Bangladesh Freedom & Justice Party - BFJP

Bangladesh Freedom & Justice Party - BFJP Official Page of
Bangladesh Freedom & Justice Party - BFJP

মিরপুরে 'রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি' স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলের বর্বরোচিত ঘটনায় বিএফজেপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ=...
27/09/2026

মিরপুরে 'রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি' স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলের বর্বরোচিত ঘটনায় বিএফজেপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
=======

১৯৭৪ সাল থেকে সুবিধাবঞ্চিত মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসা মিরপুর ১ নম্বরের 'রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি' স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি স্থানীয় সরকার দলীয় লোকজনের অনৈতিক দখলদারির শিকার হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এই জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানটিকে রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এই ঘটনায় বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি-বিএফজেপি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিএফজেপি প্রেসিডেন্ট মো. ইলিয়াছ মিয়া বলেন-

সরকার ও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটলেও রাজনীতির অন্দরমহলে ঘাপটি মেরে থাকা দখলদার ও চাঁদাবাজদের চরিত্র যে বিন্দুমাত্র বদলায়নি, মিরপুরের রাড্ডা কেন্দ্র ধ্বংসের ঘটনা তারই এক জ্বলন্ত প্রমাণ। একটি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের পর জনগণের যে মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তার প্রত্যাশা ছিল, তা আজ আবারও প্রশ্নবিদ্ধ। এই জবরদখল কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর আঘাত নয়, এটি দেশের লাখো দরিদ্র মা ও শিশুর জীবন ও স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার অধিকারের ওপর সরাসরি হানা। এই দুর্বৃত্তায়িত বলয় ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। এখনই সময় দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সব ধরনের দখলদারিত্ব ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার।

আমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছি—অবিলম্বে এই জবরদখলের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে সাধারণ জনগণ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।"

প্রচারে-
মোহাম্মদ ইলিয়াছ রিয়াদ
পাবলিক রিলেশন এন্ড ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি- বিএফজেপি

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব, শান্তির দূত, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতিবিজড়িত সুমহান দিন ‘প...
26/08/2026

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব, শান্তির দূত, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতিবিজড়িত সুমহান দিন ‘পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’ উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে মোবারকবাদ জানিয়েছে বিএফজেপি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
=====
পবিত্র মিলাদুন্নবির এই মহান দিনে বিএফজেপি প্রেসিডেন্ট মোঃ ইলিয়াছ মিয়া মুসলিম উম্মাহকে রাসূলের আদর্শ ধারণ করার আহবান জানিয়ে বলেন- মহান রাব্বুল আলামিন প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ বা সারা জাহানের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন। তাঁর আগমন হয়েছিল অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়বিচার, সাম্য, শান্তি, মানবতা এবং সত্যের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। তাঁর জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমেই কেবল ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রকৃত শান্তি, ন্যায়বিচার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

আজকের এই সংকুল ও অশান্ত বিশ্বে প্রিয়নবী (সা.)-এর শিক্ষা— পারস্পরিক সৌহার্দ্য, মানবাধিকার রক্ষা, অসহায় মানুষের অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ইনসাফ বা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। মহান এই দিনের শিক্ষাকে ধারণ করে আমাদের ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বিএফজেপি মহান আল্লাহর দরবারে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও ঐক্য কামনা করছে।

বার্তা প্রেরক-
মোহাম্মদ ইলিয়াছ রিয়াদ
পাবলিক রিলেশন এন্ড ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি (বিএফজেপি)

#বিএফজেপি #ঈদেমিলাদুন্নবী

২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিএফজেপি'র অভিনন্দন।প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ========বাংলাদেশের ২৩তম...
20/08/2026

২৩ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিএফজেপি'র অভিনন্দন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
========
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি- বিএফজেপি।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় বিএফজেপি প্রেসিডেন্ট মোঃ ইলিয়াছ মিয়া বলেন- রাষ্ট্রপতি হিসেবে জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিত্ব। আমি মনে করি তিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্য রক্ষায় দৃঢ় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা, গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা এবং সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞা দেশকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে আমি আশাবাদী।

নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফল কর্মময় জীবন কামনা করছি।

প্রচারে-
মোহাম্মদ ইলিয়াছ রিয়াদ
পাবলিক রিলেশন এন্ড ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি- বিএফজেপি

#বিএফজেপি

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং নিরাপদ ও বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বা...
04/08/2026

