Birganj Upazila Awami League/ বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ

  • Home
  • Bangladesh
  • Birganj
  • Birganj Upazila Awami League/ বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ

Birganj Upazila Awami League/ বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ।

শতভাগ বিদ্যুতায়নের পর নবায়নযোগ্য জ্বালানির পথে ছিলো বাংলাদেশ: ইউনূস সরকারের আমলে বাতিল শেখ হাসিনা সরকারের ৩১ প্রকল্প!স্প...
01/09/2026

শতভাগ বিদ্যুতায়নের পর নবায়নযোগ্য জ্বালানির পথে ছিলো বাংলাদেশ: ইউনূস সরকারের আমলে বাতিল শেখ হাসিনা সরকারের ৩১ প্রকল্প!

স্পটলাইট ডেস্ক, ঢাকা | ৩০.০৮.২০২৬

বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ-সংকটের দেশ থেকে শতভাগ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের আওতায় এনে রোল মডেল হিসবে গড়ে তুলেছিলো আওয়ামী লীগ সরকার।

বিদ্যুৎ খাতে যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঘটেছিল, তার ধারাবাহিকতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল।

সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেওয়া ৩১টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বাতিল করা হয়েছিলো। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে সম্মিলিতভাবে প্রায় ৩,২৮৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা যুক্ত হওয়ার কথা ছিল, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি নতুন বিদ্যুৎ সক্ষমতা। একই সঙ্গে এসব প্রকল্পে প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগ জড়িত ছিল।

বিদ্যুৎ খাতে আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য ছিল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিদ্যুতের আওতায় সম্প্রসারণ। ২০০৯ সালের পর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো, নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, গ্রিড সম্প্রসারণ এবং দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ শতভাগ বিদ্যুতায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়।

এই বিদ্যুৎ অবকাঠামোর সম্প্রসারণের ফলে গ্রাম ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ে। কৃষিতে সেচ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কর্মকাণ্ডে বিদ্যুতের ব্যবহার অর্থনীতির সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখে।

একই সময়ে ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরকারি পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছিল।

শুধু প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভর না করে সৌর, বায়ু ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎসকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যুক্ত করার উদ্যোগও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জোরদার হয়।

২০২১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানি ব্যবহারের ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছিলেন। সরকারি Integrated Energy and Power Master Plan-এও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণকে ভবিষ্যৎ জ্বালানি কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই ৩১টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য Letter of Intent বা LoI দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৩,২৮৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা যুক্ত হওয়ার কথা ছিল।

CPD-এর গবেষণা অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। এতে চীন, আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছিলো।

কিন্তু ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসব প্রকল্পের LoI বাতিল বা আগের প্রক্রিয়ায় আর এগিয়ে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে সিদ্ধান্তটির অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার প্রভাব নিয়ে পরবর্তীতে প্রশ্ন ওঠে। CPD ২০২৫ সালে ৩১টি প্রকল্পের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে বলে, যেসব প্রকল্প বাস্তবসম্মত ও যোগ্য সেগুলো বাস্তবায়নে নেওয়া যেতে পারে এবং প্রয়োজন হলে শর্ত ও বিদ্যুতের মূল্য পুনর্নির্ধারণ বা renegotiation করা যেতে পারে।

গবেষণা সংস্থাটির হিসাবে প্রকল্পগুলো সম্মিলিতভাবে ৩,২৮৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ এবং প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

প্রকল্প বাতিলের ফলে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ চাহিদা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা নিয়ে। বিদ্যুতের চাহিদা প্রতিবছর বাড়ছে।

সৌরবিদ্যুৎ একদিকে আমদানি-নির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে পারে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, তার ওপর দাঁড়িয়ে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ চাহিদার জন্য অতিরিক্ত সক্ষমতা তৈরি করা ছিল পরবর্তী যৌক্তিক পদক্ষেপ। সেই ধারাবাহিকতা ব্যাহত হলে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ খাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না; শিল্প, কৃষি, ব্যবসা, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপরও পড়ে।

