B J P West Bengal Nadia

B J P West Bengal Nadia Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from B J P West Bengal Nadia, Political organisation, Ranaghata.

25/08/2024

Bharatiya Janata Party West Bengal Mission 2029
বন্ধুগন, পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার দুই বাংলাকে পুনরায় এক করে জয় বাংলা গঠনের তত্ত্ব প্রচার করছে । পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবকদের মধ্যে এই তত্ত্ব প্রচার করছে যে দুই বাংলা মিলে এক হয়ে গেলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে । কিন্তু বাংলার বেকার যুবকেরা জানে না যে ভারত থেকে আলাদা হয়ে বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হলে কি ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে ।

বাংলাদেশে লোকসংখ্যা দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে । এইটুকু দেশে যদি এই ব্যাপক হারে লোকসংখ্যা বাড়তে থাকে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ভারতের পক্ষে বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে । বাংলাদেশের চারদিকে ভারতের সীমানা । বাংলাদেশের কট্টর জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা মিলে যদি ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ঢুকে জমি কব্জা করা শুরু করে তাহলে ইন্ডিয়ান আর্মি এবং বি এস এফ মিলে ওদের সামলাতে পারবে না । 2024 সালের জুলাই আগস্ট মাসে আমরা জামাতে ইসলামী এবং রাজাকারদের দ্বারা সংঘটিত যে ঐক্যবদ্ধ হিংসা এবং পরাক্রম দেখলাম তাতে মনে হয় ওরা ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ঢুকে জমি কব্জা করে নেবে এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী তার মোকাবিলা করতে অসমর্থ হবে কারণ 2024 সালের হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় 17 কোটি লোক রয়েছে । এর মধ্যে মাত্র 1 কোটি 30 লক্ষ হিন্দু । অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মুসলমানদের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবে । এরা দারিদ্রতা এবং বেকারত্বের জ্বালায় খুব হিংস্র হয়ে উঠবে এবং ভারতের মধ্যে প্রবেশ করবে । সতেরো কোটির মধ্যে যদি ওরা 1 কোটি লোক সংঘবদ্ধ হয়ে ভারতের চারদিকে ঢুকে পড়ে তাহলে ভারত সরকার মাত্র কয়েক লক্ষ আর্মি দিয়ে ওদের প্রতিরোধ করতে অসমর্থ হবে ।

এর উপর পশ্চিমবঙ্গের অনেক হিন্দু তৃণমূলের ইশারায় জয় বাংলা শ্লোগান তুলেছে । যারা বাংলায় উত্তর লিখে বি এ, বি এড, এম এ, এম এড পাশ করে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য কোনো রাজ্যে চাকরি পাচ্ছে না তাদেরকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব বুঝিয়েছে যে তোমরা যদি দুই বাংলাকে এক করে ভারত থেকে আলাদা হয়ে একটি স্বাধীন দেশ সংযুক্ত বাংলা গঠন করতে পারো তাহলে সেই দেশে তোমরা সব কিছু বাংলায় উত্তর লিখে বিভিন্ন চাকরি পাবে । আর এই যুক্তি শুনে পশ্চিমবঙ্গের অগণিত বেকার যুবক যুবতীরা জয় বাংলার পক্ষে হয়ে গেছে । ওরা ভাবছে ভারত থেকে আলাদা হয়ে