Chittagong, চট্টগ্রাম

Chittagong, চট্টগ্রাম Chittagong District, officially known as Chattogram District, is a district located in the south-eastern region of Bangladesh.

চট্টগ্রাম জেলা, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর অঞ্চল। এটি দেশের প্রধান বাণিজ্যিক ও সমুদ্রবন্দর হিসেবে পরিচিত এবং চট্টগ্রাম শহর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। চট্টগ্রাম জেলার বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক দৃশ্য, সমুদ্র সৈকত, পাহাড়, নদী, এবং চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি এ অঞ্চলকে একটি অন্যতম পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করেছে।

চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের

মধ্যে অন্যতম হলো কক্সবাজারের দীর্ঘ সৈকত, হালিশহরের পাহাড়, সীতাকুণ্ডের ঝর্ণা, এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন মন্দির ও ঐতিহাসিক স্থান। চট্টগ্রাম বন্দরের কারণে এটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকা শক্তি। এখানকার শিল্প, ব্যবসা, এবং পর্যটন খাত দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয়।

চট্টগ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য, মৎস্য আহরণ, কৃষি এবং শিল্পের ওপর ভিত্তি করে। এখানকার মিষ্টান্ন, খাদ্যসংস্কৃতি, এবং স্থানীয় উৎসবগুলি চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও বৃদ্ধি করে। চট্টগ্রামে প্রচলিত বৈশাখী মেলা, নৌকা বাইচ, ধর্মীয় উৎসব এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থানীয় জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই ফেসবুক পেজটি চট্টগ্রাম জেলার ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার জন্য একটি আধুনিক প্ল্যাটফর্ম। আমরা চট্টগ্রামের সকল ঐতিহ্য এবং উজ্জ্বল দিকগুলোর প্রচার করতে চাই এবং এখানকার উন্নয়ন ও পর্যটন সম্ভাবনা বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিতে চাই।

চট্টগ্রাম জেলা ফেসবুক পেজ – সমুদ্র, পাহাড়, বন্দর, ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য সঙ্গম।

#চট্টগ্রাম #চট্টগ্রাম_জেলা #চট্টগ্রাম_শহর #বাংলাদেশ #কক্সবাজার #হালিশহর #সীতাকুণ্ড #চট্টগ্রাম_বন্দর #প্রাকৃতিক_সৌন্দর্য #সমুদ্র_সৈকত #পাহাড় #চট্টগ্রাম_ঐতিহ্য #চট্টগ্রাম_সংস্কৃতি #মিষ্টান্ন #গ্রামীণ_বাংলাদেশ #বাণিজ্যিক_চলাচল #স্থানীয়_উৎসব #ধর্মীয়_উৎসব #নৌকা_বাইচ #চট্টগ্রাম_পর্যটন #বিশ্ব_ঐতিহ্য #অর্থনীতি #সাংস্কৃতিক_অনুষ্ঠান #কৃষি_উন্নয়ন #খাদ্য_সংস্কৃতি #চট্টগ্রাম_উন্নয়ন

পাকিস্তানের সাথে আমাদের ভবিষ্যৎ এমন
24/07/2026

পাকিস্তানের সাথে আমাদের ভবিষ্যৎ এমন

ইতিহাস রচিত হলো।লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷
22/06/2026

ইতিহাস রচিত হলো।
লিওনেল মেসি ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা! 🤩🇦🇷

'পাকিস্তানি ইসলাম' রুখে দিন---------------------------বুঝতে পারছেন, দেশ এক ভয়াবহ সাংস্কৃতিক বিকৃতির দিকে যাচ্ছে। ৫/৬ বছর...
22/06/2026

