Hello Bangladesh

Hello Bangladesh আমার এই পেইজে, বাংলাদেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পাবেন। যা বিভিন্ন পেজ থেকে সংগৃহীত। বাংলাদেশ আমার মা। বাংলাদেশের সকল সুখে দুঃখে আমি পাশে থাকব।

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
08/26/2026

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।

😮
08/26/2026

😮

মাত্র ৩ টাকায় কেনা বাইসাইকেল ৮০ বছর পরও সচল, তিন প্রজন্মের স্মৃতির সঙ্গী

উনাকে একটু স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেন। উনি দেশকে ভালো কিছু দিবেন।
08/26/2026

উনাকে একটু স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেন। উনি দেশকে ভালো কিছু দিবেন।

প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পেলেন আশিক চৌধুরী

😲
08/26/2026

😲

মেহেরপুর শহরে গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে প্রেমিকা স্মৃতি খাতুনকে কু'পিয়ে তার ডান হাত বি'চ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার বাবা ও মাকেও কু'পিয়ে জ'খম করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত সায়ন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিনগত রাত দেড়টার দিকে শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের বাড়িতে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।

অত্যন্ত দুঃখজনক 😢
08/26/2026

অত্যন্ত দুঃখজনক 😢

ইসলামাবাদে হাসপাতালে আ'গু'ন লেগে ...

মানবিক সাহসী পুলিশের জন্য রইল শ্রদ্ধা ও দোয়া।
08/26/2026

মানবিক সাহসী পুলিশের জন্য রইল শ্রদ্ধা ও দোয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক নারীকে জীবন বাজি রেখে বাঁচিয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। নদীতে ঝাঁপ দেওয়া ওই নারীকে বাঁচাতে তিনি নিজেও ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে তার জীবন রক্ষা করেন।

পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইল সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে। ২৪ বছর বয়সী ওই নারী বিবাহিত। অভিমান থেকে ওই নারী আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন।

পুলিশ সদস্য অমিত ঘুরতে বের হয়ে তাকে ঝাঁপ দিতে দেখেন।
কনস্টেবল অমিত হাসানের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা। নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে একজনের জীবন রক্ষার ঘটনায় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মেয়েটির পরিবারের সদস্যরাও।


পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ওই নারী শিমরাইল কান্দি এলাকার প্রথম সেতু থেকে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন।

বিষয়টি দেখতে পেয়ে সেখানে এক ব্যাচমেটকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল অমিত হাসান তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে ঝাঁপ দেন। সাঁতরে তিনি ওই নারীকে উদ্ধার করেন। পরে একটি নৌকার সহায়তায় তাকে নদীর পারে এনে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী জানান, এক নারী সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর কনস্টেবল অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে লাফিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ নেন।
ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা-জগতসার গ্রামে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘মেয়েটি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আমাদের এক পুলিশ সদস্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে রাত ১২টায় তাকে তার মা ও বোনের জিম্মায় তাকে দেওয়া হয়েছে।’

আমরা দেখতে পাচ্ছি ভারতের মুসলমানরা কতটা শান্তিতে আছে।
08/26/2026

আমরা দেখতে পাচ্ছি ভারতের মুসলমানরা কতটা শান্তিতে আছে।

এটা যদি হয় তাহলে সত্যিই বাংলাদেশ আর্মির সুবর্ণ সুযোগ। সেভেন সিস্টার খুব সহজে দখল নিতে পারবে ❤️
08/26/2026

এটা যদি হয় তাহলে সত্যিই বাংলাদেশ আর্মির সুবর্ণ সুযোগ। সেভেন সিস্টার খুব সহজে দখল নিতে পারবে ❤️

