AnisSharif

Directions

AnisSharif বাস্তবতা তু‌লে ধরা-ই এই পেইজের লক্ষ‌্য

চোখ খুলুন_পর্ব:০৮ || নীল জলের বুকে সাঁতার, মনজুড়ে প্রশান্তির ছোঁয়া!জীবনের ব্যস্ততা, কাজের চাপ আর প্রতিদিনের হাজারো দায়িত...
11/10/2026

চোখ খুলুন_পর্ব:০৮ || নীল জলের বুকে সাঁতার, মনজুড়ে প্রশান্তির ছোঁয়া!

জীবনের ব্যস্ততা, কাজের চাপ আর প্রতিদিনের হাজারো দায়িত্বের মাঝে কখনো কখনো মন চায় একটু বিরতি নিতে। একটু নিজের মতো করে সময় কাটাতে, প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে আর মনের ক্লান্তিগুলোকে পেছনে ফেলে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেতে।

সুইমিংপুলের স্বচ্ছ নীল জলে যখন শরীর ডুবিয়ে সাঁতার কাটা যায়, পানির ঢেউ যখন আলতো করে শরীর ছুঁয়ে যায়, তখন মনে হয়-জীবনটা শুধু দায়িত্ব আর ব্যস্ততার নাম নয়; জীবন মানে আনন্দ, অনুভূতি আর নিজের জন্য কিছু সুন্দর মুহূর্ত বাঁচিয়ে রাখা।

নীল জলের বুকে প্রতিটি সাঁতার যেন মনের আকাশে নতুন করে আনন্দের রং ছড়িয়ে দেয়। পানির প্রতিটি ঢেউয়ে মিশে থাকে একটুখানি প্রশান্তি, একটুখানি মুক্তির অনুভূতি আর নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার আনন্দ।

আমরা জীবনের প্রয়োজনে প্রতিদিন ছুটে চলি, কিন্তু সেই ছুটে চলার মাঝেও নিজের মনকে ভালো রাখার সময় বের করা জরুরি। কারণ, সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য শুধু অর্থ-সম্পদ নয়, প্রয়োজন মানসিক প্রশান্তি, নির্মল আনন্দ আর কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত।

তাই সুযোগ পেলেই প্রিয় মানুষদের সঙ্গে কিংবা নিজের মতো করে কাটিয়ে দিন কিছু আনন্দঘন সময়। নীল জলের বুকে সাঁতার কাটুন, উপভোগ করুন জীবনের সৌন্দর্য-তবে অবশ্যই নিরাপদ পরিবেশে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে।

জীবন একটাই, তাই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জীবনকে উপভোগ করতেও শিখুন। কারণ, আজকের এই সুন্দর মুহূর্তগুলোই একদিন হয়ে উঠবে আগামী দিনের মধুর স্মৃতি।

#নীলজল #সাঁতারেরআনন্দ #জীবনেরসৌন্দর্য #মানসিকপ্রশান্তি #ভ্রমণবিলাস #আনন্দঘনমুহূর্ত #জীবনওজীবিকারকথা

চোখ খুলুন_পর্ব:০৯ || আমি যা করছি, তা কি সত্যিই ভালো?জীবনের টেবিলে কী সাজানো আছে, সেটি সবসময় আমাদের হাতে নেই-কিন্তু সেখান...
09/10/2026

চোখ খুলুন_পর্ব:০৯ || আমি যা করছি, তা কি সত্যিই ভালো?

জীবনের টেবিলে কী সাজানো আছে, সেটি সবসময় আমাদের হাতে নেই-কিন্তু সেখান থেকে কী বেছে নেবো, সেই দায়িত্বটা আমাদের নিজেদের।

যেমন শরীর সুস্থ রাখতে ক্ষতিকর খাবার এড়িয়ে চলতে হয়, তেমনি জীবনকে সুন্দর রাখতে খারাপ কাজ, খারাপ চিন্তা ও খারাপ সঙ্গ থেকেও নিজেকে দূরে রাখতে হয়।

কারণ, আমরা প্রতিদিন যে খাবার গ্রহণ করি, তা আমাদের শরীরকে প্রভাবিত করে; আর আমরা প্রতিদিন যে চিন্তা, কথা ও কাজকে বেছে নিই, সেগুলোই ধীরে ধীরে আমাদের চরিত্র ও ভবিষ্যৎ তৈরি করে।

তাই আসুন, জীবনের প্রতিটি মোড়ে একটু থামি।
ভাবি-আমি যা করছি, তা কি সত্যিই ভালো?

