Kazi Emrul Kayes

Kazi Emrul Kayes Associate Professor in Chemistry Of Joypurhat Govt.college
& Battalion Commander,33 Mohasthan Battalion , BNCC

এখন থেকে ২৩ শে মার্চ রাষ্ট্রীয়ভাবে বিএনসিসি দিবস পালিত হবে।শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম ১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ...
24/03/2026

এখন থেকে ২৩ শে মার্চ রাষ্ট্রীয়ভাবে বিএনসিসি দিবস পালিত হবে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম ১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ বিএনসিসি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন ইউওটিসি, বিসিসি ও জেসিসি একত্রিত হয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিএনসিসির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সকল প্রাক্তন ও বর্তমান সামরিক কর্মকর্তা, বিএনসিসিও, পিইউও, ক্যাডেট ও স্টাফদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

কাজী ইমরুল কায়েস(বিএনসিসিও)
ব্যাটেলিয়ান কমান্ডার
৩৩ বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন

গাংচিল রিসোর্ট,লংগদু, রাঙ্গামাটি
16/02/2026

গাংচিল রিসোর্ট,লংগদু, রাঙ্গামাটি

https://projonmo24bd.com/country/article/699147ef5294a
15/02/2026

https://projonmo24bd.com/country/article/699147ef5294a

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে....

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসির দায়িত্ব পালন
14/02/2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসির দায়িত্ব পালন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী পোস্টাল ব্যালট গণনা কার্যক্রমে বিএনসিসি সদস্যগণ অ...

12/09/2025

কলেজ ম্যাগাজিনের জন্য এই আর্টিকেলটি লিখেছি

TEL - একটি ক্যামিক্যালের জন্ম ও মৃত্যু
কাজী ইমরুল কায়েস সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান রসায়ন বিভাগ জয়পুরহাট সরকারি কলেজ,জয়পুরহাট

১৯২০ সালের আমেরিকা শহরের রাস্তায় ঘোড়ার গাড়ির বদলে মোটরগাড়ি ছুটছে। কিন্তু ইঞ্জিন থেকে কড়কড় শব্দ বের হচ্ছে,সেই সাথে ইঞ্জিন স্টার্ট দেবার সময়ও প্রচন্ড ঝাঁকুনি অনুভূত হচ্ছে,এই বিষয়টিকে বলা হয় নকিং,যাতে জ্বালানীর অপচয় হয় এবং একই সাথে ইঞ্জিনেরও মারাক্তক ক্ষতি হয়।। এ অবস্থাকে মানুষ ভাবত, গাড়ির অসুখ!

মানব সভ্যতার ইতিহাসে জ্বালানির অবদান অপরিসীম। বিশেষ করে বিশ শতকের প্রথমার্ধে, যখন মোটরগাড়ি, বিমান, শিল্পপ্রকৌশল ও দৈনন্দিন জীবনে যন্ত্রপাতির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল, তখন ইঞ্জিন প্রযুক্তির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে এক বিশেষ রাসায়নিক যৌগ ,যার নাম Tetraethyl Lead সংক্ষেপে TEL

TEL ছিল একদিকে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিস্ময় এবং অন্যদিকে পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য নীরব ঘাতক। এটি ইঞ্জিনের নকিং প্রতিরোধে অনন্য কার্যকর হলেও মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতি সৃষ্টি করেছিল। TEL-এর আবিষ্কার, ব্যবহার ও নিষিদ্ধকরণের পুরো প্রক্রিয়া আমাদের শেখায় বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও মানবতার মধ্যে জটিল সম্পর্ক প্রকৃত চিত্র।

টি-ই-এল (TEL) কী :

টি-ই-এল যার পুরো নাম টেট্রা-ইথাইল লেড। এটি একটি রাসায়নিক পদার্থ, যার কেন্দ্রীয় উপাদান হিসেবে রয়েছে লেড বা সীসা । এর রাসায়নিক সংকেত হলো Pb(C2H5)4। এটি একটি ভারী ও বিষাক্ত তরল যার সামান্য মিষ্টি গন্ধ আছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত ১০টি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে অন্যতম একটি হলো TEL.