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং নিরাপদ ও বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান বিএফজেপি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
=======
আজ ৫ আগস্ট। স্বাধীনতাপ্রিয় ও মুক্তিকামী জনগণের রাজনৈতিক মুক্তি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের এক অবিস্মরণীয় বিজয়ের দিন।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, এ দেশের বীর ছাত্র-জনতা এক রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। গণঅভ্যুত্থানের অপ্রতিরোধ্য জোয়ারের মুখে স্বৈরাচারী সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় এবং ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের রাহুমুক্ত হয় আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

এই মহান দিনে "বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি-বিএফজেপি" সকল বীর শহীদ এবং আহত সকল জুলাই বিপ্লবীদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

এক বার্তায় দলের প্রেসিডেন্ট মোঃ ইলিয়াছ মিয়া দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন-

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান ছিল মূলত বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের মুক্তিস্বার্থের এক অভাবনীয় বিস্ফোরণ। সেদিন জাত, ধর্ম, বর্ণ বা দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের ছাত্র-জনতা, শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচালক, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, নারী ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষ ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াইয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মরিয়া ফ্যাসিস্ট সরকার এই গণআন্দোলন দমনে পৈশাচিক পথ বেছে নিয়েছিল। রাজপথে গণতান্ত্রিক জনগণের বুক লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছিল, এমনকি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের অংশ হিসেবে হেলিকপ্টার থেকেও জনগণের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। স্বৈরাচারের এই নির্বিচার বুলেট থেকে মায়ের কোলে থাকা অবুঝ শিশুরাও রেহাই পায়নি। শহীদদের এই রক্ত কোনোভাবেই বৃথা যেতে পারে না।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক কণ্ঠস্বর চিরতরে স্তব্ধ করতে পলাতক স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী দেশে গড়ে তুলেছিল শত শত হিটলারশাহী গোপন বন্দিশালা বা 'আয়নাঘর'। এই বন্দিশালার অন্ধকার প্রকোষ্ঠে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ অগণিত মুক্তিকামী মানুষকে নির্মম ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। বহু বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে, যাদের অনেকেই আজও তাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের কোলে ফিরে আসতে পারেননি। স্বৈরাচারের এই ফ্যাসিবাদের মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ভিন্নমত সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দিয়ে একটি পুলিশি রাষ্ট্র কায়েম করা।

ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের হীন রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং জনপ্রশাসনের মতো রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পূর্ণ ধ্বংস ও অকার্যকর করে ফেলেছিল। সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনগণের মৌলিক ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল এবং জাতীয় নির্বাচনগুলোকে একদলীয় প্রহসনে পরিণত করা হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে চলা এই লুটপাটের রাজত্বে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে দেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্রে রূপান্তর করা হয়েছিল। ব্যাংকিং খাতকে পদ্ধতিগতভাবে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করে অর্থ পাচার ও অনিয়মকে রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতির অংশ বানিয়ে তোলা হয়েছিল। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার মোহে দেশে চরম ব্যক্তিতন্ত্র ও মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হলেও, শেষ রক্ষা হয়নি। জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ সমস্ত স্বৈরাচারী দেয়াল নিমেষেই গুঁড়িয়ে দিয়েছে"

অন্য এক বার্তায় দলের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ খুবাইব জাতীয় ঐক্যের আহবান জানিয়ে বলেন- যেভাবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সকল দল, মত, পথ ও মতাদর্শের মানুষ ভেদাভেদ ভুলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিল, ঠিক একইভাবে আজকের এই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লড়াইয়েও সকল রাজনৈতিক দল ও শ্রেণী-পেশার মানুষকে একমঞ্চে কাজ করতে হবে। জাতীয় স্বার্থে সকল বিভেদ ভুলে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সাধন, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবামূলক খাতের সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে একটি টেকসই, বসবাসযোগ্য ও নিরাপদ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

জুলাইয়ের শহীদদের সুমহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বপ্নের বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি (বিএফজেপি) দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তি ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে।

প্রচারে-
মোহাম্মদ ইলিয়াছ রিয়াদ
পাবলিক রিলেশন এন্ড ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি -বিএফজেপি

#জুলাইগণঅভ্যুত্থান #বিএফজেপি

মাস্টারদা সূর্য সেন: জীবন, সংগ্রাম, বিপ্লব ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য।ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির মু...
29/07/2026

মাস্টারদা সূর্য সেন: জীবন, সংগ্রাম, বিপ্লব ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে যেসব ক্ষণজন্মা ব্যাক্তি জন্ম নিয়েছে, যাঁদের রাজনৈতিক দর্শন ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আজও আমাদের পথ দেখায়, তাঁদের মধ্যে মাস্টারদা সূর্য সেন অন্যতম।