#ভালোকাজ #জীবনের_ডায়েরিシ

চোখ খুলুন_পর্ব:০৯ || ব্লগিং শুধু ভিডিও বানানোর নাম নয়-ব্লগিং হলো দায়িত্ব নিয়ে কথা বলার নাম।তাই হাতে দামি ক্যামেরা না থাক...
08/10/2026

চোখ খুলুন_পর্ব:০৯ || ব্লগিং শুধু ভিডিও বানানোর নাম নয়-ব্লগিং হলো দায়িত্ব নিয়ে কথা বলার নাম।

তাই হাতে দামি ক্যামেরা না থাকলেও একজন মানুষ ভালো ব্লগার হতে পারেন, যদি তার চোখে থাকে পর্যবেক্ষণের ক্ষমতা, মাথায় থাকে জ্ঞান, মুখে থাকে সত্য কথা বলার সাহস এবং হৃদয়ে থাকে মানুষের জন্য ভালোবাসা।

মনে রাখতে হবে-ক্যামেরা একজনকে ভিডিও নির্মাতা বানাতে পারে, কিন্তু জ্ঞান ও বিবেকই একজন মানুষকে প্রকৃত ব্লগার বানায়।

আজ আমাদের সমাজে ক্যামেরার সংখ্যা হয়তো বেড়েছে, কিন্তু তার সঙ্গে কি জ্ঞান, দায়িত্ববোধ আর সত্য বলার সাহসও বেড়েছে?
প্রশ্নটা আমাদের প্রত্যেকের নিজের কাছেই করা উচিত।

ব্লগার হোন-কিন্তু শুধু ক্যামেরার নয়, জ্ঞান ও বিবেকেরও। -Jibon O Jibikar Kotha

#ব্লগিং #চোখ_খুলুন

সত্যি কথা নিয়ে আগামীকাল একটি রিল ভিডিও পাবেন Jibon O Jibikar Kithai Cannel এ দেখার আমন্ত্রণ রইলো। #ছবি  #আগামীকাল  #ভিডি...
03/10/2026

সত্যি কথা নিয়ে আগামীকাল একটি রিল ভিডিও পাবেন Jibon O Jibikar Kithai Cannel এ দেখার আমন্ত্রণ রইলো।

#ছবি #আগামীকাল #ভিডিওviral #রিলভিডিও

চোখ খুলুন_পর্ব: ০৮ || মা কুকুরটিও তো একজন মা-তার সন্তানদেরও বাঁচার অধিকার আছে-রাস্তার এক কোণে, যেখানে ধুলোবালি আর ইট-পাথ...
02/10/2026

চোখ খুলুন_পর্ব: ০৮ || মা কুকুরটিও তো একজন মা-তার সন্তানদেরও বাঁচার অধিকার আছে-

রাস্তার এক কোণে, যেখানে ধুলোবালি আর ইট-পাথরের রাজত্ব, সেখানে নিভৃতে গড়ে ওঠে এক অসাধারণ ভালোবাসার পৃথিবী। একটি মা কুকুর যখন চার-চারটি ছানার জন্ম দেয়, তখন তার মাথার ওপর কোনো স্থায়ী ছাদ থাকে না। রোদ, ঝড় কিংবা মূষলধারে বৃষ্টি-সবকিছু নিজের শরীর দিয়ে আগলে রেখে সে তার সন্তানদের বড় করার দায়িত্ব নেয়। এই আত্মত্যাগ কি কোনো মানুষের মাতৃত্বের চেয়ে কম পবিত্র?

অথচ আমাদের সমাজ এদের প্রতি কতটা নিষ্ঠুর! রাস্তায় চলাচলের সময় অনেকে কুকুরছানা দেখলে অযথা লাথি বা উষ্টা মারতে চেষ্টা করি। আমরা ভুলেই যাই-এদের ভেতরেও প্রাণ আছে, কষ্ট পাওয়ার অনুভূতি আছে, আর সবচেয়ে বড় কথা, এরাও মহান সৃষ্টিকর্তারই অপূর্ব সৃষ্টি। এরা তো নিজেরা চায়নি এই ইট-কাঠের শহরে আশ্রয়হীন হয়ে জন্মাতে।