আবিষ্কারের কারণ :

পেট্রোলের ইঞ্জিন চলার সময় অনেক সময় ইঞ্জিনের ভেতরে এক ধরনের অবাঞ্ছিত শব্দ বা "নকিং" হয়। এই নকিং এর ফলে ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কমে যায়,যার ফলে ইঞ্জিনটি ধীরে ধীরে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সে সময়ে বিজ্ঞানীরা এমন একটি পদার্থ খুঁজছিলেন, যা সামান্য পরিমাণে পেট্রোলে মেশালেই এই নকিং বন্ধ হবে।

আবিষ্কারের গল্প :

ইঞ্জিনের নকিং সমস্যার সমাধান করতে গিয়েই TEL এর জন্ম। যন্ত্রপ্রকৌশলী এবং বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারছিলেন যে এই শব্দ মূলত পেট্রোল এবং বাতাস মিশ্রণের অসম্পূর্ণ দহনের ফলে হয়। তাঁরা এমন একটি পদার্থ অনুসন্ধান করছিলেন, যা এই দহনের প্রক্রিয়াকে মসৃণ করে নকিং প্রতিরোধ করবে।সেই সাথে উপাদানটি এমন হবে যা কম খরচে তৈরি করা যাবে এবং সহজেই পেট্রোলের সঙ্গে মিশে যাবে।
আমেরিকার বিখ্যাত রাসায়নিক যন্ত্রপ্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার থমাস মিডগলে জুনিয়র এই সমস্যার সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিভিন্ন পদার্থ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। প্রথমে তিনি আয়োডিন দিয়ে চেষ্টা করেন, কিন্তু তাতে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি।

অবশেষে, অনেক গবেষণার পর তিনি সীসার বা লেডের একটি যৌগ নিয়ে কাজ শুরু করেন। ১৯২১ সালে তিনি টেট্রা-ইথাইল লেড(TEL) আবিষ্কার করেন এবং দেখতে পান যে এটি ইঞ্জিনের নকিং কমাতে অসাধারণ কার্যকর। এই আবিষ্কারটি তৎক্ষণাৎ ইঞ্জিনিয়ারিং জগতে এক নতুন দিগন্ত সূচনা করে। ১৯২৩ সালে জেনারেল মোটর্স এবং স্ট্যান্ডার্ড অয়েল অব নিউ জার্সির যৌথ উদ্যোগে ইথাইল কর্পোরেশন গঠিত হয় এবং তারা বাণিজ্যিকভাবে "ইথাইল গ্যাসোলিন" নামে সীসামিশ্রিত পেট্রোল বিক্রি শুরু করে।

অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক গুরুত্ব:

TEL আবিষ্কারের ফলে পেট্রোল পরিশোধন প্রক্রিয়ায় একটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এটি পেট্রোলের মান যেমন উন্নত করে তেমনি ইঞ্জিনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তোলে। সেই সময়ে, এটি ছিল মোটরগাড়ি প্রযুক্তিতে এক মাইলফলক অগ্রগতি। সুলভ মূল্যে পেট্রোলের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এটি এক অনন্য সমাধান। যার ফলে বিশ্বজুড়ে সীসামিশ্রিত পেট্রোলের ব্যবহার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি এক বিশাল শিল্পে পরিণত হয়।

পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি :

TEL পেট্রোলের মধ্যে থাকলে জ্বালানি পোড়ার সময় লেডের অক্সাইড তৈরি হয়। এটি ইঞ্জিনে কম্পন হ্রাস করে।

রাসায়নিকভাবে, Pb(C₂H₅)₄ → PbO + C₂H₆ + অন্যান্য যৌগ।

তবে TEL-এর অতি ক্ষুদ্র পরিমাণও মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এটি স্নায়ুযন্ত্র,হৃদযন্ত্র, ও কিডনিতে দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব ফেলে।

