RSP Raiganj Town Local

RSP Raiganj Town Local Official Town Local Committee Page of
RSP Raiganj Town Local

মহান মে দিবস জিন্দাবাদ
01/05/2025

মহান মে দিবস জিন্দাবাদ

প্রকাশিত হয়েছে ১৯ মার্চ RSP প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সাপ্তাহিক গণবার্তার বিশেষ সংখ্যা। শহিদ  ভগৎ সিং, যতীন দাস, চন্দ্রশেখর...
15/03/2025

প্রকাশিত হয়েছে ১৯ মার্চ RSP প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সাপ্তাহিক গণবার্তার বিশেষ সংখ্যা।
শহিদ ভগৎ সিং, যতীন দাস, চন্দ্রশেখর আজাদ, রামপ্রসাদ বিসমিল, আশফাকউল্লা খান, রোশন সিং, রাজেন লাহিড়ী প্রমুখদের বিপ্লবী আন্দোলনের ধারা কালক্রমে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী আদর্শে ১৯৪০ সালের ১৯ মার্চ আর এস পি প্রতিষ্ঠা করে।
গণবার্তার এই বিশেষ সংখ্যায় অনুশীলন সমিতি, হিন্দুস্তান সোস্যালিস্ট রিপাব্লিকান আর্মির মতো বিপ্লবী দলের আর এস পি তে রূপান্তর থেকে আজ পর্যন্ত দীর্ঘ পথ পরিক্রমা আলোচিত হয়েছে।
সংখ্যাটি পড়ুন ও পড়ান।

27/07/2024
17/10/2021

*বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দল (আরএসপি)-এর সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভট্টাচার্যের জারি করা বিবৃতি---*

আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের কিছু অংশে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বের ঘটনায় আর এস পি দলের সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভট্টাচার্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান যে, আর এস পি কেন্দ্রীয় কমিটি মনে করে যে, সীমান্তের উভয় প্রান্তের চরম দক্ষিণপন্থী রাজনীতিকদের প্রশ্রয়ে ঘটা এহেন অপকর্মের বিরুদ্ধে সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নাগরিকদের অবশ্যই দৃঢ়তার সাথে সোচ্চার হতে হবে।
কুমিল্লা জেলায় হিন্দু পূজা প্যান্ডেলে ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত নয় এরূপ এক নিন্দনীয় কাজের অসার অভিযোগের ভিত্তিতে নৃশংস আক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল। প্রকৃতপক্ষে এটি স্পষ্ট যে, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়নের সময় প্রয়াত বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাবিত বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয়কে বিকৃত ও ক্ষতিগ্রস্ত করতেই ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের জঙ্গি ক্যাডাররা গভীর ষড়যন্ত্র করেই একাজ করেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ঐতিহাসিক সংগ্রামের নৈতিকতাকে ধ্বংস করার জন্য চরম দক্ষিণপন্থী রাজনীতিকরা অনেকেই মরিয়া। মৌলবাদী শক্তি এই ধরণের হিংস্র আক্রমণের উদ্দেশ্য বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্খাকে ধ্বংস করা। বাংলাদেশের জনগণকে কোনরূপ গণতান্ত্রিক পরিসর এই শক্তিগুলি দিতে আদপেই উৎসাহী নয়।
