Shariatpur, শরিয়তপুর

Shariatpur, শরিয়তপুর Shariatpur (Bengali: শরিয়তপুর জেলা, Shariatpur Jela also Shariatpur Zila) is a district in the Dhaka Division of central Bangladesh.

শরীয়তপুর জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

শরীয়তপুর জেলার আয়তন ১১৮১.৫৩ বর্গকিলোমিটার। এই জেলার উত্তরে মুন্সীগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরিশাল জেলা, পূর্বে চাঁদপুর জেলা, পশ্চিমে মাদারীপুর জেলা। গড় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস গড় বৃষ্টিপাত ২১০৫ মি মি। এটি মূলত চর এলাকা।

#শরীয়তপুর #বাংলাদেশ

#মেঘনানদী #পদ্মানদী #নড়িয়া #ডামুড্যা #জাজিরা #গোসাইরহাট #ভেদরগঞ্জ #চরাঞ্চল #কৃষি #পানিফল #ইলিশমাছ #গ্রামীণজীবন #প্রাকৃতিকসৌন্দর্য #শরীয়তপুরইতিহাস #শিক্ষা #সংস্কৃতি #মাঠক্রীড়া #স্থানীয়খাদ্য #গ্রামীণঅর্থনীতি #হাতেরকাজ #মসজিদমন্দির #লোকসংগীত #প্রবাহিতনদী #ট্রাভেলবাংলাদেশ

৫ই আগস্টে পরিকল্পিত জঙ্গি হামলায় প্রান হারানো সকল সাধারণ মানুষ, পুলিশ, রাজনীতিবিদদের জন্য শোক জানাই।আপনাদের আত্মত্যাগ বৃ...
05/08/2026

৫ই আগস্টে পরিকল্পিত জঙ্গি হামলায় প্রান হারানো সকল সাধারণ মানুষ, পুলিশ, রাজনীতিবিদদের জন্য শোক জানাই।

আপনাদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না।

বাংলা আবার উগ্রবাদী, মোলবাদী, উশৃংখল #জোম্বিজঙ্গিছাপড়ি হাতে থেকে মুক্ত হবে।

বাংলা আবার কৃষক, শ্রমিক, মজুর ও মেহনতী মানুষের হবে।

03/08/2026

বিদ্যুৎ বিল কমানোর দোয়া:

১. দিল্লি না ঢাকা — ৩৩ বার
২. ইনকিলাব জিন্দাবাদ — ৩৩ বার
৩. তুমি কে, আমি কে — রাজাকার, রাজাকার — ৩৪ বার

মোট ১০০ বার পাঠ করে মিটারে শুধু ‘ফুঁ’ দিলেই বিদ্যুৎ বিল কমে যাবে।

(এই দোয়াটি যদি ইনবক্সে ১০০ জনের কাছে পৌঁছে যায়, তাহলে বিদ্যুৎ বিলে ১০% বিশেষ ছাড় পাবেন!)

01/08/2026

Go read history. It has always been this way since the beginning of their dominance: 📚

Islamic scholars have never been in favor of Muslim scientific, economic, or intellectual progress. From banning the printing press in the Ottoman Empire for narrow interests, to issuing fatwas against anyone working toward scientific innovation, educational reform, and social reform—the pattern is clear.

The real enemy of Muslims is not Jews or Christians; it has always been the dogmatic mullahs who guarded their own power at the expense of progress. History is the evidence.

The tragedy? Many people are poorly educated and lack knowledge of history, and consequently, they lack common sense and sound judgment.

28/07/2026

জামায়াত নসিহত করে গান-বাজনা হারাম,
আর আমলের মাধ্যমে বোঝায় লুচ্চা-মি হালাল।

23/07/2026
এই পোস্টারটা দেখে আমারও খারাপ লেগেছে।কিন্তু ভেবে দেখেন - ১% দুশ্চরিত্র মোল্লার জন্য ৯৯% মোল্লাকে লোকে তখনই খারাপ বলবে না...
29/06/2026

এই পোস্টারটা দেখে আমারও খারাপ লেগেছে।

কিন্তু ভেবে দেখেন - ১% দুশ্চরিত্র মোল্লার জন্য ৯৯% মোল্লাকে লোকে তখনই খারাপ বলবে না, যখন ওই ৯৯% মোল্লা বাকিদের শুধরে নিতে পারবে; অন্তত তাদের বিরুদ্ধে সত্যিকারের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

যদি তারা এই ১%-কে থামাতে না পারে, তবে লোকে পুরো ১০০%-কেই এক রকম ভাববে এবং কথা বলবেই।

ইতিহাস রচিত হলো।লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷
22/06/2026