১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া সূর্য সেন শিক্ষাজীবন শেষে পেশায় গণিতের শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন। কিন্তু শিক্ষকতার চার দেয়াল তাঁকে কেবল গতানুগতিক ছকে আটকে রাখতে পারেনি।

তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন যে, বিদেশি শোষণ ও পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হলে কেবল আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দরকষাকষি বা আপসকামিতা যথেষ্ট নয়; এর জন্য প্রয়োজন সুসংগঠিত রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং আমূল পরিবর্তনের মানসিকতা। তাঁর অকৃত্রিম দেশপ্রেম, সততা এবং সাধারণ মানুষের সাথে মেশার ক্ষমতার কারণেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় 'মাস্টারদা'।

মাস্টারদা সূর্য সেনের রাজনৈতিক দর্শন ও কর্মপদ্ধতি ছিল সুনির্দিষ্ট। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিপ্লবী যুবশক্তির সঠিক রাজনৈতিক দীক্ষাই পারে ঔপনিবেশিক শক্তির ভিত নাড়িয়ে দিতে। তাঁর নেতৃত্বে গঠিত 'ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি' (চট্টগ্রাম শাখা) কেবল একটি সশস্ত্র সংগঠন ছিল না, এটি ছিল পরাধীনতার বিরুদ্ধে বঞ্চিত মানুষের ক্ষোভ ও মুক্তির দ্রোহের বহিঃপ্রকাশ। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, কল্পনা দত্ত, অনন্ত সিংহের মতো সাহসী ও দূরদর্শী রাজনৈতিক কর্মীদের তিনি যেভাবে সংগঠিত করেছিলেন, তা তৎকালীন রাজনীতিতে নারী ও যুবসমাজের সমান অধিকার ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল।

তিনি বিশ্বাস করতেন সশস্ত্র বিপ্লব ছাড়া ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি অসম্ভব। তাঁর নেতৃত্বে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, কল্পনা দত্ত ও অনন্ত সিংহসহ একদল নির্ভীক বিপ্লবী গড়ে ওঠে।

তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ও দুঃসাহসিক অভিযান ছিল ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের ঐতিহাসিক 'চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার আক্রমণ'। এই অভিযানে বিপ্লবীরা অস্ত্রাগার দখল ও টেলিযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে চট্টগ্রামকে সাময়িকভাবে স্বাধীন করেন। পরবর্তীতে জালালাবাদ পাহাড়ে ব্রিটিশ বাহিনীর সাথে বিপ্লবীদের রক্তক্ষয়ী সম্মুখযুদ্ধ হয়।

দীর্ঘকাল আত্মগোপনে থেকে গেরিলা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পর ১৯৩৩ সালে এক অভ্যন্তরীণ বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে তিনি গ্রেফতার হন এবং ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী তাঁকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে।

এমনকি তাঁর মৃত্যুর পরও ব্রিটিশরা আতঙ্কিত হয়ে তাঁর মরদেহ সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছিল, যা প্রমাণ করে ভয়ংকর ঔপনিবেশিক শক্তির কাছেও তাঁর আদর্শ কতখানি ত্রাস সৃষ্টি করেছিল।

আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মাস্টারদা সূর্য সেনের জীবন ও সংগ্রাম আমাদের জন্য এক গভীর রাজনৈতিক বার্তা বহন করে। ব্যক্তিস্বার্থ বা ক্ষমতার মোহের ঊর্ধ্বে উঠে কীভাবে দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে স্থান দিতে হয়, তা তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া যায়।

যেকোনো ধরনের আধিপত্যবাদ, শোষণ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার যে দীক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন, তা আমাদের জাতীয় রাজনীতি এবং মুক্তিকামী লড়াইয়ের প্রেরণা হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।

======
বিএফজেপি মিডিয়া বিভাগ

#মাস্টারদাসূর্যসেন #বৃটিশবিরোধীআন্দোলন

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বিএফজেপি'র নিন্দা। প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ======হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ...
28/07/2026

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বিএফজেপি'র নিন্দা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
======
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে বর্বরোচিত হামলা এবং সার্কিট হাউজের মতো সুরক্ষিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি (বিএফজেপি)।

এক বার্তায় দলের প্রেসিডেন্ট মোঃ ইলিয়াছ মিয়া বলেন- পুলিশের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভেতর ঢুকে গাড়ি ভাঙচুর, মোবাইল-ক্যামেরা লুটপাট এবং নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের রক্ত ঝরানোর এই ঘটনা প্রমাণ করে, দেশে আইনের শাসন আজ সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত।

