বাঘারপাড়া- Bagharpara

বাঘারপাড়া- Bagharpara Bagharpara is a thana under Jashore district, Khulna, Bangladesh

05/06/2026

রোস্তমপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, উত্তপ্ত বাঘারপাড়া; ৬ জন পুলিশ হেফাজতে

বাঘারপাড়া (যশোর) : যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রোস্তমপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আকস্মিক বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে যশোর-নড়াইল মহাসড়কের রোস্তমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মিছিলের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাঘারপাড়া চৌরাস্তা বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। এতে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ৬ থেকে ৭টি মাইক্রোবাসে করে একদল ব্যক্তি রোস্তমপুর এলাকায় এসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। অভিযোগ রয়েছে, বাঘারপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বায়েজিদ হোসেনের নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ওই মিছিলে অংশ নেন। মিছিল চলাকালে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বাঘারপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করে। পরে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে ছয়জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন— জিহাদ হাওলাদার (১৯), ইয়াসিন আরাফাত নিরব, প্রিন্স, শাহারিয়ার আহম্মেদ স্বাধীন, তামিম ইকবাল ও তন্ময়।
ঘটনার পর বাঘারপাড়া পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হিরু আহম্মেদ বলেন, “শান্তিপূর্ণ বাঘারপাড়ার পরিবেশ নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমরা সর্বদা সতর্ক রয়েছি।”

বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহজালাল আলম বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ছয়জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।
০৪/০৬/২০২৬

যুক্তরাজ্যে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর সঙ্গে লন্ডনের হোটেল হিলটনের লবিতে সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ...
23/05/2026

যুক্তরাজ্যে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর সঙ্গে লন্ডনের হোটেল হিলটনের লবিতে সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিস সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় সুদানের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির হাত দেখেন এবং তার ভাগ্যগণনা করে অতীত ও ভবিষ্যত সম্পর্কে বলেন। পুরো সাক্ষাৎকারটি নিচে দেওয়া হলো...