মনোজ দাস: "সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই তিন সুন্নি মুসলিম রাষ্ট্র মিলে ন্যাটোর ধাঁচে তৈরি করেছে একটি সামরিক জোট। যার নাম কেউ দিয়েছে ইসলামী ন্যাটো, কেউ বলছে মক্কা প্যাক্ট। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর বলেছেন, বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দেবে। তার মানে চতুর্থ সুন্নি প্রধান মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশ এর সদস্য হবে, চতুর্থ সদস্য। সেটা হলে ভারত কতখানি বিপদের মধ্যে পড়বে? এবং দ্বিতীয়ত, তারেক রহমান সরকারের ভারত বিরোধিতার উপযুক্ত জবাব দিতে ভারত সামরিক অভিযান চালিয়ে রংপুর ও চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে বাংলাদেশ থেকে—এমন একটা সম্ভাবনার কথা বিভিন্ন মহলে উঠছে, শুনতে পাচ্ছি। এই দুটি বিষয় নিয়ে এখনকার প্রতিবেদন। নমস্কার, ক্যালকাটা ডায়ালগস থেকে মনোজ দাসের প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিন।

যেমন বললাম, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের তিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র গত ৭ আগস্ট মক্কায় যে 'মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট' স্বাক্ষর করেছে, সেটি নিছক আর একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি নয়। কিংবা নিছক একটা সামরিক সহযোগিতা চুক্তি বলে উড়িয়ে দেওয়ার ঠিক নয়। কারণ এর মূল নীতিটিই প্রায় হুবহু ন্যাটোর আর্টিকেল ফাইভের দর্শনের মতো। সেটা কী? না, এক সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণকে সকল সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং সবাই ঝাঁপিয়ে পড়বে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান নিজেই বলেছেন, প্রযুক্তিগত অর্থে এর কালেকটিভ ডিফেন্স প্রিন্সিপল হলো ন্যাটোর আর্টিকেল ফাইভের মতো। তাই সংবাদ মাধ্যমে একে কেউ বলছে ইসলামিক ন্যাটো, কেউ বলছে মক্কা প্যাক্ট বা মক্কা জোট। কিন্তু একটি সাবধানবাণী এখানে দিয়ে দিই। ন্যাটোর মতো সাত দশকের পুরনো ইন্টিগ্রেটেড মিলিটারি কমান্ড, স্থায়ী যৌথ বাহিনী, নির্দিষ্ট অপারেশনাল ডকট্রিন বা কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল স্ট্রাকচার এখনও এই নতুন জোটের নেই। আর সেটা হবেটাই বা কী করে?

এতো তৈরি হয়েছে মাত্র কয়েকদিন আগে। কিন্তু ন্যাটো তৈরি হতে যেমন সত্তর বছর লেগেছিল, ঠিকমতো গুছিয়ে নিতে এখানে সেরকম সময় লাগবে না। কারণ পুরনো অভিজ্ঞতা আছে। সৌদি আরাবিয়াতে এর একটা সেক্রেটারিয়েট এবং মিনিস্টেরিয়াল কমিটি তৈরির কথা রয়েছে। তারাই সব কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবে। অপারেশনাল ডিটেইলস এখনও গড়ে উঠছে। অতএব আজই একে ন্যাটোর সমান সামরিক যন্ত্র মনে করা ভুল হবে, তবে খুব শীঘ্রই সেটা হয়ে উঠতে পারে।

কেন এই তিন দেশের সমীকরণ গুরুত্বপূর্ণ? কারণ তিনটি দেশ তিন ধরনের শক্তি নিয়ে এসেছে। আর বাংলাদেশ এখানে যোগ দিলে সেখানে জনবলটা আসবে। তার আগে দেখে নিই তিনটে দেশের কী শক্তি। পাকিস্তান, মুসলিম বিশ্বের একমাত্র ঘোষিত নিউক্লিয়ার ওয়েপন স্টেট। তুরস্ক, ন্যাটোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শক্তি। বিশাল কনভেনশনাল মিলিটারি আছে, দ্রুত বিকাশমান ড্রোন ও ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্যাপাবিলিটি রয়েছে তুরস্কের। আর সৌদি আরব? সৌদি আরব অর্থ, জ্বালানি, আরব ও ইসলামী বিশ্বের রাজনৈতিক গুরু। অর্থাৎ একদিকে টাকা, অন্যদিকে প্রযুক্তি ও কনভেনশনাল মিলিটারি পাওয়ার, নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স এবং অন্যদিকে আরেকটা তৃতীয় দিকে আছে ধর্মীয় একাত্মতা। এই কারণেই জোটটির ভবিষ্যৎ গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।