তারা জানান, বিদ্যুতের ঘাটতি বা সরবরাহের অনিশ্চয়তা তৈরি হলে শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়, ব্যবসার পরিচালন ব্যয় বাড়ে, কৃষিতে সেচ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং সাধারণ ভোক্তার জীবনেও তার প্রভাব পড়ে। তাই দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির প্রকল্পে হঠাৎ নীতিগত পরিবর্তন শেষ পর্যন্ত জনগণের জন্য বাড়তি ব্যয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

আওয়ামী লীগ সরকারের বিদ্যুৎ খাতের সাফল্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান দিক ছিল, ‘বিদ্যুৎবিহীন বাংলাদেশ’ থেকে ‘শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় বাংলাদেশ’-এ উত্তরণ।

শেখ হাসিনা সরকারের পরবর্তী লক্ষ্য ছিল শুধু বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বৃদ্ধি করা। ৩১টি প্রকল্প সেই বৃহত্তর ভবিষ্যৎ সক্ষমতারই একটি অংশ ছিল।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে নবায়নযোগ্য প্রকল্পের সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

Daily Sportlight
#বিদ্যুৎ #সংকট #প্রকল্প #বাতিল #নবায়নযোগ্য

30/08/2026
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময় সংরক্ষিত ও মজুত করা খাদ্যের ওপর নির্ভর করেই এখনও দরিদ্রদের চাল বিতরণ কার্যক্...
28/08/2026

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময় সংরক্ষিত ও মজুত করা খাদ্যের ওপর নির্ভর করেই এখনও দরিদ্রদের চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালিত স্বল্প মূল্যের ‘বিশেষ খোলা বাজারে চাল বিক্রি’ (OMS/VGD) কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মেয়াদের সংরক্ষিত খাদ্যশস্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মাঠপর্যায়ের চিত্রে উঠে এসেছে।
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খাদ্য গুদাম এবং ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি চালের বস্তাগুলোতে এখনও স্পষ্টভাবে মুদ্রিত রয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের জনপ্রিয় স্লোগান—“শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ”।
বস্তায় কালি লেপেও আড়াল করা যাচ্ছে না পুরনো স্লোগান
মাঠপর্যায়ের খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায়, চালের বস্তায় মুদ্রিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নাম ও স্লোগানটুকু কালি বা মার্কার দিয়ে ঢেকে বা কেটে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া: বিতরণ কেন্দ্রে চাল নিতে আসা সুবিধাভোগী সাধারণ মানুষ বলছেন, আড়াই বছর আগের সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলেও দেশে যে বিশাল খাদ্য মজুত গড়ে তোলা হয়েছিল, বর্তমান সময়েও সেই চালই সাধারণ মানুষের ক্ষুধার অন্ন জোগাচ্ছ।
সুলভ মূল্যে খাদ্য নিরাপত্তা: তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ও খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্প মূল্যে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির মতো বৃহৎ জনকল্যাণমূলক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী চালু করা হয়েছিল।

তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া সেই বিশাল খাদ্য মজুত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত শস্য ভাণ্ডারের কারণেই দেশের প্রান্তিক জনগণ এখনও সাশ্রয়ী মূল্যে চাল পাচ্ছে।

২৪ চিবিয়ে খাও।
24/08/2026

২৪ চিবিয়ে খাও।

বিএনপি-জামাতের শিল্প ধ্বংসের পুনরাবৃত্তি : সাত মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, চাকরি গেল ৬১ হাজার শ্রমিকেরকারখানা বন্ধের খবর এখন আ...
24/08/2026

বিএনপি-জামাতের শিল্প ধ্বংসের পুনরাবৃত্তি : সাত মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, চাকরি গেল ৬১ হাজার শ্রমিকের