ড. কামিল ইদ্রিস : আমি যা বলবো আপনি বিশ্বাস করবেন?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : ছোটবেলায় আপনি খুব জাউরা ছিলেন?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড.কামিল ইদ্রিস : ৭৫ এর পর বদমাইশির জন্য সরকার আপনাকে জেলে ভরেছিল?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড.কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : প্রেসিডেন্ট জিয়া আপনাকে মুক্তি দেয়?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : একবার বলেন সুবহানাল্লাহ
চুপ্পু : সুবহানাল্লাহ
ড.কামিল ইদ্রিস : একবার বলেন বিসমিল্লাহ
চুপ্পু : বিসমিল্লাহ
ড. কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : দুদকে থাকতে আপনি প্যাচে ফেলে বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : একবার বলেন আসতাগফিরুল্লাহ
চুপ্পু : আসতাগফিরুল্লাহ
ড.কামিল ইদ্রিস : আবার বলেন বিসমিল্লাহ
চুপ্পু : বিসমিল্লাহ
ড. কামিল ইদ্রিস : আপনার মনে মনে খায়েশ ছিল হাসিনারে কদমবুছি করবেন?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : সুযোগ পেলে জিহ্বা দিয়ে পা চেটে দেয়ার ইচ্ছাও ছিল?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড.কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : যা যা বলতেছি তা সত্যি না মিথ্যা?
চুপ্পু : সত্য
ড. কামিল ইদ্রিস : হাসিনা এভাবে পালায় যাবে আপনি বুঝতে পারেন নি?
চুপ্পু : সত্য
ড. কামিল ইদ্রিস : পালায় যাওয়ার পর খুব ডরাইছিলেন?
চুপ্পু : সত্য
ড. কামিল ইদ্রিস : তারপর ওয়াকার আপনাকে রাইখা দিলো তখন একটু সাহস পাইলেন?
চুপ্পু : সত্য
ড. কামিল ইদ্রিস : আরেকবার বলেন সুবহানাল্লাহ
চুপ্পু : সুবহানাল্লাহ
ড.কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : ইউনুসরে আপনি ডরাইতেন?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড.কামিল ইদ্রিস : যে পোলাপানগুলো জুলাই জুলাই কইরা লাফাইতো এদের দেখলে আপনার গা জ্বালাপোড়া করতো?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : তারেক রহমান যখন আপনাকে আপাতত রেখে দেয়ার কথা জানাইলো তখন মনে বেশ ফূর্তি লাগছিল?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : একবার বলেন সুবহানাল্লাহ
চুপ্পু : সুবহানাল্লাহ
ড. কামিল ইদ্রিস : সংসদে উদ্বোধনী অধিবেশনে জিয়া ও খালেদা জিয়ারে তেল মারার সময় কলিজায় মোচড় দিচ্ছিলো?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : এখনো স্বপ্ন দেখেন আপনার আপা আবার ফিরে আসবে?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : বলেন আসতাগফিরুল্লাহ
চুপ্পু : আসতাগফিরুল্লাহ
ড.কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : আওয়ামী লীগরে দিয়ে আপনি এডি ওডি সুবিধা নিতেন কিন্তু বিএনপিরে দিয়া তেমন কিছু পাইতেছেন না?
চুপ্পু : সত্য
ড. কামিল ইদ্রিস : হামিদ চোপরা বঙ্গভবনে বইসা বোতল খাইতো আর মমতাজরে কোলে বসাইয়া ফিলিংস নিতো এটা ভাইবা আপনার আফসোস হয়?
চুপ্পু : সত্য
ড. কামিল ইদ্রিস : মানুষের সামনে ভাব নিতে গেলেও মানুষ আপনারে বাল দিয়াও পোছেনা?
চুপ্পু : সত্য
ড. কামিল ইদ্রিস : রাগ করলেন?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : সামনেতো আপনার মুসিবত আছে?
চুপ্পু : আমারে বাঁচান
(এরপর সুদানী প্রধানমন্ত্রী চুপ্পুকে তুই তোকারি শুরু করেন)
ড. কামিল ইদ্রিস : তোরে একটা গাছ দিয়া যামু কিন্তু টাকা পয়সা নিমু না। নিবি?
চুপ্পু : নিমু
ড. কামিল ইদ্রিস : একবার বল আলহামদুলিল্লাহ
চুপ্পু : আলহামদুলিল্লাহ
ড. কামিল ইদ্রিস : আমার গুরুর নিষেধ আছে টাকা নেয়ার তাই টাকা নিমুনা কিন্তু তোর কাছে যদি ডলার চাই দিবি?
চুপ্পু : হ্যাঁ
ড. কামিল ইদ্রিস : রাগ করলি?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : মোবাইল বের কইরা এপস থেকে আমার একাউন্টে দশ লাখ ডলার ট্রান্সফার কর।
চুপ্পু : করলাম
ড. কামিল ইদ্রিস : রাগ করলি?
চুপ্পু : না
ড. কামিল ইদ্রিস : হাতের মুঠোয় যে শিকড় দিলাম বিসমিল্লাহ বইলা বঙ্গভবনে যাইয়া নিজের বালিশের তলায় রাখবি। ৭ দিনের ভেতর যারা গালাগালি করে তারা গালাগালি বন্ধ করবে।
চুপ্পু : আচ্ছা
ড. কামিল ইদ্রিস : এখন সোজা চোখ বন্ধ কইরা এয়ারপোর্টে যাইয়া বাংলাদেশের বিমান ধর। পিছন ফিরে তাকাবি না।

(ড. কামিল ইদ্রিস দেশে ফিরেছে কিন্তু চুপ্পু ফিরেছে কিনা জানা যায়নি।)

সাক্ষাৎকারটি রেকর্ড করেছেন Taimum Birjis Bappy

22/04/2026
18/04/2026

আমার ভার্সিটি ফ্রেন্ডের বাবা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চাকরি করে। মাস তিনেক আগে উনি একজনের কাছ থেকে চাকরি পাইয়ে দেয়ার কথা বলে ৮ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিল।

