হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ঠাকুরগাঁও

হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ঠাকুরগাঁও জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।।


বাংলাদেশ আওয়ামী পরিবার ❣️

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিকথা
বিশ্বের বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কথা

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলা এবং বাঙ্গালীর ছয় দশকের সংগ্রাম সপ্ন এবং সাহসের সারথী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশের ইতিহাস আর ঐতিহ্যের গর্বিত অংশিদার এই ছাত্র সংগঠনটি। জাতির ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে ছাত্রলীগের প্রত্যক্ষ ভূমিকা। বাঙ্গালী জাতি হিসেবে জন্ম গ্রহনের আতুর

ঘর থেকে শুরু করে আজ অবধি স্বাধীনতা, সংগ্রাম আর শিক্ষার নিশ্চয়তার ছাত্রসমাজের তথা দেশবাসীর জন্য অতন্প প্রহরী ছাত্রলীগ।



বৃটিশ উপনিবেশ থেকে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের সময় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কলকাতা ইসলামীয়া কলেজের ছাত্র। তিনি ছিলেন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক। বৃটিশ উপনিবেশ থেকে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ বিভাজনের পর বাঙ্গালীরা নতুন ভাবে শোষনের যাতাকলে পড়ে। যাকে শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন ''এক শকুনির হাত থেকে অন্য শকুনির হাত বদল মাত্র ''। তাই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্থানের সরকার প্রথমে আঘাত হানে আমাদের মায়ের ভাষা বাংলার উপর। শেখ মুজিব তখনই অনুভব করলেন শোষনের কালো দাঁত ভাঙ্গার একমাত্র হাতিয়ার ছাত্র সমাজ। তাই তৎকালিন পাকিস্থান সরকার কতৃক চাপিয়ে দেওয়া উর্দূ ভাষার বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন প্রতিরোধ তৈরির জন্য ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালিন প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতা সম্পম্ন ছাত্র নেতা বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন 'পাকিস্থান ছাত্রলীগ'।বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগের যাত্রা শুরু। প্রথমে এর নাম ছিলো 'পাকিস্থান ছাত্রলীগ'। সংগঠনটির প্রথম আহবায়ক ছিলেন নাঈমউদ্দিন আহমেদ। ছাত্রলীগ সাংগঠনিক ভাবে কার্যত্রক্রম শুরু করলে এর সভাপতি মনোনিত হন দবিরুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক মনোনিত হন খালেক নেওয়াজ খান। ৬৪ বছর পর আজ এই বৃহৎ,ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠনটির তিন তারকা খচিত শিৰা শানস্নি ও প্রগতির গৌরবের পতাকা সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের হাতে।

ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার এক বছর পর ১৯৪৯ সালে এই ছাত্র সংগঠনটির হাত ধরেই তৎকালীন পাকিস্থানের প্রথম বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে 'আওয়ামী মুসলিম লীগে'র। যা পরে আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে এ দেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। তৎকালিন পাকিস্থান সরকারের শাসন শোষন আর বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। জন্মের পর থেকে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন পর্যায়ে জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জাতীয় রাজনীতিতেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতা কর্মী যুদব্দের ময়দানে জীবন উৎসর্গ করেছেন। রনাঙ্গনে শহীদ হয়েছেন ছাত্রলীগের ১৭ হাজার সাহসী বীর সৈনিক। বর্তমান জাতীয় রাজনীতির অনেক শীর্ষ নেতার রাজনীতিতে হাতেখড়িও ছাত্রলীগ থেকেই। ১৯৪৮ সালেই মাতৃভাষার পক্ষে ছাত্রলীগ আপোষহীন অবস্থান তৈরি করে। ১১ মার্চ ছাত্রলীগ উদর্ুর বিপক্ষে অবস্ট্থান নিয়ে ধর্মঘট পালন করে।ওই ধর্মঘটের পিকেটিং থেকেই গ্রেফতার হন রাজনীতির মাঠের জ্জ্বলজ্জ্বল করে থাকা তারকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র, বাঙ্গালীর রাজনীতির রাখাল রাজা,ছাত্রনেতা শেখ মুজিব ও তার সহযোগীরা। ছাত্রলীগই প্রথম বাংলাভাষার জন্য ১০ দফা দাবিনামা পেশ করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ ও আন্দোলন জোরালো করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল অবিস্মরনীয়।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় নিশান উড়ানোর নেপথ্যের কারিগরও ছিলো ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ১৯৫৬ সালের বাংলা রাষদ্ব্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়,৫৭'র শিক্ষক ধর্মঘট এবং ৬২'র শিক্ষা আন্দোলনের পালে সমিরন প্রবাহ করে ছাত্রলীগ। ১৯৬৬ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারী থেকে ২০ ফেব্রুয়ারী ছাত্রলীগের নেতৃত্বে প্রচলন হয় বাংলা সপ্টস্নাহের। বাঙ্গালীর মুক্তির ছয় দফা হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক 'ছয় দফা' আন্দোলনে রাজপথের প্রথম সারিতে অবস্ট্থান ছিল ছাত্রলীগের। এসময় নিজেদের ১১ দফার মাধ্যমে ছাত্রসমাজের রক্তে প্রবাহ সঞ্চার করে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নেতৃত্বেই আগরতলা ষড়যন্প মামলা ছাত্র-গণ আন্দোলন থেকে গণঅভু্যত্থানে রূপ নেয়। গণজাগরনের ৭০'র নির্বাচনে মুক্তির সনদ ছয় দফাকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এক দফার গণভোটে রূপ দেয়। এরপর ৭১'র ত্রিশ লাখ মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগ আর দুই লাখ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলার আকাশে যে রক্ত স্নাত লাল সূর্যোদয় হয় তাতে পরিসংখ্যানের হিসেবে বিশ্বের বৃহৎ. ও সংগ্রামী সংগঠন ছাত্রলীগের আত্মত্যাগী নেতাকর্মীদের সংখ্যা ছিল ১৭০০০ (সতের হাজার)।

১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ কালপূর্বে যুদব্দবিধ্বস্ট্থ দেশ গঠনের সংগ্রাম ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিলো অগ্রগন্য। ১৯৭৫ সারে জাতির পিতা ও তার পরিবারে সদস্যদের নির্মম ভাবে হত্যার পর বাঙ্গালীর জাতির ভাগ্যকালে আবার কালো গ্রাস করে নেয়। স্টৈ্বরশাসক মেজর জিয়া ও তৎপরবর্তী রাজনীতির মাঠে সামরিক চাষবাসের তিক্ত ফসল বাঙ্গালীদের অতিষ্ঠ করে তোলে। যা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে রাজপথে রক্তা দিতে হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। সামরিক শাসনের মধ্যেও ১৯৮৩ সালে শিক্ষা আন্দোলন ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দশ দফা তৈরিতে নেতৃত্দ্ব দেয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। শিক্ষার অধিকার প্রসারে শামসুল হক ও অধ্যাপক কবীর চৌধুরির কমিশনে রিপোর্ট তৈরিতে ছাত্রসমাজের পক্ষে জোড়ালো অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ।

