Bangladesh Institute of Research and Training on Applied Nutrition - BIRTAN

Bangladesh Institute of Research and Training on Applied Nutrition - BIRTAN বাংলাদেশের জনগণের পুষ্টিস্তর উন্নয়নে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ

খাদ্যভিত্তিক পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে কর্মক্ষম ও দক্ষ জনশক্তি সৃজন, পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ, বেকার সমস্যা সমাধান ও স্বকর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)। ফলিত পুষ্টি বিষয়ে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক পীঠস্থান (Center of Excellence) হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মহান জা

তীয় সংসদে 'বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) আইন-২০১২' পাশ হয় এবং ১৯ জুন, ২০১২ তারিখে ২০১২ সালের ১৮ নং আইন হিসেবে বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়।

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কৃষিতৌফিকুর রহমানসহকারী প্রোগ্রামার, বারটানক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে খাদ্যশস্যের ঘাটতি আমাদের ...
27/08/2026

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কৃষি
তৌফিকুর রহমান
সহকারী প্রোগ্রামার, বারটান

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে খাদ্যশস্যের ঘাটতি আমাদের দেশকে আমদানি নির্ভর করে তুলছে। যথেষ্ট ভূমি সম্পদ থাকা সত্ত্বেও আমাদের খাদ্য শস্যের ঘাটতি মিটছে না। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুসারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১২.৯৬ লাখ টন খাদ্যশস্য আমদানি করেছে সরকার। এবারের বিশ্ব খাদ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্যটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার কৌশলগত কাঠামো এর সঙ্গে Four Betters নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। এ চারটি মূল স্তম্ভের একটি হলো উন্নত উৎপাদন- স্মার্ট প্রযুক্তি ও টেকসই পদ্ধতির মাধ্যমে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে কাঙ্ক্ষিত খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ। তাই বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য হ্রাসমান ভূমির কারণে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে শুধু উৎপাদন বৃদ্ধিই নয় বরং বীজ বপন থেকে খাদ্য গ্রহণ পর্যন্ত সকল পর্যায়ে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির দিকে নজর দেওয়া উচিত। উচ্চফলনশীল জাতের পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রে প্রাচীন পদ্ধতি থেকে আধুনিক পদ্ধতির দিকে ধাবমান না হলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়।

কম্পিউটার ভিশন ও এ. আই. (AI)- এর মাধ্যমে প্রিসিশন এগ্রিকালচার- কম্পিউটার ভিশন খুব মজার একটি প্রযুক্তি। মানুষের যেমন চোখ আছে কম্পিউটারেরও তেমন চোখ থাকতে পারে। আর এই চোখ হচ্ছে ক্যামেরা। চোখ দিয়ে আমরা যেমন দেখি, বুঝতে পারি সামনে কী আছে, তেমনই ক্যামেরা দিয়ে কম্পিউটারও দেখতে পারে ও বুঝতে পারে সামনে কী আছে। আর এই বোঝার কাজটা করে দেয় মেশিন লার্নিং। একটা মানবশিশু জন্মের পর থেকে আস্তে আস্তে দেখে, শেখে কোনটা কী। কোনটা গ্লাস, কোনটা বই, কোনটা মা, কোনটা বাবা। তেমনই মেশিন লার্নিং সিস্টেমে কম্পিউটার আস্তে আস্তে শিখতে পারে কোনটা গাছ, কোনটা মাটি, কোনটা পাতা, কোনটা রোগ, কোনটা সুস্থতা। এই শেখার কাজটা করা হয় অনেক অনেক ডেটা ব্যবহার করে। যেমন কম্পিউটারকে ১০,০০০ ধানের পাতা আর ধান গাছের গোড়ার ছবি দেখিয়ে বলা হলো – "দেখো এটা ধানের পাতা আর এটা ধান গাছের গোড়া"।