সরকারি দলের উগ্র লোকজনের সরাসরি অংশগ্রহণে সংঘটিত এই হামলা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর এক মারাত্মক আঘাত। সাধারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের ভূমিকা আজ রহস্যজনকভাবে নীরব। এ ঘটনার মধ্যে দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে।

বিএফজেপি স্পষ্ট ভাষায় দাবি জানাচ্ছে, অবিলম্বে এই বর্বরোচিত হামলায় জড়িত সরকারি দলের সন্ত্রাসী ক্যাডারদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রচারে-
মোহাম্মদ ইলিয়াছ রিয়াদ
পাবলিক রিলেশন এন্ড ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি- বিএফজেপি

#বিএফজেপি #এনসিপি #বিএনপি

নবাব সিরাজউদ্দৌলা: রাজনৈতিক দর্শন, অবদান, পতন, আমাদের রাজনৈতিক শিক্ষা এবং প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসন। ১৭৫৭ সালের ১৭ জ...
26/07/2026

নবাব সিরাজউদ্দৌলা: রাজনৈতিক দর্শন, অবদান, পতন, আমাদের রাজনৈতিক শিক্ষা এবং প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসন।

১৭৫৭ সালের ১৭ জুন পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হওয়ার মধ্য দিয়ে যে ট্র্যাজেডির সূচনা হয়েছিল, তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব নওয়াজেশ মুহাম্মদ সিরাজউদ্দৌলা।

ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে তাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে।

মাত্র ২২ বছর বয়সে (১৭৫৬ সালে) নানাজান আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর তিনি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন। তরুণ বয়সে ক্ষমতা গ্রহণ করলেও অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তিনি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখার দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন।

নবাব সিরাজউদ্দৌলার রাজনৈতিক দর্শন ও লক্ষ্য অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল। তিনি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে একটি বিদেশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন, কোনো শাসক শক্তি হিসেবে নয়। কোম্পানির বেআইনি বাণিজ্য ও কর ফাঁকি রোধে তিনি কঠোর অবস্থান নেন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশি শক্তির অযাচিত হস্তক্ষেপ ও আধিপত্য বিস্তার তিনি কোনোভাবেই মেনে নেননি। ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণে ব্রিটিশদের বাধা দেওয়া এবং কাসিমবাজার কুঠি অধিকার করার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে, তিনি একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন রাষ্ট্র গড়তে চান। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসী রূপ প্রথম অনুধাবন করতে পেরেছিলেন তিনি।

তিনিই প্রথম ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক ambitions-এর বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। চরম প্রতিকূলতা, ঘরের ভেতরের শত্রুদের বিশ্বাসঘাতকতা এবং সীমিত সামর্থ্য সত্ত্বেও তিনি শেষ পর্যন্ত বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করেননি। তাঁর এই অদম্য দেশপ্রেম পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ঔপনিবেশিকতাবিরোধী লড়াইয়ের মূল প্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।

তবে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন কোনো সাধারণ সামরিক পরাজয় ছিল না, এটি ছিল দেশীয় স্বার্থান্বেষী মহলের এক গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এর সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খাঁ, যিনি ক্ষমতার লোভে ব্রিটিশদের সাথে গোপন চুক্তি করেছিলেন এবং যুদ্ধের মাঠে নিষ্ক্রিয় থেকে বাংলার স্বাধীনতা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এছাড়া তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যাংকার ও বণিক শ্রেণি জগৎশেঠ ও মাহতাব চাঁদ নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ বজায় রাখতে নবাবের বিরোধিতায় অর্থায়ন করেছিল। রাজপরিবারের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও উচ্চাভিলাষের বশে রাজবল্লভ ও ঘসেটি বেগমও বিদেশি শক্তির সাথে হাত মিলিয়েছিল।

রবার্ট ক্লাইভ ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও লোভকে কাজে লাগিয়ে চাণক্য নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে বাংলার মসনদ দখল করেছিল।

এই পতনের ফলশ্রুতিতে বাংলা তথা পুরো উপমহাদেশকে প্রায় ২০০ বছর (১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত) ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও চরম শোষণের জাঁতাকলে পিষ্ট হতে হয়েছিল। পলাশীর সেই মর্মান্তিক পরাজয় আমাদের পরাধীনতার দীর্ঘ ইতিহাসের সূচনা করেছিল।

নবাব সিরাজউদ্দৌলার ইতিহাস আমাদের আধুনিক রাজনীতির জন্য কিছু চিরন্তন ও কঠোর শিক্ষা দিয়ে যায়। যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লোভ এবং বাইরের শক্তির সাথে হাত মেলানো বা দালালি সবচেয়ে বড় হুমকি।