সংযুক্ত বাংলা গঠন করতে পারলে ওদের বুঝি অনায়াসে চাকরি হবে । কিন্তু ওরা জানে না যে এতে বেকারত্ব আরো মাথা চারা দিয়ে উঠবে । তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত বেকার যুবকদের খুব ভালো করে বুঝিয়েছে যে দেখো তোমরা হিন্দী ভাষা না জানার কারনে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগে চাকরি পাচ্ছো না । আর তোমাদের পক্ষে হিন্দী ভাষা শেখা সম্ভব নয় । তাই তোমরা যদি বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয়ে আলাদা দেশ গঠন করো তাহলে সবকিছু বাংলায় উত্তর লিখে চাকরি পাবে । শুধু বাংলায় উত্তর লিখে সব চাকরি পাওয়ার আশায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত বেকার যুবকেরা ভারত থেকে আলাদা হয়ে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে সংযুক্ত বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখছে । কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবকেরা জানে না যে এতে বেকারত্বের সংখ্যা আরো কয়েক গুণ বেড়ে যাবে এবং হিন্দু মুসলমানের সংঘাত চরমে উঠবে । পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবকেরা ভাবছে শুধু বাংলায় কথা বলতে পারলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে কিন্তু এতে সংঘাত আরো চরমে উঠবে । সংযুক্ত বাংলায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হবে এবং তারা উর্দু ভাষাকে প্রধান ভাষা বানাতে চাইবে । ভারত একটি বিশাল দেশ । হিন্দী শিখলে বাংলার যুবকেরা ভারতের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করতে পারে । পশ্চিমবঙ্গের প্রচুর ছেলে বাংলাতে সব পড়াশুনো করে প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা দিয়ে আর্মি, নেভি, এয়ার ফোর্স, বি এস এফ, সি আই এস এফ, ব্যাংক, রেল, ই এস আই সহ আরও অনেক বিভাগে চাকরি করছে এবং আগামীতে চাকরি পেতে থাকবে । এছাড়া প্রচুর বাঙালি ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বেচে আছে । পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রচুর লোক অন্য রাজ্যে গিয়ে লেবারের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে । ভারত থেকে আলাদা হলে এই সব চাকুরীজীবী কর্মহীন হয়ে পড়বে । সংযুক্ত বাংলায় বিভিন্ন চাকরির লাইনে বিশাল ভীড় হবে । সরকার রেশন ব্যবস্থা চালাতে পারবে না । বিভিন্ন হাসপাতালে বিশাল ভীড় হবে এবং প্রচুর রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে । আপনারা 2000 সালে করোনা কালে হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে কোভিড টেস্ট করানোর জন্য আমরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতাম কিন্তু ভিতর থেকে ঘোষণা করতো "আজ লাইনের প্রথম থেকে মোট 60 জনের স্যাম্পল নেওয়া হবে, বাকিদের নেওয়া হবে না ।" আর সবাই মুখ বেজার করে বাড়ি চলে যেতো ।