প্রকৃতির দিকে তাকালে মহান সৃষ্টিকর্তার এক অপরূপ মহিমা ও সমতার ছাপ দেখতে পাওয়া যায়। একটি ছাগলের যদি চারটি বাচ্চা হয়, তবে মা ছাগল দুটিকে দুধ খাওয়াতে পারে আর বাকি দুটি তৃষ্ণার্ত হয়ে পাশে লাফাতে থাকে। কিন্তু প্রকৃতির কী অদ্ভুত বিধান-একটি কুকুরের চারটি বাচ্চা হলে মা কুকুর একই সাথে চারজনকেই দুধ পান করানোর চমৎকার ক্ষমতা ও ব্যবস্থা লাভ করে! সৃষ্টিকর্তা যাকে এতো মমতায় সৃষ্টি করেছেন, আমরা তাকে ভালোবাসতে না পারি, কষ্ট দেওয়ার অধিকার কি আমাদের আছে?

কুকুর কেবল অবহেলিত এক প্রাণী নয়, সে প্রভূভক্তির এক অনন্য রূপক। তার স্বভাবজাত ধর্মই হলো মানুষের উপকার করা, রাত জেগে এলাকা পাহারা দেওয়া এবং বিশ্বস্ততার সর্বোচ্চ প্রমাণ দেওয়া। মানুষ হাজার ভুল করলেও এই অবলা প্রাণীটি সামান্য একটু খাবারের বদলে সারাজীবন বিশ্বস্ত হয়ে পাশে থাকে।

আসুন, আমাদের হৃদয়কে একটু প্রসারিত করি। অবলা প্রাণীদের প্রতি একটু দয়া দেখাই, অন্তত কোনো কারণ ছাড়া তাদের ওপর অত্যাচার না করি। আমাদের সামান্য সহানুভূতি ও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টি এদের জীবন সুন্দর করে তুলতে পারে। মনে রাখবেন-সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিকে ভালোবাসলে, সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসা লাভ করা যায়।

#অবলা_প্রাণী #প্রাণীপ্রেম #মাতৃত্বের_টান #কুকুর_প্রভুভক্ত #মানবিকতা #সৃষ্টিকর্তার_সৃষ্টি
পরা
#মা_কুকুর
#প্রাণীর_প্রতি_মমতা
#মানবিকতা
#প্রাণীরও_জীবন_আছে
#জীবনের_প্রতি_ভালোবাসা
#সৃষ্টির_প্রতি_দয়া

চোখ খুলুন_পর্ব:০৭ || শুধু জিহ্বার স্বাদ নয়, নিজের শরীরের কথাও একটু ভাবুন।কারণ-এক প্লেট ফুচকার স্বাদ কয়েক মিনিটের, কিন্তু...
28/09/2026

চোখ খুলুন_পর্ব:০৭ || শুধু জিহ্বার স্বাদ নয়, নিজের শরীরের কথাও একটু ভাবুন।
কারণ-এক প্লেট ফুচকার স্বাদ কয়েক মিনিটের, কিন্তু অসুস্থতার কষ্ট অনেক দিনের।

বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে খাবার বেছে নেওয়ার সময় আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। বাইরে খাওয়ার আগে একটু দেখে নিন-খাবারটি কীভাবে তৈরি হচ্ছে, পরিবেশটা কতটা পরিষ্কার, পানি নিরাপদ কি না এবং খাবারটি তাজা কি না।
মনে রাখবেন, স্বাস্থ্যই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

আসুন, মুখরোচক খাবারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিই। নিজে সচেতন হই, পরিবারকে সচেতন করি এবং অন্যকেও সচেতন করি।

স্বাদ থাকুক, কিন্তু স্বাস্থ্যের বিনিময়ে নয়।

#স্বাস্থ্যসচেতনতা #নিরাপদখাদ্য #ফুচকা #ফাস্টফুড #খাদ্যসচেতনতা #সুস্থজীবন #স্বাস্থ্যইসম্পদ #সচেতনহোন #স্বাস্থ্যসচেতনতা #নিরাপদখাদ্য

চোখ খুলুন_পর্ব:০৬ ||| হঠাৎ কোনো একটি ছবি এসে বুড়ো আঙুলের গতি থামিয়ে দেয়। হৃদয়টা একটু থমকে দাঁড়ায়, চোখে জমে হালকা মেঘ বা ...
23/09/2026