এবার আসি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন ঢাকা, সৌদি অ্যারাবিয়া, পাকিস্তান, তুর্কির এই ডিফেন্স ফ্রেমওয়ার্কে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রেখে দিয়েছে, দরজা বন্ধ করছে না, বন্ধ করবে না। এবং বাংলাদেশের স্বার্থ বিচার করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। অর্থাৎ এই মুহূর্তে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি, কিন্তু সেটা নেয়া হবে এবং যোগদানের সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে। কারণ পাকিস্তান যেমন ভিখারি দেশ হয়ে গেছে, বাংলাদেশের অর্থনীতিও ভয়ঙ্কর খারাপ। আর সৌদি আরবের টাকার থলি আছে, সুতরাং সেখানে টাকার জন্যে যাবে যেমনভাবে সৌদি আরব পাকিস্তানকে বাঁচাচ্ছে বিভিন্ন ব্যাপারে টাকা দিয়ে, এখানেও তেমন হবে। এখানেই ভারতের দুশ্চিন্তার জায়গা তৈরি হতে পারে এবং হয়েছে। কারণ সৌদি আরবের সঙ্গে আবার ভারতের সম্পর্ক কিন্তু যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ। তুরস্কের সঙ্গে ভারতের মতপার্থক্য যদিও সম্প্রতি খুব বেড়ে গেছে। বিশেষত অপারেশন সিন্দুরে তুরস্ক পাকিস্তানকে সরাসরি এসে সাহায্য দিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ছবিটা সেইজন্যেই বলছি সম্পূর্ণ আলাদা। ভারত-পাকিস্তানের দীর্ঘ সামরিক সংঘাতের ইতিহাস রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক ব্যবস্থার ইনস্টিটিউশনাল লিংকেজ তৈরি যদি হয়, তাহলে দিল্লি স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টিকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।

আর বাংলাদেশের সদস্যপদ ভারতের জন্য কতটা বিপজ্জনক? আমার মূল্যায়নে বিপদটা তিনটে স্তরে। প্রথম স্তর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক। বাংলাদেশ যদি এমন একটি কালেকটিভ ডিফেন্স স্ট্রাকচারের অংশ হয়ে যায়, যেখানে পাকিস্তান প্রধান সামরিক শক্তিগুলোর একটি, তাহলে গত কয়েক দশকের ভারত-বাংলাদেশ সিকিউরিটি আর্কিটেকচার একেবারে বদলে যাবে। দ্বিতীয় স্তরে আছে সামরিক ইন্টারঅপারেবিলিটি। অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে সামরিক বোঝাপড়া। ভবিষ্যতে যদি জয়েন্ট এক্সারসাইজ, ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং, ট্রেনিং, ওয়েপনস স্ট্যান্ডারডাইজেশন, পাকিস্তানি বা টার্কিশ মিলিটারি অ্যাডভাইজারস এবং ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোঅপারেশন বাংলাদেশে বৃদ্ধি পায়, তাহলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তর দিকের থিয়েটার এখানে থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট বদলাতে বাধ্য। আশঙ্কা বেড়ে যাবে অনেক। আর তৃতীয় স্তরটি সবচেয়ে সংবেদনশীল, সেটা হলো ভূগোল বা জিওগ্রাফি।

পাকিস্তান ভারতের পশ্চিমে, বাংলাদেশ ভারতের পূর্বে। বাংলাদেশ যদি কখনও ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো শক্তির, আরও স্পষ্ট করে বলি পাকিস্তানের পরিপূরক হিসেবে মিলিটারি স্টেজিং গ্রাউন্ড হয়ে ওঠে, তখন ভারতকে কার্যত দুই ফ্রন্টের সিকিউরিটি কন্টিনজেন্সি হিসাব করতে হবে। আর এই সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে স্বয়ং পাকিস্তান। তারা বলেছে এবার শুধু ভারতের পশ্চিম রণাঙ্গনেই লড়াই হবে না, লড়াই হবে পূর্ব রণাঙ্গনেও।