আমি বুঝতে পারছি না যারা দুই বাংলাকে এক করে জয় বাংলা গঠন করতে চায় তারা এটা করে কি লাভ পাবে । মুসলমানরা দুর্গা পূজার তীব্র বিরোধী । তারা অন্যান্য হিন্দু দেবদেবীর পুজোর বিরোধী । তাহলে আমরা শুধু বাংলা ভাষায় সব কিছু করতে পারবো এই ভেবে পুনরায় দুই বাংলাকে এক করে যদি অখণ্ড বাংলা গঠন করা হয় তাহলে সেই বাংলায় জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং তারা দুর্গা পূজার বিরোধিতা করবে, দুর্গা পুজোর প্যান্ডেলে আগুন ধরিয়ে দেবে তাহলে কেনো তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকেরা শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলার উদ্দেশ্যে দুই বাংলাকে এক করতে চাইছে ? ইংরেজ সরকার যথার্থই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে হিন্দু এবং মুসলমানরা কখনোই একসাথে থাকতে পারবে না । তারা বিভিন্ন বিষয় দেখেই এ রকম বলেছিলেন । রাজনৈতিক ভাবে এক হলেও সামাজিকভাবে এক সাথে থাকা সম্ভব নয় কারণ হিন্দুরা গো মাতার পুজো করে আর গো হত্যা করা মুসলমানদের ধর্ম । তাহলে এই দুটি জিনিসের আপোস করা কোনোদিন সম্ভব নয় । মুসলমানরা রক্ত পিপাসু দানব । মাংস খেতে পেলেই তারা খুশি । আর হিন্দুরা মাছ মাংস খায় কিন্তু অনেক সংযত হয়ে খায় । দুই বাংলাকে এক করলে সেই জয় বাংলায় মুসলমানরা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। এতদিন ধরে যতটুকু আলাদা হওয়া সম্ভব হয়েছে সবকিছু আবার উল্টো পাল্টা হয়ে যাবে। মুসলমান সম্প্রদায়ের লোক অবাধে গরু কাটবে এবং ওদের বিয়ের অনুষ্ঠানে এবং ঈদের অনুষ্ঠানে জাঁকজমক সহকারে গরুর মাংস পরিবেশন করবে যা কিনা হিন্দুরা সহ্য করতে পারবে না ।ফলে পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হবে । যদিও আমরা জানতে পেরেছি বাংলাদেশে যে সব হিন্দু আছে তাদের অনেকে মুসলমান বন্ধুদের বিয়েতে গিয়ে গরুর মাংস খেয়েছে । তারা নিজেদেরকে প্রগতিশীল বলে মনে করে মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখার জন্য বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে গরুর মাংস খেয়ে নেয় । গরুর মাংস খাওয়ার পর তারা বলে থাকে যে তারা খায় নি । কিন্তু তারা খেয়ে থাকে । তাই বাংলাদেশের অনেক হিন্দু সামাজিকতা রক্ষার তাগিদে কার্যত মুসলমান হয়ে গেছে । তৃণমূলের গোড়া সমর্থকেরা হয়তো রাজনৈতিকভাবে এক থাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করবে কিন্তু সেটা কতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব হবে ? শুধু বাংলা ভাষায় সব কাজ করার জন্য জয় বাংলা হলে সেই বাংলায় কি কি সমস্যা দেখা দেবে তার কিছুটা উল্লেখ করছি ।

(1) সবাই বাংলায় পড়াশুনো করে বিএ, বি এস সি, এম এ, এম এস সি, বি এড, এম এড, এম বি বি এস, ইঞ্জিনিয়ারিং, পি এইচ ডি করে বাংলার মধ্যে ভীড় জমাতে শুরু করবে । বাংলার মধ্যে যতটুকু চাকরির ব্যবস্থা থাকবে সেইটুকু চাকরি পাওয়ার জন্য চাকরির লাইন খুব লম্বা হবে । বেকারদের সংখ্যা জয় বাংলায় ভরে যাবে । বেকাররা যেহেতু বাংলা ভাষাকে উচ্চে তুলে ধরার জন্য শুধু বাঙলাতেই পড়াশুনো করবে তাই চাকরির খোঁজে অন্য দেশে যেতে ভয় পাবে ।