'পাকিস্তানি ইসলাম' রুখে দিন
---------------------------

বুঝতে পারছেন, দেশ এক ভয়াবহ সাংস্কৃতিক বিকৃতির দিকে যাচ্ছে। ৫/৬ বছরের কন্যাশিশুদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। মাদ্রাসায় নিয়মিত চলছে ছেলে শিশুদের বলৎকার। সেদিন এক পোর্টালে দেখলাম এক মাদ্রাসার ৪২ জন নারী শিক্ষার্থীর সকলকেই একে একে ধর্ষণ করেছে একজন 'ধর্মীয় শিক্ষক'। এছাড়া নিয়মিত পরকীয়া করতে গিয়ে ধরা খাচ্ছে জামায়েতে ইসলামীর লোকজন।

একটু আগে ফেসবুকে দেখলাম চরম বিকৃতির এক ছবি। মেট্রোরেলে দুই পঞ্চাশোর্ধ্ব পুরুষ মোবাইলে কী যেন দেখে একজন অন্যজনের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করছে। দুজনের গালভরা দাড়ি। এসব দেখলে বিবমিষা জাগে। মনে হচ্ছে পুরো জাতি মানসিক অসুস্থতায় ভোগছে।

যৌনতা মানুষের শারীরিক চাহিদা। একজন পরিণত মানুষের যৌন আকাঙ্খা থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই আকাঙ্খা যদি সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায়, তখন ব্যক্তির মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তখন বুঝতে হবে তার শারীরিক চাহিদাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করছে মন। মনে যেহেতু একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে আটকে গেছে, তাই ঐ বিষয় ছাড়া আর কোনো কিছুতে সে তৃপ্তি পাচ্ছে না। এর কৃত বিকৃত সকল রূপ সে দেখে নিতে চায়।

এ যৌন বিকৃতি খুব দ্রুত জাতীয় স্বাস্থ্য সমস্যায় রূপ নিতে যাচ্ছে। নব্বই দশকে বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী ক্যাম্পেইন চালিয়ে এইডসকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছিল। এখন যৌনকর্মীরা পর্যন্ত নিরাপদ যৌন সম্পর্ক স্থাপন বিষয়ে সচেতন। কিন্তু মাদ্রাসার হুজুররা এ বিষয়ে একেবারে উদাসীন। আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের আলো এদের স্পর্শ করেনি। এরা তাদের ওস্তাদদের অনুসরণ করে পায়ুকামিতা চালিয়ে যাচ্ছে। পাবনায় সম্প্রতি ১৬ জন এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনই মাদ্রাসার শিক্ষক।

এই বিকৃত সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ার জন্য বাংলাদেশের পাকিস্তানপন্থী ওয়াহাবি মোল্লারাই দায়ী। যৌন অনাচারে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম জাতি হলো পাকিস্তানীরা। এরা নিয়মিত গাধা ও ছাগলের সঙ্গে মিলিত হয়। এমনকি এটা রোধে রীতিমতো আইন করা হয়েছে। এই আইনে দোষী ব্যক্তির ২ বছর জেল হওয়ার কথা। কিন্তু সামাজিক বিচারে আক্রান্ত প্রাণীকে জবাই করে সমস্যার সমাধান করা হয়।

সারা দুনিয়া পাকিস্তানীদের ধর্ষক হিসেবে জানে এবং ঘৃণা করে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে পাকিস্তানী ধর্ষক চক্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়েছে। আরটি ইন্টারন্যাশনালের খবরে বলা হয়, ব্রিটিশ সরকার পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে ২০০০ সালের পর থেকে প্রায় ২,৫০,০০০ নারী ও শিশু এই ধর্ষণ চক্রের শিকার হয়েছে।

এই পাকিস্তান এখন হয়ে উঠেছে আমাদের আদর্শ। দুই পাকিস্তান এক থাকলে কত ভালো হত সেই গীত গেয়ে বেড়াচ্ছে অনেকে। একদিকে পাকিস্তানের প্রশংসা, অন্যদিক অন্য জাতির প্রতি তীব্র ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। বিশ্বকাপে বাসার ছাদে অন্য দেশের পতাকা ওড়ানোকে নিয়ে প্রতিদিন ফতোয়া দেয়া হচ্ছে।