এই টাকাগুলো উনারা তাদের সিক্রেট লবিং এর মাধ্যমে নেয়ায় এসবের কোন ডকুমেন্টস পর্যন্ত রাখে না তারা।

ঘুষ নেয়ার ঘটনার অনেকদিন পার হয়ে যাওয়ায় আমার ফ্রেন্ডই আজকে ভার্সিটিতে আড্ডা দেয়ার সময় কথায় কথায় এটা বলেছিল।

ও অনেকদিন যাবত ভার্সটিতে আসেনি ওর ছোটভাই অসুস্থ বলে। অনেকদিন পর ভার্সিটির প্রেজেন্টেশন থাকায় আজকে ও এসেছিল। এরপরই অনেক বিষয় নিয়ে আড্ডার ফাঁকে এই কথাটাও বলেছে।

প্রেজেন্টেশনের পর আরও ২ টা ক্লাস ছিল কিন্তু ও সেগুলো না করেই চলে যাবে তাই আমরা আড্ডা দিতে দিতে মামার টং দোকান পর্যন্ত এসে বসেছিলাম।

ক্লাস না করেই চলে যাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করার পর ও জানিয়েছে ওর ছোটভাই এতদিন যে অসুস্থ ছিল সেটার ফাইনাল রিপোর্ট ডাক্তাররা গত পরশু দিয়েছে।

এতদিন স্কয়ার সহ নামি দামি অনেক হাসপাতালেই ওর ভাইকে নিয়ে দৌঁড়াদৌঁড়ি করছিল কিন্তু কোন লাভ হচ্ছিল না। গত পরশুর রিপোর্টে ওর ভাইয়ের অস্টিওসারকোমা ক্যান্সার ধরা পড়েছে।

এই ক্যান্সারটা সাধারণত কিশোর বয়সী ছেলে-মেয়েদের হাড়ে হয়। হাড় প্রচন্ড ফুলে গিয়ে ব্যথার সৃষ্টি হয়।

পরে ওকে জিজ্ঞেস করলাম -এখন কি করবি তাহলে?
ও জানাল- যেহেতু বাংলাদেশে এই ক্যান্সারের তেমন ভালো কোন ট্রিটমেন্ট নাই তাই চিকিৎসার জন্যে ওর ছোটভাইকে ভারতে অথবা সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা চলতেছে।

যেহেতু ক্যান্সারটা ধরা পড়েছে অনেক পরে তাই ওর ছোটভাইয়ের কন্ডিশনও তেমন একটা ভালো না। বাঁচবে কিনা সেটা নিয়েই এখন ওদের দুশ্চিন্তা।

চিকিৎসার খরচাপাতি কেমন পড়বে সেটার ব্যাপারেও আমরা জিজ্ঞেস করেছিলাম।
ও জানাল- ক্যামোথেরাপি শুরু করতেই ১৭ লাখ টাকার মতো পড়বে। তারপর ধাপে ধাপে আরও লাগবে।
আসা যাওয়ার খরচ বাবদ লাগবে আরও অনেকগুলো টাকা। এসব নিয়েই পরিবারে এখন নানান অশান্তি লেগে আছে।

ওর বাবা এখন পর্যন্ত চাকরির পুরো বয়সে বহু টাকা সুদ ঘুষের মাধ্যমে কামিয়েছে কিন্তু সেই টাকা ধরে রাখতে পারে নাই। প্রতিদিন ওদের দুই ভাইয়ের অসুস্থতার পিছনেই বহু টাকা খরচ হয়।

আমার এই ফ্রেন্ডেরও কিছুদিন পরপরই ক্যানুলা করে বহু ইনজেকশন দিতে হয়। অসুস্থতার কারণে ওর নিজেরও ২ টা সেমিস্টার ড্রপ দিতে হয়েছিল।

ও আজকে কথায় কথায় ওর বাবার উপর অনেক রাগ,ক্ষোভও ঝাড়ল। ও জানাল- বুঝ হওয়ার পর বহুবার ও ওর বাবাকে ঘুষ বা অবৈধভাবে টাকা কামাতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু ওর বাবা তেমন একটা পাত্তা দেয়নি। এটা নাকি উনার অভ্যেসের মতোই হয়ে গেছে।