আর এস পি-র উদ্বিগ্নতার আরও একটি কারণ হল, ভারত সরকারের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দেশের নাগরিকবৃন্দের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার ন্যূনতম চাহিদাকে পূরণ করার ব্যর্থতা জনিত কারণে ক্ষুণ্ন হওয়া ভাবমূর্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশের ঘটনাকে অজুহাত করে তার থেকে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার কোনও কসুর করবে না। ধর্মকে হাতিয়ার করে যে অযৌক্তিক রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা ভারত রাষ্ট্রের বর্তমান কর্ণধারেরা করে চলেছে বাংলাদেশের ঘটনার পরে তা আরও ব্যাপকতা লাভ করবে। যা আমাদের দেশ ও দেশবাসীকে এক গভীর সংকটে ফেলবে।
সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর কাজে তৎপর মৌলবাদী শক্তিগুলি সবসময়ই একে অপরের পরিপূরকের কাজ করে থাকে। তাই, আর এস পি কেন্দ্রীয় কমিটির আশঙ্কা সুদীর্ঘকাল ধরে সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলির সমন্বয়ে গঠিত আর এস এস ভারতে সাম্প্রদায়িক হিংস্রতাকে যেভাবে মদত দিয়ে চলেছে তা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তির মদতে সংগঠিত অন্যায়ের দ্বারা আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাবে। যা খুবই উদ্বেগের।
বাংলাদেশ সরকার তাদের দেশের প্রায় ৬৪ টি প্রশাসনিক জেলায় দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের যে ঘোষণা করেছে বলে জানা গেছে, আর এস পি কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে স্বাগত জানাচ্ছে। পাশাপাশি মানবতার ধর্মকে উড্ডীন রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সকল প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠনসমূহ ও সাধারণ মানুষ যেভাবে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদমুখর হয়েছেন, আর এস পি কেন্দ্রীয় কমিটি তাদেরকেও কুর্নিশ জানাচ্ছে।
আর এস পি কেন্দ্রীয় কমিটি উভয় দেশের সকল শান্তিপ্রিয়, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল জনগণের প্রতি আহ্বান জানায় যে, মানবতা বিরোধী কাজগুলো আরও যাতে না বাড়ে তার জন্য সতর্ক ও সচেতন হন এবং দুই দেশের গণতান্ত্রিক পরিসরকে সংকুচিত করার লক্ষ্যে গণতন্ত্র বিরোধী শক্তিগুলির দ্বারা প্রচারিত কোনও গুজব বা ভুল তথ্যের ফাঁদে পা দেবেন না। গুজব বা ভুল তথ্য প্রচার করা থেকে মানুষকে যাতে বিরত রাখা যায় সেই বিষয়ে আরও সচেষ্ট থাকুন।
আর এস পি কেন্দ্রীয় কমিটি প্রত্যয়ী শান্তিকামী, গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের লড়াই দ্রুত জয়লাভ করবে এবং শান্তি উভয় দেশেই বিরাজ করবে।
আর এস পি কেন্দ্রীয় কমিটি ভারত ও বাংলাদেশের উভয় সরকারের কাছে দাবি জানায়, যে কোনও মূল্যে উভয় দেশে বসবাসকারী সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘু অংশের মানুষের যথাযথ নিরাপত্তার দায়িত্ব দুই দেশের সরকারকে নিতে হবে।