একজন নাস্তিকের (যারা পিতার ধর্ম ছিল ইহুদি) বানানো প্লাটফরমে ইসলামের বয়ান করতে লজ্জা লাগে না? এক ধর্ম ছাড়া আর কি আছে আপনাদের ফুটানি মারানোর? চাল চলন শিক্ষা দীক্ষা সভ্যতায় পৃথিবীর অন্যতম নিকৃষ্ট জাতির আপনারা অনুসারী। নিজেরাও তথৈবচ। জ্ঞান বিজ্ঞান দর্শনে আপনাদের ন্যূনতম কোনো অবদান নেই। কষ্ট করে কামাই করতে হয় না। অন্যের দান দক্ষিণায় প্রতিদিন ঘাড়ে গর্দানে ফুলছেন। আয় দায়ের কোনো চিন্তা নাই, তাই মাথায় সারাক্ষণ শয়তান নেচে বেড়ায়। নিজেদের অবস্থান পাক পোক্ত করতে সমাজে উগ্রতা ছড়াচ্ছেন। আপনাদের বলা ‘বিধর্মীদের’ আবিষ্কৃত অথবা উৎপাদিত পণ্য ছাড়া আপনাদের একটা মুহূর্ত চলে না। অথচ যাদের এতো ঘৃণা করেন, তাদের আপনাদের কোনো প্রয়োজনই হয় না। তারপরও অন্য জাতিকে ছোট করে একধরনের আত্মরতিতে ভোগার সুখে মত্ত আপনারা।

বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে এ পরান্নজীবী জামাতী মোল্লাদের বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চারা হতে হবে। এরা লাগাতার হিংসা ছড়িয়ে সারা দুনিয়া থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে দিতে চায়। বিশ্বায়নের যুগে আমাদের সন্তানরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যাবে। বিভিন্ন জাতির সঙ্গে মিশবে। করবে উন্নততর চিন্তা ভাবনা। তখন জামাতীরা আমাদের ভেতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে উগ্র ওয়াহাবি চিন্তা। সারাক্ষণ সবকিছুতে পাপবোধ। আমাদের সন্তানরা বড়ো হচ্ছে অপরাপর জাতিগোষ্ঠীকে ঘৃণা করতে করতে। এভাবেই একসময় এরা উগ্রবাদের পথ ধরবে। উজ্জ্বল প্রতিষ্ঠিত জীবনের মাঝেই হঠাৎ হারিয়ে যাবে সন্ত্রাসের অন্ধকার গহ্বরে।

আমরা ছোটবেলায় দেখেছি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়ত প্যালেস্টাইনের জাতীয়তাবাদী সংগঠন পিএলও। এরা বিমান ছিনতাই থেকে শুরু করে বহু দুর্ধর্ষ অভিযান চালিয়েছে। সেই পিএলওর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ধূলিসাৎ করে ইসরায়েল-আরব যুদ্ধকে ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরের জন্য হামাসকে নিয়ে আসে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা। এই হামাস পুরো গাজা উপত্যকা কিন্তু তুলে দিয়েছে ইসরায়েলের হাতে। পিএলও গাজায় থাকলে এ কাজটা করার সুযোগ পেত না ইসরায়েল। হামাসের তাত্ত্বিক-পিতা বলা হয় মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডকে। এই মুসলিম ব্রাদারহুডের অনুসারী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী। জামায়াত আর ইউনুস মিলে হামাসকে ডেকে নিয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