এগুলো নিয়ে ওদের পরিবারে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি হয়, কথা কাটাকাটি হয় আর বেশিরভাগ টাকাই অসুস্থতার পিছনে খরচ হয়ে যায়।

২০১৯ সালে ওদের একটা বোনও হয়েছিল। বোনটা জন্মের কিছুদিন পরই হাঁপানিতে মারা গিয়েছিল।

আজকে প্রেজেন্টেশনের পর চলে যাওয়ার সময় ও ওর বাবার উপর ক্ষোভ থেকে অনেকক্ষণ কথাগুলো বলল। তখন চাকরি পরীক্ষার্থী লোকের কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার কথাটাও জানাল।

এভাবে না জানি আরও কত কত উপায়ে ঘুষ খেয়েছে। প্রতিটা ঘুষ নেয়ার সময়ই লবিং থাকে যাতে কেউ কোন প্রমাণ না পায়, ধরতে না পারে। না জানি কত অসহায় মানুষকে এভাবে ঠকিয়েছে, প্রতারণা করেছে।

মানুষজন না দেখলে কিংবা ধরতে না পারলেও উপরওয়ালা একজন ঠিকই দেখেন। যেই টাকা ভোগবিলাস করার জন্যে ঘুষ নিয়েছিল সেই টাকা ভোগ করার সুযোগটুকুও পায়নি।

ঘুষ নিয়েছিল ৮ লাখ টাকা অথচ মাস তিনেক পার হতে না হতেই খরচ হওয়া শুরু হয়েছে ১৭ লাখ টাকারও বেশি। এজন্যেই বোধহয় বলে- আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না

Ibrahim Khalil Shawon

08/04/2026

যে ব্যক্তি ৫ বছর ধরে একই সিম ব্যবহার করে তার ৩টি বৈশিষ্ট্য:-

১। তার নামে কোনো খারাপ অভিযোগ নাই বা সেই লোক কোনোদিন অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকে নাই
২। ব্যাংকে তার বড় কোনো ঋণ নাই এমনকি কেউ তার কাছে বড় অঙ্কের টাকা পাওনা নাই।
৩। সে চিটার, বাটপার নয় এমনকি একসাথে ৪-৫ টা প্রেমও করে না।

আপনি কত বছর ধরে ব্যবহার করছেন কমেন্টে জানান তো দেখি!! 😄😄

21/03/2026

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়মঃ

১. গোসলগাও ধুয়ে ভালো মানুষ হয়ে মসজিদে যেতে হবে। সাথে ভাংতি টাকা নিবেন।

৩. নামাজ পড়ার আগে হুজুর কি ইনেসটাকশন দেয় শুনবেন। যেহেতু বছরে দুইবার পড়া লাগে, অনেকেই সিস্টাম মুখাস্ত রাখতে পারেনা। আউলাইয়া ফেলে।

৪. ডাইনে বামে খেয়াল রাখবেন কাকে বুজুর্গ মনে হয়। পারলে তার আশেপাশে গিয়ে দাঁড়াইবেন। এবং নামাজে তাকে কপি করবেন।

৫. মুনাজাতে যা যা লাগে চাইয়া নিবেন। টাকাপয়সা, স্ত্রী, সন্তান, ভালো জব, কিংবা বিজনেসের লাইনঘাট, যা যা দরকার সব চাইয়া নিবেন। ঈদের নামাজে কিছু চাইলে সেটা কবুল হওয়ার চান্স বেশি।

৬. এলাকার বাড়িওয়ালাদের সাথে কোলাকুলি করবেন। অভারঅল পাঞ্জাবি দেখে কোলাকুলি করবেন। যার পাঞ্জাবি দেখতে ভালো না, তার থেকে দুরে থাকবেন।

৭. খুচরা টাকা দান করে বাসায় এসে আগের মত ফাতরা হয়ে যাবেন।

18/03/2026

Address

Bagherpara

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাঘারপাড়া- Bagharpara posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share