(2) ভারত থেকে আলাদা হয়ে জয় বাংলা গঠন করলে খাদ্য সমস্যা ব্যাপক আকার ধারন করবে । কোনো দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে সেই দুর্ভিক্ষের মোকাবিলা করার সামর্থ্য জয় বাংলার থাকবে না । ভারতের মধ্যে থাকলে ভারত সরকার দুর্ভিক্ষের সময় যে কোনো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে । ভারত সরকার ফুড কর্পোরেশনের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় খাদ্য সরবরাহ করতে সক্ষম । আসলে ভারতের মধ্যে থাকলে কোনোদিন দুর্ভিক্ষই হবে না ।
(3) কোনো মহামারী দেখা দিলে ভারত সরকার সেই মহামারীর মোকাবিলা করতে সমর্থ । কিন্তু ভারত থেকে আলাদা হয়ে জয় বাংলা গঠন করলে সেই বাংলা মহামারী মোকাবিলা করার জন্য পুনরায় ভারতের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে । তাই শুধু বাংলায় সব কাজ করার জন্য যদি ভারত থেকে আলাদা হও তাহলে কপালে অশেষ দুঃখ আছে। তুমি আরামসে বাংলায় কথা বলো, বাংলায় লেখা পড়া করো, তোমাকে কেউ কিছু বলতে আসবে না । কিন্তু যারা শিক্ষিত প্রজন্ম তাদের হিন্দী শিখতেই হবে । হিন্দির হাত থেকে বাঁচতে যদি জয় বাংলা গঠন করো তাহলে অচিরেই জয় বাংলার মুসলমানরা উর্দু ভাষাকে উচ্চে তুলে ধরবে আর তখুনি আবার শুরু হবে সংঘর্ষ কারণ যারা হিন্দু বাঙালি তারা কোনোদিন উর্দু শিখতে চাইবে না । তাই আবার বাংলা ভাগের প্রশ্ন আসবে । আবার মারামারি কাটাকাটি শুরু হয়ে যাবে । যদি বাংলাদেশকে ভারতের মধ্যে নেওয়া হয় তাহলেও বাংলাদেশকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে আলাদা রাখতে হবে কারণ ওরা চাইবে উর্দু ভাষা শিখতে এবং উর্দুকে প্রধান ভাষা বানাতে । এইজন্য যদি কোনোদিন ভারত সরকার বাংলাদেশকে ভারতের মধ্যে নিয়ে আসে তাহলে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বাঙালিদের বেশি খুশি হওয়ার প্রয়োজন নেই । বিশেষকরে যে সব হিন্দু বাঙালি মুসলমানদের তারাখেয়ে ওদেশ থেকে এদেশে পালিয়েছিল তারা তাদের সেই জমি এখন আর ফেরত পাবে না । সেই জমি নিতে গেলে প্রচুর টাকা দিয়ে কিনতে হবে । তাই বাংলাদেশকে ভারতের মধ্যে নিলে বেশি খুশি হওয়ার প্রয়োজন নেই। এতে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বাঙালিদের ধর্ম ধীরে ধীরে রসাতলের দিকে যাবে । হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে বিয়ে হওয়া শুরু হলে তোমার হিন্দু ধর্ম রসাতলে যাবে । তুমি যদি মুসলমান মেয়েকে বিয়ে করো তাহলে সে চাইবে গরুর মাংস খেতে আর যদি তোমার মেয়ে মুসলমান ছেলে বিয়ে করে তাহলে ওরা তোমার মেয়েকে জোর করে গরুর মাংস খাইয়ে দেবে । সুতরাং দুদিকেই বিপদ । আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শে খুশি হয়ে মুসলমানদের সাথে থাকা শুরু করলেই বিপদ ঘনিয়ে আসবে । (4) জয় বাংলার অর্থনীতি অত্যন্ত দুর্বল হবে । বেকার সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করবে । ফলে বাংলার ছেলেদের আবার ভারতে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে ঢুকতে হবে এবং হিন্দী ভাষায় কথা বলার প্রয়োজন হবে । সুতরাং যে হিন্দিকে এড়ানোর জন্য তুমি ভারত থেকে আলাদা হয়ে জয় বাংলার স্বপ্ন দেখছো সেই বাংলায় থেকে ক্ষুধার জ্বালায় আবার তুমি ভারতে কাজের খোঁজে আসতে বাধ্য হবে । জয় বাংলা হলে মাথাপিছু জমির পরিমাণ অনেক কম হবে । যার ফলে জনবিস্ফোরণ হবে । বাংলা ছাড়া অন্য ভাষা না জানার কারনে বাংলার ছেলেরা অন্য দেশে যেতে ভয় পাবে । সবাই বাঙালি বোকা চোদা বলে সম্মোধণ করবে ।