গাজার মতো একই কাজ হয়েছে সিরিয়া ইরাকে। বাংলাদেশেও সেই প্লট রচনার কাজ চলছে। পরাশক্তিগুলো সাংস্কৃতি সামাজিক সব রকম দূষণ ঘটিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার একটি সন্ত্রাণপ্রবণ এলাকায় পরিণত করতে চায় বাংলাদেশকে। যুদ্ধ বিগ্রহের অজুহাত দেখিয়ে শক্ত একটা নৌঘাঁটি বানিয়ে ফেলা যাবে অনায়াসে।

বাঁচতে হলে উগ্রবাদের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে। এক পাকিস্তান ছাড়া পৃথিবীর কোন দেশে ওয়াজ মাহফিল আছে? নবীজির দেশ আরবে কী ওয়াজ হয়? এ পাকিস্তানী প্রোপাগন্ডার স্ট্র্যাটেজি নিষিদ্ধ করতে হবে। কিছু বলার থাকলে জুম্মার খুতবায় বলবেন। নারী ও যৌনতা বিষয়ক কোনো আলোচনা করা যাবে না। স্কুল কলেজে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। সরকার প্রাথমিকে গানের শিক্ষক নিয়োগের যে প্রস্তাব বাতিল করেছেন তা অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শরীরচর্চা ও ছবি আঁকার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। প্রত্যেক নাগরিকের নিয়মিত শরীরচর্চার ব্যবস্থা করতে হবে।

উগ্র ওয়াহাবিজমের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।

22/06/2026
22/06/2026

মাইক, রেডিও, টিভি, ছবি, ভিডিও - শুরুতে হারাম ছিলো, আলেমরা উপকার পাওয়ার পরে হালাল হয়েছে।

হুজুর বলে কি শখ আল্লাদ থাকতে নেই?
22/06/2026

হুজুর বলে কি শখ আল্লাদ থাকতে নেই?

:(
22/06/2026

:(

22/06/2026

১। ধরা খাইলে দ্বিতীয় স্ত্রী
২। বৌয়ের কাছে শহীদুলের স্ত্রী
৩। ফোন কল ফাঁস হলে মানবিক স্ত্রী
৪। কাবিন নামা দেখাতে বললে শরিয়তী স্ত্রী

20/06/2026

হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসায় জোয়ার আনতে প্রতিটা আবাসিক হোটেলে এখনই ৫০১ (এবং ৫০১-এ, বি, সি, ই) সিরিজের রুমের সংখ্যা যতদুর সম্ভব বাড়ানো হোক। যাতে তথাকথিত কিছু ‘মামুর নল-হক গ্রুপ তাদের দ্বীনি ভাইদের আমানত (বউ) নিয়ে এসে নিশ্চিন্তে রুম বুক করতে পারেন; আর মনের আনন্দে ‘হাদি হাদি’ চিৎকার করে, শাওয়া-মাওয়া ছিড়ে একদম হুলস্থুল করে ফ্যাসিবাদ বিরুধি বিজয়োল্লাসে মেতে উঠতে পারেন!
​এতে একদিকে যেমন হোটেল মালিকদের ইহকালীন ব্যবসা চাঙ্গা হবে, অন্যদিকে মামু নল-হকদের মতো ধর্মজীবী খাটমুল্লাদের ‘কামযন্ত্রণা’ লাঘব হয়ে আখেরাতের খাতাও ভারী হবে।
​উভয় পক্ষের জন্যই এক দারুণ সওয়াবের কামকারবার!পাশাপাশি বর্তমান সরকারের উচিৎ "রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নাম্বার রোমটিকে বুলডোজার দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে জুলাই যাদুঘরে স্থাপন করা। যাতে করে জেন-আলফারা জানতে পারে কিভাবে পরকীয়ার মাধ্যেমেও ফ্যাসিবাদ বিরুধি আন্দোলন করা যায় এবং পরকালের অসীম সওয়াব কামানো যায়😁

20/06/2026

ইংকেলাব জিন্দাবাদ
৫০১ জিন্দাবাদ

Address

Sadar Road Sadar
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong, চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Chittagong, চট্টগ্রাম:

Shortcuts

Share