কারখানা বন্ধের খবর এখন আর খবরই থাকছে না, হয়ে গেছে নিত্যদিনের চিত্র। গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ, ভালুকা থেকে শুরু করে সারাদেশে একই দৃশ্য। ফটকে ফটকে ঝুলছে বন্ধের নোটিশ, লাখ লাখ শ্রমিক ঘরে ফিরে যাচ্ছেন অন্ধকার ভবিষ্যৎ নিয়ে। অথচ যাদের দায়িত্ব ছিল এই শিল্প বাঁচানোর, তারা কিনা ব্যস্ত নিজেদের ক্ষমতার ভাগ বাটোয়ারায়।

ছয় মাসে ২৭ কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ, চাকরি হারিয়েছেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। গাজীপুরে ৫৪, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে ২৩, সাভার ও আশুলিয়ায় ১৮ কারখানা বন্ধ মানে ৬১ হাজার ৮৮১ শ্রমিকের কর্মহীন জীবন। দুই বছরের হিসাবে বন্ধ ৪৫৭ শিল্প ইউনিট। অথচ এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়, প্রতিটা সংখ্যার পেছনে একটা করে সংসার, বাচ্চাদের স্কুল ফি, বাড়িওয়ালার তাগাদা, ঋণের বোঝা।

ভালুকার চিত্র তো আরও ভয়ংকর। ৯৯ গ্যাসচালিত কারখানার প্রায় সবগুলোই এখন অচল। ২০ কারখানার শ্রমিকদের দুপুরের খাবারের আগেই ছুটি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গ্যাস নেই বলে কারখানা খোলা রাখাই এখন মালিকদের জন্য ক্ষতির কারণ। উল্টো দিকে শ্রমিকরা কাজে গিয়েও ফিরে আসছেন হাতে খালি, পকেটে শূন্য।

বিএনপি-জামাত শাসনের সেই পুরনো চেনা ছবি আবার ফিরে এসেছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালেও শিল্প ধ্বংসের যে নীতি ছিল, ২০২৬ সালে আবার সেই একই দৃশ্যপট। তখনও গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, কারখানায় তালা, শ্রমিকের রাস্তায় নামা, লাঠিচার্জ, মামলা-হামলা। ইতিহাস যেন আবার নিজেকে পুনরাবৃত্তি করছে। পার্থক্য শুধু একটাই, তখন যেমন কোনো জবাবদিহি ছিল না, এখনো নেই।

বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে প্রতিদিন। টিএমএস অ্যাপারেলস, নায়াগ্রা টেক্সটাইল, মাহমুদ জিন্স, পলিকন লিমিটেড, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, প্রিয়াঙ্কা ফ্যাশন, জাভান টেক্স, গ্রিন বাংলা হোম টেক্স, এশিয়ান ফ্যালকন গার্মেন্টস, লিথী গ্রুপের পাঁচ কারখানা, ইউনিক ওয়াশিং, ইসলাম গার্মেন্টস, ফ্যাশন ফোরাম, জেএ অ্যাপারেলস। নামগুলো পড়তে পড়তে মনে হবে এ কোনো কারখানার তালিকা না, এ যেন একেকটা শ্রমিক পরিবারের শেষ হওয়ার খতিয়ান।

বিষয়টা শুধু কারখানা বন্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত আছে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড়, হাজার হাজার কোটি টাকার রফতানি আদেশ বাতিল, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা হারানো, স্থানীয় বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্বের কারণে অপরাধ বৃদ্ধি, শ্রমিক অসন্তোষ থেকে সহিংসতা। সব মিলিয়ে একটা গোটা অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্যাকেজ।

বিকেএমইএ সভাপতি নিজেই বলছেন, জ্বালানি সংকট দ্রুত স্বাভাবিক না হলে দুর্বল কারখানাগুলো আরও চাপে পড়বে। মহিউদ্দিন রুবেলের কথায় স্পষ্ট, দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকলে শ্রমিক ছাঁটাই ও কারখানা বন্ধের ঝুঁকি আরও বাড়বে। অথচ শিল্প মালিকদের এই আর্তিও যেন বধির কানে যাচ্ছে। রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাবের কাছে দেশের শিল্প, শ্রমিক, রফতানি সবই এখন গৌণ।