কম্পিউটারও ভুল করতে করতে আস্তে আস্তে শিখে গেল কোনটা কী। এখন যদি কম্পিউটারকে বলা হয় ধানে একটু সার দাও, সে অবশ্যই গোড়ায় দেবে পাতায় দেবে না কারণ সে চেনে কোনটা পাতা আর কোনটা গোড়া। শুধু তাই নয়, পাতা দেখে রোগ চেনা শিখে গেলেও রোগ হিসেবে কীটনাশক প্রয়োগও করে দিতে পারবে। ফসল দেখে ফসলও চিনতে পারে। তাহলে কম্পিউটারকে বলে দিলে সে একজন এক্সপার্টের মতো কাজ করে দেবে। এবং সেই কাজ হবে স্বয়ংক্রিয় এবং নিরবচ্ছিন্ন। আর এখন কম্পিউটার বলতে বড় বাক্স নয়, আরডুইনো আর রাসবেরি পাই এর মতো হাতের তালুর থেকেও ছোট কম্পিউটার বর্তমানে আছে যা দিয়ে ছোট ছোট রোবট, ড্রোন তৈরি করা যায়। এসব দিয়ে সঠিক রোগ, সঠিক ফসল, সঠিক স্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এভাবেই কাজ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই। উন্নত দেশে সারের অপচয় হয় না বা সুস্থ ধানেও কীটনাশক ব্যবহার হয় না। কারণ রোবট রোগাক্রান্ত গাছ চিনে খুঁজে বের করে সেখানেই কীটনাশক প্রয়োগ করে। কোন ফল বা ফসল হারভেস্ট করতে হবে তাও রোবট দিয়ে চিহ্নিত করে রোবট দিয়েই হারভেস্ট করা যায়। এই গেল কম্পিউটারের চোখের কাজ। কম্পিউটারের তাহলে চোখ যেমন আছে তেমন নাক-কান এসবের মতো ইন্দ্রিয় থাকলে কেমন হয়? আছেই তো।

সেন্সর ও কৃষি প্রযুক্তি- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর-ই কম্পিউটারের ইন্দ্রিয়। উপরে আলোচিত ক্যামেরাও এক ধরনের সেন্সর, অপটিক্যাল সেন্সর। আরও কিছু সেন্সর কৃষিতে ভূমিকা রাখে, যেমন আর্দ্রতা মাপার জন্য হিউমিডিটি সেন্সর। মাটি বা বাতাসের আর্দ্রতা কম্পিউটারকে বোঝানোর জন্য এই সেন্সর। কম্পিউটার যদি পাম্প চালু করতে পারে, বন্ধ করতে পারে তাহলে তার জানার দরকার কখন চালু করতে হবে বা বন্ধ করতে হবে। এভাবে পানি সম্পদেরও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। এই নির্ধারণটাই করে সেন্সর দিয়ে। আর্দ্রতা হ্রাস বৃদ্ধি ফসল সংরক্ষণের সাথেও জড়িত। মাছের পুকুরে সেচের পাম্পের সাথে একটা পিএইচ সেন্সর লাগিয়ে দিলেও পিএইচ এর ওপর নির্ভর করে পাম্প চালু বা বন্ধ হবে।

ড্রোন এবং রোভার প্রযুক্তি ও কৃষি- ড্রোন ব্যবহার করে কৃষি কাজ বিভিন্ন দেশে এখন অনেক জনপ্রিয়। এর কারণ সহজ ও দ্রুত উপায়ে বীজ, সার, সেচ ও কীটনাশক প্রয়োগ। ফসল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও কম এবং কর্মদক্ষতাও বেশি। দুর্গম স্থানে বীজ বপন থেকে শুরু করে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত ড্রোন এবং রোভার দিয়ে করা সম্ভব। জলবায়ু পরিবর্তনে উপকূল এলাকায় ভাসমান কৃষিতে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার অভাবনীয় পরিবর্তন আনতে পারে। ড্রোন ব্যবহার করে কৃষি ক্ষেত্রে সার্ভিলেন্স এর কাজও করা যায়। চীনে ড্রোন একটি নিত্যব্যবহার্য কৃষি উপকরণে পরিণত হয়েছে। রোভার হচ্ছে মানববিহীন রিমোট কন্ট্রোল বা স্বয়ংক্রিয় গাড়ি যা সহজে উঁচুনিচু স্থানে চলতে পারে। কৃষিতে রোভার ব্যবহার করে ফসল সংগ্রহ করা যায়। এআই ব্যবহার করে রোভারকে পাকা ফল চিনিয়ে দিলে এবং রোবোটিক আর্ম লাগিয়ে দিলে সে একাই ফল তুলে আনতে পারবে। এছাড়াও রোভারে বিভিন্ন মেকানিক্যাল ইকুইপমেন্টস লাগিয়ে দিলে এবং অ্যালগরিদম সেট করে দিলে সে দ্রুত কৃষি কাজ করে দিতে পারবে।