চোখ খুলুন_পর্ব:০৬ ||| হঠাৎ কোনো একটি ছবি এসে বুড়ো আঙুলের গতি থামিয়ে দেয়। হৃদয়টা একটু থমকে দাঁড়ায়, চোখে জমে হালকা মেঘ বা ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠে এক চিলতে হাসি। একটি ভালো ও সুন্দর ছবি ঠিক এখানেই সাধারণ ছবির চেয়ে আলাদা। এটি কেবল চোখকে নয়, সরাসরি মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করে।
একটা চমৎকার ছবি যেভাবে একজন দর্শককে নিজের প্রেমে ফেলে দেয়:

ছবিতে শব্দ থাকে না, কিন্তু আবেগ থাকে স্পষ্ট। গ্রামের মেঠো পথে ছুটে চলা শিশুর নির্মল হাসি, বৃদ্ধের বয়সের ভাঁজে থাকা জীবনের দীর্ঘশ্বাস, কিংবা গোধূলির আলোয় শান্ত নদীর রূপ—এসব দৃশ্য যখন ফ্রেমে বন্দি হয়, তখন শব্দ ছাড়াই তারা গল্প বলে যায়। মানুষ সেই গল্পের সাথে নিজেকে মেলাতে শুরু করে।

সুন্দর ছবি মানেই কোনো এক অনন্য মুহূর্তকে চিরদিনের জন্য বন্দি করে রাখা। যে সময়টা আর কখনো ফিরে আসবে না, সেই ক্ষণটি যখন ফ্রেমে জীবন্ত হয়ে ওঠে, ভিউয়ার তখন সেই মুহূর্তটির মায়ায় আটকে যান।

মানুষ সবসময় সৌন্দর্যের তৃষ্ণার্ত, আর ভালোবাসার কাঙাল। একটি নান্দনিক ছবি দেখার সাথে সাথেই মানুষের মনে থাকা সুপ্ত স্মৃতি, নস্টালজিয়া কিংবা স্বপ্নগুলো জেগে ওঠে। মানুষ তখন ছবিটির মাঝে নিজেকে খুঁজে পায়, কিংবা খুঁজে পায় তার ফেলে আসা কোনো প্রিয় স্মৃতিকে।

আসলে, একটি ভালো ছবি কোনো মেকি জিনিস নয়-তা হলো আলোকচিত্রীর অন্তর্দৃষ্টি আর অনুভূতির প্রতিচ্ছবি। যখন হৃদয়ের সমস্ত অনুভূতি উজার করে একটি মুহূর্তকে ফ্রেমে বন্দি করা হয়, তখন সেই ছবি কেবল দর্শনার্থীর নজর কাড়ে না, থেকে যায় তাদের স্মৃতির আয়নায়।

চোখ খুলুন_পর্ব:০৫ ||| জুম্মার দিন মানেই সপ্তাহের সেরা দিন, রহমত ও বরকতের এক বিশেষ মুহূর্ত। আর এই পবিত্র দিনে সন্তানের জন...
18/09/2026

চোখ খুলুন_পর্ব:০৫ ||| জুম্মার দিন মানেই সপ্তাহের সেরা দিন, রহমত ও বরকতের এক বিশেষ মুহূর্ত। আর এই পবিত্র দিনে সন্তানের জন্য সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী কাজ হলো নিজের জন্মদাতা মা-বাবার কবর জিয়ারত করা।
যে মা-বাবা আমাদের আলো দেখিয়েছেন, কষ্ট সয়ে লালন-পালন করেছেন, তারা আজ মাটির নিচে একাকী, নিস্তব্ধ। শুক্রবারের এই বরকতময় দিনে সন্তান যখন তাদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে একবুক কান্না নিয়ে হাত তোলে, “রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়ানী সগীরা”, তখন আরশের মালিকের রহমতের দরিয়ায় জোয়ার আসে।
শুক্রবার কবর জিয়ারতের বিশেষ ফজিলত:
হাদিস শরিফে এসেছে, যে ব্যক্তি প্রতি জুম্মার দিনে তার মা-বাবার বা দুজনের একজনের কবর জিয়ারত করে, তার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় এবং তাকে মা-বাবার প্রতি অনুগত ও সৎ সন্তান হিসেবে লিখে নেওয়া হয়।

শুক্রবার রুহগুলোর মধ্যে এক বিশেষ মিলন ঘটে। সন্তানের উপস্থিতি ও দেওয়া হাদিয়া মৃত মা-বাবার কবরে আলোর মতো পৌঁছে যায়, তাদের রুহ শান্ত হয়।