ইতিহাস রচিত হলো।
লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷

যার যা প্রাপ্য।। মেট্রোরেল স্টেশনে পশুর হাট কিংবা চলন্ত সিঁড়িতে কোরবাণীর গরু ওঠানামা দেখে যারা "আহা! দেশটা কোথায় চলে ...
28/05/2026

যার যা প্রাপ্য।। মেট্রোরেল স্টেশনে পশুর হাট কিংবা চলন্ত সিঁড়িতে কোরবাণীর গরু ওঠানামা দেখে যারা "আহা! দেশটা কোথায় চলে গেল" বলে হা-হুতাশ করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলা যায়, বাংলাদেশের মানুষের যা পাবার বা যা হবার কথা ছিল, তারচেয়ে তারা অনেক বেশি পেয়ে গেছে, বেশি কিছু হয়ে গেছে। অখ্যাত এক কবির ভাষায়, "যার যা প্রাপ্য তাকে দেওয়া ভালো সেইটুকু ভালোবাসা/প্রাপ্তি যখনই পূর্ণ করেছে আশার পাত্রখানি/অবহেলা সয়ে পথের ধূলায় লুটায় অমৃতবাণী!

মুড়ির টিন মার্কা বাসের পা-দানিতে ঝুলতে ঝুলতে যাদের মিরপুর-মতিঝিল যাতায়াত করার কথা, তাদের জন্য মেট্রোরেল একটি অপ্রয়োজনীয় অবাস্তব স্বপ্নের বাহন। দক্ষিণ বাংলার মানুষেরা যখন ঈদের সময় লঞ্চের লেজ ধরে ডুবতে ডুবতে ভাসতে ভাসতে বরিশাল পটুয়াখালি কিংবা পিরোজপুর পৌঁছাতেন সেই দিনগুলোর এখন তাদের মনেই পড়ে না। ফেরিঘাটের আট-দশ ঘণ্টার দৃশ্যমান দুর্ভোগের কথা দশ মিনিটে নদী পার হয়েই তারা ভুলে গেছে।

বিদ্যা-বুদ্ধির দৌড়ে বলৎকার ও ধর্ষণে বিশেষ বুৎপত্তি লাভ করে মাদ্রাসা থেকে উত্তীর্ণ হয়ে যাদের ধর্ম ব্যবসায় নিয়োজিত হবার কথা, তারা যখন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলোতে চরে বেড়ায় তখন বোঝা যায় আমাদের এখনো অনেককিছু শেখার বাকি আছে। ক্যাপ্টেন থেকে কর্নেল পর্যায়ে পদোন্নতি পাবার আগেই যাঁরা অবসরে চলে যেতেন, তাঁরা জেনারেলের তারকা বুকে ঝুলিয়ে সদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পাকিস্তানি বসের স্বাক্ষরিত ফাইল নিয়ে যাঁদের সচিবালয়ের ভবন থেকে ভবনে ছোটাছুটি করার কথা তাঁরা উপ-সচিব, যুগ্ন সচিব এমন কি সচিবের চেয়ারে বসে পড়েছেন।

একশ নব্বই বছর ব্রিটিশের এবং তেইশ বছর পাকিস্তানের গোলামির পরেও যখন মনে হয় 'আমার সোনার বাংলা...' র চেয়ে 'পাকসার জমিন...' ভালো ছিল, তখন বোঝা যায় স্বাধীনতা আমাদের হজম হয়নি। এইসব পাকিস্তানপ্রেমিক মূর্খেরা জানেই না পাকিস্তানের প্রায় চার কোটি মানুষ এখন দেশে বিদেশে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করে। সৌদি আরব তাদের হজ্জ্বের ভিসাতেও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। শেখ মুজিব নামের এক আবেগ্রাশ্রয়ী, স্বপ্নবাজ মানুষ এদেশের বিপুল সংখ্যক নিমকহারামের মনোজগত সম্পর্কে না জেনে, এই মোনাফেকদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাদের জন্য স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। আর আমরা সে সময় একদল তরুণ তাঁর আহবানে উদ্বুদ্ধ হয়ে এই গণ্ডমূর্খদের বিজাতীয় শাসন শোষণ থেকে মুক্তি দিতে যুদ্ধে ঝাঁপ দিয়ে পড়েছিলাম।