ফেসবুকে যা দেখছি তাতে অনেকেই স্বপ্ন দেখছে দুই বাংলাকে নিয়ে অবিভক্ত বাংলা গঠনের । তারা ভাবছে অবিভক্ত বাংলা হলে তারা বাঙলাতেই সব কাজ করতে পারবে । তাদের বুঝি অনেক সুবিধা হবে । কিন্তু তাদের চিন্তা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হবে কারণ অবিভক্ত বাংলা গঠিত হলে সেই বাংলায় উর্দু ভাষা প্রধান হয়ে উঠবে । তাই পশ্চিমবঙ্গের যে সব ইমোশনাল বাঙালি হিন্দী ভাষা এড়ানোর জন্য জয় বাংলার স্বপ্ন দেখছেন তাদের জীবনে নেমে আসবে চরম বিপর্যয় । অবিভক্ত বাংলা হলে সেই বাংলায় জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠবে এবং তারা উর্দু ভাষা শিখিয়ে ছাড়বে । জামাতে ইসলামী এবং রাজাকারদের দাপট তো তুমি 2024 সালের আগস্ট মাসে দেখতেই পেয়েছো । তারা প্রধানমন্ত্রীর কি হাল করে ছেড়ে দিলো । সুতরাং যারা শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলবো, বাংলা ভাষায় সব কিছু করবো এই ভেবে জয় বাংলা শ্লোগান তুলেছো তাদের জীবনে নেমে আসবে ভয়াবহ অন্ধকার । দুই বাংলাকে নিয়ে যদি অবিভক্ত বাংলা গঠন করা হয় এবং যদি ভারত থেকে আলাদা দেশ গঠন করা হয় তাহলে অর্ধেকের বেশি বাঙালি না খেয়ে মরবে । তাই যারা হিন্দী ভাষার বিরোধিতা করে জয় বাংলার স্বপ্ন দেখছো তাদের বলছি হিন্দী হলো রাম এবং কৃষ্ণের ভাষা তাই এই ভাষা থেকে দূরে থাকার অর্থ হলো রাম এবং কৃষ্ণ থেকে দূরে থাকা । যারা সবসময় হরে কৃষ্ণ হরে রাম কীর্তন করার পরামর্শ দেয় তারা যদি হিন্দী ভাষার বিরোধিতা করে তাহলে বুঝতে হবে তারা তাদের আরাধ্য ভগবানের বিরোধিতা করছে । আমাদের বাংলা মিডিয়ামের স্কুলগুলোতে যদি তৃতীয় ভাষা হিসেবে হিন্দী চালু করা হয় তাহলে সময়ের সাথে সাথে ভবিষ্যত প্রজন্ম হিন্দী শিখে যাবে যার ফলে তারা জাতীয় স্তরে বিভিন্ন কাজে অংশ গ্রহণ করতে পারবে । ইস্কুলে ধারাবাহিকভাবে পড়লে সে খুব ভালো করে হিন্দী শিখতে পারবে । যারা বাংলা ভাষাকে বাঁচানোর জন্য অবিভক্ত বাংলা বা জয় বাংলার স্বপ্ন দেখছো তাদের স্বপ্ন সম্পূর্ণ বিপরীত হবে কারণ অবিভক্ত বাংলা হলে সেই বাংলায় জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবে এবং উর্দু ভাষা প্রাধান্য পাবে । উর্দু ভাষার থেকে হিন্দী ভাষা শেখা অনেক মঙ্গলদায়ক হবে । হিন্দুদের অধিকাংশ তীর্থস্থান হিন্দী ভাষী ক্ষেত্রের এলাকায় । হিন্দী ভাষা জানলে তুমি সব তীর্থস্থানগুলোতে অবাধে মণ খুলে ঘুরে আসতে পারবে । তুমি বাঙলাতেই সব কিছু পড় কিন্তু হিন্দী ভাষা শেখো । ভারতের বিভিন্ন লোকের সাথে কথা বলার ভাষা হলো হিন্দী । "Hindi is the communication language in India". যারা হিন্দী শিখবে না তারা কোনো না কোনো ভাবে পিছিয়ে থাকবে । অবিভক্ত বাংলা হলে বাংলা হবে সব থেকে গরীব দেশ, নিঃস্ব দেশ । লোক ছিহাত্তরের মন্বন্তরের মতো না খেয়ে মরে যাবে । সবাই বাড়ি বসে জয় বাংলা জয় বাংলা শ্লোগান দেবে কিন্তু ঘরে কোনো খাবার থাকবে না । আসলে জয় বাংলার চিন্তা তাদের মাথায় এসেছে যারা হিন্দী শিখতে