১৭ অক্টোবর, ২০২১

18/08/2021

আফগানিস্তানের ঘটনায় আর এস পি সাধারণ সম্পাদক কমরেড মনোজ ভট্টাচার্যের বিবৃতি:

তালিবানি শক্তির উত্থানে আফগানিস্তান আজ দুঃসহ মানবিক সঙ্কটের সম্মুখীন। কট্টর অন্ধ ইসলামি অনুশাসনে বিশ্বাসী এই উগ্র ও নৃশংস মৌলবাদী শক্তি বিনা প্রতিরোধে জোর করেই দেশের রাজধানী কাবুল দখল করেছে। যে কোনো অজুহাতে সেই দেশের মহিলারা অকথ্য নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ন্যূনতম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আজ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার ও লঙ্ঘন করা হচ্ছে। দেশের সর্বত্র দু:শাসনের নৈরাজ্য বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ আজ বিপর্যস্ত। অসভ্যতার ভয়ংকর আঁধারে মানব জীবন ধ্বংসের মুখে।
অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এই মানবিক বিপর্যয়ের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বেশি দায়ী। গত শতকের নব্বইয়ের দশকে সেদেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক সামাজিক অগ্রগতিকে প্রতিরোধ করতে নিষ্ঠুর মৌলবাদী উপজাতীয় জমিদারদের সশস্ত্রবাহিনীকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ব্যবহার করেছিল। তাদের বদান্যতায় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী গড়ে উঠেছিল। তামা, লোহা, স্বর্ণ প্রভৃতি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ অথচ সমস্যা জর্জরিত দেশটির গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সামাজিক পরিবর্তনে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সহায়তাকে আটকাতেই সেদিন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এই পথ গ্রহণ করেছিল।
বর্তমানে সকলেরই জানা যে, আফগানিস্তানের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙখাকে ধ্বংস করতেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ওসামা বিন লাদেনকে লালন করে ও সশস্ত্র তালিবান বাহিনী গড়ে তোলে। দেশের জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি ডা. নাজিবুল্লাহকে, লাদেন নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। ডা. নাজিবুল্লাহ কাবুলে রাষ্ট্রসংঘের দপ্তরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তালিবান জঙ্গিরা তাঁকে সেখান থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছিল। শয়তানদের জয়ের মধ্যযুগীয় রীতির মতো তাঁর মৃতদেহ জনসমক্ষে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়ন বাহিনী চলে যাওয়ার পর ছ' বছর এই মধ্যযুগীয় মৌলবাদীদের শাসন চলেছিল। সৌদি ধনকুবের ও মার্কিন প্রশিক্ষিত উগ্রপন্থী ওসামা বিন লাদেন পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রাঙ্কেনস্টাইনে পরিণত হয়। ২০০১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংসের জন্য তাকে ও তার সাগরেদদের অভিযুক্ত করা হয়। সেই আক্রমণে ছয় হাজার নিরীহ মানুষ মারা যান। সেই ঘটনার পর মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান আক্রমণ করে বহু সংখ্যক আফগানকে হত্যা করে। তালিবানদের জায়গায় এক পুতুল সরকারকে দেশের ক্ষমতায় বসানো হয়। সশস্ত্র সংঘর্ষ চলতেই থাকে। মার্কিন সেনাবাহিনী আফগানিস্তানে শান্তি আনতে শোচনীয় ভাবে ব্যর্থ হয়। বহুসংখ্যক মার্কিন সেনা মারা যান। আজ আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের একতরফা মার্কিন সিদ্ধান্ত তালিবানদের দুদশক পর ক্ষমতা পুনর্দখলে প্ররোচিত ও উৎসাহিত করেছে।ভিয়েতনামের পর আফগানিস্তানেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অবমাননাকর পরাজয় ঘটল। আফগানিস্তানের মানুষের মৌলিক গণতান্ত্রিক আকাঙখাকে পদদলিত করার মার্কিন অশুভ নকশা আবার স্পষ্ট হল। প্রতিবেশী দেশে এই ধরনের মানব সভ্যতা বিরোধী ঘটনায় আর এস পি গভীর উদ্বেগ ও বেদনা প্রকাশ করছে। পাশাপাশি আর এস পি যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের শান্তিকামী মানুষ বিশেষত মহিলাদের প্রতি তালিবানদের পৈশাচিক আচরণকে দ্ব্যর্থহীনভাবে ধিক্কার জানাচ্ছে।
১৭ আগস্ট, ২০২১

'ভাঙতে পারিস দূর্গ প্রাসাদ, ভাঙতে পারিস মূর্তিটা,/চাগিয়ে নিতে পারিস তোরা ধ্বংস করার ফূর্তিটা/ তবুও থাকে সেই মানুষটা উঁচি...
21/04/2021

'ভাঙতে পারিস দূর্গ প্রাসাদ, ভাঙতে পারিস মূর্তিটা,/
চাগিয়ে নিতে পারিস তোরা ধ্বংস করার ফূর্তিটা/
তবুও থাকে সেই মানুষটা উঁচিয়ে মাথা চিরটাকাল/
সেই মানুষই দেখিয়ে যাবে মুক্তি পথের হদিশ হাল'
- অতীন্দ্র মজুমদার
কম: লেনিন
জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ

১৯ মার্চ আমাদের প্রিয় দল আর.এস.পি'র প্রতিষ্ঠা দিবস।লড়াই সংগ্রাম ঐতিহ্যের আট দশক ..............দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কা...
18/03/2021

১৯ মার্চ আমাদের প্রিয় দল আর.এস.পি'র প্রতিষ্ঠা দিবস।

লড়াই সংগ্রাম ঐতিহ্যের আট দশক ..............