এরপর একটি সফল গণঅভূত্থান পরবর্তী নির্বাচনে দীর্ঘ একুশ বছর পর সরকার গঠন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ছাত্রলীগ মহিয়সী নেত্রী, দেশরত্দম্ন শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক নির্দেশ প্রতিপালন করেছে। ১৯৯৮ সালের বন্যা মোকাবেলায় কিছু অদহৃরদর্শী ব্যক্তির দুর্ভিক্ষের আশংকাকে ভুল প্রমান করেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিন শিফটে রুটি তৈরি করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। তৈরী করেছে দুর্যোগপুর্ন এলাকার মানুষের জন্য খাবার স্যালাইন। দুসময়ে দুর্গত এলাকায় রুটি ও স্যালাইন বিতরন করে মানুষের জীবন রক্ষা করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। যার মাধ্যমে হতাশা ও প্রজ্ঞাহীন ব্যক্তিদের আশংকার জবাব দিয়েছে ছাত্রলীগ। ১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র বেতন বৃদব্দির প্রতিবাদী আন্দোলনে ছাত্রলীগ ছিল আপোসহীন। নিরক্ষরতা মুক্ত,পোলিও মুক্ত বাংলাদেশ বির্নিমান ও বৃক্ষরোপনের মধ্যেমে বিশ্বের উষষ্ণায়ন কমাতে প্রতিটি জেলায় জেলায় কাজ করেছে ছাত্রলীগ। ২০০১ লর নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি জামায়ত জোটের সহিংসতা এবং দেশব্যাপী সাংগঠনিক নির্যাতনের বিরুদব্দে ছাত্রলীগ প্রতিরোধ রচনা করেছে। পাক আত্দ্মানির্ভর বিএনপি জামায় জোটের হাতে এদেশের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃতির বিরুদব্দেও জোড়ালো প্রতিবাদ করেছে ছাত্রলীগ। ২০০১ সালের পর বিএনপি জামায়াত জোটের প্রত্যক্ষ মদদে শনস্নির এই ভূখন্ডে জঙ্গীবাদরে উত্থান হলে ছাত্রলীগ তার বিরুদব্দে রাজপথে কঠোর প্রতিবাদ রচনা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় অধ্যাপক ড.হুমায়ুন আজাদের উপর মৌলবাদি হামলার প্রতিবাদেও রাজপথে ছিলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরপর ২০০৪ সালের ২১ আগষদ্ব রাষদ্ব্রিয় মদদে স্ট্বরন কালের সবচেয়ে পৈচাশিক গ্রেনেট হামলার মাধ্যমে বাংলার মানুষের চির আস্ট্থার ঠিকানা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জীবন নাশের হামালা জোড়ালো প্রতিবাদ জানায় ছাত্রলীগ। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আমাদের প্রিয় নেত্রী বাংলার দু:খি মানুষের একমাত্র আস্ট্থার ঠিকানা দেশরত্দম্ন শেখ হাসিনাকে তথাকথিত তত্ত্বাবোধায়ক সরকারের নামে সামরিক কায়দায় আটকের পর সামরিক বাহিনীর রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রাজপথে প্রথম প্রতিবাদ রচনা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বিতর্কীত সেই তত্ত্বাবোধায়ক সরকারের হাতে গ্রেফতার হয়ে উনিশ মাস কারাবরন করেন ছাত্রলীগের তৎকালিন সাধারন সম্পাদক সহ অনেক জেষ্ঠ্য নেতা । তবুও প্রাণাধিক প্রিয় নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন থেকে ছাত্রলীগকে পশ্চাতে হঠাতে পারেনি শাসক শ্রেনী। সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রধর্মঘট পালন করে ছাত্রলীগ প্রিয় নেত্রীর মুক্তির অদম্য আন্দোলন রচনা করে। এরপর ২০০৮ সালের ২৮ ডিসেল্ফ্বরের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্দ্বাধীন মহাজোটের বিজয় নিশ্চত করতে নিরলস ভাবে কাজ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি মুজিব সৈনিক। এরপর পর বাংলাদেশের সরকার গঠন করে আওয়ামীলীগের নেতৃত্দ্বাধীন মহাযোজ। দেশে জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্দ্বে শুরু হয় দিন বদলের সরকারের পথ চলা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন কমিশনের নিবল্পব্দনের শর্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক সভানেত্রীর পদ থেকে হারাতে হয় আমাদের প্রিয় নেত্রীকে। এরপর ২০১১ সারের ১১ জুলাই গণতন্পের মানসকন্যা গনতন্পপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানের জন্য মেধাবী ও প্রজ্ঞাও দহৃরদর্শীতা সমঙ্ল্পম্ন ছাত্রনেতাদের হাতে ছাত্ররাজনীতি তুলে দিতে ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচন করা হয় প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে। সাবার দেশের ৮৭টি সাংগঠনিক জেলার কাউন্সিলররা তাদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলমকে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করেন।