চায় না এবং উর্দু তো নয় ই । তাই তাদের জন্য দুদিকেই বিপদ । অবিভক্ত বাংলা হলে উর্দু শিখতে হবে আর ভারতের মধ্যে থাকলে হিন্দী শিখতে হবে । ভারতের মধ্যে থেকে হিন্দী সেখাটাই শ্রেও কারণ এতে তুমি বাঁচার অধিকার পাবে । ভারত বিশাল দেশ । এর অর্থনীতি কোনোদিন পুরো ধ্বংস হবে না । তোমার রাজ্যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার খুব সহজেই তার মোকাবিলা করতে সমর্থ । আসলে ভারতের মতো বড় দেশে এখন আর কোনো দুর্ভিক্ষ ই হবে না কারণ ভারত সরকার ফুড কর্পোরেশনের মাধ্যমে ভারতের সব রাজ্যে খাদ্যের সংকট মেটানোর ব্যবস্থা করে রেখেছে যেটা কিনা অবিভক্ত বাংলার পক্ষে সম্ভব নয়, কোনোদিনই সম্ভব নয় । কোনো মহামারী দেখা দিলে সেই মহামারী মোকাবিলা করার সামর্থ্য জয় বাংলার থাকবে না । সেই সময় বিশাল দেশ ভারতের পক্ষে মহামারী মোকাবিলা করার সামর্থ্য থাকবে । অবিভক্ত বাংলার স্বপ্ন দেখার অর্থ হলো ঘোর অন্ধকারে প্রবেশ করা । আমাদের পশ্চিমবঙ্গে যারা হিন্দির বিরোধী যারা বাংলা ছাড়া আর কিছু শিখতে চায় না তারা চায় অখণ্ড বাংলা গঠন করতে । কিন্তু তারা জানে না অখণ্ড বাংলা গঠনের অর্থ হলো উর্দু ভাষায় অধীনে যাওয়া । জয় বাংলা গঠনের স্বপ্ন তারা দেখে যারা ভারত এবং বাংলাদেশ কে সমান ভাবে । তারা জানে না ভারতের অর্থনীতি কতো বড়ো এবং এই অর্থনীতি কোনোদিন ক্ষুদ্র দেশ বাংলাদেশের সাথে তুলনা করার নয় । কোন ধরনের লোক মনে করে জয় বাংলা হলে তাদের খুব সুবিধা হবে ।

(1) যারা বাংলায় উত্তর লিখে বি এ, বি এস সি, বি এড পাশ করেছে এবং যারা চায় আগে সব কিছু যাতে বাঙলাতেই হয় । এতে অবিভক্ত বাংলার মধ্যে বেকার সমস্যা চরম আকার ধারন করবে । বেকাররা পুনরায় কাজের খোঁজে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে যাওয়া শুরু করবে এবং সেক্ষেত্রে ভালো ইংলিশ জানার প্রয়োজন হবে । যে দেশে চাকরির জন্য যাবে সেই দেশেও প্রচুর বেকার । সুতরাং তারা বিরোধিতা করবে ।
(2) বাংলায় যাদের মিষ্টির দোকান খুব চলে তারা জয় বাংলার স্বপ্ন দেখে ।
(3) বাংলায় যাদের মুদিখানা দোকান খুব ভালো চলে তারা জয় বাংলার স্বপ্ন দেখে ।
(4) যারা মাছের ব্যবসা করে তারা জয় বাংলার স্বপ্ন দেখে ।
(5) যাদের ইট বালি সিমেন্টের ব্যবসা আছে এবং খুব ভালো চলে তারা জয় বাংলার স্বপ্ন দেখে ।
(6) যাদের গ্রিলের ব্যবসা আছে মানে হার্ড ওয়ারের দোকান আছে তারা জয় বাংলার স্বপ্ন দেখে ।
এই ধরনের লোক মনে করে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ মিলে যদি বাংলা গঠন হয় এবং তারা যদি ভারত থেকে আলাদা হয়ে যায় তাহলে তারা শুধু বাংলায় কাজ চালাতে পারবে । মাছ ভাত খেতে পারবে এবং কতো সুখেই না থাকবে । হিন্দী শেখার কোনো প্রয়োজন হবে না । কিন্তু তারা এটা জানে না যে জয় বাংলা হলে সেই বাংলায় উর্দু ভাষা প্রধান হয়ে উঠবে এবং উর্দু ভাষা না শিখলে তখন জয় বাংলায় থাকা মুস্কিল হয়ে যাবে । এরা জানে না সিমেন্ট রড কোথা থেকে আসে । সিমেন্ট রড সব ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে । অনেকে ইলিশ মাছ খাওয়ার লোভে জয় বাংলা করতে চায় কিন্তু তারা জানে না যে ইলিশ মাছ খেলে সর্দি কাশি এবং দীর্ঘস্থায়ী কফ লেগে থাকে । এই দীর্ঘস্থায়ী কফ থেকে তৈরি হবে হাঁপানি রোগ আর তুমি সারাজীবন হাঁপানি রোগে ভুগবে । তুমি মুখ দিয়ে শ্বাস টানবে আর পাছা দিয়ে স্বাস ত্যাগ করবে । বেরিয়ে যাবে ইলিশ মাছ খাওয়ার স্বাদ ।