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে উত্তাল ভারতবর্ষের রাজনীতি। এমনি এক যুগসন্ধিক্ষণে সময়ের প্রয়োজনে ভারতবর্ষের মাটিতে জন্ম নিল দুটি শব্দ 'বিপ্লবী সমাজবাদ'৷ এই মতবাদের উপর গড়ে উঠল -আর-এস-পি (RSP)
আজ থেকে ৮১ বছর আগে ১৯৪০ এর ১৯শে মার্চ, বিহারের রামগড়ে সেদিন ঝড়-বৃষ্টির আবহাওয়া। একদিকে কংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশনের প্রতিনিধিদের জন্য নির্মিত অনেক ঘর-বাড়ী ঝড়ে ভেঙে গেছে। অন্যদিকে এই আবহাওয়ার জন্য নেতাজী সুভাষ বোস আহুত আপস-বিরোধী সম্মেলনের কাজও তখন স্থগিত হয়ে আছে৷ এরকম এক সময়ে আপস-বিরোধী সম্মেলন মঞ্চের কিছুটা দূরে একটি ছেঁড়া তাবুর মধ্যে কেরালা,দিল্লী,মাদ্রাজ,পাঞ্জাব,উত্তরপ্রদেশ,
বিহার ও বাংলা থেকে আগত বিপ্লবী সমাজবাদীরা তখনও নানা খুঁটিনাটি বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করছেন.......................
সেই আলোচনায় উঠে আসল আপস-বিরোধী সকলকে নিয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম হতে পারে, কিন্তু কোনো বিপ্লবী দল হতে পারে না। দল গঠনের জন্য চাই সুনির্দিষ্ট নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যদিয়ে একটি মত-একটি পথ৷
এমনই এক মার্কসবাদী-লেনিনবাদী দল বিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে পারে। ঠিক হলো মার্কসবাদ-লেনিনবাদ তথা বিপ্লবী সমাজবাদের ভিত্তিতে দল গঠন করতে হবে এবং
গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা হবে সাংগঠনিক নীতি। তার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা হল আর-এস-পি -
সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত থেকে ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে আর-এস-পি'র মত-পথ ও কর্মসূচী সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে।
মার্কসবাদ-লেনিনবাদ তথা বিপ্লবী সমাজবাদের গতি ডায়লেকটিক,তাঁরা অনুভব করলেন সমাজ প্রগতির পরিবর্তনে নানা সন্ধিক্ষণ আসবে। এরকম প্রতিটি সন্ধিক্ষণে বিপ্লববাদ আর সংস্কারবাদের পার্থক্যটা বুঝে নেবার জন্য চাই আদর্শসচেতন বিপ্লবী৷ চাই সঠিক তত্ত্ব ও তাঁর ব্যবহারের সমন্বয়, সেইসঙ্গে চাই তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক প্রয়োগ৷
কারন মার্কসবাদীরা চলমান সমাজ প্রগতিকে সচেতনভাবে সঠিক পথে প্রবাহিত করার দুঃসাহস রাখে। তাঁদের পথ কখনও কুসুমাস্তীর্ণ নয়। পতন-অভ্যুদয়-বন্ধুর পন্থায় নিরলস দুঃখ জয়ের অভিযানে তাদের সংকল্প আছে বলেই তারা বিপ্লবী। এই বিপ্লবীরা হবে হৃদয়াবেগে উদ্বেলিত, প্রাণশক্তিতে উচ্ছল এবং ঘর-ছাড়া কর্মী বাহিনী।এরকম বৃহৎ কর্মের জন্য চায় মহৎ ত্যগের প্রত্যয়। এই প্রত্যয় নিয়ে বিপ্লবী সমাজবাদীরা সেদিন পথ চলা শুরু করল আরএসপি-র পতাকা তলে -
আর এই প্রত্যয়ের রসদ কোথা থেকে এল সেটা জানতে হলে আর একটু ইতিহাসের পেছনের দিকে চলে যেতে হবে........
সময়টা ১৯০২ সালের ১০ই মার্চ, দোলপূর্ণিমার দিনে প্রতিষ্ঠিত হল ভারতের বিখ্যাত বিপ্লবী গ্রুপ অনুশীলন সমিতি। বঙ্কিম-সাহিত্য থেকে নামটি আহরণ করেছিলেন নিউ ইন্ডিয়ান স্কুলের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শ্রী নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। সমিতির পাঁচজন ন্যাশনাল কাউন্সিল সদস্যদের মধ্যে একজন ছিলেন ভগিনী নিবেদিতা। ৪৯ নং কর্ণওয়ালিশ স্ট্রীটে সমিতির কেন্দ্রীয় অফিস স্থাপিত হল। পরেরটা ইতিহাস হয়ে আছে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে অনুশীলন সমিতি'র ভূমিকায়। সেই অনুশীলন সমিতি থেকে ধীরে ধীরে আজকের "বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক দল" আরএসপি-র পথ চলা শুরু-

19/11/2020

#২৬নভেম্বর #সারাভারত #সাধারনধর্মঘট #সফলকরুন #আরওয়াইএফ #উওরদিনাজপুর

Address

Raiganj
733134

Telephone

+919434961777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RSP Raiganj Town Local posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share