তবে এখানে একটা ছোটখাটো কিন্তু আছে, সেটা বলতে হবে। বাংলাদেশ মক্কা জোটে ঢুকলেই পাকিস্তানি সেনা বাংলাদেশে এসে ঘাঁটি বানাবে? এমন কোনো কথা চুক্তির প্রকাশিত তথ্য থেকে বলা যাবে না। কিন্তু অপ্রকাশিত তথ্য এবং যা ঘটছে সেটা থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে মক্কা জোটের আগে থেকেই একটা সামরিক জোট হয়ে গেছে। কালেকটিভ ডিফেন্স ট্রিটি এবং ফরেন মিলিটারি বেস এই দুটো এক জিনিস নয়। তাহলেও তা যে হবে না, বরং খুব শিগগিরই হতে পারে, এমন সম্ভাবনা কিন্তু বাতাসে ভাসছে।

এবার আসি রংপুর ও চট্টগ্রামের প্রশ্নে। এই আলোচনার জন্ম একেবারে যে শূন্য থেকে হয়েছে, বাতাস থেকে হয়েছে তা নয়। এর পেছনে রয়েছে ভারতের পুরনো শিলিগুড়ি করিডর নিয়ে দুশ্চিন্তা। ভারতের মূল ভূখণ্ডের... আপনারা সবাই জানেন শিলিগুড়ি করিডর কী, কতটুকু, চিকেন নেক কেন বলা হয় সবই আপনারা জানেন। সুতরাং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কানেক্টিভিটির রেজিলিয়েন্স আরও শক্তিশালী করার দিকে ভারত গুরুত্ব দিয়েছে। কিন্তু ২০২৫ সালে মনে রাখবেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে একটা পাল্টা জিওগ্রাফিক্যাল আর্গুমেন্ট সামনে এনেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, শুধু ভারতেরই যে চিকেন নেক আছে তা নয়, বাংলাদেশেরও অন্তত দু-দুটো অত্যন্ত ভালনারেবল জিওগ্রাফিক্যাল করিডর বা চিকেন নেক আছে বাংলাদেশের। একটা উত্তর বাংলাদেশ করিডর, ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে একেবারে মেঘালয়ের সাউথ ওয়েস্ট গারো পাহাড় পর্যন্ত আনুমানিক ৮০ কিলোমিটার।

এই অঞ্চল বিচ্ছিন্ন হলে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ দেশের মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। আর দ্বিতীয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। সেটা হলো চিটাগং করিডর। দক্ষিণ ত্রিপুরা থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে এই ভৌগোলিক বটলনেকের প্রস্থ হলো আনুমানিক ওই ভারতের সামান্য ১০ কিলোমিটারের মতো জায়গায় ২৮ কিলোমিটার, ২০-২২ কিলোমিটার আছে। আর বাকি সবটা ভারতের অনেকটাই জায়গা আছে। সুতরাং এই জায়গাটায়, এই যে দক্ষিণ ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে, এই যে জায়গাটা সেটাও হচ্ছে ঐরকমই ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছিলেন এই করিডর বাংলাদেশের রাজনৈতিক রাজধানী ঢাকা এবং আর্থিকভাবে ভীষণ ভীষণ রকমের গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম অঞ্চলের যোগাযোগের জন্য স্ট্র্যাটেজিক ভালনারেবিলিটি তৈরি করে। ভারতের ডিআরডিও একটি ২০২৫ সালের সংবাদ সংকলনেও তার এই বক্তব্য উদ্ধৃত করেছিল। এখান থেকে তৈরি হয়েছে একটি তত্ত্ব বাংলাদেশের জন্য যে তোমরা যদি শিলিগুড়ির চিকেন নেকের দিকে বাঁকা চোখে তাকাও, ভারতও তোমাদের দুই চিকেন নেকের দিকে তাকাতে পারে।
কিন্তু এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা বলি। ভারত কি সত্যি রংপুর বা চট্টগ্রাম কেটে নেওয়ার সামরিক পরিকল্পনা করছে? পরিকল্পনা যে করছে না, এমন কোনো কথা কিন্তু কোনো জায়গাতে ভারত বলেনি। আবার করছে সেটাও বলেনি। কিন্তু যে কাজটা করছে, যেভাবে তৈরি করছে ভারত বাংলাদেশকে ঘিরে তাদের সামরিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, তাতে মনে হচ্ছে ভারত সরকারের মাথায় কিছু একটা আছে।