মীর জাফরদের বিশ্বাসঘাতকতা প্রমাণ করে যে, ঐক্য বিনষ্ট হলে বাইরের শক্তি সহজেই বিজয়ী হয়। ব্যক্তিগত উচ্চাভিলাষ বা সংকীর্ণ স্বার্থের কারণে যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিসর্জন দেয়, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করে না। অর্থনৈতিক শোষণের মাধ্যমে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের যে অপচেষ্টা ব্রিটিশরা চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে আপসহীন নেতৃত্বই হলো প্রকৃত দেশপ্রেম। আজকের দিনেও যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আধিপত্যবাদ মোকাবিলায় দূরদর্শী রাজনৈতিক ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।

====
বিএফজেপি মিডিয়া বিভাগ
#নবাবসিরাজুদ্দৌলা #বিএফজেপি

BFJP Congratulates Andy Burnham on Assuming Office as UK Prime MinisterPress Release:===========Following the resignatio...
25/07/2026

BFJP Congratulates Andy Burnham on Assuming Office as UK Prime Minister

Press Release:
===========
Following the resignation of Keier Starmer, Andy Burnham has taken office as the new Prime Minister of the United Kingdom. On this occasion, the Bangladesh Freedom and Justice Party (BFJP) extends its sincere congratulations.

We firmly believe that under his dynamic and visionary leadership, the UK will continue to advance toward global peace, democracy, and economic prosperity.

In a statement, BFJP President Md. Ilias Miah stated:

"We are confident that our historical and bilateral ties with the new British administration will grow even stronger in the days ahead. His assumption of office will play a highly positive role in fostering mutual cooperation, upholding democratic values, and safeguarding the welfare of expatriates"

The Bangladesh Freedom and Justice Party (BFJP) remains firmly committed to maintaining cooperative relations with all democratic nations worldwide. We wish the newly appointed Prime Minister resounding success and look forward to even deeper partnership between Bangladesh and the United Kingdom.

Issued By-
Mohammad Elias Riyad
Public Relations and Campaign Director
Bangladesh Freedom and Justice Party - BFJP

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি (বিএফজেপি) জুলাই অভ্যুত্থানে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ...
16/07/2026

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি (বিএফজেপি) জুলাই অভ্যুত্থানে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করছে।

এক বার্তায় বিএফজেপি প্রেসিডেন্ট মোঃ ইলিয়াছ মিয়া বলেন-
স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, বৈষম্যমুক্ত নয়া রাষ্ট্র বিনির্মানের লক্ষ্যে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের মসনদ ভেঙ্গে দিতে ২০২৪ এর জুলাইতে ঘটেছিলো এক অভূতপূর্ব বিপ্লব।

আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি আজকের এই দিনে শহীদ আবু সাঈদ সহ শহীদ হওয়া সেই সকল শহীদকে। তাঁদের স্বপ্ন ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে জনগণের ইচ্ছা, আইনের শাসন, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়ের ভিত্তিতে।

বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি (বিএফজেপি) বিশ্বাস করে, শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় অঙ্গীকারের চিরন্তন প্রেরণা হয়ে থাকবে।

প্রচারে-
বিএফজেপি মিডিয়া বিভাগ

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের মৃত্যুতে বিএফজেপির গভীর শোক প্রকাশ।প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ===========সজ্জন রাজনীতি...
12/07/2026

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের মৃত্যুতে বিএফজেপির গভীর শোক প্রকাশ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
===========
সজ্জন রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট আইনজীবী, সাবেক স্পিকার এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার ইন্তেকাল করেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি-বিএফজেপি গভীর শোক প্রকাশ করছে।

এক বার্তায় দলের প্রেসিডেন্ট মো ইলিয়াছ মিয়া বলেন-
"তিনি ছিলেন দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির একজন অভিজ্ঞ, সৎ ও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্র, সাংবিধানিক শাসন, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একজন আইনজীবী, সংসদ সদস্য, স্পিকার এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্বশীলতা, শালীনতা ও সততার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় নিরপেক্ষতা, সংসদীয় রীতি-নীতি প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, বিনয়ী ব্যক্তিত্ব এবং দেশপ্রেম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

আমি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন"

প্রচারে-
মোহাম্মদ ইলিয়াস রিয়াদ
পাবলিক রিলেশন এন্ড ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর
বাংলাদেশ ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি-বিএফজেপি

#বাংলাদেশ #শোকবার্তা #গণতন্ত্র

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Freedom & Justice Party - BFJP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Freedom & Justice Party - BFJP:

Shortcuts

Share