মমতা ব্যানার্জি জীবনে বিয়ে করতে পারেনি । তাই ওনার মন এবং আত্মা সবসময় অশান্ত থাকে । উনি এই অশান্ত মনের ইচ্ছাকে পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবকদের মধ্যে সঞ্চালিত করতে চায় । আমাদের সমাজে যখন কোনো মেয়ের বিয়ে হয় না তখন সে সারাজীবন অশান্ত থেকে অন্যের সুখ নষ্ট করতে চায় । মমতা ব্যানার্জির ক্ষেত্রে ঠিক তাই হচ্ছে । মমতা ব্যানার্জির সাথে যে সব গোড়া সমর্থক এই জয় বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখছে এবং ভারত থেকে আলাদা হওয়ার তত্ত্ব প্রচার করছে তাদের একসাথে একজায়গায় পাওয়ার দিন হলো 21 সে জুলাই । এই দিন তৃণমূল কংগ্রেসের বড়ো বড় নেতারা কলকাতার ধর্মতলায় একত্রিত হবে । 21 সে জুলাই এরা শহীদ দিবস উদযাপন করে এবং এরা চায় এই দিন যতো বেশি সমর্থকেরা এখানে এসে উপস্থিত হবে ততই তাদের শক্তি প্রদর্শিত হবে । তাই এদের সবাইকে একসাথে শেষ করে দেওয়ার এটাই হলো সবথেকে ভালো দিন । প্রতি বছর 21 সে জুলাই । মনে থাকে যেনো । কলকাতার ধর্মতলা । ঐদিন যদি উপর থেকে ভ্যাকিউম বম্ব ফেলা যায় তাহলে ওখানে উপস্থিত সবাই অক্সিজেনের অভাবে দম বন্ধ হয়ে মারা যাবে । চারিদিকে হাহাকার শুরু হয়ে যাবে । ভারত থেকে আলাদা হয়ে অন্য দেশ গঠন করা পোঙ্গার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে যাবে । আমি ইতিমধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বারবার ইমেল করে ব্যাপারটি জানিয়েছি । আমি পুতিনকে পরামর্শ দিয়েছিলাম 21 সে জুলাই পশ্চিমবঙ্গের ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, খুনি, ক্যাডার নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য একত্রিত হবে । ঐদিন পুরো জায়গা ঘেরাও দিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সৈন্য সংগ্রহ করা যাবে । কিন্তু ভারত সরকার এই প্রস্তাবে সহমত না হওয়ার কারণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে আছে । ভ্লাদিমির পুতিন যদি যুদ্ধে হারের মুখ দেখে তাহলে তার মাথা খারাপ হয়ে যাবে এবং তাকে সৈন্য দিয়ে সাহায্য না করার অপরাধে সে 21 সে জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় একত্রিত তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের উপর অনেকগুলো ভ্যাকিউম বম্ব ফেলে দেবে । তখন দেখবি রাশিয়াকে সৈন্য সাহায্য না করে সংযুক্ত বাংলাদেশ গঠন করার চক্রান্ত কি হয় । পুতিনকে সব প্ল্যানিং বলে দিয়েছি । ভারত যদি পুতিনকে সৈন্য সাহায্য না দেয় তাহলে তার পরিণাম হবে অত্যন্ত ভয়াবহ । পুতিন 21 সে জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় সব কিছু শেষ করে দেবে ।

Address

Ranaghata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when B J P West Bengal Nadia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share