ছুটি কি শুধুই ছুটি থাকবে, নাকি এই ছুটিই একদিন স্থায়ী বন্ধের নোটিশ হয়ে যাবে, সেই উত্তর কারও কাছে নেই। গ্যাস নেই, তাই উৎপাদন নেই, তাই মজুরি নেই, তাই ভাতের নিশ্চয়তা নেই। এই শূন্যতার বৃত্ত থেকে বের হওয়ার কোনো পথ দেখাতে পারছে না যারা আজ ক্ষমতায় বসে আছেন। তাদের ব্যস্ততা এখন শুধু নিজেদের মেয়াদ টিকিয়ে রাখা নিয়ে।

লাখ লাখ শ্রমিকের চোখের পানির দাম যাদের কাছে নেই, তাদের কাছে দেশ চালানোর নৈতিক অধিকারও নেই। কারখানা বন্ধের এই মিছিল যদি থামাতে না পারে রাজনীতি, তাহলে ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না। আর ক্ষমা না করলেও যে বিশেষ কিছু হবে না, সেটাই সবচেয়ে বড় আতঙ্ক। কারণ বিচার চাওয়ার মতো শক্তিও এখন ক্লান্ত, নিঃস্ব, গৃহহারা শ্রমিকের হাতে আর নেই।

“আজ যাঁকে নিয়ে এত চরম বিতর্ক, একদিন ইতিহাসে তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার মানুষই থাকবে না।”১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর মহামনীষী ম...
15/08/2026

“আজ যাঁকে নিয়ে এত চরম বিতর্ক, একদিন ইতিহাসে তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার মানুষই থাকবে না।”

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর মহামনীষী মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ মাঝে মাঝে বলতেন—

“একশ কিংবা দেড়শ বছর পরে সোহরাওয়ার্দী, ভাসানী, শেরে বাংলা—এমনকি আমার নিজের নামও তেমন উচ্চারিত হবে না। কিন্তু শেখ মুজিবের নাম তখনও সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হবে।”

তিনি আরও বলতেন—

“শেখ মুজিব আমার নিজের পুত্রসমতুল্য ছিল। কিন্তু শুধু আমাদের স্নেহের কারণে সে জাতির জনক হয়নি; নিজের যোগ্যতায় আমাদের জাতির জনক হয়েছে।”

তারপর বলতেন—

“একদিন দেখবে, শেখ মুজিবের আর কোনো শত্রু থাকবে না। তাঁর সমকালীন সমালোচকরাও কেউ বেঁচে থাকবেন না। সময় সব বিরোধকে মুছে দেবে; ইতিহাস তখন তাঁকে নতুন করে মূল্যায়ন করবে।”

মহাত্মা গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলতেন,

“গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু গান্ধীর নামকে হত্যা করা যায়নি। শেখ মুজিবের ক্ষেত্রেও তাই—দেহের মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু ইতিহাসে তাঁর নামের মৃত্যু নেই।”

তর্কবাগীশের সেই দূরদর্শী কথার মর্ম যেন একটাই—

মানুষ মরে যায়, রাজনৈতিক বিরোধ মুছে যায়; কিন্তু ইতিহাসে যার স্থান তৈরি হয়ে যায়, সে থেকে যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম যুগ যুগান্তর ।

— মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ

14/08/2026

যে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যমণি হওয়ার কথা ছিল বঙ্গবন্ধুর, অথচ সেই সকালের আগেই তিনি হয়ে গেলেন অন্যলোকের অভিযাত্রী। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট প্রকাশিত খবরের কাগজের পাতা উল্টে দেখিয়েছেন রাহাত মিনহাজ।

Address

Birganj-Pirganj Road, Dinajpur
Birganj
5220

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
18:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 17:00
18:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 17:00
18:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 17:00
18:00 - 22:00
Friday 09:00 - 17:00
18:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 17:00
18:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 17:00
18:00 - 22:00

Telephone

+8801716505152

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Birganj Upazila Awami League/ বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Birganj Upazila Awami League/ বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ:

Shortcuts

Share