মা-বাবার কবরের পাশে দাঁড়ালে পৃথিবীর সমস্ত অহংকার, ব্যস্ততা আর মিছে মহ মূহূর্তেই মিলিয়ে যায়। হৃদয় নরম হয়, আখেরাতের কথা মনে পড়ে।
জুমার নামাজের পর ব্যস্ততা কিছুটা সরিয়ে আসুন মা-বাবার কবরের পাশে। যাদের মা-বাবা দূরে আছেন বা হারিয়ে গেছেন অনেক আগে, তারা যেখানেই থাকুন না কেন, আজকের দিনে তাদের আত্মাস শান্তির জন্য মন খুলে দোয়া করুন।
হে আল্লাহ, আমাদের যাদের মা-বাবা পরপারে চলে গেছেন, আজকের এই পবিত্র জুমার দিনে তাদের কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন। আমিন।

শেয়ার করে অন্যকেও তাদের মা-বাবার জন্য দোয়া করার কথা স্মরণ করিয়ে দিন।

#মা_বাবা িয়ারত #শুক্রবার #জুমার_দিন #মৃত_মা_বাবা #মা_বাবার_জন্য_দোয়া #ইসলামিক_ভিডিও #আখিরাত #সদকায়ে_জারিয়া #জীবন_ও_জীবিকার_কথা

চোখ খুলুন_পর্ব:০৪ ||| আমাদের এই বাংলাদেশটাকে বলা হয় ছয় ঋতুর দেশ। পৃথিবীর আর কোনো কোণে ঋতু পরিবর্তনের এমন নৈসর্গিক রূপ আর...
16/09/2026

চোখ খুলুন_পর্ব:০৪ ||| আমাদের এই বাংলাদেশটাকে বলা হয় ছয় ঋতুর দেশ। পৃথিবীর আর কোনো কোণে ঋতু পরিবর্তনের এমন নৈসর্গিক রূপ আর বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায় কিনা আমার জানা নেই। প্রতিটা ঋতুই এখানে নিজস্ব সাজে, নিজস্ব মেজাজে ধরা দেয়।

আজকের দিনটার কথাই ধরা যাক! সকালের সূর্যটা যখন উদয় হলো, মনে হচ্ছিল আকাশ আর জমিনের দূরত্ব আর নেই। মহাকাশ থেকে একখণ্ড আগুনের গোলা যেন শুধু আমাদের এই বাংলার মাটি স্পর্শ করতেই নেমে এসেছে। তীব্র রোদ আর খাঁ খাঁ গরমে চারপাশের মানুষজন যখন হাঁসফাঁস করে বলে উঠল-"আজকের মতো গরম বোধহয় আর কোনোদিন পড়েনি!", ঠিক তখনই প্রকৃতির এক অলৌকিক পরিবর্তন!

সূর্য মাথার ওপরে আসতে না আসতেই নীল আকাশ ঢেকে গেল কালো মেঘের ঘনঘটায়। তারপর এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি! শরীর-মন জুড়ানো সেই ঠাণ্ডা বাতাসে বিষণ্ন মুখে ফুটে উঠল এক চিলতে প্রশান্তির হাসি। চারপাশ থেকে ধ্বনিত হলো-"আল্লাহ চাইলে কী না করতে পারেন! মুহূর্তের মধ্যেই অন্তরে শীতলতার ছোঁয়া!"

এমনি আমাদের এই সোনার বাংলা। প্রতি পদক্ষেপে যেখানে প্রকৃতির অলৌকিক ছোঁয়া আর ভালোবাসার পরশ। এই রূপসী বাংলায় জন্মগ্রহণ করতে পেরে মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে কোটি কোটি শুকরিয়া।

তবে এই অপরূপ প্রাকৃতিক প্রাচুর্য, উর্বর মাটি আর অফুরন্ত সম্ভাবনার মাঝে দাঁড়িয়েও বুকের ভেতর এক গভীর আক্ষেপ থেকে যায়। শুধুই আফসোস হয় আমাদের দেশের নোংরা রাজনীতি আর অদূরদর্শী রাজনীতিবিদদের জন্য! সৃষ্টিকর্তা যা দিয়ে আমাদের ধন্য করেছেন, একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মানুষের কারণে আমরা আজও তার সঠিক সদ্ব্যবহার করতে পারলাম না। প্রকৃতি আমাদের সবকিছু উজাড় করে দিলো, আর কেবল মানুষের দেওয়া অব্যবস্থাপনায় আমরা পিছিয়ে রইলাম।
কবে মিটবে এই দীর্ঘশ্বাস? কবে আমাদের এই স্বপ্নের বাংলাদেশ তার যোগ্য মর্যাদা পাবে?

