Chittagong Helpline- চিটাগং হেল্পলাইন ১

Chittagong Helpline- চিটাগং হেল্পলাইন ১ চিটাগং হেল্পলাইন

চট্টগ্রামে শতবার কল দিয়েও মেলে না ডাক্তারের সিরিয়াল: চরম ভোগান্তিতে রোগীরা, সহজলভ্য ও রোগী-বান্ধব সিরিয়াল পদ্ধতি নিশ্চিত...
05/08/2026

চট্টগ্রামে শতবার কল দিয়েও মেলে না ডাক্তারের সিরিয়াল: চরম ভোগান্তিতে রোগীরা, সহজলভ্য ও রোগী-বান্ধব সিরিয়াল পদ্ধতি নিশ্চিত করা হোক।

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে এক অভিনব ও যন্ত্রণাদায়ক সংকট দেখা দিয়েছে। অসুস্থ শরীর নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা সিরিয়াল পেতে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। প্রযুক্তির এই যুগে যেখানে ঘরে বসেই সব সেবা পাওয়ার কথা, সেখানে চট্টগ্রামে চিকিৎসকের সিরিয়াল পাওয়া লটারির টিকিট পাওয়ার মতো ভাগ্য নির্ধারণী বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অনেক রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের চেম্বারে নির্দিষ্ট নম্বরে শতবার কল করেও কোনো সাড়া মিলছে না। কখনো নম্বর ব্যস্ত থাকে, আবার কখনো ফোন ধরলেও সিরিয়াল শেষ বলে সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।

ফোন লাইনে যেন এক অদৃশ্য যুদ্ধ: ভুক্তভোগী রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চট্টগ্রামের নামী-দামি বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে সিরিয়াল দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সাধারণ মানুষের জন্য একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময়ে (সাধারণত সকালে বা বিকালে) সিরিয়াল নেওয়ার জন্য ফোন লাইন খোলা হয়। কিন্তু সেই নির্ধারিত সময়ে কল দেওয়া শুরু করলে লাইনে ঢোকাই অসম্ভব হয়ে পড়ে।

নগরের জিইসি মোড় এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী মো. নেজাম উদ্দিন বলেন, "আমার বৃদ্ধ বাবার হার্টের সমস্যার জন্য একজন নামকরা কার্ডিওলজিস্টের সিরিয়াল দরকার ছিল। চেম্বার থেকে বলা হয়েছে প্রতিদিন বিকেল ৪টায় ফোন করতে। আমি এবং আমার ভাই দুজনে মিলে দুইটা ফোন থেকে টানা এক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৫০ বার কল দিয়েছি। হয় নম্বরটি ব্যস্ত দেখায়, আর যখন রিং হয় তখন কেউ ধরে না। বিকেল ৫টায় যখন একজন ফোন ধরলেন, তখন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় জানালেন—আজকের মতো সিরিয়াল শেষ, আগামীকাল আবার ট্রাই করুন।"

দালাল চক্রের পোয়াবারো, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সিরিয়াল: ডিজিটাল বা টেলিফোনিক এই অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিয়ে নগরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সামনে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র। সাধারণ মানুষ ফোনে কল করে সিরিয়াল না পেলেও, এই দালালদের অতিরিক্ত টাকা দিলে অলৌকিকভাবে দ্রুত সিরিয়াল মিলে যায়।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনেক চেম্বারের সহকারী বা বুকিং সহকারীদের সাথে এই দালাল চক্রের গোপন যোগাযোগ রয়েছে। সাধারণ রোগীদের জন্য "লাইন ব্যস্ত" বা "সিরিয়াল শেষ" বলা হলেও, দালালদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু স্লট বা সিরিয়াল বুক করে রাখা হয়। ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার সিরিয়ালের জন্য এই দালালরা রোগীদের কাছ থেকে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। গ্রামীণ এলাকা বা দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসহায় রোগীরা বাধ্য হয়ে এই বাড়তি টাকা দিয়ে সিরিয়াল কিনছেন।

ভোগান্তির মূল কারণ কী? সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এই সংকটের পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা গেছে:

অপ্রতুল কল সেন্টার ব্যবস্থা: বেশিরভাগ চিকিৎসকের চেম্বারে সিরিয়াল নেওয়ার জন্য মাত্র একটি বা দুটি মোবাইল নম্বর দেওয়া থাকে। এক সাথে হাজার হাজার মানুষ কল করায় লাইন জ্যাম হয়ে যায়।

অনলাইন বুকিংয়ের অভাব: আধুনিক যুগেও চট্টগ্রামের অধিকাংশ নামকরা ডাক্তার এখনো কোনো অ্যাপস বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডিজিটাল সিরিয়াল ব্যবস্থা চালু করেননি।

কৃত্রিম সংকট তৈরি: সিরিয়াল বুকিংয়ের দায়িত্বে থাকা সহকারীদের অবহেলা এবং নিজস্ব পরিচিত বা দালালদের সুবিধা দেওয়ার প্রবণতা।

শহরে চিকিৎসকদের অতি-কেন্দ্রীকরণ: চট্টগ্রামের সব ভালো মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নির্দিষ্ট কয়েকটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে বসেন, ফলে সেখানে রোগীর চাপ ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায়।

রোগীদের ক্ষোভ ও বিশেষজ্ঞ মত,এই পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসার মতো একটি মৌলিক অধিকার পেতে কেন এভাবে ফোনের পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় অপচয় করতে হবে, সেই প্রশ্ন তুলছেন সবাই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যখাতের এই বিশৃঙ্খলা দূর করতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় ও জবাবদিহিতামূলক একটি ডিজিটাল বুকিং সিস্টেম চালু করা উচিত। যেখানে রোগীরা স্বচ্ছতার সাথে দেখতে পাবেন কতটি সিরিয়াল খালি আছে এবং ঘরে বসেই বুকিং করতে পারবেন। এতে যেমন দালালি বন্ধ হবে, তেমনি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও মানসিক হয়রানি কমবে।

চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিক সমাজ ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দাবি, স্বাস্থ্য বিভাগ যেন দ্রুত এই সিরিয়াল বাণিজ্যের দিকে নজর দেয় এবং একটি আধুনিক, সহজলভ্য ও রোগী-বান্ধব সিরিয়াল পদ্ধতি নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বাধ্য করে।

03/08/2026
সিএনজি অটোরিকশায় লোহার গ্রিল: নিরাপত্তার বাহন এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’সড়কে যাত্রী সুরক্ষার নামে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় লাগানো লোহ...
22/07/2026

সিএনজি অটোরিকশায় লোহার গ্রিল: নিরাপত্তার বাহন এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’

সড়কে যাত্রী সুরক্ষার নামে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় লাগানো লোহার গ্রিল এখন সাধারণ মানুষের জন্য বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা সময় সড়ক-মহাসড়কে ছিনতাই, টানাপার্টি ও যাত্রী হয়রানি রোধে অটোরিকশার দুই পাশে লোহার গ্রিল বা খাঁচা দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এই সুরক্ষাকবচই এখন যাত্রীদের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদ’ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু সড়ক দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পর অটোরিকশার ভেতরের যাত্রীরা দ্রুত বের হতে পারেন না। গ্রিল দিয়ে চারপাশ লক বা আটকে থাকার কারণে উল্টে যাওয়া বা আগুন লাগা গাড়ি থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে পথচারীরা উদ্ধার করতে চাইলেও গ্রিলের কারণে ভেতর থেকে যাত্রীদের টেনে বের করা যায় না। ফলে সামান্য আঘাতেই বা সময়মতো বের হতে না পেরে অনেক যাত্রী মারা যাচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের মতে, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে আগের মতো টানা হেঁচড়া বা ছিনতাইয়ের ঘটনা অনেক কমে এসেছে। কিন্তু এই লোহার খাঁচায় বন্দি হয়ে যাতায়াত করা এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা দুর্ঘটনায় পড়লে এই গ্রিলের কারণে সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েন।

যাতায়াত নিরাপদ করতে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়াতে সিএনজি অটোরিকশা থেকে অবিলম্বে এই লোহার গ্রিল অপসারণ করা জরুরি। যাত্রী সাধারণ ও সচেতন মহলের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

💥 এর বাহিরেও কিছু কথা রয়ে যায়- অনেক সময় সিএনজি ড্রাইভার এর সাথে কথা কাটাকাটি হয়, ড্রাইভার খুবই বাজে আচরণ তখন এই গ্রিলের কারণে তার উত্তম মাধ্যম মানে মাইর দিতে পারিনা😁😁😁

দিনে-দুপুরে একটা অফিসে ঢুকে একজন মানুষের অ*কোষ চেপে ধরে চেকে সই নেওয়া এটা কোনো সভ্য দেশে সম্ভব? বরিশালের সদর রোডে অগ্রণী...
05/07/2026

দিনে-দুপুরে একটা অফিসে ঢুকে একজন মানুষের অ*কোষ চেপে ধরে চেকে সই নেওয়া এটা কোনো সভ্য দেশে সম্ভব?

বরিশালের সদর রোডে অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডি আব্দুল আজিজ হাওলাদারের সাথে ঠিক এই মধ্যযুগীয় ব' র্ব' র' তা' টাই করা হয়েছে!

কাটপট্টি রোডের মোস্তাফিজ রহমান লিটু নামের এক ব্যক্তি দলবল নিয়ে আব্দুল আজিজ সাহেবের অফিসে ঢোকে। প্রথমে ভয়ভীতি দেখায়, তারপর শুরু করে চরম শারীরিক নি***তন।

একপর্যায়ে ওই ব্যবসায়ীর স্পর্শকাতর জায়গায় চেপে ধরে জোরপূর্বক দুটি চেক ও দুটি স্ট্যাম্পে সই করিয়ে নেয়!
মানেহ কতটা জ' ঘ' ন্য কাজ ভাবতে পারেন!!!! 🙂

অ' প' রা' ধীরা হয়তো ভেবেছিলো বিষয়টি চার দেয়ালের মাঝেই চাপা পড়ে থাকবে।
কিন্তু কথায় আছে না,পাপ বাপকেও ছাড়ে না।

এই ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ কোনোভাবে ফাঁস হয়ে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
​ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়া মাত্রই পুরো বরিশাল জুড়ে তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ফেসবুক, ইউটিউব এখন এই ঘটনায় উত্তাল। মানুষ স্তম্ভিত, ক্ষুব্ধ!
প্রশ্ন উঠছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকতে দিনে-দুপুরে একটা শহরের প্রধান সড়কের অফিসে ঢুকে এভাবে একটা মানুষকে নি**তন করা যায় কীভাবে?

চরম ট্রমা এবং লোকলজ্জা কাটিয়ে উঠে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ হাওলাদার এখন এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয়ে উপযুক্ত বিচার এবং নিজের ছি**তাই হওয়া চেক ও স্ট্যাম্প উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

নিজের অফিসে বসেও যদি একজন নাগরিক নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? মোস্তাফিজ রহমান লিটু নামের এই অভিযুক্তকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো স***ন্সী এভাবে সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হওয়ার সাহস না পায়!🙂

Address

S. M S City Complex , 2nd Floor, Golzar Mor, Chawkbazar
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong Helpline- চিটাগং হেল্পলাইন ১ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category