবারও শিরোনামে পান্ডুয়া । পাণ্ডুয়ার ছেলে রাহুল সোরেন! ⚽🏆কলকাতার ফুটবল মঞ্চে আবারও নিজের জাত চিনিয়ে দিলেন রাহুল সোরে...
02/08/2026

🔥 আবারও শিরোনামে পান্ডুয়া । পাণ্ডুয়ার ছেলে রাহুল সোরেন! ⚽🏆

কলকাতার ফুটবল মঞ্চে আবারও নিজের জাত চিনিয়ে দিলেন রাহুল সোরেন। তাঁর দুর্দান্ত একমাত্র গোলে শক্তিশালী মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ জয় তুলে নিল কলকাতা কাস্টমস ক্লাব।

বড় দলের বিরুদ্ধে গোল করা সবসময়ই কঠিন, আর সেই কঠিন কাজটাকেই সহজ করে দেখালেন রাহুল। সিএফএলে তিনি শুধু খেলতে আসেননি, নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতেই নেমেছেন। তাঁর গতি, ফিনিশিং এবং আত্মবিশ্বাস আবারও প্রমাণ করল— তিনি কলকাতা কাস্টমসের আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা অস্ত্র।

এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, এটি আত্মবিশ্বাসেরও বড় বার্তা। রাহুল সোরেনের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য রইল অনেক অনেক অভিনন্দন। আগামী ম্যাচগুলোতেও তাঁর পা থেকে আরও গোল দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। 🔥👏⚽

20/07/2026


#শ্রাবণ
#শিবশম্ভু #ভোলেনাথ

বাংলা অনুবাদ:আমার নাম সাজল চক্রবর্তী। আমার ছেলে হিমাদ্রি চক্রবর্তী, ড্রাভেট সিনড্রোমে আক্রান্ত। তার চিকিৎসা চলছে এবং চিক...
12/06/2026

বাংলা অনুবাদ:

আমার নাম সাজল চক্রবর্তী। আমার ছেলে হিমাদ্রি চক্রবর্তী, ড্রাভেট সিনড্রোমে আক্রান্ত। তার চিকিৎসা চলছে এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের জরুরি ভিত্তিতে ₹৫,৯০,০০০ প্রয়োজন।

আমাদের পক্ষে এই অর্থ নিজস্বভাবে জোগাড় করা সম্ভব নয়। অনুগ্রহ করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন এবং এই আবেদনটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নিন। আপনার সহযোগিতা আমার সন্তানের জীবন বাঁচাতে পারে।

লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ: ₹৫,৯০,০০০

এখনই অনুদান দিন।

ফলহারিণী অমাবস্যায় আমাদের সিমলাগড়ের মা ❤️পাপ ও কর্মফলের হরণকারী অমাবস্যা 🙏
16/05/2026

ফলহারিণী অমাবস্যায় আমাদের সিমলাগড়ের মা ❤️
পাপ ও কর্মফলের হরণকারী অমাবস্যা 🙏

পান্ডুয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে গেল টোটো।
25/04/2026

পান্ডুয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে গেল টোটো।

বছরের প্রথম দিন শুরু হোক মায়ের অপরূপ রূপ দর্শন করে ।সকলকে শুভ নববর্ষ । 🫰❤️ছবি - রচনা
15/04/2026

বছরের প্রথম দিন শুরু হোক মায়ের অপরূপ রূপ দর্শন করে ।
সকলকে শুভ নববর্ষ । 🫰❤️

ছবি - রচনা

ইটাচুনা রাজবাড়ি ❤️আঠেরো শতাব্দীর মধ্যভাগ। বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সুবেদার নবাব তখন আলিবর্দী খাঁ। শুরু হলো মারাঠি দস্যুদ...
09/04/2026

ইটাচুনা রাজবাড়ি ❤️

আঠেরো শতাব্দীর মধ্যভাগ। বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সুবেদার নবাব তখন আলিবর্দী খাঁ। শুরু হলো মারাঠি দস্যুদের হামলা। বাংলায় তাদের বলা হত বর্গী। তাদের লুটপাট, খুনজখম, অত্যাচারে বাংলার মানুষ সন্ত্রস্ত। এমনকি, দুরন্ত ছেলেকে ঘুম পাড়ানোর জন্য রচিত হয়েছিল ছেলেভুলানো ছড়া যা তিনশ বছর পরেও শোনা যায় বাংলার মায়েদের গলায়,

“খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়োলো, বর্গী এলো দেশে,
বুলবুলিতে ধান খেয়ে যায়, খাজনা দেব কিসে ?”
এই ছড়ার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ইটাচুনা রাজবাড়ীর ভিক্তির ইতিহাস।

১৭৪২-১৭৫২ এই দীর্ঘ দশ বছর চলেছিল লুঠতরাজ আর অরাজকতা । ভাস্কর পণ্ডিত আর রঘুজী ভোঁসলে এই দুই মারাঠা সর্দারের পরিচালনায় তৈরী হয়েছিল বিরাট এক বাহিনী। প্রথমটায় আলিবর্দী খাঁ কড়া হাতে বর্গী আক্রমণ প্রতিহত করে বাংলায় শান্তি আনার চেষ্টা করেন কিন্তু তাঁর পক্ষে বেশিদিন এই লড়াই সম্ভব হল না। বর্গীরাও অনেক বেশি হারে খাজনা বা কর (তাদের ভাষায় চৌথ অর্থাৎ নবাবকে দেওয়া করের এক চতুর্থাংশ) আদায় করতে লাগলো। এই পরিস্থিতি শান্ত হলো যখন বাংলার নবাব মারাঠাদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করলেন। মীর হাবিবের মৃত্যুর পর মারাঠারা বাংলা থেকে চলে যায়। তবে কিছু বর্গী ফিরে না গিয়ে এই বাংলাতেই রয়ে যায়। লুঠপাট ছেড়ে অন্য ব্যবসাবাণিজ্যর সঙ্গে যুক্ত হয়। যারা রয়ে যায়, তারা ইতিমধ্যেই লুঠের ধন, চৌথ আদায় এবং ব্যবসার কারণে প্রচুর বড়লোক হয়ে উঠেছিল। অঢেল ধনসম্পত্তির মালিকানা ছিল তাদের হাতে।

তেমনই এক মারাঠী বংশ কুন্দাস বা কুন্দন। বাংলার জলবায়ুতে মিলমিশ হতে গিয়ে তারা ক্রমে হয়ে গেল কুণ্ডু। ১৭৬৬ সালে এই কুণ্ডু পরিবারের সাফল্য নারায়ণ কুণ্ডু হুগলির কাছাকাছি বর্গীডাঙায় তৈরী করলেন এক রাজবাড়ী। প্রাসাদ তৈরির মূল উপাদান ইট ও চুন, তাই তার নামও হল ইটাচুনা রাজবাড়ি। আর বর্গীডাঙার নাম হোলো ইটাচুনা।

কলকাতা থেকে ৯০ কিমি দূরে অবস্থিত ইটাচুনার রাজবাড়ী গঠনগত দিক দিয়ে সাবেকী জমিদার বাড়ীর স্বাদ এনে দেয়। বিশাল লোহার গেট পার হলেই চোখে পড়বে ইংরাজীর ‘ইউ(U)’ আকৃতির প্রকাণ্ড দোতলা রাজবাড়ী।

** সংগৃহীত তথ্য
ছবি - সুমাঞ্জন রায় 😊❤️

Address

Pandua

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jana Ojana - জানা অজানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share