জি.আই.এস. প্রযুক্তি ও কৃষি- স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা। সহজ কথায়, এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা মানচিত্র এবং বিভিন্ন ডাটা বা উপাত্ত ব্যবহার করে মাটির গুণাগুণ, আবহাওয়া এবং ফসলের অবস্থা বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। এর ফলে সামগ্রিকভাবে কৃষি উৎপাদন পর্যবেক্ষণ, প্লাবনের পরিমাণ, ক্ষতির পরিমাণ বিশ্লেষণ করা সম্ভব। এর সাথে মেশিন লার্নিং যুক্ত থাকায় সম্ভাবনা ভিত্তিক অনুমান প্রদান করা যায়। যেমন এ বছর বোরো ধানের উৎপাদন কেমন হতে পারে বা বন্যায় কী পরিমাণ ক্ষতি হতে পারে তা স্যাটেলাইট ছবি এবং ডেটার মাধ্যমে অনুমান করা যায়। এর ফলে নীতি নির্ধারণ পর্যায়েও সুবিধা পাওয়া যায়। আমদানি রপ্তানির আগাম হিসাব করে ফেলা যায়। শুধু তাই নয় খরা বা ভাইরাসজনিত মহামারী চিহ্নিত করে সে অনুসারে সরকারি পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতেও এই প্রযুক্তি সাহায্য করতে পারে।

স্মার্ট মনিটরিং সিস্টেম- পশুপালন থেকে শুরু করে মাছ চাষ সকল স্থানে স্মার্ট মনিটরিং এর ব্যবহার করলে উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোগ বা বিক্রয় পর্যন্ত কর্মদক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যায়। স্মার্ট মনিটরিং অবজেক্ট ডিটেকশন এবং প্যাটার্ন বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্ষতিকারক পাখি, পতঙ্গ, পোকা ডিটেক্ট করে তা তাড়ানোর মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়। পশুপালনে পশু বা পাখির স্বাস্থ্য এবং সার্বিক অবস্থা ক্যামেরার মাধ্যমে দূর থেকে মনিটরিং করা যায়। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা স্মার্ট মনিটরিং সহজে আইডেন্টিফাই করতে পারে এবং এলার্ম এর মাধ্যমে জানাতে পারে। দূর থেকে মোবাইলে সেই নোটিফিকেশন পাঠিয়ে কৃষকের দৃষ্টিগোচর করাতে পারে। বিভিন্ন ধরনের হেলথ ট্যাগ বা ডিভাইস পাওয়া যাচ্ছে এখন যা গবাদি পশু বা হাঁস মুরগির দেহে স্থায়ীভাবে লাগিয়ে রেখে দূর থেকে মনিটরিং করা যায়।

এসব হেলথ ডিভাইসের প্রাণীর দেহের স্বাস্থ্যগত অবস্থার ডেটা নিরবচ্ছিন্নভাবে সংগ্রহ করে এবং ক্লাউডে জমা রাখে। কোনো অস্বাভাবিক ডেটার মান দেখতে পেলে সেটা পর্যবেক্ষকের বা কৃষকের মোবাইলে নোটিফিকেশন আকারে পাঠিয়ে দিতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ডিভাইসটি সবসময় তাপমাত্রা মাপে। যদি স্বাভাবিকের থেকে বেশি তাপমাত্রা পায় তাহলে সেটা সে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফাই করবে।

মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন- বাজার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে পণ্যের প্রাপ্ততা নিশ্চিত করতে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ভিত্তিক বিপণন অনেক ক্ষেত্রে দেশেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে সরকারি উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে। ক্লাউড ভিত্তিক সেবা চালু থাকলে দাম ও প্রাপ্ততার ওঠানামা উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায়ে নিশ্চিত করা যায়। সিন্ডিকেটের অপচেষ্টা রুখে দেওয়া সম্ভব। জিপিএস লোকেশন ভিত্তিক বাজার, চাষি, ফার্মারের তথ্য, মজুদ ও দামের বিষয়ে সরাসরি আপডেট দেওয়ার ব্যাবেস্থা থাকলে কৃষি পণ্যের বণ্টন সহজ হবে এবং পোস্ট প্রোডাকশন লস কমে আসবে। বর্তমানে মোবাইল ও ইন্টারনেট কৃষক পর্যায়েও সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। এই দিকটা বিবেচনা করে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ভিত্তিক প্রযুক্তির উত্তরণ ঘটাতে হবে এবং এর সর্বোচ্চ সুযোগ নিতে হবে। বাংলাদেশে গৃহীত কৃষি প্রযুক্তির উদ্যোগের মধ্যে এই দিকটিতেই বেশি অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কৃষিকে আধুনিক প্রযুক্তিতে রূপান্তর সহজ না হলেও অবশ্যকরণীয়। আমাদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আছে, এর সাথে দরকার প্রযুক্তির সংযোজন। যেমন পাম্প আছে এর সাথে দরকার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের বিনিয়োগ দরকার, দরকার কৃষককে হাতে কলমে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সাক্ষরতা অর্জন করতে হবে। প্রযুক্তিকে ভয় নয় বরং একে সম্ভাবনার উৎস মনে করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে প্রারম্ভিক পর্যায়ে খরচ বেশি হলেও পরবর্তীতে তা অনেক কমে যায় এবং কর্মদক্ষতা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এজন্য শুরুতে দরকার সরকারি সাহায্য। স্তিমিত কৃষি বিপ্লব প্রযুক্তির ছোঁয়ায় জেগে উঠুক এই আমাদের প্রার্থনা।

-ফলিত পুষ্টি বার্তা, জুলাই '২৬ সংখ্যা হতে সংগৃহীত।

বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)-এর প্রধান কার্যালয় (আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ) প্রাঙ্গণে চলমান ব...
10/08/2026

বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)-এর প্রধান কার্যালয় (আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ) প্রাঙ্গণে চলমান বিভিন্ন মাঠ গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন জনাব হায়দার জাহান ফারাস, নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মহোদয়।

​পরিদর্শনকালে তিনি গবেষণা প্লটসমূহ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং গবেষণার অগ্রগতি, সংগ্রহোত্তর ক্ষতি (Post-harvest loss) হ্রাস, খাদ্যের পুষ্টিমান সংরক্ষণ ও কৃষকদের মাঝে এসব প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়াবলি নিয়ে সংশ্লিষ্ট গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের সাথে মতবিনিময় করেন।

​ফলিত পুষ্টি গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

০৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' উদ্‌যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)-এর ...
05/08/2026

০৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' উদ্‌যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)-এর পক্ষ থেকে জুলাই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
​বারটানের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব হায়দার জাহান ফারাস মহোদয়ের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জে অবস্থিত 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে' পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করা হয়।
​শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে বারটান পরিবার
অংশগ্রহণ করে। মোনাজাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও দেশের সার্বিক উন্নয়ন-অগ্রগতি কামনা করা হয়।
​উক্ত কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বারটানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এবং পুষ্টি শিক্ষা শাখার অধ্যক্ষ ড. মো: জামাল হোসেনসহ সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং
বারটান দায়িত্বরত(অঙ্গীভূত) আনসার বাহিনীর সদস্যরা।
​এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর বারটান প্রাঙ্গণস্থ মসজিদে জুলাই শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

বেগুনী রঙের শাঁসযুক্ত পেয়ারা (Psidium guajava জাত)ড. মোহাম্মদ জহির উল্লাহ, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা,  খাদ্য শস্য শা...
03/08/2026

বেগুনী রঙের শাঁসযুক্ত পেয়ারা (Psidium guajava জাত)

ড. মোহাম্মদ জহির উল্লাহ, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, খাদ্য শস্য শাখা