ভারত সরকার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনাবাহিনী কেউ বলেনি বাংলাদেশের ভূখণ্ড দখল করে রংপুর বা চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্ন করবে। বরং যে আলোচনা পাওয়া যাচ্ছে তার অনেকটাই স্ট্র্যাটেজিক কমেন্ট্রি, জিওগ্রাফিক্যাল ভালনারেবিলিটি অ্যানালিসিস এবং রাজনৈতিক রেটোরিক। এমনকি ভারতের কৌশলগত বিশ্লেষক ভরত কারনাড, আমি একটা এর আগে এপিসোডে কয়েক মাস আগেই তার সম্পর্কে একটা কথা লিখেছিলাম, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রংপুর ডিভিশন নিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক একটি প্রপোজাল দিয়েছিলেন। এবং তিনি শুধু যে রাজনৈতিক বিশ্লেষক তা কিন্তু নন, তিনি ভারত সরকারের এই ব্যাপারে যে পলিসি মেকার্স রয়েছে তারও সদস্য তিনি। সুতরাং একেবারে যে ভারতের মাথায় এই ধরনের চিন্তা নেই তা কিন্তু নয়।

কিন্তু সামরিকভাবে কি এটা সম্ভব? কেন অসম্ভব কেন হবে? ভারত এবং বাংলাদেশের সামরিক শক্তির কনভেনশনাল যে অবস্থা, অ্যাসিমেট্রি অত্যন্ত বড়। তার সঙ্গে যোগ করুন বাংলাদেশের প্রায় তিন দিক ঘিরে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ড এবং একদিকে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চল। ফলে একটি হাইপোথেটিক্যাল ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ কনভেনশনাল ওয়ার বা যুদ্ধ, বাংলাদেশের উত্তর ও দক্ষিণ পূর্বের ন্যারো যেখানে সংকীর্ণ জিওগ্রাফিক্যাল লিংক আছে, সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতেই পারে। সামরিকভাবে ভালনারেবল। আর ভারত সেখানে আক্রমণ করতে চলেছে এ দুটো কথা সম্পূর্ণ আলাদা। বাস্তবে ভারত যদি বিনা আত্মরক্ষামূলক কারণেই... কিন্তু এখানে তো আত্মরক্ষার প্রশ্ন আসছে ভারতের! কারণ তোমরা সবাই মিলে ভারতের বিরুদ্ধে জোট তৈরি করছ ইসলামী ন্যাটো বা মক্কা জোট, আর ভারত চুপচাপ বসে থাকবে তাতো নয়। ভারতকে তার সুরক্ষা, আর সুরক্ষা আজকে দেখা যাচ্ছে না বলে কাল যে দেখা যাবে না তাতো নয়। এর সঙ্গে আছে চায়না এবং পাকিস্তান তাদের সাথে দহরম মহরম। সুতরাং তারেক সরকারের ভারত বিরোধী বক্তব্য বন্ধ করার জন্যে ভারত যদি বাংলাদেশে কি বলব যেটাকে হচ্ছে খুব লিমিটেড ইনভেশন যদি চালায়, আক্রমণ চালায়, সেটা কিন্তু একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না সেই সম্ভাবনা।