যদিও TEL ইঞ্জিনের জন্য উপকারী ছিল,তবুও মানব শরীরে এর রয়েছে ভয়ানক প্রতিক্রিয়া যা ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। TEL যখন পেট্রোলের সঙ্গে দহন ঘটে, তখন এর থেকে বিষাক্ত সীসার কণা নির্গত হয়। এই সীসা বাতাসে মিশে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। মস্তিষ্কের ব্যাপক ক্ষতি, স্নায়ুতন্ত্রের দুর্বলতা এবং শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে বাধা সৃষ্টিতে সীসার বিষক্রিয়া একটি বড় কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়।
পরিবেশেও এর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা যায়। সীসার কণা মাটি, জল এবং খাদ্য শৃঙ্খলে প্রবেশ করে জীববৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করতে শুরু করে। বিশেষ করে, শহরের ব্যস্ত রাস্তায় যেখানে লক্ষ লক্ষ গাড়ি চলাচল করে, সেখানে সীসার দূষণ সবচেয়ে মারাত্মক রূপ ধারণ করে।

সীসামুক্ত পেট্রোলের দিকে যাত্রা :

সীসার এই ভয়াবহ স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকিগুলো সামনে আসার পর বিজ্ঞানীরা TEL এর বিকল্প খুঁজতে শুরু করেন। সত্তর দশকে অনেক দেশে সীসামিশ্রিত পেট্রোল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এর পরিবর্তে, কম ক্ষতি করে এমন জ্বালানি বা রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা শুরু হয়, যা ইঞ্জিনের নকিং প্রতিরোধ করতে সক্ষম। বর্তমানে, বিশ্বজুড়ে প্রায় সব দেশেই সীসামুক্ত বা "আনলেডেড" পেট্রোল ব্যবহার করা হয়, যা পরিবেশ এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

টেট্রা-ইথাইল লেড (TEL) এর পরিবর্তে বর্তমানে বেশকিছু বিকল্পগুলো ব্যবহার করা হয়।পেট্রোল ইঞ্জিনকে মসৃণভাবে চালাতে হলে জ্বালানির দহন প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রিত হওয়া জরুরি। যদি দহন প্রক্রিয়াটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিস্ফোরিত হয়, তাহলে ইঞ্জিনের ভেতরে "নকিং" বা আঘাতের মতো শব্দ তৈরি হয়, যা ইঞ্জিনের ক্ষতি করে এবং এর কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। জ্বালানির এই নকিং প্রতিরোধ করার ক্ষমতাকে তার "অকটেন রেটিং" বলা হয়। টি-ই-এল এই অকটেন রেটিং বাড়াতে দারুণ কাজ করত, কিন্তু এর বিষাক্ততা পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। তাই বিজ্ঞানীরা সীসামুক্ত বিকল্প খুঁজতে বাধ্য হন।

বর্তমানে, টি-ই-এল-এর প্রধান বিকল্পগুলো হলো:

১. অকটেন বুস্টার (Octane Boosters)

টি-ই-এল-এর মতোই এই রাসায়নিক পদার্থগুলো পেট্রোলের অকটেন রেটিং বাড়াতে ব্যবহৃত হয়। এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি হলো:

i.ইথানল: এটি একটি অ্যালকোহল, যা সাধারণত ভুট্টা, আখ বা অন্য কোন শর্করা উৎস থেকে তৈরি হয়। ইথানল এমন একটি জ্বালানি যা দহনের ফলে তুলনামূলক কম পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে। এটি পেট্রোলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়, যেমন E10 (১০% ইথানল) বা E85 (৮৫% ইথানল) জ্বালানি। ইথানল অকটেন বুস্টার হিসেবে খুব কার্যকর এবং সীসার মতো বিষাক্ত কোন পদার্থ নির্গত করে না। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই পেট্রোলের সাথে ইথানল মেশানো বাধ্যতামূলক।

ii.মিথাইল টার্শিয়ারি বিউটাইল ইথার (MTBE):

এটি একসময় টি-ই-এল-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় বিকল্প ছিল। এটি খুব কম খরচে তৈরি করা যেত এবং অকটেন রেটিং বাড়াতে বেশ কার্যকর ছিল। কিন্তু পরে দেখা যায় যে MTBE মাটির নিচে থাকা পানির উৎসের সঙ্গে মিশে পানিকে দূষিত করছে, কারণ এটি সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়। এই ঝুঁকির কারণে বর্তমানে অনেক দেশেই, বিশেষ করে আমেরিকায়, MTBE-এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে বা সীমিত করা হয়েছে।