অত্যন্ত পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি ট্রপিক্যাল ফল। ঐতিহ্যবাহী সাদা বা হালকা গোলাপি পেয়ারার তুলনায় এর গাঢ় বেগুনী-লাল রং মূলত উচ্চমাত্রার বায়োঅ্যাক্টিভ উপাদানের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
​প্রধান ফাইটোকেমিক্যালস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
​অ্যান্থোসায়ানিন (Anthocyanins): পানিতে দ্রবণীয় এই রঞ্জক পদার্থটি ফলের অনন্য বেগুনী রঙের জন্য দায়ী। এটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা ফ্রি র‍্যাডিকেল (ROS) নিষ্ক্রিয় করে এবং কোষের অক্সিডেটিভ স্ট্রেন কমায়।
​পলিমেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড (Polyphenols & Flavonoids): এতে কুয়েরসেটিন (quercetin), কেম্পফেরল (kaempferol), এবং গ্যালিক এসিড (gallic acid) রয়েছে, যা প্রদাহবিরোধী (anti-inflammatory) এবং কোষ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।

​লাইকোপিন ও ক্যারোটিনয়েড (Lycopene & Carotenoids): চর্বিতে দ্রবণীয় এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো অ্যান্থোসায়ানিনের সাথে মিলে রক্তনালী ও লিপিড মেমব্রেনের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
​অ্যাসকরবিক এসিড (ভিটামিন সি): প্রাকৃতিক উৎসের মধ্যে পেয়ারা অন্যতম শীর্ষ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল, যা কোলাজেন সংশ্লেষণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

​প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতা
​১. হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীর স্বাস্থ্য
​পলিসেনল এবং খাদ্যতালিকাগত পটাশিয়াম রক্তনালীর ভেতরের আস্তরণ (endothelium) সুস্থ রাখতে, ক্ষতিকর এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরলের জারণ ঝুঁকি কমাতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

​২. রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও পেটের স্বাস্থ্য
​কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং প্রচুর দ্রবণীয় ফাইবার (পেকটিন) থাকায়, বেগুনী পেয়ারা গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে। ফলে এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

​৩. প্রদাহবিরোধী ও কোষের সুরক্ষা
​অ্যান্থোসায়ানিন এবং ভিটামিন সি-এর যৌথ প্রভাব প্রদাহ সৃষ্টিকারী সাইটোকাইন সংকেতকে বাধা দেয়, যা মেটাবলিক জটিলতা সম্পর্কিত ক্ষয়ক্ষতি থেকে টিস্যুকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

বারটানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাস্তবায়িত গবেষণা কার্যক্রম পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিতবাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষ...
27/07/2026

বারটানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাস্তবায়িত গবেষণা কার্যক্রম পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)-এ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত গবেষণা কার্যক্রম পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারটানের নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব জনাব হায়দার জাহান ফারাস মহোদয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-এর সদস্য পরিচালক (প্রাণিসম্পদ বিভাগ) ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং ড. ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

কর্মশালায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন করা হয় এবং গবেষণার গুণগত মান, কার্যকারিতা ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ে "সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি" শীর্ষক কারিগরি কর্মশালা অনুষ্ঠিতঢাকা, ১৫ জুন ২০২৬: জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন ...
15/06/2026

কৃষি মন্ত্রণালয়ে "সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি" শীর্ষক কারিগরি কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৫ জুন ২০২৬: জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং খাদ্যের পুষ্টিমান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ ১৫ জুন ২০২৬, সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে "সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি" শীর্ষক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব ড. রফিকুল ই মোহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)-এর নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব হায়দার জাহান ফারাস।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. রাশিদা ফেরদৌস, এনডিসি এবং প্রশাসন অধিশাখার যুগ্মসচিব ড. মোঃ মোকতার হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বারটান-এর পরিচালক জনাব রেহেনা আকতার এবং বারটান-এর অধ্যক্ষ ও 'কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারকরণ প্রকল্প'-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. মোঃ জামাল হোসেন।

কর্মশালায় বক্তারা একটি সুস্থ ও মেধাবী জাতি গঠনে ফলিত পুষ্টির গুরুত্ব নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য অপচয় রোধ, সংরক্ষণ পর্যায়ে পুষ্টিমান বজায় রাখা এবং কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে সর্বস্তরের জনগণের জন্য পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

পরিশেষে, পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি ও ফলিত পুষ্টির গবেষণালব্ধ জ্ঞান মাঠ পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে সভাপতি জনাব হায়দার জাহান ফারাস কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

      🔴 গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ না খেয়ে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা কমানোর উপায় জানুন!সম্প্রতি খবরে প্রকাশ যে, দেশে একটি মাত্র ব্র্যান...
25/05/2026



🔴 গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ না খেয়ে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা কমানোর উপায় জানুন!