তাহলে ভারতের বাস্তব রেড লাইনটা কোথায়? আমার মতে এখানেই গোটা আলোচনার আসল জায়গা। বাংলাদেশের মক্কা জোটে যোগদান নিজে ভারতের জন্য একটা খুব যেটাকে বলে খুব সংকটের সেটা কিন্তু আছে। কিন্তু পরিস্থিতি অন্য মাত্রা পেতে পারে, আরো বেশি হতে পারে যদি তার সঙ্গে যুক্ত হয় পাকিস্তান মিলিটারি বা ইন্টেলিজেন্সের স্থায়ী অপারেশন প্রেজেন্স বাংলাদেশে। কারণ জোট বাঁধলে তারা আসবে। এখন জোট নেই তবুও আসছে। আর এবার এখানে সেনা ঘাঁটি করবে পাকিস্তান। যদিও মনে রাখতে হবে যে ১৯৭০-এ পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটি ছিল, এর থেকে অনেক বেশি, ৯৩,০০০ সেনাকে গ্রেপ্তার করেছিল ভারত। সুতরাং ভারত সীমান্তের কাছে পাকিস্তানি মিলিটারি ইনফ্রাস্ট্রাকচার যদি আসে, ভারতকে লক্ষ্য করে যদি মিসাইল, ড্রোন, ইন্টেলিজেন্স ফ্যাসিলিটিজ থাকে অথবা ভারতের শিলিগুড়ি করিডরকে হুমকির মুখে ফেলার মতো ব্যবস্থা যদি এই জোট করে, সেক্ষেত্রে দিল্লি বিষয়টিকে বাংলাদেশের নিজস্ব ফরেন পলিসি হিসেবে না দেখে ভারতের ওপর সিকিউরিটি থ্রেট হিসেবে বিবেচনা করতেই পারে। সেই পর্যায়ে এখনও পৌঁছায়নি, কিন্তু কাল যে পৌঁছাবে না তার কোনো মানে নেই, সেই পথেই কিন্তু এগিয়ে চলেছে।

এখানে আরো একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, তুরস্ক নিজে ন্যাটো মেম্বার। আর তথাকথিত ইসলামী ন্যাটোর সবচেয়ে শক্তিশালী কনভেনশনাল মিলিটারি মেম্বার, একইসঙ্গে আসল ন্যাটোরও সদস্য। অন্যদিকে সৌদি আরব ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু। কিন্তু ঐ যে বললাম চার মুসলিম দেশ বনাম ভারত এটা আপাতত আসছে। মনে রাখতে হবে সৌদি আরবের পাশে এখনও কিন্তু অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো আসেনি, মানে আরবের দেশগুলো আসেনি, দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম দেশ আছে তারাও আসেনি। সুতরাং বাংলাদেশ যদি এই অবস্থায় যদি যোগ দেয় এই জোটে, তাহলে তাকে মনে রাখতেই হবে ভারত বিরোধিতার মানসিকতা থেকে বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিল। আর বাংলাদেশের সমস্যা শুরু হবে তখন। কারণ ভারতকেও ব্যবস্থা নিতেই হবে।
শেষ কথায় বলি, আমার মূল্যায়ন খুব পরিষ্কার। মক্কা জোটকে ভারতের হালকাভাবে নেয়ার কোনো কারণ নেই। বিশেষ করে বাংলাদেশ যদি তাতে যোগ দেয় এবং তার ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশেরই সরকারের তরফ থেকে, তাহলে ভারতের ইস্টার্ন মিলিটারি প্ল্যানিং নতুন করে পর্যালোচনা করতেই হবে এবং তার সঙ্গে এটাও মানতে হবে পর্যালোচনা মানে এই নয় যে আমাকে নিজের সুরক্ষা তৈরি করবার জন্যে আমার ভূগোলের মধ্যে থাকতে হবে। ভূগোল পেরিয়ে যদি প্রোঅ্যাক্টিভলি রংপুর ও চট্টগ্রামের দিকে ভারত হাত বাড়ায়, তাহলে মনে রাখতে হবে সেটা ভারত বাড়াতেই পারে তার সম্ভাবনা আছে। ভারত বিরোধিতার রাজনৈতিক আবেগে বাংলাদেশ যদি এমন একটা স্ট্র্যাটেজিক অ্যালাইনমেন্টের দিকে যায়, সেখানে কিন্তু লাভের চেয়ে বাংলাদেশের বিপদ, ঝুঁকি অনেক বাড়বে। কারণ ভূগোলের একটা নিষ্ঠুর নিয়ম আছে: আপনি আপনার সরকার বদলাতে পারেন, আপনি আপনার জোট বদলাতে পারেন, কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারেন না। আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই প্রতিবেশীর নাম ভারত। যে ভারত কিন্তু এখন শক্তিতে, অর্থনীতিতে, শিল্পে সবকিছুতে পৃথিবীর সবথেকে এগিয়ে চলা উন্নতিশীল দেশ ভারত। এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে। এখনকার মতো এখানেই রাখছি।"

08/25/2026

🤔

Address

Limon, CO

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hello Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category