২. জ্বালানি পরিশোধনের উন্নত পদ্ধতি :

রাসায়নিক পদার্থ যোগ করার পরিবর্তে পেট্রোলকে এমনভাবে পরিশোধন করা হয় যাতে এর নিজস্ব অকটেন রেটিং বেড়ে যায়। এই পদ্ধতিগুলো হলো:

i.রিফরমিং (Reforming): এই প্রক্রিয়ায় পেট্রোলের মধ্যে থাকা কিছু হাইড্রোকার্বনকে এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়, যাতে পেট্রোলের অ্যান্টি-নকিং বৈশিষ্ট্য বাড়ে। এটি মূলত পেট্রোলের মৌলিক গঠন পরিবর্তন করে পেট্রলকে অধিক কার্যকর করে তোলে।

ii.আইসোমারাইজেশন (Isomerization): এ প্রক্রিয়ায় কম অকটেনযুক্ত হাইড্রোকার্বনকে তাদের উচ্চ অকটেনযুক্ত সমাণুতে (isomers) রূপান্তরিত করা হয়। যার ফলে কোনো বাহ্যিক পদার্থ যোগ না করেই পেট্রোলের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।

iii.অ্যালকাইলেশন (Alkylation): অ্যালকাইলেশন প্রক্রিয়ায় গ্যাসীয় হাইড্রোকার্বন থেকে এমন একটি উচ্চ-অকটেন সম্পন্ন তরল জ্বালানি তৈরি করা হয়, যা নকিং প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর।

এই আধুনিক পরিশোধন পদ্ধতিগুলো পরিবেশের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ,কেননা এগুলোতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ যোগ করার প্রয়োজন হয় না।

সংক্ষেপে, বর্তমানে পেট্রোল শিল্প TEL -এর বিষাক্ততা এড়াতে একদিকে যেমন ইথানলের মতো তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অকটেন বুস্টার ব্যবহার করছে, অন্যদিকে জ্বালানি পরিশোধন প্রক্রিয়াকে এমনভাবে উন্নত করা হয়েছে যার মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে পেট্রোলের অকটেন রেটিং বৃদ্ধি পায়। এসবের সম্মিলিত ফলাফল হলো সীসামুক্ত বা আনলেডেড পেট্রোল যা পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে নতুন করে চিন্তা করতে হবে।
21/06/2025

পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে নতুন করে চিন্তা করতে হবে।

Welcome to NTV News – Your Trusted Source for Latest News and Updates! 🌍📺দেখুন এনটিভির সব নিউজ ক্লিপ্স: https://www.youtube.com//videosএনটিভ...

28/04/2025

দেবতা খুম,বান্দরবান এ বিএনসিসি ক্যাডেট জয়পুরহাট সরকারি কলেজ প্লাটুনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তারিখ :১৯/০৪/২০২৫

08/02/2025
মনপুরা বাংলাদেশের ভোলা জেলার একটি দূরবর্তী দ্বীপ ও উপজেলা। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য ...
02/02/2025

মনপুরা বাংলাদেশের ভোলা জেলার একটি দূরবর্তী দ্বীপ ও উপজেলা। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত।
মনপুরা দ্বীপের উৎপত্তি ও গঠন মূলত মেঘনা নদীর ভূমি ক্ষয় ও পলি জমার ফলে হয়েছে।
এটি একসময় বনজ ও পশুপালনের জন্য পরিচিত ছিল।
১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের সময় মনপুরায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে, যা এই দ্বীপের ইতিহাসের অন্যতম করুণ অধ্যায়।
পরে এটি কৃষি ও মৎস্য নির্ভর অর্থনীতির ওপর গড়ে ওঠে।
২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় বাংলা চলচ্চিত্র "মনপুরা" দ্বীপের নামকে সারাদেশে পরিচিত করে তোলে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদীভাঙন ও জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ নিয়ে গড়ে ওঠা মনপুরা দ্বীপ এখনও পর্যটকদের আকর্ষণ করে এবং জেলেদের জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে।

Address

Manpura Dhip
Bhola
8360

Telephone

01711071343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Emrul Kayes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Kazi Emrul Kayes:

Share