সম্প্রতি খবরে প্রকাশ যে, দেশে একটি মাত্র ব্র্যান্ডের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ (প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর-PPIs) -এর বিক্রি প্রতিবছর হাজার কোটি টাকার মাইলফলক ছুঁতে যাচ্ছে। 😯

➡️ ১৮ বছরের বেশি বয়সী অধিকাংশ মানুষই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান হিসেবে নিয়মিত এসব ওষুধ সেবন করছেন। তবে এটি শুধু একটি সাময়িক সমাধান।
➡️ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ওষুধ সেবন করা শরীরের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

⚠️ অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার ঝুঁকি:

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে স্বল্পমেয়াদে নেওয়া উচিত। কারণ দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে:

1️⃣ পুষ্টির ঘাটতি:

ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, এবং ভিটামিন বি১২ শোষণে বাধা সৃষ্টি করে।হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। রক্তস্বল্পতা এবং স্নায়বিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

2️⃣ পেটে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট

দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার পেটে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। এর ফলে সংক্রমণ এবং পরিপাকতন্ত্রের জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে।

3️⃣ কিডনি এবং হৃদরোগের ঝুঁকি

গবেষণা বলছে, নিয়মিত গ্যাস্ট্রিক ওষুধ সেবন কিডনির কার্যক্ষমতা কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
সোর্স ০১: (Reimer, C. (2013). Safety of long-term PPI therapy. Best Practice & Research Clinical Gastroenterology, 27(3), 443-454.

https://doi.org/10.1016/j.bpg.2013.06.001

সোর্স ০২: Lazarus, B., et al. (2016). Proton pump inhibitor use and the risk of chronic kidney disease. JAMA Internal Medicine, 176(2), 238–246.

https://doi.org/10.1001/jamainternmed.2015.7193

4️⃣ রিবাউন্ড হাইপারএসিডিটি:

হঠাৎ করে ওষুধ বন্ধ করলে এসিড রিফ্লাক্স আরও বেড়ে যায়। যার ফলে প্রচণ্ড পরিমাণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

💡 গ্যাস্ট্রিক সমস্যা কমানোর জন্য সহজ উপায়:

ওষুধের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন:

🥗 ১. খাবারে পরিবর্তন আনুন:

ফাইবারযুক্ত খাবার খান: সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ওটস, এবং শস্য জাতীয় খাবার। কম চর্বিযুক্ত খাবার বেছে নিন: চর্বিযুক্ত লাল মাংসের পরিবর্তে মাছ, ডাল, এবং চর্বিমুক্ত দুধ খান। অম্লীয় খাবার এড়িয়ে চলুন:বিশেষ করে চা, কফি, চকলেট, এবং ফিজি ড্রিঙ্ক।

⏲️ ২. খাওয়ার সময় এবং পরিমাণের দিকে নজর দিন: একবারে বেশি খাবার না খেয়ে দিনে ৪-৫ বারে অল্প পরিমাণ খাবার খান। খাওয়ার পরপরই শোয়া বা কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।

🧘 ৩. মানসিক চাপ কমান: মানসিক চাপ বা স্ট্রেস গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বাড়ায়। তাই মেডিটেশন, যোগব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটির অভ্যাস গড়ে তুলুন।

🚶 ৪. শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ান:
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন বা হালকা ব্যায়াম করুন।
🥛 ৫. প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খান: দই, ঘোল এবং অন্যান্য ফারমেন্টেড খাবার হজমশক্তি বাড়ায়।

🚭 ৬. ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করুন: এগুলো পেটে এসিড উৎপাদন বাড়ায় এবং সমস্যা বাড়ায়।