বানরের হাতে খন্তা দেওয়ার মতো মানসিকতায় মধ্যযুগীয় এইসব বর্বরের হাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এসে পড়েছে। তাই তারা মেট্রোরেলের স্টেশনে পশুর হাট বসায়, চলন্ত সিঁড়িতে গরু নিয়ে মেট্রোরেলে উঠতে যায়। ফেসবুকের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাত বছরের কন্যা শিশুর বিবাহের পক্ষে প্রচারণা চালায়। প্রতিনিয়ত ভারতের চিকেন নেক আর সেভেন সিস্টার দখলের হুমকি দেয়। এদিকে সবুজ টি-শার্ট পরা একদল জঙ্গি যে পার্বত্য চট্টগ্রামের একটা অংশ কার্যত দখলে নেয়ার মহড়া দিচ্ছে সে ব্যাপারে তাদের কোনো হুঁশ নেই, কারণ এটি ভারতের সীমান্তে নয়। বাংলাদেশের মানুষ তাদের মেধা-মননের স্তর, শিক্ষা-দীক্ষার হতশ্রী অবস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও মানসিক দৈন্য স্বত্ত্বেও অনেক বেশি পেয়ে গিয়েছে। কাজেই কোনটা সঠিক তা বোঝার আগেই তারা একটি বিভ্রান্তির মধ্যে ঢুকে পড়তে বিবেক বিবেচনা কাজে না লাগিয়ে স্বনির্ধারিত যুক্তি দাঁড় করায়।

যার যা প্রাপ্য তাদের সেইটুকুই পাওয়া উচিৎ। বিশ্ববাটপার ইউনূসের রান্নাঘরের বাবুর্চিরা এখন হাত ধুয়ে ফেলেছেন, তাঁরা কেউই কিছু জানেন না। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁরাও যার যা প্রাপ্য সেটুকু নিশ্চয়ই পাবেন।

- মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান

এখনকার শহরের বাচ্চারা গরু দেখে বছরে একবার, কোরবানির ঈদের সময়। এরকম একজন বাচ্চাকে গরুর রচনা লিখতে দিলে কেমন লিখবে, তা দে...
28/05/2026

এখনকার শহরের বাচ্চারা গরু দেখে বছরে একবার, কোরবানির ঈদের সময়। এরকম একজন বাচ্চাকে গরুর রচনা লিখতে দিলে কেমন লিখবে, তা দেখা যাক:

ভূমিকা : গরু একটি কোরবানির প্রাণী। বছরে কেবল কোরবানির ঈদের সময় জ্যান্ত গরু দেখা যায়। অন্য সময় ওরা মাংস হয়ে যায়। সবসময় গরু বাসায় আসে বাজারের ব্যাগে করে, কোরবানিতে আসে হেঁটে-হেঁটে।
বর্ণনা : গরুর ৪টি পা থাকলেও কোনও হাত নেই। ওরা ডিরেক্ট মুখ দিয়ে খেতে পারে। গরুর একটি মাথা, দুটি কান, দুটি শিং এবং গায়ে লোম রয়েছে। গরুর অনেক কষ্ট। ওরা শুয়ে-শুয়ে ঘুমাতে পারে না। বসে- বসে ঘুমায়। গরুরা কাপড় পরে না, ওরা টয়লেটও ইউজ করে না। গরুরা সবসময় মালা পরে থাকে। গরুরা গাড়িতে চড়তে পারে না। তাই হেঁটে- হেঁটে বাসায় ফিরতে হয়। প্রত্যেক গরুর শিং আছে।
প্রকারভেদ : গরু অনেক প্রকার হতে পারে। দুষ্টু গরু, ভালো গরু, পচা গরু। এবার আমাদের কোরবানির গরুটা দুষ্টু
গরু, আগের বছরেরটা ছিল ভালো গরু। শিং ধরলে কিছু বলত না। এটা হাম্বা করে ডাক দিয়ে ওঠে।

খাবার : গরু শুধু ঘাস, ভুসি আর পানি খায়। তবে অল্প অল্প ভাতও খেয়ে থাকে।

বাসস্থান : গরু গাবতলীতে থাকে আর বাসার নিচে থাকে।

উপকারিতা : গরুর উপকারিতা অনেক। গরু আমাদের কোরবানির দিন অনেক- অনেক মাংস দেয়।

অপকারিতা : গরুর অপকারিতাও অনেক। যদিও বইতে আছে গরু দুধ দেয়, আসলে গরু দেয় গোবর, গুঁতাও দেয়। বেশি ডিস্টার্ব করলে লাথিও দেয়। তাছাড়া গোবরের গন্ধ অনেক পচা। গুঁতা দিলে ব্যথা লাগে।

উপসংহার : সবশেষ কথা হল, গরুর মাংস খুব সুস্বাদু। খাবার পরে কেবল হাতে চর্বি লেগে থাকে আর দাঁতে মাংস ঢুকে যায়। গরু একটি উপকারী ও প্রয়োজনীয় প্রাণী। কারণ গরু না থাকলে এমন উত্সব হত না। ফলে স্কুলও ছুটি দিত না। অতএব গরু একটি প্রয়োজনীয় প্রাণী।

Address

Shariatpur Sadar
Chikandi
8000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shariatpur, শরিয়তপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share