27/07/2026
স্যার, এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের এক নেতা-কর্মী টিউশনি করে উপার্জিত টাকা এবং বাবা-মায়ের দেওয়া টাকা জমিয়ে তার স্বপ্নের বাইক কিনেছিল। সেই বাইকটি ২৪-এ পুড়িয়ে দিয়ে উল্লাসে মেতেছিল। হল থেকে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় মালামাল লুটপাট এবং আগুন ধরিয়ে দিয়ে আনন্দ করেছিল ছেলেটি।
অথচ আওয়ামী লীগ থাকাকালীন খুবই সুন্দর জীবনযাপন করত প্রীতম। কখনো লীগের কাছে হয়রানির শিকার হয়নি। যে বাইকটি পুড়িয়ে দিয়েছে, সেই বাইক চালিয়েই এক ছাত্রলীগ কর্মী তার মায়ের জন্য রক্তও দিয়েছিল। অথচ যে তার মায়ের শরীরে রক্ত দিয়েছিল, তার স্বপ্নের বাইক পুড়িয়ে দিতে একটুও ভাবেনি এই প্রীতম।
তবে হ্যাঁ, বিধাতার আদালতে বিচার আছে। সেই বিচার প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী একদিন না একদিন ফিরে আসে। সেটাই এসেছে আজ। নেত্রকোনায় পিটিয়ে ল্যাংটা করে দিয়েছে। কেমন উপভোগ করছেন, প্রীতম?
মনে করেন, স্মরণ করেন, কল্পনা করেন—এখনও লীগের আদালতের বিচার বাকি। যে পাপ করছেন, সেটার বিচার কী হতে পারে, আপনি কল্পনা করেন। নিজেকে নিজে প্রশ্ন করেন, আফসোস করেন। প্রকৃতি সব মিটিয়ে দেবে।
ধন্যবাদ।স্যার, এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের এক নেতা-কর্মী টিউশনি করে উপার্জিত টাকা এবং বাবা-মায়ের দেওয়া টাকা জমিয়ে তার স্বপ্নের বাইক কিনেছিল। সেই বাইকটি ২৪-এ পুড়িয়ে দিয়ে উল্লাসে মেতেছিল। হল থেকে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় মালামাল লুটপাট এবং আগুন ধরিয়ে দিয়ে আনন্দ করেছিল ছেলেটি।
অথচ আওয়ামী লীগ থাকাকালীন খুবই সুন্দর জীবনযাপন করত প্রীতম। কখনো লীগের কাছে হয়রানির শিকার হয়নি। যে বাইকটি পুড়িয়ে দিয়েছে, সেই বাইক চালিয়েই এক ছাত্রলীগ কর্মী তার মায়ের জন্য রক্তও দিয়েছিল। অথচ যে তার মায়ের শরীরে রক্ত দিয়েছিল, তার স্বপ্নের বাইক পুড়িয়ে দিতে একটুও ভাবেনি এই প্রীতম।
তবে হ্যাঁ, বিধাতার আদালতে বিচার আছে। সেই বিচার প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী একদিন না একদিন ফিরে আসে। সেটাই এসেছে আজ। নেত্রকোনায় পিটিয়ে ল্যাংটা করে দিয়েছে। কেমন উপভোগ করছেন, প্রীতম?
মনে করেন, স্মরণ করেন, কল্পনা করেন—এখনও লীগের আদালতের বিচার বাকি। যে পাপ করছেন, সেটার বিচার কী হতে পারে, আপনি কল্পনা করেন। নিজেকে নিজে প্রশ্ন করেন, আফসোস করেন। প্রকৃতি সব মিটিয়ে দেবে।
ধন্যবাদ।