🛑 ওষুধ নয়, অভ্যাস পরিবর্তনই স্থায়ী সমাধান:

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সাময়িক আরাম দেয়, কিন্তু সুস্থ অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে সমাধান এনে দেয়। তাই নিজের এবং পরিবারের জন্য এখনই সচেতন হোন।

👉 আপনার খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস ও জীবনযাত্রায় ছোট ছোট পরিবর্তন আনুন। এটি শুধু গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নয়, সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও সহায়ক হবে।

📢 পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন।
সুস্থ জীবন আমাদের হাতেই। 🌱

#গ্যাস্ট্রিক #স্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যকর_অভ্যাস

প্যাশন ফল (আনারকলি)ইংরেজি নাম: Passion Fruitবৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora edulisবর্তমান বিশ্বে ভোক্তারা যখন স্বাস্থ্যসম্মত, ...
24/05/2026

প্যাশন ফল (আনারকলি)
ইংরেজি নাম: Passion Fruit
বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora edulis

বর্তমান বিশ্বে ভোক্তারা যখন স্বাস্থ্যসম্মত, উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন ও ফাংশনাল ফুডের দিকে ক্রমশ ঝুঁকছেন, তখন প্যাশন ফল হয়ে উঠছে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার প্রতীক। এর রস, বীজ ও খোসা—তিনটি অংশই শিল্পোৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য। এজন্য একে বলা হয় “সম্পূর্ণ ব্যবহারযোগ্য ফল” (Zero-Waste Fruit)। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এ ফল শুধু মানবদেহের জন্য উপকারী নয়, দেশের কৃষি ও খাদ্যভিত্তিক অর্থনীতির জন্যও আশাব্যঞ্জক এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

প্যাশন ফল (আনারকলি) ভিটামিন সি, ডায়েটারি ফাইবার এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর একটি পুষ্টিকর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, হজমশক্তি উন্নয়ন এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

প্রতি ১০০ গ্রাম প্যাশন ফলে আনুমানিক পুষ্টি উপাদানসমূহঃ
• ক্যালোরি: প্রায় ১৭ কিলোক্যালোরি — যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

• ভিটামিন সি: দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০–৫০% — রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর।
• ডায়েটারি ফাইবার: প্রায় ২ গ্রাম — হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।
• ভিটামিন এ: দৈনিক চাহিদার প্রায় ৮% — চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
• পটাশিয়াম: প্রায় ৩৪৮ মি.গ্রা. — রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
• আয়রন: দৈনিক চাহিদার প্রায় ১০% — রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সহায়ক।

বিশেষ স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:
প্যাশন ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) তুলনামূলকভাবে কম। ফলে এটি রক্তে হঠাৎ শর্করার মাত্রা বাড়ায় না এবং ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হতে পারে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস:
এতে থাকা পলিফেনল ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিকেল দূর করতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।

পাকস্থলী ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যে ভূমিকা:
প্যাশন ফলে থাকা খাদ্যআঁশ অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও হজমপ্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। সাধারণভাবে এ ফল খেলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকিও কম থাকে।
প্যাশন ফল সরাসরি খাওয়া যায়। এছাড়া এর রস দিয়ে জুস, জ্যাম, জেলি, আইসক্রিম, স্কোয়াশ ও বিভিন্ন ধরনের বেভারেজ তৈরি করা হয়। খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পেও এর চাহিদা ক্রমবর্ধমান।

বারটান এ ফল নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, যা দেশে এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও পুষ্টিগুণভিত্তিক ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বারটান জনসংযোগ

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!
14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!

09/04/2026

মালবেরি ফলে প্রচুর ভিটামিন-সি, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (বিশেষত anthocyanins) থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও কোষের ক্ষয় কমাতে সহায়তা করে। এতে থাকা খাদ্যআঁশ (dietary fiber) হজমশক্তি উন্নত করে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

আরও তথ্যের জন্য ভিডিওটি দেখুন...

#মালবেরি

Address

Bishnandi, Araihazar Upazila, Narayanganj
Araihazar
1451

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Institute of Research and Training on Applied Nutrition - BIRTAN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Institute of Research and Training on Applied Nutrition - BIRTAN:

Shortcuts

Share