২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তি, সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদী-জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর হাতে দেশ জিম্মি থাকার প্রেক্ষাপটে ২০০৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করেছিল সাতটি ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ),বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় ছাত্র ঐক্য, বাংলাদেশ ছাত্র সমিতি ও জাতীয় ছাত্র ফোরাম সমন্বয়ে গঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। বর্তমানে এই যুদব্দাপরাধীদের বিচারের দাবিতে এই ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রাজপথে আন্দোলনে করে যাচ্ছে সল্ফ্মিলিত ভাবে যার নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

29/06/2026

চীন সফরের পর গদি নড়ে গেছে! পতন অনিবার্য! বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেত্রীকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।

আ. লীগ কারো ক্ষমতার ঢাল হবে না বিএনপির দেওয়া গোপন প্রস্তাব রুখে দিয়ে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কঠোর বার্তা-----------...
19/06/2026

আ. লীগ কারো ক্ষমতার ঢাল হবে না বিএনপির দেওয়া গোপন প্রস্তাব রুখে দিয়ে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কঠোর বার্তা
-----------------

৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক জটিলতার মাঝেও নিজের আপসহীন ও দৃঢ়চেতা ভাবমূর্তি আরও একবার প্রমাণ করলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

দলের নেতাকর্মীদের ওপর আইনি ও রাজনৈতিক বাধা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে বিএনপির দেওয়া একটি বিশেষ সমঝোতার প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

কোনো শক্তির করুণা বা গোপন শর্তে নয়, বরং দেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা এবং দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের ঐতিহ্যকে সঙ্গী করেই আওয়ামী লীগ রাজপথে ফিরবে—এমন বার্তাই দিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব।

বিএনপির প্রস্তাব ও কৌশল: আওয়ামী লীগ মাঠে ফিরলে তারা জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মুখোমুখি দাঁড়াবে—এই সমীকরণ থেকে বিএনপি নিজেদের ক্ষমতা সুসংহত করতে ৫ বছরের ‘নির্দলীয় নিরবচ্ছিন্ন’ ক্ষমতার গ্যারান্টি চেয়েছিল।

আইনি স্বস্তির টোপ প্রত্যাখ্যান: এই শর্ত মানলে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

শেখ হাসিনার অনড় ও ইতিবাচক অবস্থান: কোনো গোপন চুক্তি বা কারো ক্ষমতার সিঁড়ি হয়ে নয়, আওয়ামী লীগ তার নিজস্ব গৌরবময় ইতিহাস ও সাংগঠনিক শক্তিতেই পুনর্গঠিত হবে।

বিএনপির মনস্তাত্ত্বিক পরাজয়: শেখ হাসিনার এমন দৃঢ় অবস্থানের পর বিএনপির ভেতরে তৈরি হয়েছে চরম আতঙ্ক। তাদের ভয়, যেকোনো মুহূর্তে এই রাজনৈতিক সমীকরণ ঘুরে গিয়ে বিএনপি নিজেই বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিএনপির হাই কমান্ডের পক্ষ থেকে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে একটি অলিখিত রাজনৈতিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। বিএনপির মূল হিসাব ছিল, আওয়ামী লীগ যদি মাঠে নামে, তবে জামায়াত ও অন্যান্য দলগুলো তাদের প্রতিহত করতে ব্যস্ত থাকবে। এর ফলে ক্ষমতার মূল কেন্দ্রে থাকা বিএনপি একধরনের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্বস্তিতে থাকবে। অর্থাৎ, নিজেদের ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখতে আওয়ামী লীগের বিশাল জনসমর্থন ও রাজনৈতিক প্রভাবকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল বিএনপি।

আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে, বিএনপির এই প্রস্তাব সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছানো মাত্রই তিনি তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন।

শেখ হাসিনা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, আওয়ামী লীগের মতো একটি প্রাচীন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া দল কোনো বিশেষ শক্তির দয়া, শর্ত বা গোপন সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে রাজনীতিতে ফিরতে পারে না। দলের তৃণমূল নেতাকর্মী এবং দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীই এই দলের মূল চালিকাশক্তি। ক্ষমতার লোভ বা সাময়িক স্বস্তির জন্য কোনো সুবিধাবাদী সমীকরণের অংশ হতে রাজি নন তিনি। বরং প্রতিকূল পরিবেশেও নিজেদের ভুলত্রুটি শুধরে, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করে সঠিক সময়ে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন নিয়েই রাজপথে ফেরার পক্ষে তিনি।

আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা অত্যন্ত প্রত্যয়ের সাথে বলেন: “আওয়ামী লীগ জনগণের দল। আমরা কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করে বা কারো ক্ষমতায় থাকার গ্যারান্টি দিয়ে রাজনীতি করব না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের আপস করতে শেখাননি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যখন ফিরবে, জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই নিয়েই বুক ফুলিয়ে নিজস্ব শক্তিতে ফিরবে।”

এদিকে শেখ হাসিনার এই অনড় ও সাহসী অবস্থানের কারণে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। দলটির একাংশের আশঙ্কা, আওয়ামী লীগকে মাইনাস করার যে চক্রান্ত হয়েছিল, তা তো সফল হয়ইনি, উল্টো শেখ হাসিনার এই দৃঢ়তা দেশের সাধারণ মানুষের মনে আওয়ামী লীগের প্রতি ইতিবাচক ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনছে।

একই সাথে, ক্ষমতার লোভে বিএনপির এমন গোপন নেগোসিয়েশনের খবর প্রকাশ পাওয়ায় জামায়াত ও এনসিপির সাথে বিএনপির সম্পর্কে ফাটল ধরার উপক্রম হয়েছে। বিএনপির থিঙ্কট্যাংক এখন শঙ্কিত যে, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কাছে তাদের এই গোপন চাল সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।

রাজনীতিতে চক্রান্ত বা শর্তের চেয়ে যে আদর্শ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা বড়—শেখ হাসিনার এই সিদ্ধান্ত তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাময়িক কোনো সুবিধার জন্য দলের নীতি বিসর্জন না দিয়ে, রাজকীয়ভাবে ও জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই আওয়ামী লীগ আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে তার গৌরবময় অবস্থান পুনরুদ্ধার করবে—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মাত্র ৯ মাসে তিন দিকপাল নেতাকে হারিয়ে অভিভাবকহীন ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতি।রাজনীতিতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে— “ব্যক্তির...
30/05/2026

মাত্র ৯ মাসে তিন দিকপাল নেতাকে হারিয়ে অভিভাবকহীন ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতি।

রাজনীতিতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে— “ব্যক্তির মৃত্যু হলেও আদর্শের মৃত্যু হয় না।” কিন্তু যখন মাত্র ৯ মাসের ব্যবধানে একটি জেলার অভিভাবকতুল্য তিনজন শীর্ষ নেতা একে একে চিরবিদায় নেন, তখন সেই শূন্যতা পূরণ করা সহজ হয় না। ঠাকুরগাঁও জেলার রাজনৈতিক ইতিহাসে ঠিক তেমনই এক অপূরণীয় ক্ষতি ও শোকের অধ্যায় রচিত হয়েছে।
গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের সাবেক তিনজন বর্ষীয়ান সংসদ সদস্যকে হারিয়েছে ঠাকুরগাঁও। তারা হলেন— ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম, এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক এমপি ইমদাদুল হক।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে একের পর এক এই তিন নক্ষত্রের বিদায়ে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
সময়ের ব্যবধানে এই তিন নেতার মৃত্যুর দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইমদাদুল হক। তার মৃত্যুতে জেলাজুড়ে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়।
এর ঠিক ৫ মাস ৮ দিন পর, ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নির্বাচনী বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি পানিসম্পদমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানি ব্যবস্থাপনা এবং ঠাকুরগাঁও জেলার শিক্ষা, কৃষি, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ খাতে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই মাত্র ৩ মাস ২১ দিনের ব্যবধানে জেলায় নেমে আসে আরেকটি বড় ধাক্কা। ২০২৬ সালের ২৮ মে, পবিত্র ঈদের দিনে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ঠাকুরগাঁও-2 আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম।
উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে টানা সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিরল রেকর্ড রয়েছে দবিরুল ইসলামের। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ি গ্রামে জন্ম নেওয়া এই নেতা রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-এর মাধ্যমে। পরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সংসদীয় বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও দক্ষতার সঙ্গে পালন করেন। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে চা চাষ সম্প্রসারণেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
অন্যদিকে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইমদাদুল হক ছিলেন জেলার একজন জনপ্রিয় ও সংগঠকপ্রতিম আওয়ামী লীগ নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এলাকায় উন্নয়ন ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেন। পরবর্তীতে পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও সফলতার সঙ্গে পালন করেন।
সব মিলিয়ে মাত্র ৮ মাস ২৮ দিনের ব্যবধানে (প্রায় ৯ মাসে) ঠাকুরগাঁও হারিয়েছে তার তিনজন প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক অভিভাবককে। তাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জেলার উন্নয়নে অবদান আজও মানুষের স্মৃতিতে অমলিন।
সংক্ষিপ্ত সময়ের ব্যবধানে জেলার শীর্ষ এই তিন নেতার চিরবিদায়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে গভীর শোকের আবহ বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন তাদের অবদান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই তিন নেতার বিদায়ে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা অদূর ভবিষ্যতে পূরণ হওয়া কঠিন।

ঠাকুরগাঁও ২ ( বালিয়াডাংগী- হরিপুর)  আসনের ৭ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য,ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জননেতা দ...
28/05/2026

ঠাকুরগাঁও ২ ( বালিয়াডাংগী- হরিপুর) আসনের ৭ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য,ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জননেতা দবিরুল ইসলামকে, বাটপার খুনী ইউনুস মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে বিনা চিকিৎসায় কারাগারে আটক করে রেখেছিল জনপ্রিয় জননেতা আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যবরন করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্নাল এলাহি রাজিউন)।
প্রিয় নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক করছি এবং মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক, প্রয়াত নেতার ছেলে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজনের মুক্তি চাই।

17/05/2026

যারা ৮০ বছর বয়সী নারীর কাপড় নিয়ে উল্লাস করে তাদের মৃত্যুতে উল্লাসই হবে No সুশীলতা!

আবার প্রত্যাবর্তন লোডিং...........

15/05/2026

এটা এখন ১০০% প্রমাণিত যে, বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে যারা ফ্যাসিস্ট বলতো প্রকৃতপক্ষে তারাই সবচেয়ে বড় ফ্যাসিস্ট; বাংলাদেশের দুশমন।

প্রিয় দেশবাসী আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম গ্রহন করুন!আমরা ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।
13/05/2026

প্রিয় দেশবাসী আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম গ্রহন করুন!
আমরা ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।

17/04/2026
08/04/2026

আওয়ামী লীগই সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র রাজনৈতিক সংগঠন যার কার্যক্রম আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করেছে এবং শাস্তিযোগ্য করে সংশোধন আনার পরেও নেতাকর্মীরা গর্বের সাথে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় পরিচয় বহন করে ও স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।


21/03/2026

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা।

Address

দলীয় কার্যালয়, হরিপুর
ঠাকুরগাঁও।

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Friday 11:00 - 13:00
15:00 - 22:00
Saturday 11:00 - 14:00
15:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 21:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হরিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ঠাকুরগাঁও posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share