04/10/2026
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
হযরত শাহ আব্দুল মালেক (রহ:) তিঁনি আলেম সমাজের 'বাহরুল উলুম' বা জ্ঞানের সাগর এবং আধ্যাত্মিক জগতের জীবন্ত কিংবদন্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি দুনিয়াবি মোহ-মায়া ত্যাগ করে ইলম (জ্ঞান), ইবাদত রিয়াজদ, ও মানবসেবায় জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর মাধ্যমে বহু মানুষ আধ্যাত্মিক দিশা লাভ করেন। হযরত শাহ্ আব্দুল মালেক (রা:)-এর পূর্ব পুরুষগন আরবস্থান থেকে দিল্লী আগমন করেন। মোঘল শাহজাদা সুজার সংগে দক্ষিন চট্টগ্রামে আসেন ১৬৬৪ সালে,১৭৭০ সালের দিকে কুতুবদিয়া দ্বীপে বসতি স্থাপন করেন। হযরত শাহ আবদুল মালেক আল-কুতুবী (রহ:) এর কুতুব শরীফ দরবার ১৯৬০ সালে থেকে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার আল্লাহ প্রদত্ত অসীম রুহানী-নুরানী আলোয় উদ্ভাসিত। আধ্যাত্মিক চেতনালোকের আকর্ষণ দেশ-দেশান্তর থেকে লোকজন সাগর পাড়ি দিয়ে এখানে ছুটে আসেন, দ্বীন-দুনিয়া দু'জাহানের সৌভাগ্য হাছিল করেন। কুতুব শরীফ দরবার একটি আধ্যাত্মিক প্রাণকেন্দ্র, আধ্যাত্মিক বিষয় সংজ্ঞাভিত্তিক নয়, অভিজ্ঞতাভিত্তিক। হযরত শাহ আবদুল মালেক (রহ:) তিঁনি আধ্যাত্মিক জগতের অদৃশ্য ধারাবাহিকতা অধিকারী ছিলেন, যাকে বলা হয় রেজালুল গায়েব। তিনি শেষ যামানার সংস্কারক, তাই তাঁর দরবারে শরীফে কোন শরিয়ত পরিপন্থী কার্যক্রমের অনুমোদন নেই #কুতুবদিয়া #মালেক #শাহ #কুতুবশরীফদরবার
#কুতুবদিয়া #কক্সবাজার #ইসলামিকপোস্ট
#সাপোর্টএবংভালোবাসাচাই