প্রকৃতির এই রূপ আর রবের এই নেয়ামত আমাদের অহংকার। ধন্য আমরা, আমরা এই বাংলার সন্তান!

#আমার_বাংলা ুর_দেশ #প্রকৃতির_মায়া #বাংলাদেশ
#বাংলাদেশ #ছয়ঋতুরদেশ #আমারবাংলাদেশ #বাংলারপ্রকৃতি #প্রকৃতিরঅপরূপসৌন্দর্য #দেশেরকথা #বাংলারমাটি #আলহামদুলিল্লাহ #শুকরিয়া

একজন এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এর সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি: জনাব মো: কাউছার আহমেদ ভাইয়ের দীর্ঘ কর্মজীবনের সফল সমাপ্তি ও বিদা...
14/09/2026

একজন এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এর সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি:
জনাব মো: কাউছার আহমেদ ভাইয়ের দীর্ঘ কর্মজীবনের সফল সমাপ্তি ও বিদায়বেলায় আজ লিখছি-

১৯৯২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় 'সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার' হিসেবে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, আজ তার সফল সমাপ্তি ঘটলো। দীর্ঘ ৩৪ বছর ৬ মাস ২৩ দিন-এই দীর্ঘ সময়ে তিনি শুধুই একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি, বরঞ্চ হয়ে উঠেছিলেন পৌরবাসীর একজন বিশ্বস্ত ও আপন মানুষ। তিনি আর কেউ নন, আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অত্যন্ত পরিচিত, সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ জনাব মো: কাউছার আহমেদ ভাই। বর্তমানে যিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে যাচ্ছেন।

ব্যক্তিগতভাবে কাউছার আহমেদ ভাই আমার বড় ভাইয়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সেই সুবাদে উনার সাথে আমার সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের। প্রতিবার দেখা হলেই উনার সেই পরিচিত মিষ্টি হাসি আর উষ্ণ কোলাকুলি কখনোই ভুলবার নয়। আজ জীবনের শেষ কর্মদিবসেও উনার সেই একই আন্তরিকতা ও ভালোবাসা ছিল অবিকল আগের মতোই।
আজ উনার চাকুরিজীবনের শেষ দিনে সোশাল মিডিয়া জুড়ে শুধুই উনার কর্মজীবনের সাফল্যের চর্চা। সকাল থেকেই সর্বস্তরের স্থানীয় লোকজন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পরিচিত সুধীজন ও সহকর্মীরা এসে ভিড় জমিয়েছেন শুধু উনাকে একনজর দেখার জন্য, একটু কুশল বিনিময় করার জন্য। মানুষের এই ভালোবাসাই প্রমাণ করে কর্মজীবনে তিনি কতটা সফল ছিলেন।

দীর্ঘ এই সুবিশাল কর্মজীবনে তিনি শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই সেবা দেননি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, হবিগঞ্জের মাধবপুর, কুমিল্লার বরুড়া এবং সবশেষে আবারও প্রিয় জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় নিরলসভাবে পৌরবাসীকে সেবা দিয়ে নিজের কর্মজীবনের ইতি টানছেন।

পারিবারিক জীবনে তিনি দু’জন গুণী পুত্রসন্তান, একজন কন্যা এবং এক সার্বক্ষণিক ভালোবাসায় পাশে থাকা রত্নগর্ভা সহধর্মিণীর সুখে ভরা সংসার নিয়ে অত্যন্ত সুখী মানুষ।

মানুষমাত্রই দোষে-গুণে গড়া। দীর্ঘ এই ৩৪ বছরেরও বেশি সময়ে উনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে যতটুকু সেবা দিতে পেরেছেন, তা আমাদের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। কাজের সূত্রে হয়তো ভুলত্রুটি থাকা স্বাভাবিক-উনারও থাকতে পারে, আমাদেরও থাকতে পারে। তবে বিদায়বেলায় একে অপরকে ক্ষমা করে দেওয়াই হলো মহত্ত্বের পরিচয়।
প্রিয় কাউছার আহমেদ ভাই, আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং অবসর জীবনের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী আপনার অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে। আপনি ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন!

Address

Brahmanbaria
3400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AnisSharif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category